স্বাস্থ্য কুশল

শীতে যেসব রোগের প্রকোপ বাড়ে

প্রকাশিত হয়েছে: ৩০-১২-২০১৯ ইং ০০:৩৯:৫২ | সংবাদটি ১১২ বার পঠিত

শীতের আগমন ঘটেছে আমাদের বাংলাদেশে। এই শীত মৌসুমে নানা বয়সের মানুষের নানা রোগে আক্রান্ত বা নানা রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই শীত মৌসুমে আমাদের সকলকেই আরামদায়ক জীবন যাপনের জন্য একটু বেশি সতর্ক ও সচেতনা হতে হয়। তবে মনে রাখবেন সতর্কতা ও সচেতনতা অনেক রোগের আক্রমণ থেকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। শীত মৌসুমে আমাদের যেসব রোগের প্রকোপ বেড়ে যায় এগুলো হলো ঃ সর্দি, কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, চর্মরোগ ও বাত ব্যথা রোগ।
সর্দি কাশি ঃ ঋতু পরিবর্তনের শুরুতে প্রায় সব লোকই কম বেশি সর্দি কাশিতে ভোগে থাকেন। তার সাথে যুক্ত থাকে জ্বর। নাক দিয়ে বারবার পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি হয়। মাঝে মধ্যে মাথা ব্যথা, শরীরে ব্যথা, গলা ব্যথা এগুলো সাধারণ রোগ। ইনফ্লুয়েঞ্জার মাধ্যমে এ রোগগুলো হয়। তাছাড়া ভাইরাস জনিত কারণেও এধরনের রোগ দেখা দিতে পারে। সাধারণত যাদের শরীরে এন্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারাই এরোগে বেশি ভোগে। ভাইরাসের আক্রমণে দেহের দুর্বলতার সুযোগে ব্যাকটেরিয়াও আক্রমণ করতে পারে। আপনার সর্দি যদি খুব ঘন হয় বা হলুদাভ বা কাশির সাথে হলুদাভ বর্ণের কফ আসে তাহলে ধরে নিবেন আপনি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। খুব বেশী জ্বর, গলা ব্যথা এবং কাশি থাকলে অবশ্যই আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
করণীয় ঃ সর্দি কাশি আক্রান্ত হলে অন্যদের সাথে বিশেষ করে শিশুদের সাথে মেলামেশা উঠা বসা খুব সতর্কতার সাথে করতে হবে। কারণ হাঁচি কাশির মাধ্যমে শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। * হাঁচি দেবার সময় নাকে মুখে রুমাল অথবা টিস্যু পেপার ব্যবহার করতে হবে। * যেখানে সেখানে থুথু বা নাকের পানি বা শ্লেষা ফেলা যাবে না। * নিজের ব্যবহৃত রুমাল, গামছা বা কাপড় অন্যকে বা শিশুদের ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। * তরতাজা পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। * শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে। * বাসি বা ঠান্ডা খাবার পরিহার করতে হবে। * হালকা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করতে হবে। * দারচিনি, লেবু, এলাচ দিয়ে লাল চা পান করতে পারেন। * বেশি ঠান্ডা লাগলে কান ঢাকা গরম টুপি বা গলায় মাফলার ব্যবহার করতে পারেন। * বাহিরে বা রাস্তায় চলাফেরার সময় মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।
হাঁপানি ঃ হাঁপানি বা এজমা শ্বাসকষ্ঠের রোগ। এ রোগটি শুধু শীতকালের নয় সারা বছরের। তবে শীতের মৌসুমে তা বেড়ে যায়। তাই তীব্র শীত আসার আগেই সতর্কতা ও সচেতনতা খুবই প্রয়োজন। এতে এ রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং কষ্টের পরিমাণও কমে আসে।
কারণ ঃ যেসব খাবার খেলে এলার্জি হয় যেমন: চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ ইত্যাদি, বায়ুর সাথে ধোয়া, ধুলাবালি, ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। বংশগত কারণেও হাঁপানি হতে পারে। শিশুদের সর্দি কাশি থেকেও হাঁপানির সৃষ্টি হতে পারে।
লক্ষণ ঃ * হঠাৎ শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায়। * শ্বাস কষ্টে দম বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়। * ঠোঁট নীল হয়ে যায় ও গলার শিরা ফুলে যায়। * রোগী জোরে জোরে শ্বাস নেয়। * বুকের ভিতর সাঁই সাঁই শব্দ হয়। * কাশির সাথে সাদা কফ বের হয়। * শ্বাস নেওয়ার সময় রোগীর পাঁজরের মাঝে চামড়া ভিতরের দিকে ঢুকে যায়। * রাতের বেলায় রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট হয় বলে বিছানা ছেড়ে বসে থাকে।
করণী ঃ * যেসব খাবারে শ্বাস কষ্ট বেড়ে যায় তা পরিহার করতে হবে। * শরীরে ঠান্ডা লাগানো যাবে না। * ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে। * যেসব সংস্পর্শে হাঁপানি বেড়ে যায় তা থেকে বিরত থাকতে হবে, যেমন: পশুর লোম, কৃত্রিম আঁশ। * ধূমপান, গুল, সাদা পাতা, জর্দার ব্যবহার পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। * ডাক্তারের পরামর্শে চলতে হবে এবং ইনহেলার সবসময় সাথে রাখতে হবে। প্রয়োজনে ব্যবহার করতে হবে। * শ্বাস কষ্টের সময় তরল খাবার খেতে হবে। * ধুলাবালি হতে দূরে থাকতে হবে।
নিউমোনিয়া ঃ নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের রোগ। অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগার কারণে নিউমোনিয়া হতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ। পৃথিবী ব্যাপি ৫ বছরের নিচে শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো নিউমোনিয়া। আমাদের বাংলাদেশেও শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারণ নিউমোনিয়া। অভিভাবকদের সতর্কতা ও সচেতনতার ফলে এ রোগ থেকে অনেকাংশে বেঁচে থাকা যায়। এ রোগ প্রতিরোধ যোগ্য এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় যোগ্য।
কারণ ঃ নিউমোকক্কাস নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ। তাছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে।
লক্ষণ ঃ * ফুসফুসে শ্লেষা জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হয়। * কাশি এবং শ্বাস কষ্ট হয়। * বেশী জ্বর হয়। * বেশি আক্রান্ত হলে বুকের মধ্যে গড় গড় শব্দ হয়। * মারাত্মক শ্বাস কষ্ট হয় এবং শ্বাস গ্রহণের কষ্টে শিশুরা ছটফট করে।
করণীয় ঃ * ঠান্ডা লাগানো যাবে না। শীত উপযোগী হালকা ও নরম গরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে। * ঠান্ডা পানিতে গোসল করানো যাবে না। সহনীয় গরম পানিতে গোসল দিতে হবে। * সর্দি কাশি হাঁচিতে আক্রান্ত শিশু বা লোকদের নিকট শিশুকে নেওয়া যাবে না। হাঁচির মাধ্যমে নানা রোগ ছড়াতে পারে। * শিশুদের নিকট বড়রা হাঁচি কাশিতে আক্রান্ত হলে হাঁচি দেওয়ার সময় অবশ্যই রুমাল বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করতে হবে। * ধুলাবালি, চুলার ধোঁয়া, মশার কয়েল ও সিগারেটের ধোঁয়া থেকে অবশ্যই শিশুদের দূরে রাখতে হবে। * তরল ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে। * সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিশু ঘুমাবার সময় নিচে যদি কোন প্রকার কাপড় থাকে তা প্র¯্রাব করে ভিজিয়ে ফেলে। তাই এটা সাথে সাথে সরিয়ে নিতে হবে বা পাল্টাতে হবে। অধিক সময় শিশুর নিচে ভেজা কাপড় থাকলে ঠান্ডা লেগে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
চর্মরোগ ঃ শীতকালে আবহাওয়ার সাথে কম তাপমাত্রার সংযোগ আর ধুলাবালি সবমিলিয়ে আমাদের স্বাস্থ্যের নানা সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এ সমস্যার মধ্যে একটি রোগ হলো চর্মরোগ। যা শীতকালে এর প্রকোপ বেড়ে যায়। শীতের সময় বাতাসের জলীয় বাষ্প কমে যাওয়ার কারণে চামড়া থেকে পানি চুষে নেয়। এর ফলে ত্বক বা চামড়া শুষ্ক হয়ে উঠে এ সমস্যাটি কম বেশী সব বয়সের নারী পুরুষের হয়ে থাকে। বিশেষ করে পা, পেটের উভয় দিক এবং ঠোঁট বেশী আক্রান্ত হয়। পায়ে ধূলাবালি লেগে থাকলে পা ফেটে যেতে পারে। তাছাড়া ঠোঁটের যতœ না নিলে পুষ্টিকর খাবারের অভাবে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। শীতকালীন সবচেয়ে বেশী সমস্যা হয় তাহলো ঠোঁট ফেটে যায়। আমাদের চামড়ার নিচে সিবেসিয়াম নামক অণুবীক্ষণিক গ্রন্থি থাকে যা থেকে তেলের মতো রস ক্ষরিত হয়। যাকে সিবাম বলে। যা আমাদের শরীরের ঘামের সাথে মিশে গিয়ে পুরো চামড়ায় ছড়িয়ে যায় এবং চামড়া মসৃণ ও চামড়ার আর্দ্রতা বজায় রাখে। আর শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে সিবেসিয়াম গ্রন্থি থেকে বের হয়ে আসা শরীরের চামড়ায় ঠিকমতো ছড়িয়ে পড়তে পারে না। ফলে শরীরের চামড়া শুকিয়ে গিয়ে কুঁচকে যায় বা টানটান ভাব দেখা দেয়। অপর দিকে আমাদের ঠোঁটের চামড়া শরীরের অন্য অংশের চেয়ে পাতলা। তাছাড়া নাকের নিচে ঠোঁট থাকায় আমাদের দেহের গরম বাতাস নাক দিয়ে বের হবার সময় বা নিশ্বাসের সময় ঠোঁটকে আরো শুকিয়ে দেয় তাই শীতকালে ঠোঁট বেশী ফাটে। তাছাড়া যারা বার বার জিহ্বা ঠোঁট ভিজিয়ে রাখে তাদের ঠোঁট বেশি ফাটে। সরাসরি সূর্যালোকের কারণে যেকোন ঋতুতেই ত্বক শুষ্ক হতে পারে। আবার সাবান, ক্লিনজার ডিটারজেন্টে ক্ষার থাকে। যা ত্বকের ময়লা পরিষ্কার সময় ক্ষার ত্বকের বা চামড়ার পানি ও তেল চুষে নেয়, ফলে ত্বক শুকিয়ে যায়। আবার প্রয়োজনীয় পানি পান না করলে দেহে পানির অভাবে চামড়া শুকিয়ে যায়।
করণীয় ঃ * যাদের এমন সমস্যা দেখা দেয় তারা অল্প গরম পানিতে কম সময় গোসল করুন। * যতটা সম্ভব কম ক্ষার যুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। * গোসলের পর শরীরে ময়েশ্চারাইজার যেমন: পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন, লোশন ব্যবহার করুন। * শীত মৌসুমে খাটি অলিভ ওয়েল সারা শরীরে ব্যবহার করুন। এতে শরীরের চামড়া ফাটবেও না মসৃণও হবে এবং শীতও কম লাগবে। * হাতে পায়ে ও ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন। * ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে ভ্যাসলিন, গ্লিসারিন, অলিভ ওয়েল, সরিষার তেল ব্যবহার করুন। * বেশীক্ষণ রোদে থাকবেন না। * কড়া আগুন পোহাবেন না। এতে চামড়ায় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। * শীতে মাথায় খুসকি হয় তাই একটু ঘন ঘন শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। শীত মৌসুমে চামড়ায় খোসপাচড়া হতে পারে। তাই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
ব্যথা-বেদনা ঃ আমাদের দেশে বেশীর ভাগ পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তিরাই শরীরের নানা বিষ বেদনায় ভোগেন। এদেশে ৫০ উর্ধ্ব জনসংখ্যার শতকরা ৬৫ ভাগ লোকই ব্যথা জনিত সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে যেসব জয়েন্ট শরীরের ওজন বহন করে এবং বেশী ব্যবহৃত হয় সেগুলোতে ব্যথা-বেদনা বেশি হয়। ঘাড়, কোমর, সোল্ডার জয়েন্ট, হাটুর ব্যথা, পায়ের ব্যথা ও মেরুদন্ডের ব্যথা উল্লেখযোগ্য। শরীরের নানা অংশে সমস্যার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন মেরুদন্ডের মাংস পেশী বা কশেরুকার সমস্যা, লিগামেন্ট মসকানো, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক ক্ষয় হয়ে যাওয়া বা সমস্যা। আর বয়স জনিত হাঁড় ও জোড়ার ক্ষয়।
করণীয় ঃ * ব্যথা বেদনা বেশী হলে কমপক্ষে ৭ দিন বিশ্রামে থাকুন। * ব্যথার জায়গা ১০/১৫ মিনিট গরম বা ঠান্ডা সেক দিন। * বিছানায় ঘুমাবার সময় যেকোন একদিকে কাত হয়ে হাতের উপর ভর দিয়ে শুয়া ও উঠার চর্চা করুন। * ঘাড় নিচু করে কোন কাজ করবেন না। * পিঁড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে মেরুদন্ড সোজা করে বসুন। * শক্ত সমান বিছানায় ঘুমাবেন। * মাথায় বা হাতে ভারি বোঝা বহন করবেন না। * শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখুন। * পেট ভরে খাবেন না। বরং অল্প অল্প করে কিছুক্ষণ পর পর খাবেন। * কোন প্রকার মালিশ করবেন না। * সিঁড়িতে উঠার সময় ধীরে ধীরে হাতল ধরে উঠবেন। * অনেক সময় একজায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। * মহিলাদের ক্ষেত্রে হাই হিল যুক্ত জুতা ব্যবহার করবেন না। * ঘুমাবার সময় মধ্যম আকারের বালিশ ব্যবহার করুন। * দাঁড়ানো থেকে হঠাৎ করে নিচু ভারি জিনিস ধরবেন না বা তুলবেন না। যেকোন সমস্যা দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন, সেই মোতাবেক চলবেন। সতর্ক হোন, সচেতন হোন, সুস্থ্য জীবন গড়–ন।

শেয়ার করুন
স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে করণীয়
  • শশার গুণাগুণ
  • রোগ প্রতিরোধে কমলা
  • শিশুর খাবার
  • ডা. এ হাসনাত শাহীন অসুস্থ শিশুর যত্ন নিচ্ছেন মা
  • শীতে যেসব রোগের প্রকোপ বাড়ে
  • শীতকালে নাক, কান ও গলার সমস্যা
  • অ্যান্টিবায়োটিক এক অদৃশ্য ‘মহামারি’র নাম
  • তাফসিরুল কোরআন
  • ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.)
  • আল্লামা তাহির আলী তহিপুরী (র.)
  • মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) -এর ভূমিকা
  • টেস্টিং সল্ট: মানবদেহের নীরব ঘাতক
  • ফুলকপির যত গুণ
  • স্বাস্থ্যকর ঘুমের নিয়মকানুন
  • নাক কান গলার ক্যান্সার
  • শীতের শুরুতে...
  • আপনার শিশুর বেড়ে ওঠা
  • সাধারণ রোগেই আমরা ভীত হয়ে যাচ্ছি কেন?
  • গর্ভকালীন কিছু কমন সমস্যা ও করণীয়
  • Developed by: Sparkle IT