প্রথম পাতা

অমর একুশে

প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০২-২০২০ ইং ০৪:০২:০৬ | সংবাদটি ১০৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি’-মাতৃভাষা আন্দোলনের ওপর আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা আর শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা কালজয়ী এ গানটি আজো কোটি বাঙালির হৃদয়ে বেদনা জাগায়। গানটি শুনলেই কোটি কোটি মানুষের বুকের মধ্যে হাহাকার করে ওঠে, সেদিনের সেই বর্বর পাকিস্তানিদের অত্যাচার আর নির্যাতনের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করে। স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে ভাইয়ের রক্ত, ছেলেহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে ভাষা আন্দোলন আর একুশের চেতনাকে জাগ্রত করে রেখেছে একুশের গান- ভাষার এ গান। মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরো অনেকে নিজের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষাকে রক্ষা করেছিলেন, যা ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। যাদের জন্য আজ পুরো পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে যায় ছাত্র-জনতা। দৃপ্ত স্লোগানে তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র রফিক উদ্দিন আহমেদ। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ হলেন তিনি। একুশের প্রথম শহীদ এ বীর অমর হয়ে থাকলেন ভাষার ইতিহাসে। নূরুল আমিনের ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে দৃপ্ত স্লোগানে বরকতও ছিলেন মিছিলের সাগরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র বরকত শহীদ হন। মিছিলে মিছিলে উত্তাল সারাদেশ। উত্তপ্ত ঢাকার নওয়াবপুর রোডও। ৮ বছরের শিশু অহিউল্লাহ তখন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। সেও শরিক হয়েছিলো মায়ের ভাষার দাবিতে, পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হয় সে। পুলিশের গুলিতে শহীদ হলেন হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি শফিউর রহমান। বিদ্রোহের হাওয়া তাকেও নিয়ে গেল মিছিলে। তিনিও স্লোাগান দিলেন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ উত্তাল স্লোগানে রাজপথ কেঁপে ওঠে। এমনি এক সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হুকুমে তাঁবেদার তৎকালীন পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। হাঁটু আর কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হলেন আব্দুল জব্বার।
মাতৃভাষার দাবিতে বাঙালি যখন এক জোট, তখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। মিটিং-মিছিল নিষিদ্ধ করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন তরুণ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঘোষণা দিয়ে বেরিয়ে এলো রাজপথে। মাতৃভাষার দাবি নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ ঘেরাও করতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা মিছিলে অংশ নেয়। কিন্তু মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে শুরু হলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপরই পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালায়। শহীদ হন রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • জাফলং থেকে পরিত্যক্ত একটি মর্টার শেল উদ্ধার
  • সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ মহাসড়কে ট্রাক খাদে পড়ে একজন নিহত
  • প্রত্যেক উপজেলা থেকে ২ জনের নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • গোটাটিকরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু
  • ৫-৯ এপ্রিল ব্যাংক লেনদেন চলবে ৩ ঘন্টা
  • ছুটির প্রজ্ঞাপন সংশোধন
  • অঘোষিত লকডাউনে সিলেটের জীবন যাত্রা যেন স্বাভাবিক !
  • দোয়ারাবাজারে হোমকোয়ারেন্টাইনে ওমান প্রবাসীর মৃত্যু
  • দায়িত্ব পালনকালে মাস্ক পরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • করোনায় কোন দেশে কত মৃত্যু
  • সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে হত্যা বিএসএফর
  • করোনা নিয়ে আর ব্রিফ করবে না আইইডিসিআর
  • শামসুর রহমানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
  • সিলেটে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ল্যাব চালু সোম অথবা মঙ্গলবার
  • বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশ ছাড়লেন ৩২৭ জাপানি
  • সংসদ ভবনে হচ্ছে না সাবেক ভূমিমন্ত্রীর জানাজা
  • আজ থেকে কঠোর অবস্থানে সেনাবাহিনী
  • কাল থেকে কঠোর হবে সেনাবাহিনী
  • অনলাইনে পাঠদান চলছে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে
  • সুনামগঞ্জে মারা যাওয়া নারীর স্বামী করোনায় আক্রান্ত নন
  • Developed by: Sparkle IT