প্রথম পাতা তিন বছরে ৭৬ শ্রমিকের মৃত্যু

সিলেটের পাথর কোয়ারি সমূহে মৃত্যুর মিছিল থামছে না

প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০১-২০২০ ইং ০২:২৭:৩৯ | সংবাদটি ৮৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সিলেটের পাথর কোয়ারি সমূহে মাটি চাপায় শ্রমিক মৃত্যুর মিছিল থামছে না। প্রতিদিনই ঘটছে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা। গতকাল সোমবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরফিন পাথর কোয়ারিতে গর্তের মাটির নিচে চাপা পড়ে এক শ্রমিক নিহত ও আরো দু’জন আহত হয়েছে।
এ নিয়ে গত তিন বছরে সিলেটের ৭ পাথর কোয়ারিতে গর্তের মাটি চাপায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৬-এ।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি(বেলা)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৩ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত গত তিন মাসে সিলেটের ৭টি পাথর কোয়ারিতে ৭৬ পাথর শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শাহ আরফিন টিলায় সর্বোচ্চ ২৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, জাফলংয়ে ২১ জন, ভোলাগঞ্জে ১৩ জন, বিছনাকান্দিতে ৫ জন, লোভাছড়ায় ৮ জন এবং উৎমা ছড়া কোয়ারিতে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন শ্রমিক।
এদিকে, পাথর কোয়ারির গর্তে মাটি চাপায় মৃত্যুর ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে বিরাজ করছে আতংক। শাহ আরফিনে কর্মরত সুনামগঞ্জের পাথর শ্রমিক আব্দুল আলী জানান, প্রতিনিয়ত শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় তারা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। এ অবস্থায় অনেকে এ পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে বলে জানান এ শ্রমিক।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক এডভোকেট শাহ শাহেদা আখতার জানান, শ্রমিক মৃত্যুরোধে সিলেটের কোয়ারিগুলোতে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন,আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং রাজনৈতিক দলের নেতাদের ভূমিকা রাখা জরুরী। পাশাপাশি সরকারের উচ্চ মহল থেকেও বিষয়টি জোরালোভাবে মনিটরিং করতে হবে তা না হলে এ ধরণের মৃত্যু রোধ করা কঠিন হবে।
কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন আচার্য্য জানান, কোম্পানীগঞ্জের কোয়ারিসমূহে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে তারা তৎপর রয়েছেন। প্রতিদিনই তারা বিভিন্ন কোয়ারিতে অভিযান চালাচ্ছেন। বোমা মেশিনের যন্ত্রপাতি ধ্বংস করছেন। কিন্তু,এরপরও এ চক্রের সদস্যদের দমানো যাচ্ছে না। তিনি কোম্পানীগঞ্জে পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম বন্ধে স্থানীয় সচেতনমহলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রসঙ্গত, সিলেট জেলায় সবমিলিয়ে ৭টি পাথর কোয়ারি রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ, শাহ আরফিন ও উৎমাছড়া, গোয়াইনঘাটের জাফলং ও বিছনাকান্দি, জৈন্তাপুরের শ্রীপুর এবং কানাইঘাটের লোভাছড়া।

 

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবি
  • মুজিববর্ষে ২শ’ টাকার নোট বাজারে আসছে
  • প্রযুক্তি ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
  • গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে ৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
  • সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে ----দানবীর ড. রাগীব আলী
  • রিজভীসহ আহত ১০
  • গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী ও বিশ্বনাথে ডাকাত নিহত
  • ছবি
  • সিলেটে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগোতে হবে।
  • রাজনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে তিন লাখ টাকা লুট
  • ছাতকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও নবীগঞ্জে নারীর মৃত্যু
  • ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ চালু করতে যাচ্ছে ইউএনডিপি
  • মহানগরী এলাকায় পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিসিকের
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী
  • একুশের প্রথম প্রহরে...
  • মহান একুশ আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান এমপি
  • একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেট বোর্ডে গতকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩৮ পরীক্ষার্থী
  • এসএসসি পরীক্ষার্থী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত
  • বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকতে পূর্বাচলে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’
  • Developed by: Sparkle IT