প্রথম পাতা

অমর একুশে

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত হয়েছে: ১৬-০২-২০২০ ইং ০৪:০১:৫২ | সংবাদটি ১০০ বার পঠিত

মহান একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনে শহীদ হন রফিক, শফিউল, বরকত, জব্বারসহ নাম জানা অজানা আরও অনেকে। তাদের মধ্যে প্রথম শহীদ হয়েছিলেন রফিক উদ্দিন আহমেদ। তিনি মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের আই কম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিক মরহুম আবদুল লতিফের জ্যেষ্ঠ সন্তান। তার মায়ের নাম রাফিজা খাতুন। গুলিতে তার মাথার খুলি উড়ে যায়। ২১ ফেব্রুয়ারি বিকেল সোয়া ৩টায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তাদের মূল বাড়ি ছিল সিংগাইর উপজেলার পারিল গ্রামে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুর গফুর তার জানাজা পড়ান। শহীদ রফিকের মরদেহ দাফন করা হয় সংগোপনে, আত্মীয়-স্বজনের অজ্ঞাতে, আজিমপুর কবরস্থানের অসংরক্ষিত এলাকায়। একুশের প্রথম কবিতা রচনা করেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মী কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী। তখন তিনি প্রগতিশীল মাসিক সাহিত্য ‘সীমান্ত’ নামে একটি বিখ্যাত পত্রিকার সম্পাদক এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। তার বিখ্যাত কবিতাটির নাম ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।’ ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭ পৃষ্ঠার একটি পুস্তিকায় কবিতাটি ছাপা হয় এবং বইটির দাম রাখা হয় চার আনা। ওইদিনই লালদীঘি ময়দানের জনসভায় রাজনৈতিক কর্মী হারুনুর রশীদ কবিতাটি পাঠ করে শোনান। কবিতাটা আন্দরকিল্লার কোহিনুর প্রেসে যখন ছাপানো হচ্ছিল, তখন পুলিশ ওই প্রেসে হামলা চালায়। কবিতাটি প্রকাশিত হলে সরকার কবিতাটি বাজেয়াপ্ত করে এবং কবির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে। ফলে পূর্ণাঙ্গ কবিতাটি আজও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। একুশের প্রথম গান রচনা করেন ভাষাসৈনিক গাজীউল হক। গানটির প্রথম চরণ ছিলো ‘ভুলব না ভুলব না একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’। ১৯৫৩-৫৪ সাল পর্যন্ত এ গানটি গেয়েই প্রভাতফেরি করা হতো। গানটির সুরকার ছিলেন গাজীউল হক নিজেই। একুশের প্রথম নাটকের নাম ‘কবর’। নাটকটি লিখেছিলেন দেশের সেরা অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী, নাট্যকার মুনীর চৌধুরী। মুনীর চৌধুরীকে ১৯৭১ এর ১৪ ডিসেম্বর আলবদররা হত্যা করে। ভাষা আন্দোলনে জড়িত থাকার কারণে ১৯৫২ সালে জেলে আটক ছিলেন রণেশ দাস গুপ্তা । তাঁর জেলের ঘর থেকে অন্য সেলে আটক মুনীর চৌধুরীকে ভাষা আন্দোলনের পর একটি নাটক লিখে দেওয়ার অনুরোধ করে একটি চিরকুট পাঠান। মুনীর চৌধুরীকে জানানো হয় জেলের রাজবন্দীরাই শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে নাটকটিতে অভিনয় করবে। ১৯৫৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কোন এক তারিখে রাত ১০টার পর জেল কক্ষসমূহের বাতি নিভিয়ে দেবার পর নাটকটি অভিনীত হয় হারিকেনের আলো আঁধারি পরিবেশে। এতে অংশ নেন জেলেবন্দী সংগ্রামীরা।

শেয়ার করুন
প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • করোনা সনাক্তে পিপিআর মেশিন সিলেটে এসে পৌঁছেছে
  • মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার কারাবন্দি আসামির ঢামেকে মৃত্যু
  • করোনায় সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশির মৃত্যু নিউইয়র্কে
  • করোনা থেকে মুক্তি পেয়েছেন দেড় লাখ মানুষ
  • দিরাইয়ে বিষাক্ত পানি পান করে ১১ গবাদি পশুর মৃত্যু
  • সিলেটে কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন আসছে সোমবার
  • এডভোকেট আব্দুল মালেকের ইন্তেকাল
  • খালেদার নিরাপত্তায় পুলিশ চেয়ে আবেদন
  • যশোরের সেই এসিল্যান্ডকে ধর্ষণের হুমকিদাতা ব্যাংকার গ্রেপ্তার
  • কুয়েতে করোনাভাইরাসে ৩ বাংলাদেশিসহ নতুন আক্রান্ত ২০ জন
  • ৩ উপজেলা প্রশাসনের সাথে মাহমুদ উস-সামাদ চৌধুরী এম.পি’র দিনভর মতবিনিময়
  • বরিশালে করোনা ইউনিটে নারীসহ ২ জনের মৃত্যু
  • কোম্পানীগঞ্জে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত
  • লিডিং ইউনিভার্সিটির কর্মকর্তাদের ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
  • জগন্নাথপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের
  • করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর চার বার্তা
  • করোনা নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি
  • ঢাকায় পৌঁছেছে আলিবাবার তিন লাখ মাস্ক
  • রাজধানীর হাসপাতালগুলো রোগীশূন্য
  • বিত্তবানরা জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান কাদেরের
  • Developed by: Sparkle IT