পাঁচ মিশালী

সুন্দরবনে তিনরাত

চৌধুরী ইসফাকুর রহমান কুরেশী প্রকাশিত হয়েছে: ১১-০১-২০২০ ইং ০০:২৫:১৬ | সংবাদটি ১৩৭ বার পঠিত

আমাদের শৈশবে স্কুলের পাঠ্যসূচীতে সুন্দরবনের নানা বিবরণ পড়ে সুন্দরবন দেখার একটা তীব্র মনোবাসনা আমাকে পেয়ে বসে। কিশোরবেলায় পচাব্দি গাজীর একশত একটি মানুষ খেকো বাঘ শিকারের গল্প এক নিঃশ্বাসে পড়ে ভয়ে ও উত্তেজনায় রোমাঞ্চিত হতাম। বইয়ের প্রচ্ছদে ও পাতায় শিল্পীর আঁকা সুন্দরবনের ছবিও আমাকে খুব বিমুগ্ধ করত। একবার ঢাকায় ব্যাংকের জাতীয় ব্যবস্থাপক সম্মেলন হতে ব্যবস্থাপক খলিলুর রহমানকে নিয়ে আমি এক ঝটিকা সফরে খুলনা ও বাগেরহাট গমন করি। সেইবার মংলা বন্দরে নেমে সেই বর্ষণসিক্ত দিনে একটি ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করে আমরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে করমজল ও বানিয়াশান্তা ঘুরে আসি। এই অংশটা সুন্দরবনের প্রবেশপথ মাত্র। সুন্দরবনের সূচনাস্থলের এই সামান্য জায়গাটুকু বৃষ্টিতে ভিজে ভ্রমণ করে আমি খুব একটা পরিতৃপ্ত হতে পারিনি। সুন্দরবনকে গভীরভাবে পরখ করে দেখার বাসনা তাই আমার মনের গভীরে সুপ্তই রয়ে যায়। আমার চাকুরী, বেগম সাহেবার ডাক্তারী প্রেকটিস, পুত্রের ডাক্তারী পড়ার ফাঁকে একটা ভ্রমণ সময় বের করা বেশ কঠিন ব্যাপার। ২০১৮ সালে পারিনি, ২০১৯ সালের শেষলগ্নে সময় বের হলো।
অনলাইনে খুলনার একজন ট্যুর অপারেটরের সাথে যোগাযোগ করে জাহাজে তিনজনের একটি কক্ষ ভাড়া করি। তিনজনের তিনদিনের জাহাজ ভাড়া সাব্যস্থ হয় ছাব্বিশ হাজার টাকা। আমি অগ্রীম দশ হাজার টাকা অপারেটর জাহেদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করে দেই। ২৫ ডিসেম্বর আমার পুত্র তার মাকে নিয়ে গ্রীনলাইনে ঢাকা আসে। আমি ধানমন্ডি হতে হেঁটে কারওয়ান বাজার যাই। শীতের বিকেলে হাঁটতে খুব ভালই লাগছিল। এবার ওভারব্রিজের উপর দিয়ে বাতাস ঠেলে ঠেলে মাইল দেড়েক হেঁটে রাজারবাগ গ্রীনলাইন অফিসে গিয়ে তাদেরকে ধানমন্ডি নিয়ে আসি। পরদিন ২৬ ডিসেম্বর আমরা গ্রিনলাইনের বাসে মাওয়া হয়ে ছয় ঘন্টায় খুলনা পৌঁছি। বাসটি আমাদেরকে পদ্মার এপারে নামিয়ে দেয়। একটি ছোট লঞ্চ চড়ে আমরা প্রায় পনের বিশ মিনিটে বিশাল পদ্মার জলধারা পার হই। পথে নির্মাণাধীন পদ্মাসেতু চোখে পড়ে। এই সেতুর অনেকগুলো স্পেন আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়। সবশেষে বাংলাদেশের এই সুবিশাল প্রকল্পের নিচ দিয়ে লঞ্চটি যাবার সময় আমরা এই স্বপ্ন সেতুর বেশ কিছু ছবি উঠাই। ওপারে নেমে গ্রিনলাইনের অন্য একটি বাসে চড়ে দুই তিন ঘন্টা পর খুলনা পৌঁছি।
খুলনা সাত রাস্তার মুড়ে গ্রীনলাইন অফিসে নামা মাত্রই ট্যুর অপারেটর জাহেদ এসে হাজির হন। তিনি অল্প বয়স্ক একজন মোল্লা লোক, পাতলা দাড়ি, গাঁয়ে পাঞ্জাবী পরা লোকটির ব্যবহার ভালই মনে হল। সে একটি ট্রলারে করে আমাদেরকে জাহাজে নিয়ে যায়। জাহাজটি ছোট, খালাসিরা বলল ত্রিশজন যাত্রি থাকার মত ব্যবস্থা আছে এই ছোট জাহাজে। এবার লোকটার আসল চেহারা দেখি, সে আমাদেরকে দু’তলার ভাল কেবিন না দিয়ে নিচে হয়ত জাহাজ কর্মিরা থাকে এমন একটি সংকীর্ণ বাথরুমহীন কক্ষে নিয়ে যায়। কক্ষটি পানির নিচে ডুবে আছে। কেবল কাচের জানালা ভাসমান। কক্ষে দুইটি মাত্র ছোট্ট খাট, একটি খাটের নিচে আরেকটি বেড ফেলে তিন বেড করে নিয়েছে। এবার আমি গরম হই, আমাকে বাথসহ তিন বেডের কক্ষ দেন নইলে চলে যাব। এবার উপরের দুইটি কক্ষে এই রাত কাটাতে বলে বাকী ষোল হাজার টাকা নিয়ে সে চলে যায়। আমরা তিনজন এবং জাহাজের লোকজন রূপসার ভাসমান জলে সেই রাত গভীর ঘুমে কাটিয়ে দেই। ভোরে আজান শুনে ঘুম ভাঙ্গে। খুলনার রূপসা নদী বেশ প্রশস্থ, আমাদের সিলেটের সুরমা কুশিয়ারা মনু খোয়াই মিলেও রূপসার সমান হবেনা। ওপারে বাড়িঘর দেখা যাচ্ছে, পাশের জলকাদায় একটি শুশুক লাফিয়ে উঠে। নামাজ পড়ে আমরা চা খেতে চাইলে বাবুর্চি বিস্কুট ছাড়াই লাল চা পাঠায়।
ভোরের নদীতে তেমন কুয়াশা নেই। রূপসার বুকে বড় বড় অনেকগুলো ভাসমান প্রমোদতরী দেখে ডাঃ নুরজাহান বললেন, এইসব সুন্দর জলযানে আমাদেরকে না দিয়ে এই কি একটা ছোট লঞ্চে উঠাল। সকাল নয়টায় লোকজন আসা শুরু হয়। আমাকে নিচের সংকীর্ণ কক্ষে যেতে চাপাচাপি করলে বলি, আমি ব্যাংকের একজন নির্বাহী আমার পতœী চিকিৎসক। এ ধরনের কক্ষে আমরা জীবনেও থাকিনি। মোবাইলে আমি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের ছবি দেখাই এবং বলি আপনাদের সেই লোককে ডাকুন যে চুক্তি করেছে। ভাল কক্ষ না দিলে আমার ছাব্বিশ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেন আমি সিলেটে ফিরে যাব। এবার জাহাজের ব্যবস্থাপক বলল, আমাদের বড় জাহাজ আছে আপনাদেরকে সেই জাহাজে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
এবার ট্রলার আমাদেরকে পাশের ভাসমান বড় জাহাজ ‘এম বি দি ভেসপার’তে নিয়ে যায়। শতাধিক যাত্রী বহনের আবাসিক ব্যবস্থা এই বড় জাহাজে রয়েছে। আমাদের জন্য দু’তলায় ২৯ নম্বর কক্ষ বরাদ্দ করা হয়। কক্ষটির সাথে এটাস্ট বাথরুম রয়েছে। এই জাহাজে আরোহণ করেই নুরজাহান বেগমকে বল্লাম, বলো শুকুর আলহামদুলিল্লাহ। সকালে তুমি যা চেয়েছিলে আল্লাহ এখন সেই ধরনের একটি জাহাজে আমাদেরকে স্থান করে দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ বলে নুরজাহান বললেন, হ্যাঁ আমরা যা চাই, তাইতো আল্লাহের মেহেরবানীতে পেয়ে যাই।
এই জাহাজের তিন তলার ডাইনিং কক্ষে আমরা ব্রেকফাস্ট করি। ডাইনিং হলটি কাচঘেরা, ভিতরে বারটি খাবার টেবিলে এক সাথে বাহাত্তর জন লোক বসতে পারেন। একদিকে সোফাসেট এবং বড় পর্দার টিভি এবং খানিক জায়গায় নামাজের জন্য কার্পেট বিছানো রয়েছে। ডাইনিং হলের অন্য প্রান্তে ফ্রিজ, চা-নাস্তার টেবিল এবং খাবার-দাবার রাখার টেবিল সজ্জিত। এই খাবার হলটিতে রয়েছে অনেকগুলো লাইফ জ্যাকেট ও প্লাস্টিক চেয়ার। একটি অভ্যন্তরীণ সপ, যেখানে সুন্দরবনের খাঁটি মধু ও পণ্য রয়েছে। এই সুন্দর হলরুমে শতাধিক লোক খাবার ছাড়াও যে কোন সভা সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করে নিতে পারেন। জাহাজের নিচতলায় ইঞ্জিনরুম, গোদাম এবং রান্নাঘর। জাহাজে সোলার এনার্জি এবং আইপিএস বিদ্যুৎ ব্যবস্থাও রয়েছে। কেবিন সজ্জিত দু’তলার সামনে ও পিছনে বারান্দা রয়েছে। জাহাজের পিছনের বারান্দায় বড় দড়ি দিয়ে সব সময় বাঁধা থাকে একটি বড় ট্রলার। এই ট্রলারটি সত্তর আশি জন লোককে অনায়াসে সুন্দরবনের খালে ও স্পটে নিয়ে যায়।
গাইড বললেন এই ধরনের একটি জাহাজ নির্মাণে আট দশ কোটি টাকা লাগে। আমাদের প্রমোদতরী এম বি দি ভেসপারের মালিক বরিশালী, তিনি ঢাকায় থাকেন। গ্রীষ্মকালে সাগর উত্থাল থাকে, আবহাওয়া থাকে বিরূপ। তাই সুন্দরবনে পর্যটন তখন বন্ধ থাকে। শীতকালের পাঁচ মাস সুন্দরবনে পর্যটন ব্যবসা হয়। এই পাঁচ মাস জাহাজটি এখানে দেদারছে ব্যবসা করে গ্রীষ্মের আগমনে ঢাকা চলে যায়।
ডাইনিং হলের আগে পিছে এবং ছাদে স্টিলের রেলিংঘেরা খোলা বারান্দা। এইসব বারান্দার প্লাস্টিক চেয়ারে বসে বসে নদী ও সুন্দরবনের নয়নাভিরাম দৃশ্য বেশ উপভোগ্য। কেবিনে শুয়ে শুয়ে কাচের জানালা দিয়েও নদীর দৃশ্য দেখা যায়। জাহাজটি প্রায় দেড় মাইল প্রশস্থ রূপসা নদীর মধ্যরেখা দিয়ে মংলার দিকে যাত্রা শুরু করে। খুলনা শহরের ভবনমালা ও বন্দরে ভাসমান জাহাজরাশি পশ্চাতে হারিয়ে যায়। সামনে সুদীর্ঘ রূপসা সেতুর ছায়া ভেসে ওঠে। একসময় এই সেতুর নিচ দিয়ে এগিয়ে যাই। অর্ধঘন্টা পর নির্মাণাধীন দ্বিতীয় রূপসা নদীর নিচে চলে আসি। এই সেতু মংলা বন্দরকে পদ্মাসেতুর সাথে যুক্ত করবে। এই দুইটি সেতু চালু হলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ১% বেড়ে যাবে এবং বদলে যাবে এই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। জলভরা নদীর দুই পারে গ্রাম, ক্ষেত, বৃক্ষ, নদীতে জাহাজ, নৌকা দেখে দেখে রামপালে এসে যাই। এখানে এই নদীপারের বিশাল এলাকা জুড়ে ভারতের সহায়তায় নির্মাণ হচ্ছে সুবিশাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে উদ্বিঘœ দেশের জনগণ, এই যন্ত্রদানব কি খেয়ে ফেলবে বাংলার অহংকার সুন্দরবন? ধ্বংস কি করে দিবে সুন্দরবনের অজস্র নদী ও খাল। এমনিতেই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হুমকির মুখে আছে যে বনটি, এবার মানবসৃষ্ট দুর্যোগে তার কি পরিণতি ঘটবে?
নদী এখন আর প্রশস্থ, জলে নোঙর করে আছে পণ্যবাহী অনেক অনেক জাহাজ, ব্যস্ত বন্দর। গাইড বললেন আমরা মংলা এসে গেছি। জাহাজের নিচতলায় পাকঘরে পাঁচজন লোক রান্নাবান্নার কাজ করছেন। মাইকে দুপুরের খাবারের ডাক শুনি। মাত্র তিনদিনের এক অস্থায়ী জাহাজ জীবনে মিলিত হওয়া আমরা প্রায় সত্তর জন নর-নারী-শিশু সুসজ্জিত ডাইনিং হলে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে ব্যুফে খাবার খাওয়ার পর আমরা সুন্দরবনের হড়বাড়িয়া স্পটে যাব। ২৭ ডিসেম্বর সকাল থেকে ২৯ ডিসেম্বর রাত পর্যন্ত সারাদিনই ভাল ভাল খাবার ও নাস্তা আসে। তিনবার চা-নাস্তা ও দুইবার ভাত পোলাও। চা, কফি, বিস্কুট, পাকুড়া বিরামহীন। খাবার মেনুতে ছিল মোরগ, হাঁস, গরু, গলদা চিংড়ি, রুই, লাচো, কুড়াল, সবজি, দুই ধরনের ডাল, ডিম, দই, কুক, সস, সালাদ ইত্যাদি। রাতে বারবিকিউ পরিবেশন করা হয়। খাবার নিয়ে সবাই সন্তুষ্ট, এ ব্যাপারে কারো কোন অভিযোগ নেই।
বাদ আসর চা-নাস্তা করে আমরা ট্রলারে চড়ে একটি খাল দিয়ে হড়বাড়িয়া স্পটে যাই। আসলে এই স্পট বন বিভাগের একটি অফিসের ধারে সুন্দরবনের প্রবেশ পথে সাজানো হয়েছে। খালেরপারে জেটিতে উঠেই একটি কাটের সেতু পার হই। সেতুর নিচে এবং সামনের মাঠে বাদরের দল খাবারের লোভে বসে আছে। আমরা সফেদা ছুড়ে দিলে তারা কাড়াকাড়ি করে খায়। একটি লাল শাপলা ফোটা পুকুরের পাশদিয়ে ভিতরে যাই। সামনের লোকদের অনুসরণ করে হাঁটতে থাকি। সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসে। রাস্তা দিয়ে আবার সেই পদ্মপুকুর পারে এসে পড়ি। বিচিত্র সব ফুলগাছ নানান ধরনের কুসুমে ছেয়ে আছে। জাহাজে ফিরে রাত হয়ে যায়। হলে বসে টেলিভিশনে দক্ষিণ ভারতীয় ছবি উপভোগ করি। জাহাজনেতা মাইকে বললেন, রাতের খাবারের পর একটি মিটিং হবে, এই সভা শেষ করে সবাই যেন কেবিনে যান।
সভায় বলা হয় আগামিকল্য পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠেই সুন্দরবনের নানা দর্শনীয় স্থানে আমাদের যাত্রা শুরু হবে। ঠিক ৫টায় উঠে নামাজ ও চা নাস্তা করে নিতে হবে। ৬টায় ট্রলার ছেড়ে যাবে, এক মিনিটও কারও জন্য অপেক্ষা করা হবেনা। প্রথমেই আমরা যাব টাইগার পয়েন্ট। গাইড বললেন এই স্থানে বাঘ বিচরণ করে। কাজেই স্থানটি ভয়ঙ্কর। সবাইকে নিষেধ করা হল কেউ যেন ঝকঝকে রঙ্গীন পোষাক পরে না যান। বাঘ চোখে কম দেখে, রঙ্গীন কাপড় সহজেই বাঘের চোখে ধরা পড়ে। কেউ কেউ জানতে চান আমরা কি বনের বাঘ দেখতে পাবো। গাইড বললেন বাঘ যাতে না দেখেন সেজন্য দোয়া করুন। একবার সেখানে বাঘ দেখে কয়েকজন মহিলা বেহুশ হয়ে যান, পুরুষরা ভয়ে প্র¯্রাব করে কাপড় নষ্ট করে দেন। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হুঙ্কারও ভয়ঙ্কর, বাঘের গর্জনেও মানুষ হুশ হারায়। এই বাঘের বনে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে সমুদ্র সৈকতে পৌঁছতে হবে। গাইড সাবধান করে বললেন, যাদের শক্তি সামর্থ্য আছে, সাহস আছে কেবল তারা যেন টাইগার পয়েন্ট যান। আবার জানতে চাওয়া হল বাঘ এলে আমরা কি করব? গাইড বললেন, কোন নড়াচড়া করবেন না। বাঘ নড়াচড়া করলেই শিকারের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। পাশের সশস্ত্র প্রহরী বন্ধুকের ম্যাগজিন দেখিয়ে বললেন, কোন ভয় নেই, ম্যাগজিন ভরা আছে, বাঘ হামলা করলে পুরোটাই তার উপর বর্ষণ করে দেবো। আমি বলি, বাঘ আমাদের গর্ব, বাঘ আজ বিপন্ন প্রাণী। বাঘ আমাকে নিয়ে গেলেও তাকে গোলী করবেন না। বাঘ সুন্দরবনের বিশ্বস্ত প্রাকৃতিক পাহারাদার। বাঘ শেষ হয়ে গেলে বনচোরেরা গভীর বনকে সাবাড় করে দেবে। সুন্দরবনের আশপাশের লোকরা বাঘকে বলে মামা। বাঘমামা নেই তো সুন্দরবন নেই। (অসমাপ্ত)

 

শেয়ার করুন
পাঁচ মিশালী এর আরো সংবাদ
  • লজিং জীবন
  • বঙ্গবন্ধু : এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের দৃষ্টিতে
  • একটি কুসুম ফলে
  • শিশুদের ভালবাসায় সিক্ত দানবীর
  • কবিতা
  • হায়রে বাংলা ভাষা
  • স্বাধীন
  • ৬৪টি জেলা ঘুরেছেন সিলেটের ফাহিম
  • জন্মভূমির টানে
  • তাজমহল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
  • বঙ্গবন্ধু : এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের দৃষ্টিতে
  • বঙ্গবন্ধু : এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের দৃষ্টিতে
  • প্রকৃতির হাতছানি
  • সাংবাদিক জিয়া খালেদের চলে যাওয়া
  • ব্যারিস্টার নাজির ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন সম্মাননায় ভূষিত
  • প্রাচীন বাংলার রাজধানী পানামনগরে একদিন
  • বঙ্গবন্ধু : এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের দৃষ্টিতে
  • কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ
  • চলতি পথের সরস বচন
  • লিথিসি’র ‘ভাইবে রাধারমণ’-এ মুগ্ধ শিলচর
  • Developed by: Sparkle IT