উপ সম্পাদকীয়

ঢাকা সিটি নির্বাচন ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

ইনাম চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১৩-০২-২০২০ ইং ০০:৩৩:৩৩ | সংবাদটি ৪৯ বার পঠিত

উত্তর ও দক্ষিণ নামে বিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র নির্বাচন সমাপ্ত হয়েছে এই সেদিন। ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা তেমন ছিলো বলে দেখিনি কিন্তু দুই দুই চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী (প্রধান) বেশ উত্তেজিত এবং কর্মতৎপর ছিলেন তাদের নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে। আমি বেশ কয়েকদিন ঢাকায় ছিলাম নির্বাচনের অল্প আগে। প্রতিদিন মসজিদে বা অন্যান্য জায়গায় জয়লাভের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলাপ আলোচনা হতো বিভিন্ন প্রার্থীদের নামোল্লেখ করে। যাই হোক দায়িত্বপ্রাপ্তরা দাবি করছেন তাদের কর্তব্য সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করা এবং সেটি তারা করেছেন শতভাগ। রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট যারা তারা বলছেন এতো ভালো আর স্বচ্ছ নির্বাচন এর আগে ঢাকার বুকে সম্পন্ন হয় নাই। আমি যাদের নাম শুনেছিলাম সম্ভাব্য বিজয়ী হিসাবে তারা কিন্তু সরকারিভাবে ঘোষিত মেয়রদের ধারে কাছেও আসতে পারেন নাই। ভোট এর আবহাওয়া কখন বদলায় আবার কখন কারপক্ষে যায় বলা মুশকিল। শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে যাদের জয়লাভের আকাংখা ছিলো তুঙ্গে আবার আশীর্বাদ ছিলো চতুরঙ্গে তারাই জিতেছেন।
বিবিসি তার ভাষ্যে ঢাকা মহানগরীর মেয়র নির্বাচন সম্বন্ধে প্রতিবেদন এ বলেছে ভোট পর্বটি ছিলো নিরানন্দময়। একটি কেন্দ্রে গিয়ে তারা দেখেছে বিপুল সংখ্যক ভোটার এর জায়গায় মাত্র বারোটি ভোট পড়েছে। নির্বাচনী কেন্দ্রে না ছিলো ভোটারদের ভিড় ভাড়াক্কা হৈ হট্টগোল বা উৎসবের আমেজ বরং ছিলো বেশ শান্ত এবং স্বল্প সংখ্যক মানুষের অলস সময় কাটানোর প্রবণতা। ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্বয়ং পরিদর্শন করলেন একটি কেন্দ্র। সেখানে ছিলো ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ। কর্মচারী, কর্মকর্তারা ছিলেন ভীষণ ক্লান্ত ভোটপর্ব নিয়ে তাই তারা নিজ নিজ আসনে বসেই দুপুরের খাবারটি সারছিলেন। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে এ ব্যাপারে। সংবাদ সংগ্রহে রত ব্যক্তিদের কয়েকজন মারমুখী ব্যক্তিদের হিংসাত্মক আক্রমণের শিকার হয়ে হাসপাতালে পর্যন্ত নীত হয়েছেন। সবকিছু মিলিয়ে পুরো ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সম্বন্ধে একটি ধারণা জনসম্মুখে প্রতীয়মান হয়েছে। যাইহোক এতোকিছুর পরও সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের জয় সুনিশ্চিত করে ঘোষণা দেয়া হয়েছে : যথাযথ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। পাকা আম গাছে দুষ্টু লোকেরা ঢিল ছুড়বেই বাক্যটির মর্ম উপলব্ধি করে আমরা সেই পথটি অবলম্বন করাই বেহতর হবে ধরে নিয়ে অধিক বিশ্লেষণে না যাওয়াটা শ্রেয়তর মনে করি।
ঢাকা আমাদের দেশের রাজধানী শহর। সেটিকে তিলোত্তমা করার মতো মহাযজ্ঞের কথা যুগ যুগ ধরে শুনে আসছি তারপরেও যেন সেটি হচ্ছে না। বোধহয় এবারকার নির্বাচিত মেয়রবর্গ সেটি সম্ভব করে তুলবেন। এ সকল মেয়র প্রার্থীরা নির্বাচন পূর্ব ইশতেহারে যে সকল ওয়াদা করেছেন সেগুলিতে পরোক্ষভাবে সেই তিলোত্তমা পর্বটিই স্বীকৃত হয়েছে এবং দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে সেটি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার তারা করেছেন। আশা করি তারা সেটি করবেন। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর অধিবাসীবৃন্দ নিশ্চয়ই এখন স্বস্তি ও শান্তির নিঃশ্বাস ফেলার অবকাশ পাবেন সেটি কায়মনোবাক্যে কামনা করি।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রাজনৈতিক এবং দলীয় কার্যক্রমে তিনি এতো বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন যে আপন শরীর স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল নজর দিতে পারেন নাই বলেই এমনতরো হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। তিনি বর্তমান আওয়ামীলীগ এর রাজনৈতিক কর্মকান্ডের ব্যাপ্তি ও পরিসর বাড়িয়েছেন বিপুলায়তনে। সে হিসাবে সুষ্ঠু ও পূর্ণ কর্মপরিচালনা নিশ্চিত করতে একাধিক সাধারণ সম্পাদক নিযুক্তপূর্বক কর্মবিভাজনের পথে হাটা সম্ভব কিনা সেটা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার আহবান জানাতে চাই সংশ্লিষ্ট সকলকে। জনাব কাদের অবিলম্বে সুস্থ হয়ে উঠুন সেই প্রার্থনা করছি মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে। জনাব কাদের যদি মন্ত্রীত্ব বা সাধারণ সম্পাদক এই দুটোর মধ্যে একটি বেছে নেন তাহলে বোধ হয় তার এই দুর্বল শরীরেও বাস্তব দুনিয়ার ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে পারবেন। তিনি কঠোর পরিশ্রমী আবার নিরন্তর কর্মতৎপর। এতো দায়িত্ব বহন করতে গিয়েই শারীরিকভাবে বিপাকে পড়েছেন জনাব ওবায়দুল কাদের।
বর্তমান সরকার এর অধীনে যতোটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেগুলির প্রায় প্রত্যেকটিকে বেআইনী আর সাজানো বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে নানা মহল থেকে। বিস্ময়ের ব্যাপারটি হলো যারাই এটাকে সাজানো বা বেআইনী নির্বাচন বলেছেন তাদের দলীয় প্রার্থীরা যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগদান করেছেন। একজন সংসদ সদস্য হিসাবে মর্যাদা আর সুবিধা ভোগ করছেন সর্বোতভাবে। অন্যদিকে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে অবৈধ বা সাজানো নির্বাচনের সংসদ হিসাবে এটিকে আখ্যায়িত করছেন। বেগম রুমীন ফারহানা এমনতরো একজন ব্যক্তিত্ব। তিনি জাতীয় সংসদে উচ্চকণ্ঠ এবং প্রগলভ। তার প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর সবাইকে কাপিয়ে দিয়েছে, নাড়িয়ে দিয়েছে। জাতীয় সংসদে প্রায় নির্বাক হয়ে সবাই তার বক্তব্যটি শুনেছেন। দুর্বল কণ্ঠে কেউ কেউ প্রতিউত্তর দিয়েছেন। বিস্ময়করভাবে রুমীন ফারহানার বক্তব্যগুলির তীব্র সমালোচনা হয়েছে জাতীয় সংসদের বাইরে বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে। আগ্রহভরে সেই সমালোচনামূলক প্রতিবেদনগুলি আমরা পাঠ করেছি যদিও অনেকগুলির ভাষা শালীনতার সীমা অতিক্রম করেছিল বলেই প্রতীয়মান হয়েছে। আমাদের সকল ক্ষেত্রেই শালীনতা আর ভব্যতার পরিচয় দেয়া উচিত বলে মনে করি।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশ গড়ার একজন কারিগর বটে। তিনি সঠিক ব্যক্তিদের সহযোগী হিসাবে পেয়েছেন বলে মনে হয়। পরিকল্পনামন্ত্রী জনাব আব্দুল মান্নান সাহেব তার মধ্যে একজন। তিনি বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রতি এতোদিনকার অবহেলা আর বঞ্চনার অবসান ঘটাতে চান। তার নির্বাচনী এলাকায় যে সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করেছেন সেগুলি নিশ্চয়ই সময়োপযোগী। জনবান্ধব আর অর্থনৈতিক অগ্রগতির সোপান স্বরূপ। তিনি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি সহ সকল জনবান্ধব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করতে চান। মনে রাখতে হবে বর্তমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটির পরিকল্পনা, বাস্তবায়নসহ সবকিছুই সাধিত হয়েছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রী জনাব এস.এম.এস কিবরিয়া সাহেবের উদ্যোগে। এটি ছিলো অতি উন্নতমানের একটি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তৎকালীন চাহিদার প্রেক্ষাপটে যথাযথ। দুঃখজনকভাবে জনাব কিবরিয়া প্রকল্পটির সমাপ্তি পর্ব দেখে যেতে পারেন নাই। বর্তমানের উন্নয়ন কর্মকান্ড, নানা জায়গায় স্থাপিত শিল্পাঞ্চল আবার ব্যক্তি উদ্যোগে স্থাপিত শিল্প কারখানা সমূহের অবস্থানগত কারণে যানবাহন, জনচলাচল বহুগুণ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ছয়লেন বিশিষ্ট ঢাকা-সিলেট সড়কটি এতোদিনে নির্মিত হলো না কেন সেটি একটি প্রশ্ন। এখনও শংকা জাগে শেষমেষ যদি পরিকল্পনার পরিধি উড়ে যায় আর কল্পনাটি পড়ে থাকে চিরবঞ্চিত বৃহত্তর সিলেটবাসির জন্য। ইদানীং কোন কোন মহল থেকে বলা হচ্ছে তৎকালীন বিএনপি সরকার এর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জনাব সাইফুর রহমান সাহেব এর হস্তক্ষেপে এই মহাসড়কটি তখনই ছয়লেন হওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। আসলে এ জাতীয় অপবাদ কতটুকু সত্যি সেটা প্রমাণের দাবি রাখে। হতে পারে সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের জন্য কেউ কেউ এ জাতীয় মন্তব্য প্রকাশ করে নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে শক্তপোক্ত করে তুলতে চান। নিশ্চয়ই এটাও চিন্তায় রাখেন যে মৃত সাইফুর রহমান সাহেবতো আর এখন উঠে দাঁড়াবেন না, কোন কথার প্রতিবাদ করার জন্য। যাই হোক কথাবার্তায় তথ্য উপাত্ত আর প্রেক্ষাপটের মিল থাকাটা বাঞ্চনীয়। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলকে ভালবাসেন আমাদের মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী এবং ঠিক তেমনটি ভালবাসেন আমাদের সিলেটের সুসন্তান মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব এ.কে আব্দুল মুমিন সাহেব। নিশ্চয়ই তারা ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সাথে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন চান এবং সেই সাথে যাত্রাপথের নিরাপত্তা বিধান করতে চান। ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম পথের ট্রেনগুলিকে নতুন বগী দিয়ে সাজিয়ে দিলাম কিন্তু রেলসড়কটি রইলো নড়বড়ে এমনতরো ব্যবস্থায় অবশ্যই তারা সন্তুষ্ট হবেন না। বলা হচ্ছে এই লাইনে ডুয়েল গেজ রেললাইন বসানো হচ্ছে। অর্থাৎ সিঙ্গেল লাইনই থাকছে উভয়মুখী বা ডাবল লাইনের ব্যবস্থা থাকছে না। ফলশ্রুতিতে যাত্রাপথে বিলম্ব আর ভোগান্তির অবসান ঘটছে না। লাইনচ্যুতি ঘটলেতো অবস্থাটা হবে বর্ণনাতীত আবার একটি ট্রেনকে দাঁড় করিয়ে রেখে অপরটির যাত্রাপথ নিশ্চিত করা জাতীয় ব্যাপারেও ট্রেন যাত্রীদের ধৈর্যচ্যুতির সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই প্রয়োজন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আর জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে অবিলম্বে এই পথে ডাবল লাইন (ব্রডগেজ) সুবিধা নিশ্চিত করা হোক। আকাবাকা রেলপথকে সোজা পথে পরিচালিত করা হোক। শ্রীমঙ্গল রেলস্টেশনকে চা-নিলাম কেন্দ্রের জন্য সুবিধাজনক সুযোগ ও অবকাঠামোযুক্ত করা হোক।
মনে রাখতে হবে সেই ১৮৭০ সাল থেকেই এই সেকশনের রেল ব্যবস্থা বর্ধিত রাজস্ব আয়ের একটি খাত হিসাবে অধ্যাবধি বহাল আছে। মৃতপ্রায় সুরমা নদীকে অবিলম্বে খনন প্রক্রিয়ার অধীনে আনয়ন করে জলপথে মালামাল পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। হবে হচ্ছে জাতীয় আশ্বাসবাণী বন্ধ করে দৃশ্যমান কর্মতৎপরতা শুরু করা হোক। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরকে পুরোমাত্রায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে কার্যক্রম শুরু করার ব্যবস্থা করা হোক অনতিবিলম্বে।
সিলেটে একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, কুষ্ঠ ব্যাধি নিরাময় কেন্দ্রসহ সকল চিকিৎসা সুবিধা সম্বলিত বহুতল ভবন নির্মাণ পূর্বক বৃহত্তর সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের ইচ্ছাপূরণ করা হোক। সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটিকে যেন ইচ্ছাকৃতভাবে পেছনে ঠেলে রাখা হচ্ছে। অবিলম্বে এটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা হোক। দেশ ও জাতির উন্নয়নের অংশ হিসাবে এই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভের দাবি রাখে। উল্লেখযোগ্য এই উদ্দেশ্য সফল করতে পুরো অবকাঠামো বিদ্যমান রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে। অনুরূপভাবে সিলেটে কথিত সাফারী পার্কটি রয়েছে আধা খেচড়া অবস্থায়। এটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন যেমন জরুরী তেমনি পশু-পাখীর সমাহার ঘটানো আরো বেশি জরুরি। এ ব্যাপারে ত্বরিৎ সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণ আবশ্যক। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় গতি আনতে মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবি জানাতে চাই। আর্তমানবতার সেবায় যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বমহলে প্রশংসিত স্থান অধিকার করেছে সেই রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটিকে সরকারী সহযোগিতা আর সুদৃষ্টির আওতায় এনে জনসেবার অবকাশ আরো বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। সিলেট অঞ্চলে মানসিক রোগীদের জন্য কোন বিশেষায়িত হাসপাতাল না থাকায় মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। আশা করবো এ জাতীয় একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সরকারী ঘোষণা অবিলম্বে আসবে। আশা করবো মানবকল্যাণ নিশ্চিত হবে। তথাস্তু।
লেখক : কলামিস্ট।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT