প্রথম পাতা

অমর একুশে

প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০২-২০২০ ইং ০৪:০২:০৬ | সংবাদটি ৪৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কি ভুলিতে পারি’-মাতৃভাষা আন্দোলনের ওপর আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা আর শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা কালজয়ী এ গানটি আজো কোটি বাঙালির হৃদয়ে বেদনা জাগায়। গানটি শুনলেই কোটি কোটি মানুষের বুকের মধ্যে হাহাকার করে ওঠে, সেদিনের সেই বর্বর পাকিস্তানিদের অত্যাচার আর নির্যাতনের ভয়াবহতার কথা স্মরণ করে। স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে ভাইয়ের রক্ত, ছেলেহারা মায়ের অশ্রুসিক্ত চোখ। যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়ে ভাষা আন্দোলন আর একুশের চেতনাকে জাগ্রত করে রেখেছে একুশের গান- ভাষার এ গান। মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরো অনেকে নিজের বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মাতৃভাষাকে রক্ষা করেছিলেন, যা ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। যাদের জন্য আজ পুরো পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে যায় ছাত্র-জনতা। দৃপ্ত স্লোগানে তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র রফিক উদ্দিন আহমেদ। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে শহীদ হলেন তিনি। একুশের প্রথম শহীদ এ বীর অমর হয়ে থাকলেন ভাষার ইতিহাসে। নূরুল আমিনের ১৪৪ ধারা ভেঙে রাজপথে নেমে দৃপ্ত স্লোগানে বরকতও ছিলেন মিছিলের সাগরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র বরকত শহীদ হন। মিছিলে মিছিলে উত্তাল সারাদেশ। উত্তপ্ত ঢাকার নওয়াবপুর রোডও। ৮ বছরের শিশু অহিউল্লাহ তখন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। সেও শরিক হয়েছিলো মায়ের ভাষার দাবিতে, পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হয় সে। পুলিশের গুলিতে শহীদ হলেন হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি শফিউর রহমান। বিদ্রোহের হাওয়া তাকেও নিয়ে গেল মিছিলে। তিনিও স্লোাগান দিলেন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ উত্তাল স্লোগানে রাজপথ কেঁপে ওঠে। এমনি এক সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হুকুমে তাঁবেদার তৎকালীন পুলিশ মিছিলে গুলি চালায়। হাঁটু আর কোমরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হলেন আব্দুল জব্বার।
মাতৃভাষার দাবিতে বাঙালি যখন এক জোট, তখন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। মিটিং-মিছিল নিষিদ্ধ করে দেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন তরুণ ১৪৪ ধারা ভঙ্গের ঘোষণা দিয়ে বেরিয়ে এলো রাজপথে। মাতৃভাষার দাবি নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ ঘেরাও করতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা মিছিলে অংশ নেয়। কিন্তু মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে শুরু হলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি। এরপরই পুলিশ মিছিলের ওপর গুলি চালায়। শহীদ হন রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • ছবি
  • সিলেটে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাংবাদিকদের এগোতে হবে।
  • রাজনগরে মাদ্রাসা শিক্ষক অজ্ঞান পার্টির খপ্পড়ে তিন লাখ টাকা লুট
  • ছাতকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ও নবীগঞ্জে নারীর মৃত্যু
  • ‘ইউএন বাংলা ফন্ট’ চালু করতে যাচ্ছে ইউএনডিপি
  • মহানগরী এলাকায় পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিসিকের
  • অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচী
  • একুশের প্রথম প্রহরে...
  • মহান একুশ আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ ॥ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ.মান্নান এমপি
  • একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেট বোর্ডে গতকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৩৩৮ পরীক্ষার্থী
  • এসএসসি পরীক্ষার্থী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত
  • বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবার্ষিকতে পূর্বাচলে হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু চত্বর’
  • দোয়ারাবাজারে পিআইসির গর্ত থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
  • সিলেট প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক আজ
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যানজট এড়াতে এসএমপির ট্রাফিক বিভাগের নির্দেশনা
  • আমার নামে কোন গ্রপিংয়ের সুযোগ নেই দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা চাই
  • হাই কোর্টে খালেদার জামিন শুনানি রোববার
  •  খালেদাকে নিয়ে বারবার উত্তর দিতে চাই না: কাদের
  • যুক্তরাজ্যে কম দক্ষ শ্রমিকদের ভিসা না দেয়ার পরিকল্পনা
  • Developed by: Sparkle IT