প্রথম পাতা সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা

১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ২ জন খালাস

প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০১-২০২০ ইং ০২:৪৫:২২ | সংবাদটি ৭৩ বার পঠিত

ডাক ডেস্ক : প্রায় দুই দশক আগে ঢাকার পল্টন ময়দানে সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনায় হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ১০ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম গতকাল সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলার জীবিত ১২ আসামির মধ্যে দুইজনকে খালাস দেন তিনি।
২০০১ সালে যে দিনটিতে বোমা হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছিল, ১৯ বছর পর সেই একই তারিখে রায় দিল আদালত।
বিচারক তার ১০৪ পৃষ্ঠার রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেন, এই জঙ্গিরা সিপিবিকে কাফের মনে করত। তাদের নস্যাৎ করার জন্য তারা ওই হামলা চালায়।
কোরানের সুরা আল মায়েদার ৩২ নম্বর আয়াত থেকে উদ্ধৃত করে বিচারক বলেন, “নরহত্যা অথবা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করা ছাড়া অন্য কোনো কারণে যে ব্যক্তি কাউকে হত্যা করল, সে যেন দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে হত্যা করল।”
হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানও ছিলেন এ মামলায় অভিযুক্ত আসামি। অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় এ মামলার অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দশ আসামির মধ্যে মুফতি মঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ রায়ের সময় কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
আর জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান ও নুর ইসলাম পলাতক।
এই দশ আসামিকে সর্বোচ্চ সাজার পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে রায়ে। এছাড়া পলাতক দুই আসামি মো. মশিউর রহমান ও রফিকুল আলম মিরাজকে খালাস দিয়েছেন বিচারক।
আদালতে উপস্থিত আইনজীবী জিয়াদ আল মালুম বলেন, “মশিউর ও মিরাজ ছিলেন সিপিবির কর্মী। রায়ে বিচারকও সে কথা বলেছেন।”
এ রায়ের জন্য সোমবার সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা। সবাইকে তল্লাশি করে তারপর আদালতে ঢুকতে দেওয়া হয়।
২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে সিপিবির লাল পতাকা সমাবেশে এই বোমা হামলা হয়েছিল। তাতে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সিপিবি নেতা হিমাংশু মণ্ডল, রূপসা উপজেলার সিপিবি নেতা ও দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরির শ্রমিক নেতা আব্দুল মজিদ, ঢাকার ডেমরার লতিফ বাওয়ানি জুটমিলের শ্রমিক নেতা আবুল হাসেম ও মাদারীপুরের কর্মী মোক্তার হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন পর মারা যান খুলনা বিএল কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বিপ্রদাস রায়। হামলায় আহত হয় শতাধিক।
ওই ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মনজুরুল আহসান খান মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবি
  • মুজিববর্ষে ২শ’ টাকার নোট বাজারে আসছে
  • প্রযুক্তি ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
  • গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে ৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
  • সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়াতে হবে ----দানবীর ড. রাগীব আলী
  • রিজভীসহ আহত ১০
  • গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামী ও বিশ্বনাথে ডাকাত নিহত
  • ছবি
  • সিলেটে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগোতে হবে।
  • রাজনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে তিন লাখ টাকা লুট
  • ছাতকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও নবীগঞ্জে নারীর মৃত্যু
  • ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ চালু করতে যাচ্ছে ইউএনডিপি
  • মহানগরী এলাকায় পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিসিকের
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী
  • একুশের প্রথম প্রহরে...
  • মহান একুশ আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান এমপি
  • একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেট বোর্ডে গতকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩৮ পরীক্ষার্থী
  • এসএসসি পরীক্ষার্থী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত
  • বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকতে পূর্বাচলে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’
  • Developed by: Sparkle IT