প্রথম পাতা

লালদীঘিতে শেখ হাসিনা হত্যা প্রচেষ্টা মামলায় পাঁচ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০১-২০২০ ইং ০২:৪৪:৩৬ | সংবাদটি ১৩৭ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : বত্রিশ বছর আগে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিতরা সবাই পুলিশ সদস্য।
গতকাল সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন চার আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিতরা হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি অঞ্চলের তৎকালীন পেট্রোল ইন্সপেক্টর জে সি মন্ডল, কন্সটেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, শাহ মো. আবদুল্লাহ ও মমতাজ উদ্দিন। প্রথম জন পলাতক আছেন।
এছাড়া,‘বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আঘাত সৃষ্টির’ দায়ে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি বন্দরনগরীর লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভার দিন বেলা ১টার দিকে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাক আদালত ভবনের দিকে এগোলে নির্বিচার গুলি ছোড়া শুরু হয়।
আইনজীবীরা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে ঘিরে মানববেষ্টনি তৈরি করে তাকে নিরাপদে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে যাওয়ায় তিনি রক্ষা পান।
ওই ঘটনায় মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া, মো. কাসেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ ও শাহাদাত হোসেন নিহত হন।
নিহতদের কারও লাশ পরিবারকে নিতে দেয়নি স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার; সবাইকে বলুয়ার দীঘি শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো. শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করলেও বিএনপি সরকারের সময়ে মামলার কার্যক্রম এগোয়নি।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। দুই দফা তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর আট পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে পাঁচজন এখন জীবিত আছেন। মৃত আসামিরা হলেন- সিএমপির কমিশনার মীর্জা রকিবুল হুদা এবং কনস্টেবল আব্দুস সালাম ও বশির উদ্দিন।
মামলায় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শেফালী সরকার, সাংবাদিক অঞ্জন কুমার সেন ও হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, সুভাষ চন্দ্র লালা, অশোক কুমার বিশ্বাস, হাসনা বানু, মাঈনুদ্দিন, আবু সৈয়দ এবং অশোক বিশ্বাস অন্যদের মধ্যে সাক্ষ্য দেন।
গত ১৪ জানুয়ারি ৫৩তম সাক্ষী আইনজীবী শম্ভুনাথ নন্দীর সাক্ষ্য দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন।
রোববার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষে পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। পরে আদালত আসামি পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সোমবার দিন রেখেছিলেন।
কিন্তু আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন না করায় এদিনই আদালত রায় ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবি
  • মুজিববর্ষে ২শ’ টাকার নোট বাজারে আসছে
  • প্রযুক্তি ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
  • গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে ৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
  • সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে ----দানবীর ড. রাগীব আলী
  • রিজভীসহ আহত ১০
  • গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী ও বিশ্বনাথে ডাকাত নিহত
  • ছবি
  • সিলেটে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগোতে হবে।
  • রাজনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে তিন লাখ টাকা লুট
  • ছাতকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও নবীগঞ্জে নারীর মৃত্যু
  • ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ চালু করতে যাচ্ছে ইউএনডিপি
  • মহানগরী এলাকায় পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিসিকের
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী
  • একুশের প্রথম প্রহরে...
  • মহান একুশ আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান এমপি
  • একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেট বোর্ডে গতকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩৮ পরীক্ষার্থী
  • এসএসসি পরীক্ষার্থী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত
  • বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকতে পূর্বাচলে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’
  • Developed by: Sparkle IT