পাঁচ মিশালী

লজিং জীবন

সৈয়দ আহমদ প্রকাশিত হয়েছে: ১৫-০২-২০২০ ইং ২৩:৩০:১৭ | সংবাদটি ৩১৪ বার পঠিত

(পূর্ব প্রকাশের পর)
আমাদের সময় প্রকৃতি ছিল সবুজ শ্যামল, ফলনে ফসলে ছিল ভরপুর তাই বাংলার মানুষ ও পরিবারগুলো ছিল ধনী, সুখী ও সমৃদ্ধ। যে সকল এলাকায় বা শহরগুলোতে স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সে সকল এলাকাতেই লজিং মাস্টার রাখার প্রচলন ছিল। ধনী, গরীব প্রশ্ন ছিল না বরং নিজ সন্তানকে শিক্ষিত করার মানসেই অভিভাবকবৃন্দ লজিং মাস্টার রাখতো। তখনকার সময় প্রাইভেট মাস্টার, কোচিং সেন্টার, শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা যেমন ছিল কম তদ্রƒপ শিক্ষকের সংখ্যাও ছিল নগণ্য। তাই বাধ্য হয়ে সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য স্কুল কলেজের ছাত্রদেরকে মাস্টার হিসাবে লজিং দিত। সিলেটসহ বাংলার প্রতিটি অঞ্চল প্রকৃতি নির্ভর কৃষির উপর নির্ভরশীল থেকেই সুখী ও সম্পদশালী ছিল। তাই শিক্ষা দীক্ষার প্রতি তাদের ততটা গুরুত্ব, প্রয়োজন বা আগ্রহ ছিল না। বৃটিশ ও পাকিস্তানী সরকার এই অশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগিয়ে এবং এদেশের কিছু দালাল বা বিশ্বাসঘাতকদের মাধ্যমে আমাদেরকে শোষণ নির্যাতন করেছিল। নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি হয়ে দেশ স্বাধীন করার পর হতে দ্রুতগতিতে আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা ও হার বেড়েছে। কিন্তু যেভাবে শিক্ষার হার বেড়েছে সে হারে ভালো মানুষের সংখ্যা বাড়েনি বরং দুর্নীতিবাজ, বিশ্বাসঘাতক ও চরিত্রহীন মানুষের সংখ্যাই বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তখনকার সময় শিক্ষার্থী, লজিং মাস্টার, শিক্ষক ও শিক্ষিত মানুষকে সাধারণ মানুষ প্রচুর শ্রদ্ধাভক্তি ও ভালোবাসতো তাই কোনো কিছুর বিনিময়ে নয় বরং সওয়াব ও নেকী পাওয়ার জন্যই লজিং মাস্টার রাখতো। তবে তখনকার শিক্ষিত মানুষ ও ছাত্র-ছাত্রীরাও ছিল খুব নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান। বর্তমানে চরিত্রবান ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা যেমন হ্রাস পাচ্ছে তদ্রƒপ মানুষের শ্রদ্ধাভক্তি ও মনুষ্যত্বও হ্রাস পাচ্ছে ফলে লজিং মাস্টার রাখার প্রবণতাও ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে। তবে প্রকৃতি কন্যা সিলেটের মানুষ এখনও অনেকটা প্রকৃতির মত সহজ সরল বিধায় অত্রাঞ্চলে লজিং প্রথা ক্রমশঃ হ্রাস পেলেও কিছু ক্ষেত্রে বিদ্যমান রয়েছে, হয়তো চির অম্লান হয়ে থাকবে।
দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট। হযরত শাহজালাল ও শাহপরানের পুণ্যভূমি সিলেটের বিভিন্ন স্থানে দর্শনীয় স্থান থাকায় সিলেটকে দেশের অন্যতম ও সেরা পর্যটন নগরী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটে রয়েছে নজরকাড়া দর্শনীয় স্থান, যার সৌন্দর্য ও সুনাম দেশি বিদেশী পর্যটকদের মনে ইতিমধ্যে জায়গা করে নিয়েছে স্ব-মহিমায়। আমরা যখন সিলেট শহরে লজিং ছিলাম তখনও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ভিতর বাইরের দর্শনীয় স্থানগুলো আমরা দেখেছি এখনকার মত ডিজিটাল সুযোগ সুবিধা না থাকার কারণে তা সঠিকভাবে প্রচারিত হয়নি, যা এখন সম্ভব হচ্ছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হল, প্রাচীনতম ঈদগাহ ‘শাহী ঈদগাহ’, প্রাচীনতম স্থাপত্য কীর্তি ‘মণিপুরী রাজবাড়ী’, ‘মুসলিম স্থাপত্য কলার অনন্য নিদর্শন ও নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত বাড়ি ‘জিতু মিয়ার বাড়ী’ ‘আলী আমজদের ঘড়ি, কীন ব্রীজ সংলগ্ন সুরমা নদীর ঐতিহাসিক ‘সিড়ি’, সুরমা নদীর উপর প্রাচীন নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত ঐতিহাসিক ‘কীন ব্রীজ’। মরমী কবি হাছন রাজা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণের স্মৃতি বিজড়িত মিউজিয়াম ‘মিউজিয়াম অব রাজাস’। স্বাধীনতার অগ্রসৈনিক মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানীর স্মৃতিধন্য ‘ওসমানী জাদুঘর’। গাজী বোরহান উদ্দিনের মাজার, সর্বোপরি অধ্যাত্মিক সম্রাট ও আধ্যাত্মিক সিলেটের গর্ব হযরত শাহজালাল (র:) এর মাজার ইত্যাদি। যা সিলেটকে করেছে ধন্য ও গর্বিত।
উল্লেখিত দর্শনীয় স্থানগুলো ছাড়াও সিলেট জেলা ও সিলেট বিভাগের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম ও স্থানগুলোর স্মৃতিচারণ করার চেষ্টা করলাম। সিলেটের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে প্রথমেই নাম আনতে হয় সিলেটের প্রকৃতিকন্যা সিলেটের উত্তর-পূর্ব দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত সবুজে আচ্ছাদিত জাফলং পর্যটন কেন্দ্র।’ একই উপজেলায় অবস্থিত ‘সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাবন’, কুলুমছড়া ঝর্নার শেষাংশ ও লক্ষণছড়া। জৈন্তাপুর উপজেলার উত্তরে ভারতের চেরাপুঞ্জি পাহাড়গুলোর ঠিক নিচে বাংলাদেশ অংশের নাম লালাখাল, জৈন্তারাজা রামসিংহের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি ও ডিবির হাওর। কানাইঘাট উপজেলায় খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অসাধারণ স্বচ্ছ পানির নদী ‘লোভনা ছড়া’ সারি সারি পাহাড়ের বুকে গাঢ় সবুজের প্রাকৃতিক আস্তরণ দিয়ে শীতল স্বচ্ছ পানির ধারা ও জলরাশির ছড়াটির নাম ‘উৎমা ছড়া’। তামাবিল ও ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী বিছনাকান্দি পান্থমাই জলপ্রপাত খাদিম নগর জাতীয় উদ্যান, সবুজে আচ্ছাদি লাক্কাতুরা চা-বাগান, মালনী ছড়া চা-বাগান, লোভাছড়া চা-বাগান এবং পাকিস্তান আমলে স্থাপিত প্রাচীন সারকারখানা, ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা’। আমি যখন ছাত্র এবং লজিং বাড়িতে ছিলাম তখন এক বন্ধুর সাথে জাফলং বেড়াতে গিয়েছিলাম। তখন সিলেট থেকে মুড়ির টিনের মত বাস চলাচল করতো। আমরা সকালের বাসে চড়ে পাঁচ ঘন্টা পর বিকাল ৪টায় মামার দোকান বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছেলাম। তখন রাস্তা এত খারাপ ছিল যে বাসে বসে থাকতে ভয় করছিল। সরু রাস্তা ও উভয় পার্শ্বে পাহাড় টিলা ও ঘন সবুজ বন এবং আকাশে ঘন মেঘের কুয়াশা উড়ছিল। কিন্তু এখন আর সেই রাস্তাও নেই, মুড়ির টিন বাসগুলোও নেই। এখন রাস্তা প্রশস্ত হয়েছে, দ্রুতগামী আধুনিক বাস চলছে রাস্তায়, তাই সময় কম ও আরামদায়ক যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ৭০ দশকের মত পাহাড় টিলাগুলোতে সবুজ গাছপালা বনজঙ্গল নেই এবং নদী ছড়াগুলোতে পানির প্রবাহ কমে গেছে। পাথর খেকো কর্তৃক পাহাড় টিলা বনজঙ্গল গাছ বৃক্ষ কেটে এখন মানব বসতি স্থাপন করে বিরান ভূমিতে রূপান্তর করা হয়েছে ফলে আগের পরিবেশ ও রবীন্দ্রনাথের প্রশংসিত সিলেটের ‘শ্রীভূমি সিলেট’ আর নেই। হয়তো তখনকার সিলেট আর ফিরে আসবে না।
বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজে ভরা সিলেট বিভাগের মায়াবী স্বপ্নপুরী জেলা ‘মৌলভীবাজার’। সবুজ চা-বাগানের বিশুদ্ধ বাতাস, উঁচু নিচু টিলা-পাহাড় ঘেরা ভূ-প্রকৃতি বিশিষ্ট সৌন্দর্যের রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। ছোট বড় পাহাড় টিলার ফাঁক ফোকরে রয়েছে স্বচ্ছ পানির পাহাড়ি ঝরণার জলপ্রপাত। পাহাড়ি ভূমির ঘন সবুজ অরণ্যের বুক চিরে কলকল শব্দে বয়ে যাওয়া এসব ঝরণা ও ছড়ার সৌন্দর্য মন প্রাণকে ভুলিয়ে রাখতে সক্ষম। শত শত একর ভূমি জুড়ে বিস্তৃত বনাঞ্চলগুলোতে নানা প্রজাতির পশু-পাখি জীব-জন্তুর বসবাস। ফলে পশু পাখির কলকলানি ঝরণা, হ্রদ, জলপ্রপাত আর সবুজে আচ্ছাদিত চা-বাগান ইত্যাদি জেলাকে করেছে রূপবান, সবুজ শ্যামল ও আকর্ষণীয়। রাবার বাগান, বনজঙ্গল, বৃক্ষরাজি, চা-বাগানের আকর্ষণীয় আম, জাম, কলা, লিচু, লেবু, আনারস, ফল ফসলের চাকচিক্য ও চা-বাগানের দৃশ্য পর্যটকদের ক্লান্তি ভুলিয়ে রাখতে সক্ষম। কমলগঞ্জের মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত এবং পরিকুন্ড জলপ্রপাত ইত্যাদি প্রকৃতির বড় বিষ্ময়। শ্রীমঙ্গলের সারি সারি চা বাগান, সুবিশাল হাটল হাওর, বাইক্কা বিল, হাকালুকি হাওরগুলোর নীল জলরাশিতে পদ্মফুলের বাহার ও নানা প্রজাতির মৎস সম্পদ ও পশুপাখির অভয়ারণ্যের লীলা খেলা সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ ও দান। আমি যখন লজিং বাড়িতে ছিলাম তখন একবার লজিং অভিভাবক আব্দুল মন্নান ভাইয়ের সাথে শ্রীমঙ্গলে গিয়েছিলাম। তখন অবশ্য বাগানগুলোতে ততটা সুরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল না। তখন শ্রীমঙ্গলের আনারস ও সাগরকলা বাংলাদেশ বিখ্যাত সুস্বাদু ফল ছিল। আমরা ফিরার পথে এক খাছা আনারস ও সাগর কলা এনেছিলাম। এখন আমরা যা শুনতে, জানতে ও দেখতে পাচ্ছি তা অবশ্য দেশের রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও ডিজিটাল যোগাযোগ উন্নয়নের কল্যাণেই সম্ভব হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মোবাইল ও ইন্টারনেট যোগাযোগের কল্যাণে আমরা ঘরে বসেই সবকিছু দেখতে, শুনতে ও জানতে পারছি।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট বিভাগের হাওর বাওর ও প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ একটি জেলার নাম ‘হবিগঞ্জ জেলা’। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত ঘেষা হযরত শাহজালালের (র:) অনুসারী সৈয়দ নাসির উদ্দিন (র:) এর পুণ্যভূমি ও চা-বাগান হাওর বাওর আর বনাঞ্চলে বিখ্যাত একটি সমৃদ্ধ জেলা। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিখ্যাত তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে ৪ঠা এপ্রিল/১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সর্বাধিনায়ক সিলেটের কৃতি সন্তান মরহুম জেনারেল এমএজি ওসমানীর নেতৃত্বে তখনকার সময়ের ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই জরুরি সভায় হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক জনাব এমএ রব উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক সেই চির সবুজ তেলিয়াপাড়া চা-বাগান আর দিগন্ত জোড়া শ্রীবাড়ি চা-বাগান ছাড়াও রয়েছে রেমা ক্যালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। রাজা পদ্মনাথ জনসাধারণের বিশুদ্ধ পানির সমস্যা সমাধানের জন্য ৬৬ একর ভূমির উপর ‘কমলারাণীর দীঘি’ খনন করেছিলেন। চুনারুঘাট উপজেলায় রয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম গ্রাম ‘বানিয়াচং’ ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। হবিগঞ্জের ঐতিহ্য সবুজ শ্যামল চা-বাগান আর দিগন্ত জোড়া হাওরসহ বাংলার বৃহত্তম গ্যাস ফিল্ড বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড ও তিতাস গ্যাস ফিল্ড, যা হবিগঞ্জের ঐতিহ্যকে করেছে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী।
‘সুনামগঞ্জ জেলা’ সিলেট বিভাগের হাওর বেষ্টিত ধান, পানি, বাউল গায়কদের ঐতিহ্যে লালিত এক সমৃদ্ধ ভাটিবাংলার নাম। মরমী কবি হাছন রাজা ও আব্দুল করিমের স্মৃতিধন্য এই জেলা সম্পর্কে ইতিমধ্যে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই মরমী গায়ক ও কবি মরহুম আব্দুল করিমের একটি গানের কলি দিয়ে মনের কথাটি ব্যাখ্যা করলাম-
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
গ্রামের নওজোয়ান, হিন্দু-মুসলমান
মিলিয়া বাউল গান আর মুর্শিদি গাইতাম,
করি ভাবনা, সেদিন আর পাবনা
ছিল বাসনা, সুখী হইতাম,
দিন হতে দিন আসে যে কঠিন
করিম দীনহীন কোন পথে যাইতাম।
সবার মনে সুখী হওয়ার বাসনা থাকলেও বাস্তবে সম্ভব হয় না। আমার লজিং জীবনের অফুরন্ত স্মৃতি এবং সিলেটবাসীর উষ্ণ ভালোবাসা আমার জীবনে প্রচুর প্রাণশক্তি যুগিয়েছিল বলেই বেঁচে থাকার আনন্দ পাচ্ছি। পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতার অঞ্চল সিলেট হলেও এখানে বাহারি সভ্যতা গড়ে উঠেনি। তখনকার মানুষের ইসলামী জীবনযাত্রা ও কৃষি নির্ভর সভ্যতা ছিল অতি প্রাচীন, উন্নত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। তাইতো প্রকৃতির ভারসাম্যে সৃষ্টি সভ্যতার সৌন্দর্য দর্শনে যেমন যুগে যুগে অত্রাঞ্চলে ইবনে বতুতাসহ বহু দর্শনার্থীর আগমন ঘটেছে তদ্রƒপ আধিপত্য বিস্তার ও সম্পদ লুণ্টনের জন্যও আগমন ঘটছে বেনিয়াগোষ্ঠির। ইসলামী যুগে বহু ধর্ম প্রচারক বা সুফি সাধকেরও আগমন ঘটেছিল। তন্মধ্যে সুদূর ইয়েমেন থেকে সিলেট অঞ্চলে ৩৬০ জন অলি-আউলিয়ারও আগমন ঘটেছিল। সিলেট অঞ্চলের মানুষের জন্য, আল্লাহর সৃষ্টি থেকে যেন প্রকৃতির এক অকৃত্রিম উপহার। প্রকৃতির সেরা এ উপহার ও অসীম সম্পদ সিলেটের জন্য তো বটেই দেশের জন্য বয়ে আনতে পারে সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT