শেষের পাতা বিশ্বনাথে ৮ মামলার আসামী তবারকের সন্ধানে পুলিশ

মাদক ব্যবসা করে কোটিপতি

প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০২-২০২০ ইং ০৩:৫৬:১৯ | সংবাদটি ১৫৭ বার পঠিত

বিশ্বনাথ (সিলেট) থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ বিশ^নাথের মাদক সিন্ডিকেটের হোতা তবারকের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। সে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পাঠাকইন গ্রামের দরিদ্র মৃত আলকাছ আলীর সন্তান। অভিযোগ উঠেছে, মাদক ব্যবসা করে সে এখন কোটিপতি।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, গত ৫ ফেব্রুয়ারী রাত দেড়টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি দল ১কোটি ৮১ লাখ টাকা মূল্যের ৬১ হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘নাহিদা বেগম ও শাহিনা খাতুন’ নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। ওই দু’জন ছিলেন তবারক সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান সদস্য।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে নাহিদা-শাহিনা হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশকে জানায়, তবারক ও তার স্ত্রী সাবিনার হয়ে তারা কাজ করে আসছে। আর তবারক-সাবিনা তাদেরকে (নাহিদা-সাবিনা) দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বহন ও বিক্রয় করে আসছেন। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে গ্রেফতার হওয়া আসামীসহ তবারক ও সাবিনাকে অভিযুক্ত করে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৬ (তাং ৬.০২.২০ইং)। ওই রাতেই হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় ইয়াবা স¤্রাজ্ঞী ও তবারকের স্ত্রী সাবিনা।
বিশ্বনাথ থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে চুরি-ছিনতাইয়ের অভিযোগে সাতটি মামলা ও দুটি জিডি হয়েছে। ২০১৯ সালে তার বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় দুটি মামলা ও দুটি জিডি দায়ের করা হয়। ওই বছরের ২৬ আগস্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানার এসআই দেবাশীষ শর্ম্মা বাদী হয়ে তবারকসহ ৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা (নং ২৪, তাং ২৬.০৮.১৯ইং) দায়ের করেন।
এ ঘটনায় বিশ্বনাথ-লামাকাজী সড়কের আমজদ উল্লাহ কলেজের সামনে থেকে আধা কেজি গাঁজাসহ তার স্ত্রী সাবিনা আক্তারের মালিকানাধীন সিএনজিচালিত অটোরিক্সা (সুনামগঞ্জ-থ ১১-২০৬৭) জব্দ করে পুলিশ। পরে একই বছরের ২৪ অক্টোবর তবারককে অভিযুক্ত করে থানা পুলিশ সেই মামলার চার্জশিট আদালতে প্রেরণ করে।
অভিযোগ উঠেছে, স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর দেয়ায় ১৭ অক্টোবর পাঠাকইন গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র চুনু মিয়ার উপর হামলা করে তবারকের পক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় চুনু মিয়া বাদী হয়ে তবারকসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগে মামলা (নং ১১, তাং ১৮.১০.১৯ইং) দায়ের করেন।
তবারক আলী ২০১০ সাল থেকে চুরি-ছিনতাইয়ে অভিযুক্ত হতে থাকলেও মূল আলোচনায় আসে ২০১১ সালে। ওই বছরের ২৪ নভেম্বর বিশ্বনাথ থানা পুলিশ একাধিক চুরির মামলায় ২ দিনের রিমান্ডে নিয়ে আসে। পরদিন বিকেল ৩টার দিকে হাতকড়াসহ থানা হাজত থেকে পালিয়ে যায় সে। পালিয়ে যাওয়ার ৭ ঘন্টার মধ্যেই তাকে আবার গ্রেফতার করে পুলিশ।
বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা জানান, তবারকের বিরুদ্ধে ৬/৭ টি মামলা আছে। জানা যাচ্ছে, সে বিশ^নাথের বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য। হবিগঞ্জের মাদক মামলার পর থেকে সে পলাতক। তবারককে হন্য পুলিশ খুঁজছে বলে জানান তিনি।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • বৃটিশ বাংলাদেশ টেক্সি এসোসিয়েশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
  • দোয়ারাবাজারে একমাসের দোকানভাড়া মওকুফ
  • এলইউমুনার উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
  • বিয়ানীবাজারে সাংবাদিকদের পিপিই দিলেন শিল্পপতি ফয়সল চৌধুরী
  • হবিগঞ্জে সামাজিক দূরত্ব মানছেন না সাধারণ মানুষ
  • হবিগঞ্জে করোনা পরীক্ষায়৮ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ
  • বিয়ানীবাজারে দুঃস্থদের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
  • জৈন্তাপুরে সর্বদলীয় খাদ্য ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত
  • আজমিরীগঞ্জের হাওর অঞ্চলে চিকিৎসা সহায়তা
  • জৈন্তাপুরে ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিনের পরিবারের উদ্যাগে খাদ্য সহায়তা বিতরণ
  • দিরাইয়ে সামছুল হক চৌধুরীর পক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
  • খাগড়াছড়িতে সেনাক্যাম্পে চিকিৎসা, আরও ৮ শিশু হাসপাতালে
  • ছবি
  • ছবি
  • ছবি
  • ছবি
  • করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে দেশের সকল জেলায় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন
  • সিলেটের চার জেলায় কোয়ারেন্টাইনে ২,১৭৬ জন
  • মহানগর আ’লীগের স্বাধীনতা দিবসের সকল অনুষ্ঠান স্থগিত
  • রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে পিপিইসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ
  • Developed by: Sparkle IT