ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ভাটির বাতিঘর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ

পরিতোষ ঘোষ চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-০২-২০২০ ইং ০০:৫০:১৪ | সংবাদটি ৭০৮ বার পঠিত
Image

গৌরব আর সাফল্যগাথা ঐতিয্যবাহী সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ অনেক কাঠখোট্টা পার হয়ে পঁচাত্তর বছর পূর্ণ করেছে। ১৮৭৭ সালে সুনামগঞ্জ মহকুমা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেলেও এটা ছিল দ্বিপ সদৃশ ছোট শহর। শিক্ষায় ছিল অনগ্রসর, বিচ্ছিন্ন ছিল যোগাযোগ ব্যাবস্থা।
সারি সারি নারিকেল গাছ শোভিত, অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য, যানজট মুক্ত, নিরিবিলি ও শান্ত পরিবেশে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। বর্তমানে কলেজটি শিক্ষার্থীদের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য জেলার একমাত্র বাতিঘর। সুনামগঞ্জবাসীর আশা-ভরসার ঠিকানা।
১৯৪৪ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট ফ্যাক্টরীর সহযোগিতায় এই কলেজে আইএসসি কোর্স শুরু হয়। শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্টে তৎকালীন টাউন হলে টিনশেড কাঠের ঘরে অস্থায়ীভাবে এই কলেজের ক্লাশ শুরু হয়। তৎকালীন আসামের প্রথম বেসরকারী বিজ্ঞান কলেজ এটি।
১৯৪৪ সালে সুনামগঞ্জ মহকুমার সাবডিভিশনাল অফিসার ছিলেন [এসডিও] প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাই সৈয়দ মুর্তাজা আলী। তিনি “আমাদের কালের কথা” নামে একটি আত্মজীবনীমূলক বইয়ে লিখেছেন যে, “সুনামগঞ্জ কলেজের জন্য অর্থ সংগ্রহ করার উদ্দেশ্যে গ্রামাঞ্চলে যাই, এ কাজে মরহুম আব্দুল বারী চৌধুরী, উকিল স্ফিজ উদ্দিন, আব্দুল খালেক আহমদ, আব্দুল হান্নান চৌধুরী, মরহুম মকবুল হোসেন চৌধুরী প্রমুখ জননেতারা এগিয়ে আসেন। এছাড়াও আবু হানিফা আহমদ [নোয়াব মিয়া] রফিকুল বারী চৌধুরী, আনোয়ার রাজা চৌধুরী, হেমচন্দ্র চৌধুরী, দেওয়ান ওবায়েদুর রাজা চৌধুরী প্রমুখ কলেজের সার্বিক সহযোগিতায় অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন।”
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় [১৯৪৪-১৯৪৭], পরবর্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর এর একাডেমিক দায়িত্ব অর্পিত হয়। পরবর্তিতে ১৯৬১ সালে ঢাকা বোর্ড ইন্টারমিডিয়েট শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ পায়, ১৯৬২ সালে কুমিল্লা বোর্ড এই দায়িত্ব পায়। ১৯৯৯ সালে সিলেট বোর্ড প্রতিষ্ঠার ফলে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ সিলেট বোর্ডের অধীনে চলে যায়। ডিগ্রী শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরে ১৯৯১-১৯৯২ শিক্ষাবর্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর ন্যাস্ত হয়।
কলেজ যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন সুনামগঞ্জ মহকুমা আসামের সাথে যুক্ত ছিল। ১৯৪৪ সালের শেষের দিকে আসামের প্রধানমন্ত্রী সাদ উল্লাহ আনুষ্ঠানিক ভাবে সুনামগঞ্জ কলেজের দ্বার উদঘাটন করেন। উনার সাথে আরও আসেন সাদউল্লাহ মন্ত্রিসভার মন্ত্রি মুসাব্বের হোসেন চৌধুরী ও মন্ত্রী আব্দুল মতিন চৌধুরী। আগে থেকেই মন্ত্রী মনোওয়ার আলী ও অক্ষয় কুমার দাস সুনামগঞ্জে ছিলেন। উপজাতি সংরক্ষিত মিহিলা আসনে নির্বাচিত সদস্য এবং মন্ত্রী মিসেস মেভিন ডান ও সুনামগঞ্জে এসেছিলেন। তাছাড়াও মকবুল হোসেন চৌধুরী, আব্দুল বারী চৌধুরী,করুণাসিন্ধু রায়, দেওয়ান আহবাব চৌধুরী ও মুজিবুর রহমান চৌধুরী সহ মহকুমার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
কলেজ প্রতিষ্ঠার কিছুদিনের মধ্যেই বিজ্ঞান শিক্ষায় এর নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ছাতক নিবাসী প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তী। সুনামগঞ্জের জমিদার দেওয়ান আফতাবুর রাজা চৌধুরী সুলতানপুর মৌজায় কলেজ নির্মাণের জন্য ভূমি দান করেছিলেন। লক্ষণসিড়ির জমিদার কলেজ ক্যাম্পাসের জন্য ভূমি দান করেছিল। গৌরীপুরের জমিদার কলেজ মঞ্জুরীর সময় পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। ১৯৬১ সালে বর্তমান স্থানে ভবন নির্মিত হলে নতুন ভবনে ক্লাশ শুরু হয়।
অধ্যক্ষগণের তালিকা ঃ বাবু প্রফুল্ল কুমার চক্রবর্তী, বাবু দিগেন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য্য, জনাব দেওয়ান মো: আজরফ (জাতীয় অধ্যাপক ও প্রখ্যাত দার্শনিক), জনাব একে শামস, ক্যাপ্টেন করিমুদ্দিন আহমদ, জনাব এ এইস এম এ কুদ্দুস, জনাব গোলাম আকবর, জনাব এ মান্নান চৌধুরী, জনাব আহমদ আলী, প্রফেসর এম আই চৌধুরী, বাবু বিপ্রেশ দত্ত [ভারপ্রাপ্ত], বাবু অনিল চন্দ্র বনিক, বাবু বিধু ভুষণ চৌধুরী, প্রফেসর মো: নুরুল গণী, বাবু প্রশান্ত শেখর দে [ভারপ্রাপ্ত] প্রফেসার ননী গোপাল দাস, জনাব আব্দুল বারী [ভারপ্রাপ্ত] জনাব গোলাম মাওলা [ভারপ্রাপ্ত], প্রফেসর পরিমল কান্তি দে, প্রফেসর মো: আফতাব হোসেন, প্রফেসর মো: সেলিম খান,জনাব সৈয়দ মহিবুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত], প্রফেসর ছয়ফুল কবীর চৌধুরী [মেজর, বিটিএফও], প্রফেসর মো: আব্দুস ছত্তার, জনাব মো: শামসুল আলম ও প্রফেসর নীলিমা চন্দ। নীলিমা চন্দ ১০/০৬/২০১৮ থেকে বর্তমান অব্দি অধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করছেন।
প্রতিষ্ঠা; যে স্থানটিতে এখন কলেজ হয়েছে,তা ছিল ধানি জমি। রং বেরং এর পাল তোলা নৌকা আসতো।
১৯৫৯ সালে প্রথমে পুকুর খোদাই করে কলেজের ভিট তৈরি করা হয়।
১৯৬০ সালের ১৪ মার্চ টিনশেড একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন হয়।
১৯৬১ সালে ২৮ আগস্ট নতুন ভবনে ক্লাশ শুরু হয়। ল্যাবরেটরি স্থানান্তরিত হতে বেশ সময় লেগেছিল। তাই ঐ সময় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের দুই স্থানেই ক্লাশ নিতে হতো।
১৯৬২ সালে নতুন বিজ্ঞান ভবনে কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালে নতুন বিজ্ঞান ভবনে ক্লাশ শুরু হয়
১৯৬৭ সালের দিকে পূর্বদিকের টিনশেড অংশ তৈরি হয় এবং একই বছর বি এস সি ও বি কম কোর্স চালু হয়। ১৯৮০ সালের ৩ মার্চ কলেজটি জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণ কালীন সময়ে তৎকালীন গভর্নিং বডি কর্তৃক ১৪/০৫/১৯৮০ খ্রিঃ তারিখে সম্পাদিত ৮৫৮৫/১৯৮০নং দানকৃত দলিলের মাধ্যমে ২৫, ৬৫ একর ভূমি সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজকে প্রদান করা হয়।
১৯৯৩-৯৩ সালে, পুরাতন বিজ্ঞান ভবনের পেছনে ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের তত্ত্বাবধানে একটি দ্বিতল একাডেমিক ভবন তৈরি হয় যা পরে অনার্স ভবনে রূপান্তিত হয়েছে।
১৯৯৩-৯৪ সনে নির্মিত হয় নতুন দ্বিতল বিজ্ঞান ভবন, ১৯৯৪-৯৫ সনে কলেজের উত্তর পূর্ব কোণে প্রস্তাবিত স্টাফ কোয়ার্টাওরের পার্শ্বে একটি নতুন পুকুর খনন করা হয়।
১৯৯৫-৯৬ সনে দুটি শ্রেণি কক্ষকে একটি স্থায়ী মঞ্চ সহ ছয়শ জন দর্শকের আসন সংবলিত মিনি অডিটরিয়ামে রূপান্তরিত হয়। ১৯৯৫ সনে কলেজ গেট নির্মিত হয়। ১৯৯৫-৯৬ সনে কলেজ পুকুরের দক্ষিণ পার্শ্বের একটি টিনশেড ঘরে ক্যান্টিন স্থানান্তর হয়। কলেজের পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে একটি অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
২০০১ সালে অনার্স কোর্স চালু হয়।
বর্তমানে এই কলেজে ১০টি বিষয়ে স্নাতক সম্মান কোর্স চালু আছে। বিষয়গুলি হল-বাংলা, দর্শন, ইতিহাস, হিসাববিজ্ঞান, রাস্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইংরেজি, ব্যবস্থাপনা, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, ও গণিত। স্নাতকোত্তর আছে চারটি বিষয়; বাংলা, ইতিহাস, দর্শন ও হিসাব বিজ্ঞান।
সুযোগ সুবিধা; ১৩ ডিসেম্বর ২০০৪ সালে নব নির্মিত তিনতলা ভবনকে প্রশাসনিক ভবনে রূপান্তিত করা হয়েছে। এটি একটি সমৃদ্ধ কলেজ লাইব্রেরী এতে বই সাময়িকী সংখ্যা এগার হাজারের অধিক। ছাত্র- ছাত্রীদের বসে পড়ার সু ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কম্পিউটার ল্যাবরেটরি-সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সুবিধা সংবলিত একটি অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়েছে। সম্প্রতি কলেজের জন্য একটি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে।
ছাত্রাবাস;- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কলেজের দুইটি ছাত্রাবাস ছিল। একটি মুসলিম হোস্টেল অন্যটি হিন্দু হোস্টেল। ১৫ অক্টোবর ২০১১ তারিখে কলেজ ক্যাম্পাসে নির্মিত একমাত্র ছাত্রীনিবাসটি উদ্ভোধন করা হয়।
অর্জন; ২০১৬ সালে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি হলো এই কলেজের সেরা অর্জন।
মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে চারজন ছাত্র শহীদ হয়েছিলেন, তারা হলেন শহীদ জগতজ্যোতি দাস বীর বিক্রম, শহীদ তালেব আহমদ, শহীদ গিয়াস উদ্দিন ও শহীদ আলী আজগর। আরও অনেক ছাত্র মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২র শিক্ষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও ৯০ এর গণআন্দোলনে এই কলেজের ছাত্রদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।
এই কলেজের ছাত্ররা মন্ত্রী, এম পি, রাজনৈতিক বড় নেতা, বিচারপতি, বড় বড় আমলা, সাংবাদিক, সাহিত্যিক সহ গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন এবং আছেন বহু ছাত্র উন্নতির চরম শিখরে পৌছছেন, দেশে বিদেশে সন্মান অর্জন করেছেন, ছড়িয়ে আছেন বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে।
কলেজে বিভিন্ন সময় যারা ভি.পি এবং জি.এস ছিলেন; ভি.পি [মনোনীত] দীনেশ রায়, আয়ুব আলী পীর প্রশান্তি দাস ও জিতেন্দ্র রায়। ভি.পি [নির্বাচিত] গফফার চৌধুরী, রথি রায়, গোলাম রব্বানী, আব্দুস শহীদ চৌধুরী, মো: হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, মো: সাইফুর রহমান, শামসুন নাহার বেগম, মানিক লাল দে, বিনোদ রঞ্জন তালুকদার, মো: আয়ুব বখত [জগলুল], বোরহান উদ্দিন [দোলন], মো: আজাহারুল ইসলাম [শিপার], মনীষ কান্তি দে [মিন্টু]।
জি এস [মনোনীত] আবুল হাসনাত আব্দুল হাই [দুইবার], গুলজার আহমদ ও ফারুক আহমদ। জি এস [নির্বাচিত] ইসতিয়াক আহমদ চৌধুরী, আব্দুল হক, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সাইফুর রহমান সামছু, মো: জমিরুল হক, মোঃ বেলায়েত হোসেন, গোলাম মো: কাজী মাহফুজ উদ্দিন, মো: আয়ুব বখত [জগলুল] মো: ওয়াহিদ মিয়া, দেবাশীষ রায় [শুভ] মোজাম্মেল হক চৌধুরী [মুনিম] ও দীপংকর সেন [রিভু]
সমস্যা;- বর্তমানে এই কলেজের শিক্ষার্থী সংখ্যা সাত হাজারেরও অধিক। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে এখানে ছেলে মেয়েরা পড়তে আসেন, যারা জেলার বাইরে গিয়ে পড়তে পারেন না তাদের কাছে এই প্রতিষ্ঠানই ভরসা। কিন্তু শিক্ষক সংকটের কারণে পাঠদান ব্যহত হচ্ছে। বর্তমানে শিক্ষক/ শিক্ষিকা প্রয়োজন ৫৬ জন কিন্তু কর্মরত আছেন মাত্র ৪৪ জন। এমন কি ইতিহাস বিভাগে মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে ক্লাশ চালানো হচ্ছে। অনেক শিক্ষক এখানে আসতে চান না- আবাসিক সংকটের কারণে। তৃতীয়/ চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারিরও সংকট আছে-আছে শ্রেণী কক্ষের সংকট।
সর্বশেষ; স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্স আরও বাড়ানো দরকার। শিক্ষকদের আবাসিক সুবিধা প্রদান করে শিক্ষক সংকট দূর করা দরকার। শ্রেণিকক্ষ ও অন্যান্য অসুবিধা দূর করে গৌরবোজ্জল প্রতিষ্ঠানটির সুনাম বৃদ্ধি করে এগিয়ে গেলে এর সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সর্বপরি সুনামগঞ্জের সকল মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল এই কলেজ। জেলাবাসীর দান ও ত্যাগে এই কলেজ সমৃদ্ধ।
তথ্য সংগ্রহ- ম্যাগাজিন ‘নারকেল বীথির পোবনে’। লেখক হোসেন তওফিক ও হাসান শাহারিয়ার।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বালাগঞ্জের বাতিঘর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু ও গান্ধীজী
  • সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন ‘মেশিনম্যান’
  • একটি যুদ্ধ : একটি শতাব্দী
  • বালাগঞ্জের প্রাচীন জনপদ শিওরখাল গ্রাম
  • ভাটিপাড়া
  • সময়ের সোচ্চার স্বর সোমেন চন্দ
  • বঙ্গবন্ধুর সিলেট সফর ও কিছু কথা
  • বায়ান্নতেই লিখেছিলেন ‘ঢাকাই কারবালা’
  • জীবনের শেষক্ষণে অর্থ-স্বর্ণ সবই জড়পদার্থ
  • কমরেড বরুণ রায়
  • বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
  • নারী ভাষাসৈনিকদের কথা
  • মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবীর ওসমানী
  • ভাটির বাতিঘর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
  • মাওয়ের লংমার্চের ৪ বছর পর সিলেটিদের লং মার্চ
  • শহীদ মিনারের ইতিকথা
  • সিলেটের লোকসংগীত : ধামাইল
  • পর্যটক ইবনে বতুতার কথা
  • বই এল কোথা থেকে?
  • Image

    Developed by:Sparkle IT