উপ সম্পাদকীয়

একুশের অম্লান স্মৃতি

ইনাম আহমদ চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১৬-০২-২০২০ ইং ০০:৩৫:৪৩ | সংবাদটি ১৪২ বার পঠিত

একুশে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২। সেদিন যাদের প্রত্যয়-দীপ্ত কন্ঠে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি উঠেছিল, যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগে সে দিনটি ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে উঠলো। তারা বা অন্য কেউ লাগাম ছাড়া কল্পনায়ও কখনো ভাবতে পারেননি আন্দোলনের যে শুভ উন্মেষ সেদিন হলো, তা শুধুমাত্র ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সাফল্য অর্জন করবে না-তার ফলশ্রুতিতে সৃষ্টি হবে মানব ইতিহাসের এক ব্যতিক্রমধর্মী রাষ্ট্র-ভাষার উপর ভিত্তি করে যার অস্তিত্ব। এই সুদূরপ্রসারী ফলাফলের চিন্তা কারো মনেই তখন আসেনি। শহীদ বরকত, সালাম, রফিক, জব্বারের শাহাদৎ যে দুই দশকের মধ্যেই পরম সার্থকতার স্বর্ণশিখরে জাতিকে নিয়ে যাবে, সেদিন তা ছিল স্বপ্নার্তীত।
মনে পড়ে, আমরা তখন মেট্রিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছি। সরকারি কার্যব্যাপদেশে বাবার উপর্যুপরি কর্মস্থলের পরিবর্তনের কল্যাণে দু’বছর দু’স্কুলে পড়তে হল, স্কুল জীবনের শেষ প্রান্তে এসে। ঢাকার সেন্ট গ্রেগরীজ, আর ময়মনসিংহ জিলা স্কুল। টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে আবার চলে যেতে হল বরিশাল। নতুন জায়গা বলে পরিচিতির সংখ্যা ছিল খুব সীমিত। গণ-যোগাযোগের মাধ্যমও তো এখনকার মতো এতে ব্যাপক ছিল না। সেদিন সংক্ষিপ্ত খবর পেলাম। আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর গুলি হয়েছে। পরের দিন পেলাম বিস্তারিত খবর। ভাষার দাবীতে রক্ত ঝরেছে রমনার সবুজে। ছাত্রদের রক্তে রক্তাক্ত হয়েছে ঢাকার রাজপথ, দাবী আদায়ে দেশে এই ই প্রথম আত্মাহুতি। দাবানলের মতো এই খবর ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে। প্রতিবাদী বিক্ষোভের অগ্ন্যুৎপাত হল প্রদেশের সব শহরে, জনপদে, শিক্ষায়তনে। পরীক্ষার সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি ছেড়ে বেরিয়ে এসে রাস্তার মোড়ে দাঁড়ালাম। জটলা, মাঝে মাঝে স্লোগান, ছাত্রদের। পথচারী জনতার। স্তম্ভিত, বিক্ষুব্ধ, শোকাহত। ক্ষীণদেহী দু’একটি পত্রিকা হাতে হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ভাবলে অবাক লাগে কি করে সারাটি পরিবেশ জুড়ে বিদ্রোহী বেদনার এক অনুচ্চারিত অনুরণন সবাইকে আচ্ছাদিত করে তুলেছিল। কাছাকাছি নিয়ে এসেছিল। সেখানে আমার মত একজন নবাগত অপরিচিত একাত্ম হয়ে মিশে যেতে পেরেছিল অচেনা জনগোষ্ঠীতে। মাতৃভাষার বন্ধনের কি গভীর সম্মোহনী আকর্ষণ। ম্যাট্রিকের রেজাল্ট বেরুলো। ভালো করলাম। ভর্তি হলাম ঢাকা কলেজে। কয়েক মাসের মধ্যেই কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ নির্বাচনে জেনারেল সেক্রেটারী নির্বাচিত হলাম। আর জড়িয়ে পড়লাম ছাত্র রাজনীতির কর্মকান্ডে। তবে তখনকার আর এখনকার ছাত্র রাজনীতির মধ্যে গুণগত ও চরিত্রগত বহু পার্থক্য। কয়েক মাস পরে ফেব্রুয়ারির সূচনা থেকেই শুরু হল প্রথম শহিদ দিবস পালনের প্রস্তুতি। ছাত্র সংসদ থেকে আমরা গোপনে স্থির করলাম সিদ্দিকবাজারে কলেজের চত্বরে শহিদ মিনার তৈরী করা হবে, একুশে ফেব্রুয়ারি সকালে। কিছুদিন পরেই করব বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যার মুখ্য উপজীব্য হবে ভাষা সংগ্রাম।
তখন ইডেন কলেজের ছাত্রীরা ঘোড়ার গাড়ী চড়ে আসতেন ঢাকা কলেজে বিজ্ঞানের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস করার জন্যে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সম্ভাব্য বাধা পরিহার করার জন্য স্থির করলাম মেয়েদের সহায়তা নিয়েই এই শহিদ মিনার তৈরীর কাজ শুরু করা হবে। গোপনে ইট-সুরকি-সিমেন্ট সংগ্রহ করে রাখা ছিল। স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় বিশেষ করে এলাকার সমাজপতি মতি সরদার সাহেবের আনুকূল্যে। সকাল বেলা ছাত্রীরা আসতেই অনুরোধ জানালাম শহিদ মিনার স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা নিতে। তারা সোৎসাহে রাজি হলেন। ছাত্ররা ইট সুরকি এগিয়ে দিলেন। আর মেয়েরা প্রতিস্থাপন শুরু করলেন। কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দারোয়ান বেয়ারারা বাধা দিতে এলো। কিন্তু মেয়েদের রুখবে কি করে? ঘন্টা দুই-এর ভেতরে বেশ সুন্দর একটি শহিদ মিনার দাঁড়িয়ে গেল। পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মিনারের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করলাম। ঘটনার আকস্মিকতায় কলেজ কর্তৃপক্ষ কিছুটা বিমূঢ় হয়ে পড়লেন। সম্ভবতঃ সারা দেশে কোন সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে এটাই ছিল প্রথম প্রতিষ্ঠিত শহিদ মিনার।
ঘন্টা খানেকের মধ্যেই প্রিন্সিপাল সাহেব নেতৃস্থানীয় আমাদের দু’তিনজনকে ডেকে পাঠালেন। ইতোমধ্যে ইডেন কলেজের প্রিন্সিপাল মহোদয়া এসে ছাত্রীদের নিয়ে গেছেন। আমাদের প্রিন্সিপাল ছিলেন দর্শনের অধ্যাপক শামসুজ্জামান চৌধুরী। সজ্জন, উদার-মনা, কিন্তু ঐ আমলের নিয়মতান্ত্রিক কঠোর শৃঙ্খলা-পরায়ন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি একটি লিখিত নির্দেশনামা আমার হাতে তুলে দিয়ে বললেন-সরকারি কলেজ চত্বরে অননুমোদিত নির্মাণ করে তোমরা কলেজের শৃঙ্খলা বিরোধী বেআইনি কাজ করেছ। এই স্তম্ভ তোমরা নিজেরা সরিয়ে না নিলে সরকারি আইন প্রয়োগকারীরা এসে ভেঙ্গে দেবে। আমরা বললাম স্তম্ভটি শহিদ স্মৃতিস্মারক। আইনের সঙ্গে এর কোন বিরোধ নেই। তাছাড়া কলেজের কোন কাজে এই স্তম্ভটি কোন বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না। সুতরাং এটাকে সরিয়ে নেবার বা ভেঙ্গে দেবার কোন প্রশ্ন নেই। প্রিন্সিপাল সাহেব বললেন, ‘সরকারি নির্দেশে তা হলে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমার কোন মত্যন্তর নেই।’ পরে তিনি আমাকে একা ডেকে পাঠালেন। বললেন, ‘দেখো তুমি ভালো ছাত্র। তোমার চেষ্টা করা উচিত আই-এ তে ফার্স্ট হতে। এসব বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়লে পুলিশকেস হবে। কলেজ থেকেও তোমাদের কয়েকজনকে এক্সপেল বা রাষ্টিকেট করতে হবে। সরকারের বিরাগভাজন হলে ভবিষ্যতে চাকরি-বাকরি বা স্কলারশিপ পেতে অসুবিধা হবে। তা ছাড়া, তোমার নিউইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউনের একটি ইয়ূথ প্রোগ্রামে যোগদানের প্রস্তাব বিবেচনাধীন আছে। ওসব আর হবে না। তুমি একটি গোপনীয় লিখিত বিবৃতি দাও-এই মর্মে যে এই নির্মাণের সঙ্গে কলেজ ছাত্র সংসদের কোন সম্পর্ক নেই। ইডেনের মেয়েরা এটা উঠিয়েছেন। বন্ধু স্থানীয় কয়েকজন ছাত্রের প্ররোচনা বা মালমশলা দিয়ে সহায়তা থাকতে পারে। সুতরাং এ সম্পর্কে আমাদের ছাত্র সংসদের কোন সংশ্লিষ্টতা বা বক্তব্য নেই। তখন আমি ইনকোয়ারী করিয়ে দু’তিনজনকে কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিয়ে ব্যাপারটির নিষ্পত্তি করে ফেলতে পারি। আর টি.সি নিয়ে গেলে কোন অসুবিধেই নেই। ঢাকাতে নটরডাম কলেজ আছে, শিলং এ সেন্ট এডমান্ডস। তাছাড়া কিছুটা দূরে গেলে লাহোর বা কোলকাতায় ভালো কলেজ আছে। কোন অসুবিধে হবার কথা নয়। যেখানে ইচ্ছে ভর্তি হয়ে একটানা পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারবে” আমি বললাম এটা তো হতে পারে না। ছাত্র সংসদের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত না হলেও আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এটা করেছি। ইডেনের মেয়েরা আমাদের অনুরোধ রক্ষা করে সহায়তা করেছেন মাত্র। আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুষ্পস্তবক দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা করেছি। এটার দায়-দায়িত্ব আমরা অস্বীকার করি কি করে? এটা ভেঙ্গে দিলে নিশ্চয়ই আমাদের ঘোরতর আপত্তি থাকবে।
প্রিন্সিপাল সাহেব বললেন-‘তা হলে তো তোমাদের বাঁচাবার কোন পথই আমি দেখতে পাচ্ছি না।’ তারপর কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্র সংসদের সম্পর্কের মধ্যে একটি অস্বস্তিকর পরিবেশ নেমে এলো। ছাত্র সংসদের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক ছিলেন প্রয়াত শ্রদ্ধেয় সাঈদুর রহমান। তিনি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসায় পৌঁছাতে চেষ্টা করলেন। কিন্তু সম্ভব হলো না। আমাদের সিদ্ধান্ত ও মনোবল অটল। দলমত নির্বিশেষে সবাই একাত্ম, এককন্ঠ হয়ে উঠেছিল। ঐক্যের এক সুদৃঢ় বন্ধনে আমরা গ্রথিত ছিলাম। আমাদের বক্তব্য ছিল-শহিদ মিনার এখন আর শুধু স্মৃতিস্মারক নয়, এই স্তম্ভ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার মহান সংগ্রামের প্রতি আমাদের সমর্থন ও আনুগত্যের দৃপ্ত-অঙ্গীকার।
খবরটি ঢাকার, এমনকি দেশের ও ছাত্র মহলে রটে গেল বেশ জোরে শোরে। অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতারাও আমাদের অভিনন্দন জানালেন, যোগাযোগ স্থাপিত হল কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে। ’৫৩ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মপরিষদের আহবায়ক ছিলেন (পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী) মরহুম আতাউর রহমান খান, আওয়ামী লীগ নেতা। ২২ সোয়ারীঘাটে তাঁর কার্যালয় ছিল। কর্মপরিষদের কোন কোন সভায় আমন্ত্রণ পেয়ে যোগদান করেছি। এ পর্যায়ের কেন্দ্রীয় নেতাদের সংস্পর্শে এসে আমরা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত বোধ করেছিলাম। মতিন ভাই (ভাষা মতিন) এর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপিত হয় এবং তাঁর সস্নেহ সমর্থন আমরা পাই। তাঁর সঙ্গে আমৃত্যু যোগাযোগ ছিল।
শহিদ মিনার নির্মাণের কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দিন এসে গেল। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমাকে একটি প্রধান ও উদ্যোগী ভূমিকা নিতে হল। গুলিস্তানের কাছাকাছি তখন ব্রিটানিয়া নামের একটি সিনেমা হল (বহু যুগ হল ওটা নেই)। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হল। ২রা এপ্রিল ১৯৫৩। আমাদের উদ্যোগ-আয়োজন দেখে প্রিন্সিপাল সাহেব আমাদের ডেকে পাঠালেন। বললেন, ‘তোমাদের এই শহীদ মিনার নিয়ে গভর্নমেন্টকে সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছি। এ্যাকশন নিতে আর দেরী করতে পারছি না। তবে আমার একটি চিন্তা এসেছে। শিক্ষা সচিব জনাব এস.এম ফজলী একজন শিক্ষা ও সংস্কৃতানুরাগী সঙ্গীতপ্রেমী লোক। (ফজলী ব্রাদার্সের নিবিড় সম্পর্ক ছিল উপমহাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে)। তিনি একজন সিনিয়র আই.সি.এস/সি.এস.পি অফিসার। তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গে ডি.পি.আই এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের দু’একজন কর্মকর্তাকেও দাওয়াত করতে চাই। আশা করি তাঁদের উপস্থিতির উপযোগী একটি অনুষ্ঠান তোমরা করতে পারবে। প্রধান অতিথি ফজলী সাহেবের ভালো লাগলে তাঁর মাধ্যমে এই শহীদ মিনার নির্মাণ ঘটিত সমস্যাকে সমাধানের পথে নিয়ে যাব।’ আমরাও বললাম-আমরা একটি উঁচু মানের অনুষ্ঠান পরিবেশন করব। তখন অবশ্য ধারণা ছিল না, অনুষ্ঠানের রূপ ও চরিত্র কি হয়ে দাঁড়াবে এবং তার ফলাফল কিভাবে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী হয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানের সূচির প্রথম পৃষ্ঠায়ই ছিল মায়াকবস্কীর কবিতা থেকে একটি উদ্ধৃতি। অনুষ্ঠানের প্রত্যেকটি পরিবেশনা-নৃত্য, গান আর গীতি-নাট্য ছিল প্রগতিবাদী ও গণস্বার্থ নিষ্ঠ। গীতি বিচিত্রা ‘আমার দেশ’ মুখ্যত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও শহিদ স্মৃতি তর্পণ কেন্দ্রিক ছিল। মূলতঃ সতীর্থ বন্ধুবর আবদুল গাফফার চৌধুরীর রচনা। ছিল নজরুলের কারার ঐ লৌহ কপাট। আবদুল লতিফ গাইলেন ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়্যা নিতে চায়।’ ছিল আবু জাফর ওবায়েদুল্লাহ, আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও হাসান হাফিজুর রহমানের কবিতা। ‘কিষাণের কাহিনী-’
ধুমকেতুর পরিচালনায় এই নৃত্যনাট্য ছিল দেশের ও দেশের বঞ্চিত কৃষক শ্রেণির স্বার্থ এবং অধিকার রক্ষার সংগ্রামের আহবান। বন্ধুবর আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এই অমর গানটি অনুষ্ঠানের দশম ক্রমিকে আলতাফ মাহমুদ কর্তৃক জন-সমক্ষে প্রথম নীত হয়। (শহীদ) আলতাফ মাহমুদ এবং ছাত্র-শিল্পী সতীর্থ (মরহুম) আতিকুল ইসলাম (জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের ছোট ভাই) এই অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রত্যক্ষ অংশ গ্রহণ করেন। সংগ্রামী ও গণমুখী এই অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও উপস্থাপনায় আমাকে সহায়তা করেন ছাত্র-সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক (মরহুম) এনায়েত উল্লাহ খান (সাবেক মন্ত্রী ও সাংবাদিক), ছাত্রনেতা হেনরী ইকবাল আনসারী খান এবং কমনরুম সম্পাদক ফতেহদাদ খান গজনভী।
অনুষ্ঠান চলাকালীনই পুলিশের এসবি থেকে স্বরাষ্ট্র বিভাগের কর্মকর্তা ও শিক্ষা সচিব সমীপে রিপোর্ট হল-অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ বিপ্লব ও বিদ্রোহ ভিত্তিক। শুধু প্রশাসনই ও সরকারই নয়, বিদ্যমান সমাজ ব্যবস্থারও বিরুদ্ধে। তীব্র প্রতিবাদী। এমন কি এদের গান ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ ভাঙবার অর্থাৎ ‘জেল-ব্রেকিং’ এর আহবান রয়েছে। আছে বাংলাকে পাকিস্তানের একটি অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ় শপথ। অনুষ্ঠানের প্রথম দিকে মনে হল প্রধান অতিথি খুব উপভোগ করছেন। কিন্তু ঐ রিপোর্ট এবং ‘জেল-ব্রকিং’ এবং এ জাতীয় সিডিশাস।’ (অসমাপ্ত)
লেখক : উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT