উপ সম্পাদকীয়

নতুন সূর্যের প্রত্যাশায়

ফকির ইলিয়াস প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০১-২০২০ ইং ০০:৫০:২৬ | সংবাদটি ১৫৮ বার পঠিত
Image

২০১৯ সাল বাংলাদেশে বিভিন্ন কারণেই ছিল আলোচিত। এই সালে বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতা গ্রহণ। এছাড়া দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে ফেনীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকা-, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যাকা-, রোহিঙ্গা পুনর্বাসন ও ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ, রোহিঙ্গাদের সমাবেশ, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান এবং পেঁয়াজ নিয়ে তুলকালাম, বছর শেষে বিতর্ক সৃষ্টিকারী রাজাকারের তালিকা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দীর্ঘ ২৮ বছর পর। এতে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক ভিপি নির্বাচিত হন। তবে, ডাকসু’র জিএস’সহ অন্য পদগুলোতে ছাত্রলীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হন।
বাংলাদেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি, কোনঠাসা থেকেছে পুরো বছর। ফলে রাজনীতিতে সমতা ছিল না। দলের চেয়ারপারসন জেলেই থেকেছেন। ভারপ্রাপ্ত যিনি, তিনি সাজাপ্রাপ্ত এবং আছেন বিদেশে। সংগঠন গোছানোর কাজ আর সরকারবিরোধী আন্দোলন-এ দুটি একসঙ্গে চলে না বলে দলটির নেতারা মনে করছেন। তাঁদের মতে, এটা অসংগতিপূর্ণ বা পরস্পরবিরোধী।
এগিয়েছে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স। অর্থনীতির অন্যান্য সূচক নেতিবাচক হলেও সুবাতাস বয়ে যায় রেমিট্যান্সের পালে। রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা প্রদান এবং টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে বৈধ পথে বেড়েছে রেমিট্যান্সের প্রবাহ। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭১ কোটি (৭.৭১ বিলিয়ন) ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গতবছর একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬২৯ কোটি (৬.২৯ বিলিয়ন) ডলার।
২০১৯ সালের আলোচিত ঘটনা ছিল ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান। বিভিন্ন ক্লাবে চলে অভিযান। ক্লাবের নামে অসামাজিক কার্যকলাপ, ক্যাসিনো, সন্ত্রাস, ঘুষ, টেন্ডারবাজির ঘটনায় অর্জিত অর্থ ও সম্পদের উৎস জানতে তদন্ত চলছে। নজর রাখা হয়েছে আলোচিত ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব, ব্যাংকের লকারে থাকা সম্পদ, তাদের প্রতিষ্ঠান ও নামে-বেনামে থাকা সম্পদ ও আয়কর নথির ওপর। এরইমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ পাচারের বিষয়ে খোঁজ নেয়া শুরু হয়েছে। একই ইস্যুতে মাঠে কাজ করছে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক)। কোটি কোটি টাকা পাচারের তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। আর বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তিন সংস্থার চাহিদামাফিক তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিন সংস্থার নির্দেশনা মতো বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হচ্ছে।
ক্যাসিনো, সন্ত্রাস, মানিলন্ডারিং, ঘুষসহ বিভিন্ন অপরাধে যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে আইনি পরিপন্থী কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বিএফআইইউ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।
আলোচনায় ছিল দেশের পেঁয়াজের বাজার। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। এরপর দেশের বাজারে এর ঝাঁজ বাড়তে থাকে। পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে মিয়ানমার, মিসর, আজারবাইজান, পাকিস্তান ও উজবেকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। প্লেনে ২৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ আমদানি করে টিসিবির মাধ্যমে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি করে সরকার। খোলা ও পাইকারি বাজারেও চোখের পলকে বেড়ে যায় দাম। যা অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে জানা যায় এখন থেকে দেশে পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে।
পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ কেমন কাটিয়েছে বছরটি। তা নিয়ে ছিল না না প্রশ্ন। গত জুলাই ২০১৯ মাসে আসামের নাগরিক তালিকার দ্বিতীয় খসড়া প্রকাশিত হলো, যাতে ৪০ লাখ মানুষকে সম্ভাব্য বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ৩১ আগস্ট বের হলো চূড়ান্ত তালিকা, যাতে ১৯ লাখ মানুষকে বলা হলো বিদেশি। ভারত আশ্বস্ত করল যে এটা নিতান্তই তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বাংলাদেশের এতে উদ্বেগের কিছু নেই। বাংলাদেশ সরকারও তাদের এই আশ্বাসে বিশ্বাস ব্যক্ত করেছে। বাংলাভাষী এই মানুষগুলো যদি ভারতে বিদেশি বলে গণ্য হয়, তবে তারা কোন দেশ থেকে এসেছে, ভারতের আশ্বাস বা আমাদের বিশ্বাসে এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। ৩ থেকে ৬ অক্টোবর চার দিনের ভারত সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তখনো তাঁকে একই আশ্বাস দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।
বাংলাদেশ ভারত সম্পর্কে সর্বশেষ প্রভাবক ঘটনাটি ঘটেছে বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরই। অনেক হই-হট্টগোল আর তুমুল বিতর্কের পর ভারতের পার্লামেন্টে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল,২০১৯ পাস হয়ে আইনে পরিণত হয়েছে। এ আইন অনুযায়ী মুসলমানদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে নির্যাতিত হয়ে ভারতে চলে আসা হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে। বিলের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোসহ সারা ভারতেই। বিক্ষোভ-সহিংসতায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রাণহানিও ঘটেছে।
ভারতের পার্লামেন্টে পাস করা একটি আইন আপাতদৃষ্টিতে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দুটো কারণে এটিকে পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। প্রথমত, আইনে বাংলাদেশকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে একই ব্রাকেটভুক্ত করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। দ্বিতীয়ত, আইনে বলা হচ্ছে বাংলাদেশে (পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেও) নির্যাতনের শিকার হয়ে সংখ্যালঘুরা ভারতে প্রবেশ করছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে দুটি দেশ সমগ্র বিশ্বের জন্য ‘রোল মডেল’, তার একটি অপরটিকে আইনের মাধ্যমে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করছে, এটা একদিকে যেমন অভূতপূর্ব, তেমনি অন্যদিকে বেদনাদায়ক। সাম্প্রতিক কালে ভারত থেকে বাংলাভাষী মুসলমানদের পুশ ইন তৎপরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগত কারণেই বাংলাদেশের মানুষ এবং সরকার ভারতের এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েছে, আর বহুদিন পর, সংযতভাবে যদিও সরকার সেই ক্ষোভ ব্যক্ত করেছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্ধারিত সরকারি সফর বাংলাদেশ শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছে।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে বছর শেষে ফের পথে নেমে মোদী বাহিনীর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হওয়ার ডাক দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিএএ ও এনআরসি-র প্রতিবাদে সোচ্চার মমতা বাহিনী। কোনওভাবেই এনআরসি ও সিএএ মানা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়োজনে এ ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধানে জনমত সমীক্ষার দাবি তুলেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সিএএ ও এনআরসি-র বিরুদ্ধে মমতার আন্দোলন কোন পথে যায়, তার জন্য তাকিয়ে ২০২০ সাল।
এনআরসি প্রক্রিয়ার কেন্দ্রেই রয়েছে প্রাকৃতিক ন্যায়বিচার বা ন্যাচারাল জাস্টিসের গুরুতর লঙ্ঘন। নাগরিকত্ব প্রমাণের বোঝা একটি গোটা জনসংখ্যার ওপর রাষ্ট্র কীভাবে চাপিয়ে দিতে পারে? এমন প্রক্রিয়া শুরু করাই কেন, যার ফলে অসংখ্য দরিদ্র, অসুরক্ষিত মানুষ-উদ্বাস্তু, অ-নথিভুক্ত শ্রমিক, বিবাহিতা মহিলা, বাস্তুচ্যুত মানুষ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত, দলিত, এবং আদিবাসী অবধারিতভাবেই তালিকার বাইরে থাকবেন?
সমাধান একটাই, ২০০৩ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাতিল করে ১৯৫৫ সালের মূল নাগরিকত্ব আইন পুনঃ প্রতিষ্ঠা করা, যাতে রয়েছে নাগরিকত্বের সর্বব্যাপী এবং ধর্মনিরপেক্ষ সংজ্ঞা। দেশের গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলির সেই লক্ষ্যেই লড়াই করা উচিত-এটাই বলছেন সমাজ বিশ্লেষকরা।
২০১৯ ছিল বাঙালির প্রাপ্তির বছর। রবীন্দ্রনাথ,ডঃ ইউনুস,অমর্ত্য সেনের পর ফের ইতিহাস রচনা হলো বাঙালির। ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই বিভাগে নোবেল পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী এস্থার ডাফলো। বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য দূরীকরণ নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ নোবেল পেয়েছেন তাঁরা।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রোহিঙ্গা সংকটের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় নিয়েও কথা বলেছেন।
বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে প্রস্তুত থাকলেও মিয়ানমার অপপ্রচার ও মিথ্যা ছড়াচ্ছে, বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে ‘অনিচ্ছুক’।
বাংলাদেশে বর্তমানে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযান থেকে বাঁচতে কক্সবাজারে প্রবেশ করেন।
রোহিঙ্গাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে মিয়ানমারের ‘ব্যর্থতা’ এবং রাখাইন রাজ্যে অনুকূল পরিবেশের অভাবে গত দুই বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও প্রত্যাবাসন করা যায়নি বলেই জানাচ্ছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত এক লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নাম যাচাইয়ের জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর এবং নিজেদের পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করেছে। তবে মিয়ানমার এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে পারেনি। এই সংকটটি ২০২০ সালে সামাধান হোক এটাই চাইছে বাংলাদেশ।
বিশ্ববাসী দেখেছে কিভাবে আদালতে অং সান সুচি মিথ্যার অবতারণা করেছে। বছর জুড়ে বাংলাদেশে আলোচনায় ছিল ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর প্রকোপে মারা গেছে অনেক মানুষ। উৎকণ্ঠায় কেটেছে দেশবাসীর সময়।
সামাজিক সহিংসতা, পারিবারিক কলহ, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যাভিচারি আচরণ, ক্ষমতাবানদের দূরাচারী কাজকর্মে তটস্থ ছিলেন বাংলার মানুষ। অন্যদিকে গোত্রগত সংঘাতে রক্তাক্ত ছিল ইয়ামেন, কাশ্মীর, সিরিয়া, ইরাক, পাকিস্তান, ভারত, আফগানিস্তান প্রভৃতি দেশ। এসবের অবসান দরকার।
ফিরে আসি আবার বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন হয়েছে এই বছরের শেষ মাসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিকসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে সভাপতি পদে শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদের পুননির্বাচিত হন। সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা নবমবারের মতো এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব পান। এ দুই শীর্ষ পদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসে আরও নতুন মুখ। ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ঘোষিত হয় ৭৪ জনের নাম।
২০২০ মুজিববর্ষ। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ। বাংলাদেশ সহ বিশ্বে তা আনন্দ ও ভাবগম্ভীরভাবে পালিত হবে। ২০২০ সালে হবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।
তাই বছরটি বিশ্বের কাছে খুবই অর্থবহ। বিশ্ববাসী শান্তি চান। এই শান্তি সবাইকে অর্জন করতে হবে। সেজন্য মানুষকে দাঁড়াতে হবে শক্তিশালী হয়ে। দাঁড়াতে হবে সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে। নতুন সূর্যের আলোয় আলোকিত হোক আমাদের নববর্ষ ২০২০ ।
লেখক : কবি, প্রাবন্ধিক।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • প্রসঙ্গ : মহামারিতে ধৈর্য ধারণ
  • মা-বাবার সাথে থাকি
  • নব্যউদারনীতিবাদ নিয়ে কিছু কথা
  • মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
  • বাউল সম্রাট ও গ্রামীণ সংস্কৃতি
  • সমাজসেবা ও দেশপ্রেম
  • ক্ষণজন্মা সৈয়দ মহসীন আলী
  • শিক্ষার সাথে চরিত্র গঠনও প্রয়োজন
  • জাতীয় প্রবীণ নীতিমালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
  • ম. আ. মুক্তাদির : বিপ্লবীর স্বপ্নের দেশ
  • স্মরণ: শেখ তজমুল আলী চেয়ারম্যান
  • করোনাকালে সঙ্কটে প্রবাসীরা
  • ব্যাংক খাত ও সাইবার নিরাপত্তা
  • আমাদের অসাধারণ মানুষের গল্প
  • প্রগতি জাতির প্রকৃতিগত অধিকার
  • নিজেকে দূরে রাখুন, সচেতন থাকুন
  • প্রগতি জাতির প্রকৃতিগত অধিকার
  • নিজেকে দূরে রাখুন, সচেতন থাকুন
  • আত্মহনন : অমূল্য জীবনের অপচয়
  • অনলাইন পাঠদান কেমন হওয়া উচিত
  • Image

    Developed by:Sparkle IT