সাহিত্য

রবীন্দ্রনাথ ও হাসন রাজা

নৃপেন্দ্রলাল দাশ প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-০১-২০২০ ইং ০০:১৫:৫১ | সংবাদটি ৮২ বার পঠিত

‘কবির আয়নায় কবির মুখ’ এক রীতি চমৎকার শিরোনাম। রবীন্দ্রভাবুক ড. উষারঞ্জন ভট্টাচার্যের এক বিবুধান সেমিনার ভাষণ। কাব্যগন্ধী, লিরিক লাবণ্যভরা, অশিথিল, অতর্ক এক নান্দনিক মৌল সৃজনকর্ম। সংস্কৃত ‘গবেশ’ ধাতু থেকে সৃজিত ‘গবেষণা’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে-সত্যকে উন্মোচন করা। বিহিত অর্থেই এই ধীমান, স্থিতপ্রজ্ঞ গবেষক সেই সত্যকে আবিস্কার করেছেন যা ছিল প্রদোষ অন্ধকারে নিমজ্জিত। লেখাটির একটু আস্বাদ নেয়া যায়-
‘মহামতি হাসনরাজার জীবনদর্শন অঙ্গজ (?) থেকে ভুবনে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯২৫ সন ও তারপর। কবিরা ক্রান্তদর্শী, অগ্রজ (১৮৫৪)-’র মর্মবাণী ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুজ (১৮৬১)। এই দুই শ্যামল তীরভূমির মাঝখানে এক অখ্যাত সেতু, মুরারীচাঁদ কলেজের এক নব্যযুবা। ঘটনার গতিপথ কত না বিচিত্র।’ (শামীমা ২০১৯, পৃ. ২৩) ‘অঙ্গজ’ শব্দটি সম্ভবত মুদ্রণ ক্রটি। মূল শব্দটি হয়ত বা হতে পারে ‘অঙ্গন’।
৬ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি.১১.৩০-১১.৪৫ মিনিট পর্যন্ত মুরারীচাঁদ কলেজ শিক্ষক মিলনায়তনে ‘রবীন্দ্রনাথ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া’ শীর্ষক সেমিনারে প্রদত্ত ভাষণ- যা প্রদত্ত হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের মুরারীচাঁদ কলেজ ছাত্রাবাসে আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে। মনোমুগ্ধকর এই ভাষণ গভীর প্রতিনিবেশ সহকারে আমরা শুনেছিলাম। এই শ্রদ্ধেয় রবীন্দ্র গবেষকের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
প্রসঙ্গের পরিধি:
‘রবীন্দ্রনাথের আগরতলা যাত্রার প্রাকক্ষণে দুটি ভ্রমপোষিত ধারণাকে বাজিয়ে দেখতে চাইব।' (উষারঞ্জন, ২০১৯ পৃ: ১০৯)। ব্যক্তিগত জীবনে ধীরললিত উচ্চারণকলায় বিশ্বাসী, মৃদুভাষী, সুভদ্র উষারঞ্জনের কণ্ঠস্বর মল্লযোদ্ধার মতো গর্জমান এখানে। তাঁর অতি প্রিয় শব্দ- ‘ভ্রমাত্মক’ অবিরল ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে নানা রচনাপুঞ্জে। তিনি শুদ্ধতম তথ্যের বিজয় ধ্বজা উড়িয়ে তাঁর গবেষণাকে করেছেন কল্লোলিত। অথচ আমাদের কাছে কিছু ভ্রান্তিবিলাস বিচলিত করে অল্পবুদ্ধিকে, অধ্যয়নের আয়তন ছোটো বলে, বিধ্বস্ত হয় আমাদের জিজ্ঞাসা। দু’একটি প্রসঙ্গের প্ররোচণা বিভ্রান্ত করে। প্যাপিরাস, কলকাতা প্রকাশিত তাঁর বইটির নাম-‘কবি ও কুইনী এবং অন্যান্য (২০০২) অথচ সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯ বইতে একই বইয়ের নাম বলা হয়েছে ‘রবীন্দ্রনাথ ও কুইনী এবং অন্যান্য।’ কোনটি সঠিক?
উক্ত বইয়ের সর্বশেষে একটি চিঠি আছে, যা ‘দেশ’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। সীমান্ত অতিক্রম করে পত্রটি হয়ে গেছে ‘নিবন্ধ’। সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯-এ ‘নিবন্ধ' বলেই চিহ্নিত হয়েছে ১০৯ পৃষ্ঠায়। ড. জফির সেতু সম্পাদিত ‘শ্রীভূমির রবীন্দ্রনাথ’ গ্রন্থে প্রবন্ধ বা নিবন্ধ হিসেবেই লেখাটি ছাপা হয়েছে। (জফির সেতু ২০১৯, পৃষ্ঠা-৪০৭) শিরোনাম’ ‘রবীন্দ্রনাথের হাসন রাজা’ হলেও লেখাটির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ‘সৈয়দ মুজতবা আলীর হাসন রাজা চর্চা। উপসংহারে এসে কবির আয়না ও কবির মুখ দেখতে পাই। প্রভাত কুমার শর্মার রবীন্দ্রযাত্রা ও রবীন্দ্রসংযোগ কথা, আলোচিত হয়েছে প্রবন্ধে। আমার ‘হাসন রাজা, শব্দ, নৈঃশব্দ্য বইতে এ বিষয়ে আলোচনা আছে। (নৃপেন্দ্র, ২০০৪)।
‘রবীন্দ্রনাথের হাসন রাজা’ নিবন্ধের ৪১৪ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে- ‘বাবুখানের পৌত্র আলী রাজার তিনটি বিবাহ। এই তথ্যটি তাঁরই ভাষায়- ‘ভ্রমাত্মক’। আলী রাজার পাঁচজন স্ত্রী ছিলেন। ‘কবি ও কুইনীতে’-তিনি লিখেছেন হাসন রাজা তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান। ‘শ্রীভূমির রবীন্দ্রনাথে’ লিখেছেন-আলী রাজার স্ত্রী হুরমত জাহানের গর্ভে হাসনের জন্ম- (পৃ: ৪১৪) এখানে সংখ্যাবাচক কোন শব্দ নেই। আমি পাঁচজন স্ত্রীর নাম জানিয়ে দিচ্ছি-
১. প্রথমা স্ত্রী-দিনারপুর পরগণার সদরঘাট মৌজার দেওয়ান হায়দর গাজীর কন্যা। এই স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মারা যান। তার নাম জানা যায়নি।
২. দ্বিতীয় স্ত্রী দিনারপুর পরগণার শতক আথানগিরি গ্রামের দেওয়ান শায়েস্তা রাজার কন্যা- নাফিজা খাতুন। তিনি দেওয়ান ওবায়দুর রাজার মা।
৩. তৃতীয় স্ত্রী সিলেট নিবাসী বন্ধু রহমান খানের বিধবা স্ত্রী নূর বিবি। এই স্ত্রীর গর্ভে কবি সহিকাবানুর জন্ম হয়।
৪. চতুর্থ স্ত্রী জরিনা বানু। নূর বিবির বোন। নিঃসন্তান।
৫. পঞ্চম স্ত্রী হুরমতজাহান বানু। আপন খালাতো ভাই আমির বক্স চৌধুরীর বিধবা স্ত্রী। তাঁর গর্ভে হাসন রাজার জন্ম। তিনি লক্ষণশ্রীতে থাকতেন। আমার ‘হাসন রাজা’, ‘রঙের বাড়ই’, (২০১৬) উপন্যাসে হুরমতজাহানের কথা বিস্তৃতভাবে লিখেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আছে সামারীন দেওয়ানের বইটিতে (সামারীন, ২০১৫, ১২২)।
বাংলা কাব্যগীতির ধারায় হাসনিক নান্দনিকতার বিষয়ে এসব তথ্য খুব বেশী জরুরী নয়। তথ্যের দাবীর চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ইতিহাসপতির সত্যের দাবী।
প্রেক্ষিতের পরিচয়:
রবীন্দ্রতত্ত্বজ্ঞ উষারঞ্জন পত্রটি লিখেছিলেন দেশ, মার্চ ২০০১ সংখ্যায় অমিয়শঙ্কর চৌধুরীর ‘হাসন রাজার সংগীতমালা’ গ্রন্থটির প্রখ্যাত তাত্ত্বিক শোভন সোম কর্তৃক লিখিত সমালোচনা পড়ে। অমিয় শঙ্কর চৌধুরী ও শোভন সোম এই দুই মহৎপ্রাণ ব্যক্তি ছিলেন আমার অতি আপনজন। আমার ‘শ্রীভূমি সিলেটে রবীন্দ্রনাথ’ বইটির আলোচনা লিখেছিলেন শোভন সোম। একটি ব্যক্তিগত চিঠিতে আমাকে তিনি জানিয়ে ছিলেন শ্রীভূমি’ কবিতাটি কোথায় আছে। অমিয় শঙ্কর ‘নবীনপত্র’ নামের অভিজাত সংকলনে ‘হাসন রাজা, শব্দ, নৈঃশব্দ্য’ বইটির আলোচনা লিখেছিলেন ‘হাসন রাজার সংগীতমালা’ বইতে আমার ‘সৌখিন বাহার' বিষয়ক প্রবন্ধটি যুক্ত করেছিলেন। শোভন সোম যথার্থই বলেছেন-‘হাসন রাজা সম্পর্কিত সম্ভাব্য যাবতীয় আলোচনার রেফারেন্স হিসেবে বইটি মূল্যবান। ঊষারঞ্জন প্রবন্ধ নয়, চিঠি হিসেবেই লেখাটি ‘দেশে’ প্রকাশ করেন। যদি তিনি প্রবন্ধ লিখতেন, তবে আরো বিশদ হতো তাঁর বিবরণ। আমরা জানি, তিনি শ্রমনিষ্ঠ, তথ্যগর্ভ ও কাব্য মাধুরী মিশ্রিত ভাষায় লিখে থাকেন। তার কাছেও আমার ব্যক্তিগত ঋণ আছে। আনন্দ প্রকাশিত উত্তর পূর্ব ভারতে রবীন্দ্রচর্চা, তাঁর সম্পাদিত কবি প্রণাম ও মালবিকা চাকমার রবীন্দ্রনাথ বইগুলি তিনি আমাকে পাঠিয়েছেন অনুজের প্রতি অনুকম্পায়। তার লেখার সমালোচনা করার ধৃষ্টতা আমার নেই শুধু সত্য প্রকাশই আমার ব্রতযাপন আমি খুব পছন্দ করি তার সারস্বত চর্চাকে, শ্রদ্ধা করি, তাঁর আজীবনের রবীন্দ্রমুগ্ধতাকে। ‘রবীন্দ্রনাথের হাসন রাজা’ প্রবন্ধের সিংহভাগ আলোচনা মুজতবা আলী ভিত্তিক হলেও উপসংহারটি রীতিচমৎকার। একটু পড়ে দেখা যায়- 'জমিদার কবি রঙ্গপ্রিয় হাসন রাজা তাঁর ‘আয়নায়’ নিজের প্রতিচ্ছবি দেখেন অহরহ, দেখেন তাঁর ‘পাকনা’ চুল আর মশকরা করেন কৃতকর্মকে নিয়ে, ভবিষ্যত মৃত্যুকে নিয়ে। লোকেরা তাঁর ভঙ্গুর সেই ঘর বাড়ীর কথা বলে (ঘর বাড়ী ভালা নায় আমার), যে ঘর তিনি তৈরী করেছেন ‘শূন্যের মাঝার।’ এ কোন ঘর? চিরকাল বাঁচবেন জানলে তিনি দালাল কোঠা বানাতেন করিয়া রঙিন’ সে আর হবার নয়। (উষারঞ্জন, ২০১৯, পৃ. ৪১৫)।
রবীন্দ্রনাথের শ্রীহট্ট ভ্রমণের নানা বর্ণনা আছে নানাজনের লেখায় কিন্তু হাসন রাজা সম্পর্কে সবাই নিশ্চুপ। ঊষারঞ্জন লিখেছেন- ‘শ্রীহট্টের ‘অভিজাতরা’ তখন কবিকে হাসন রাজার কথা বলেননি। ছ-বছর পর প্রভাত কুমারের পাঠানো কবিতা থেকেই কবি তাঁকে জেনেছেন, বুঝেছেন, সম্মান দিয়েছেন, এক অর্থে অমর করেছেন। ‘শ্রীহট্টের অভিজাতরা’ কবি হাসন রাজার কথা বলেননি, উক্তিটি মনে হয়-সত্য নয়। হাসনপুত্র একলিমুর রাজার বিবরণ পড়লে বুঝা যায় হাসনরাজা সম্পর্কে কবিগুরু কতটা পরিজ্ঞাত ছিলেন। উৎকলন করি একলিমুর রাজাকে (একলিমুর,২০০৫, পৃ. ৪০)।
‘তোমার পিতার গানগুলি যত্ন করে রাখিও। শিলং শহরে একলিমুর রাজার একটি বাড়ি ছিল। রবীন্দ্রনাথ শিলং ভ্রমণে এলে একলিমুর পুত্র তৈয়মুর রাজাসহ রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাঁর কবিতা কৃপন আবৃত্তি করে রবীন্দ্রনাথকে শোনান। হাসন রাজার গান যে রবীন্দ্রনাথের প্রিয় সে কথা তিনি একলিমুর রাজাকে বলেন। তৎকালীন সিলেট শহরের অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি ছিলেন একলিমুর। শিলংএও এলিট শ্রেণির সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ‘কারও কারও ধারণা ‘মমতা বিহীন কালস্রোতে’--- কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯ এ সিলেটে বসে লিখেছিলেন। এ ধারণাটিও ভ্রমাত্মক”। উষারঞ্জনীয় এই অভিমত যুক্তি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়। তিনি অন্য প্রতিপাদ্যকে উপস্থিত করেছেন সেটাও অনুমান ভিত্তিক। লিপিবিদ্যার আলোকে, ‘শ্রীহীন’ রবীন্দ্র স্বাক্ষরে এটা প্রতিষ্ঠা করে না যে ১৯৩৫ এর মে-জুন মাসে কবিতাটি রচিত। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও নির্ভরতা দেয় না। সর্বত্যাগী দেশকর্মী, গান্ধীবাদী নিকুঞ্জবিহারী গোস্বামী, যিনি শ্রীনিকেতনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তিনি এক ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় জানিয়েছেন সিলেটে নগেন্দ্র চৌধুরীর বাড়িতে বসে রবীন্দ্রনাথ এ কবিতা লেখেন।
আলাপন যেহেতু দলিল নয়, সে জন্যে বলিষ্ট ভিত্তির উপর প্রসঙ্গটি দাঁড় করানো যাবে না। ইতিহাসের ভিত্তি, দলিলের দাবী, প্রাজ্ঞজনের মননকে নেপথ্যবর্তী করে বলতে চাই যে, এটা সিলেটে বসেই লেখা।
রবীন্দ্রনাথের মণিপুর ভ্রমণ বিষয়েও তার উক্তি তথ্যনিষ্ট নয়। বিষয়টি স্বতন্ত্র আলোচনার দাবী রাখে। শেষকথা :
রবিপুরানের একটি ছিন্নপৃষ্টাকে সত্যসন্ধ করার জন্যেই এ আলোচনা। মান্য গবেষকের প্রতি শ্রদ্ধা পোষিত মনোভঙ্গি কখনো অসূয়ার কাছে নতজানু হতে দেইনি। ভিন্নমত কখনোই মনান্তর করে না, মতান্তর মার্জিনে মন্তব্যের মতো সদা প্রসারিত মনোজীবীদের কাছে। উষাদা আমাদের আগ্রহকে অনিবার্য করে দিয়েছেন, সেটাই তাঁর সৃজনকর্মের গৌরব। তাঁর জ্ঞানমূর্তি সাধনা আমাদের কাছে প্রেরণার উৎস।
উল্লেখপুঞ্জি :
১. চৌধুরী, প্রফেসর শামীমা- রবীন্দ্রনাথ ও দক্ষিণ এশিয়া সেমিনার স্মরণিকা, মুরারিচাঁদ কলেজ, সিলেট। প্রকাশকালের উল্লেখ নেই। যেহেতু সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৬ নভেম্বর ২০১৯, সেটাই প্রকাশকাল বলে মান্য করা যায়।
২. ভট্টাচার্য, উষারঞ্জন- সিলেটে রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯, বাতিঘর, রুমী মার্কেট ৬৮-৬৯, প্যারীদাস রোড, বাংলাদেশ, ঢাকা পৃ.-১০৯।
৩. সেতু, জফির ড.- শ্রীভূমির রবীন্দ্রনাথ, সংকলন ও সম্পাদন, জফির সেতু, নাগরী, বারুতখানা, সিলেট পৃ.৪০৭, ৫ নভেম্বর ২০১৯।
৪. দাশ, নৃপেন্দ্রলাল- হাসন রাজা, শব্দ, নৈঃশব্দ্য (২০০৪) অনুপম প্রকাশনী, ঢাকা, ৩৮/৪ বাংলাবাজার ঢাকা-। ১১০০ প্রথম প্রকাশ, ফেব্রুয়ারি ২০০৪।
৫. দাশ, নৃপেন্দ্রলাল- হাসন রাজা, রঙ্গের বাড়ই, হাওড় প্রকাশনী, সিলেট, একুশে বইমেলা ২০১৬। ৬. দেওয়ান, সামারীন- হাসন রাজা, জীবন ও কর্ম, মাওলা ব্রাদার্স, ৩৯/১ বাংলাবাজার, ঢাকা-১০০০, ফেব্রুয়ারী। ২০১৫।
৭. ভট্টাচার্য, উষারঞ্জন- রবীন্দ্রনাথের হাসন রাজা (প্রবন্ধ), জফির সেতু সম্পাদিত শ্রীভূমির রবীন্দ্রনাথ, ২০১৯ পৃ. ৪১৫।
৮. দেওয়ান, একলিমুর রাজা- আমার সাহিত্যিক জীবনের অভিজ্ঞতা, দেওয়ান সমশের রাজা সম্পাদিত ২০০৫ পৃ.৪০।

 

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT