প্রথম পাতা

চীন ফেরত মানেই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত নয় ॥ আইইডিসিআর

ডাক ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ১৮-০২-২০২০ ইং ০৩:৪৯:০৪ | সংবাদটি ৪৯ বার পঠিত

কেউ চীন থেকে এলেও তাকে নিয়ে আতঙ্কিত হতে মানা করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআর। চীনে নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর দেশটি থেকে আসা বাংলাদেশিদের বিভিন্ন জেলায় হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে গতকাল সোমবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআর একথা জানায়।
দেড় মাস আগে চীনে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস সংক্রমণের পর তা বিশ্ববাসীর জন্যও আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে। দেড় হাজারের বেশি মানুষ ইতোমধ্যে মারা গেছে, আক্রান্তের সংখ্যাও ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে। চীনের বাইরে দুই ডজনের বেশি দেশে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে, এর মধ্যে চীনের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা সিঙ্গাপুরে, সেখানে কয়েকজন বাংলাদেশিও ভাইরাস সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বাংলাদেশের অনেকের চীনে যাতায়াতের পাশাপাশি বাংলাদেশি অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন দেশটিতে।
চীনের যে নগরীতে প্রথম ভাইরাস সংক্রমণ ঘটে, সেখানে থাকা তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর দুই সপ্তাহ ঢাকায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এর মধ্যেই চীনের অন্যান্য প্রদেশ এবং সিঙ্গাপুর থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের নিয়ে তাদের এলাকায় আতঙ্ক দেখা দেয়। তাদের হাসপাতালে যেতে চাপ দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, চীন ও সিঙ্গাপুর থেকে ফেরা বাংলাদেশিদের নিয়ে মানুষের ভেতরে কিছু ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। “আমরা একটা বিষয় দেখতে পাচ্ছি, ইদানীং সিঙ্গাপুর বা চীন থেকে আসলেই তাকে আইসোলেশন করার একটা প্রেসার আসে মানুষ এবং সংশিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের কাছ থেকে। কিন্তু চায়না বা সিঙ্গাপুর থেকে আসলেই তো তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না।”
তিনি বলেন, “সিঙ্গাপুর থেকে বা চীন থেকে আসলেই তাকে হাসপাতালের আইসোলেশনে নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
“ঢাকার বাইরের প্রশাসনে যারা আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করেই তার মধ্যে লক্ষণ উপসর্গ আছে কি না, তা দেখেই আমরা তাকে আইসোলেশনে নেব। তাকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানোর প্রয়োজন হলে সেই পরামর্শও স্বাস্থ্য বিভাগ দেবে।”
বাংলাদেশে এই পর্যন্ত ৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে কারও শরীরে নভেল করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানান ডা. ফ্লোরা।
“তার মানে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই। কারও মধ্যে এর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
কডিভ-১৯ (নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে সৃষ্ট রোগ) ছড়িয়ে পড়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি চীন থেকে ৩১২ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হয়। ঢাকার আশকোনার হজ ক্যাম্পের কোয়ারেন্টিনে ১৪ দিন অবস্থানের পর শনিবার তাদের ছাড়পত্র দেয় আইইডিসিআর।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এখন পর্যন্ত চীন ফেরত কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে নমুনা
পরীক্ষা করে কারও শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি মেলেনি।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • আইপিএল ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আশাবাদী কামিন্স
  • ছাতকে শ্বাসরুদ্ধ করে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ : স্বামী আটক
  • করোনাভাইরাস: পাকিস্তানে শুক্রবারের নামাজ ঠেকাতে কারফিউ
  • যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিলেটি নারীর মৃত্যু
  • সংস্কৃতিকর্মীদের জন্য ৫০ কোটি টাকা অনুদানের দাবি
  • হবিগঞ্জে করোনা সন্দেহে ২০ জনের নমুনা ঢাকায় প্রেরণ
  • হবিগঞ্জে কঠোর অবস্থানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী
  • জগন্নাথপুর কেবল সার্ভিসের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
  • জগন্নাথপুরে বিয়ের আসরে কনের বাবাকে জরিমানা
  • গোলাপগঞ্জে পুলিশ সুপারের প্রচারণা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
  • গুজবে কান দেবেন না, ত্রাণসামগ্রী বিতরণে কোন দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : প্রধানমন্ত্রী
  • সিলেটে জুমায় মুসল্লী ছিলেন কম, ছোট সূরা দিয়ে নামাজ
  • ঢাকায় করোনা ভাইরাসে সাংবাদিক আক্রান্ত
  • বিয়ানীবাজারে বার্তা ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ
  • সিসিকের আদেশ: বরাদ্দকৃত ত্রাণ সামগ্রী স্ব স্ব ওয়ার্ডে বসবাসরত হত দরিদ্র নাগরিকদের মধ্যে সমভাবে বন্টন করুন
  • চিকিৎসকদের চেম্বার বন্ধ রাখা উচিত নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • ভারতে লকডাউন শেষে ফিরবেন বাংলাদেশিরা
  • প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে পালনের আহ্বান কাদেরের
  • কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে মারা গেলেন ওসমানী নগরের দুই ভাই
  • নবীগঞ্জে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১
  • Developed by: Sparkle IT