উপ সম্পাদকীয়

খাদ্য অধিকার এবং মানবাধিকার

রায়হান আহমেদ তপাদার প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০২-২০২০ ইং ০৪:১০:৫৯ | সংবাদটি ১৭০ বার পঠিত

খাদ্য অধিকার যেহেতু মূলত মানবাধিকার। তাই নাগরিকের খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। একজন নাগরিকের মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে রাষ্ট্রকে। অন্যান্য মৌলিক অধিকারের মতন রাষ্ট্র যখন খাদ্য অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেবে তখন একজন নাগরিক এ বিষয়ে রাষ্ট্রের কি উদ্যোগ রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে পারবে এবং রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করতে পারবে। বাংলাদেশে এখনো খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি এটাই বাস্তবতা। যেহেতু বিশ্বের প্রতিটি মানুষের প্রধান অধিকার খাদ্য। তাই মানুষের যদি খাদ্যের অধিকার পূরণ না হয় তাহলে একটি সময় এসে তার অস্তিত্বের সংকট দেখা দেবে। সবার আগে প্রয়োজন তার খাদ্যের অধিকার পূরণ করা। বিশ্বের ৮০ কোটি মানুষ ঠিকমতো খাবার পায় না। গত ১৫ বছরে বিশ্বব্যাপী তীব্র অপুষ্টির শিকার মানুষের সংখ্যা কমেছে ১০ কোটিরও বেশি। রোমে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এবং আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (ইফাদ) যৌথ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অপুষ্টির প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, প্রায় আড়াই দশক আগে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ অপুষ্টির শিকার ছিল। বর্তমানে তা হ্রাস পেয়ে এখনকার জনসংখ্যার ১৬ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক তিন সংস্থার প্রতিবেদনটি বলা হয়েছে যে, পুষ্টি পরিস্থিতি উন্নয়নে উন্নয়নশীল দেশসমূহের সরকারের নেয়া পদক্ষেপসমূহ যথেষ্ট কাজে লেগেছে। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতির যে উন্নতি হয়েছে, তাতে আশান্বিত হওয়ার সুযোগ নেই। কেননা, এখনো বিশ্বের ৮০ কোটির অধিক মানুষ ক্ষুধার্ত থাকে, আর তার কারণ খাদ্যের অভাব নয়। বরং খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও ভূরাজনৈতিক কারণও এর সঙ্গে জড়িত।
এমনকি স্বাস্থ্যসেবা জীবনধারণের একটি মৌলিক উপকরণ। সম্প্রতি প্রকাশিত বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সূচকে বৈশ্বিক গড় মানের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থা খারাপ। ৩৫ স্কোর নিয়ে ১৯৫টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত, মিয়ানমার, ভুটান, পাকিস্তান ও নেপাল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ১১টি দেশ নিয়ে হালনাগাদ ২০১৯ তথ্যে জানা যায়, চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের মানুষের পকেটের ব্যয় বেড়েই চলেছে। এতে বলা হয়েছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতি বছর দেশটির ১ কোটি ১৪ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যের জন্য রাষ্ট্রীয় আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে। এর আগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এবং ২০১৭ সালে প্রকাশিত ‘ট্র্যাকিং ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ: ২০১৭ গ্লোবাল মনিটরিং রিপোর্ট’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অতিরিক্ত স্বাস্থ্য ব্যয়ের কারণে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে বাংলাদেশের সাড়ে ৪ শতাংশ মানুষ। মাথাপিছু দৈনিক ১ দশমিক ৯ ডলার আয়ের হিসাবে এ তথ্য দেয়া হয়। আর মাথাপিছু দৈনিক আয় যাদের ৩ দশমিক ১ ডলার, অতিরিক্ত স্বাস্থ্য ব্যয়ের কারণে দারিদ্র্যের কবলে পড়ে তাদের ৪ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখতে পাব ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে কৃষি জমির হ্রাস, কৃষিপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, খাদ্য সংরক্ষণাগারের অভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনে কৃষির ওপর প্রভাব প্রভৃতি কারণে বাংলাদেশে দিন দিন খাদ্য সংকটের পরিমাণ বেড়েছে।
সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসেবে হয়তোবা ফসলের বাম্পার ফলন হচ্ছে কিন্তু এরপরও বণ্টন ব্যবস্থার সমস্যার কারণে এ দেশের অনেক মানুষই অনাহারে বা অর্ধাহারে দিন কাটান। সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যশস্য উৎপাদন এবং দারিদ্র্য দূরীকরণের অনেক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হলেও আজো বাংলাদেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ স্থায়ীভাবে গুণগত ও পরিমাণগত পর্যাপ্ত খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে। মৌলিক উপকরণগুলোর মধ্যে প্রধান হছে অন্ন। অন্ন বলতে সাধারণত ভাতকে বোঝায়। চাল থেকে রূপান্তরিত ভাত দেশের কমবেশি ৯০ ভাগ লোকের প্রধান খাদ্য। আমাদের ক্যালরির প্রধান উৎস ভাত। সরকারি তথ্য মোতাবেক, দেড় দশকে দেশের ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের প্রধান খাদ্য মোটা চালের দাম বেড়েছে প্রায় ৩০০ গুণ। এছাড়া চলতি আমন মৌসুমে তা কেনা হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৬ টাকায়। এখানে উল্লেখ্য, ধান কাটা মৌসুমে সরকারের সংগ্রহ অভিযান শেষে খোলা বাজারে পণ্যটির দাম সাধারণত সরকারের সংগ্রহমূল্যের চেয়ে বেশি থাকে। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি খোলাবাজারে এক কেজি মোটা চালের দাম দাঁড়িয়েছিল ৫০-৫২ টাকার মধ্যে। এক কেজি মাঝারি ও চিকন চালের দাম ছিল অনেক বেশি। প্রশ্ন হলো, গত দেড় দশকে সাধারণ মানুষের আয় কি ৩০০ গুণ বেড়েছে? বাড়েনি। তাছাড়া বেড়েই চলেছে ধনী-গরিবের আয়বৈষম্য। বাংলাদেশের সংবিধানে জীবনধারণের মৌলিক উপকরণ বলতে মূলত অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাকে বোঝানো হয়েছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো জীবনধারণের মৌলিক এসব উপকরণ ন্যায্যমূল্যে জনগণের কাছে সহজলভ্য করা। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, দেশের মোট জনসংখ্যার ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ।
দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করা এদেশে এসব মৌলিক উপকরণের দাম আকাশচুম্বী, যা সাম্প্রতিক সময়ে শুধু দারিদ্র্য হ্রাসের গতিকে শ্লথ করেনি, বরং নিম্নবিত্তের মানুষকে দারিদ্র্যসীমার নিচে ঠেলে দিচ্ছে এবং দরিদ্র মানুষকে অতি দরিদ্রে পরিণত করছে। এর কারণ আলোচনা করাই এ নিবন্ধের উদ্দেশ্য। এমনকি
বাসস্থান মানুষের আরেকটি মৌলিক চাহিদা। জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম ও শহরাঞ্চলে বাসস্থানের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। অপরিকল্পিতভাবে বাসস্থান নির্মাণের জন্য গ্রামাঞ্চলে নষ্ট হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ মূল্যবান কৃষিজমি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার অব্যবহিত আগের মেয়াদে গ্রামাঞ্চলে পরিকল্পিত বাসস্থান নির্মাণ কর্মসূচি গ্রহণ করলেও তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি এবং বাস্তবায়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এদিকে কর্মসংস্থান, উন্নত মানের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য শহরমুখী মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। নির্মাণসামগ্রীর দাম অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় এবং ব্যাংকের উচ্চ সুদহারে শহর ও গ্রামাঞ্চলে বাড়ি নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও অন্য সব মহানগরীতে হোল্ডিং কর বেড়ে যাওয়ায় বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বহুলাংশে বেড়ে গেছে। ফলে বাড়ি ভাড়া বেড়েই চলেছে। রাজধানী ঢাকায় ৮০ ভাগের বেশি মানুষ ভাড়া বাড়িতে বাস করে এবং তাদের আয়ের বড় অংশ বাড়ি ভাড়ায় ব্যয় হয়। বিশেষ করে যারা সীমিত আয়ের ভাড়াটিয়া, বাড়ি ভাড়া মেটানোর পর তাদের সংসার নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অপরদিকে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত বেসরকারি খাতভিত্তিক। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ২০১৬ সালের তথ্য মোতাবেক যেখানে সরকারি মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৭৪, সেখানে বেসরকারি মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা ২ হাজার ৩৬৩।
আর ৩৩৫টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৬ হাজার ১০৯। চারটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার বিপরীতে বেসরকারি মাদ্রাসার সংখ্যা ৭ হাজার ৫৯৮। শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত বেসরকারি খাতভিত্তিক হওয়ায় এবং সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিউশন ফি, পরীক্ষা ফি ইত্যাদির পরিমাণ অনেক বেশি বিধায় সার্বিকভাবে শিক্ষা ব্যয় বেড়েই চলেছে। তাছাড়া নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেণী শিক্ষার মান সন্তোষজনক না হওয়ায় শহর ও গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট কোচিংয়ের দিকে দারুণভাবে ঝুঁকছে। প্রাইভেট কোচিংয়ের ব্যয় মেটাতে অভিভাবকরা হিমশিম খাচ্ছেন। তারা সংসারের অনেক প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে পারছেন না। এমনকি পরিবারের জন্য সুষম খাবার জোগাড় করতে পারছেন না। এতে পরিবারে, বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের মধ্যে পুষ্টি সমস্যা প্রকট হয়ে উঠছে। উল্লেখ্য, বর্তমানে পুষ্টিমানে বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে। উপর্যুক্ত কারণে একদিকে যখন দারিদ্র্য হার হ্রাসের গতি নিম্নমুখী, অন্যদিকে তখন খাদ্যশস্যসহ জীবনধারণের অন্যসব মৌলিক উপকরণের ব্যয়বৃদ্ধি সব শ্রেণীর মানুষের,বিশেষ করে নিম্নবিত্ত, দরিদ্র ও অতিদরিদ্রদের শ্রেণীগত অবনমন ঘটাচ্ছে। নিম্নবিত্ত দরিদ্রের কাতারে এসে দাঁড়াচ্ছে, আর দরিদ্র পরিণত হচ্ছে অতিদরিদ্রে। এর মূল কারণ জীবনধারণের জন্য মৌলিক উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধি তাদের আয় বাড়ার তুলনায় অনেক বেশি। জীবনধারণের মৌলিক উপকরণগুলো ন্যায্যমূল্যে জনগণের কাছে সহজলভ্য করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার এ দায় এড়াতে পারে না।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশে। এতে ২০১০-পরবর্তী প্রতি বছর গড়ে দারিদ্র্য হ্রাসের হার ১ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাং দারিদ্র্য হার হ্রাসের গতি নিম্নমুখী। দারিদ্র্য হার হ্রাসের গতি নিম্নমুখী হওয়ার জন্য যে কারণগুলোকে দায়ী করা হয়, যেমন-দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার হ্রাস; বেকারত্বের, বিশেষ করে শ্রমশক্তির চূড়ামণি যুব শ্রমশক্তির বেকারত্বের হারে উল্লম্ফন; সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যে হারে ভাতাভোগির সংখ্যা বাড়ছে, সে হারে বরাদ্দ বৃদ্ধি না হওয়া; আন্তঃবিভাগীয় বা আঞ্চলিক দারিদ্র্যবৈষম্য নিরসনে সরকারি উদ্যোগের অভাব; ধনী-গরিবের আয়বৈষম্য বৃদ্ধি। তাছাড়া দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে অতি দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবন-জীবিকার নিরাপত্তায় শুধুমাত্র সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে সব মানুষের ক্ষুধা দূর করা সম্ভব নয়। খাদ্য অধিকার বিষয়ে একটি কথা খুব পরিষ্কারভাবে বলা যায যে, ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূর করার বিষয়টি কেবলমাত্র একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব বা পছন্দ বিষয়ক নীতি হিসেবে গ্রহণ করার নয়, অন্য যেকোনো মানবাধিকারের মতন খাদ্য অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও সম্মান প্রদর্শন করা, রক্ষা করা ও পূর্ণ করা এই তিনটি বিষয়ের বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনের রাষ্ট্রের পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই পৃথিবীর প্রায় সব দেশ এই মানবাধিকার সনদে স্বাক্ষর করেছেন। তাই বর্তমানে খাদ্য অধিকারসহ মৌলিক মানবাধিকারসমূহ বাস্তবায়নের দায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর। সাংবিধানিক নির্দেশনা, রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গীকার পূরণের জন্য অবিলম্বে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করতে হবে। খাদ্য অধিকার যেহেতু একটি মৌলিক অধিকার তাই এই অধিকার রক্ষায় খাদ্য অধিকার আইন তৈরির কোনো বিকল্প নেই। এর পাশাপাশি আমাদের দেশের জনগণকে এই বিষয়ে অবগত করতে হবে যে খাদ্য অধিকার তার মৌলিক মানবাধিকার।
লেখক : কলামিস্ট

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT