লিসবনের ক্যাম্প মার্তিরেস দা পাট্রিয়া পার্কে অবস্থিত পর্তুগালের প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনারটি ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনারটি পর্তুগালের প্রাচীন ও দ্বিতীয় বড় শহর পর্তুতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৫তম বছর উদযাপন উপলক্ষে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
সম্পূর্ণ স্টীলের তৈরি ২০০ বর্গফুট বেদির উপর গড়ে তোলা আট ফুট উচ্চতার শহীদ মিনারটি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার। রাজধানী সিউলের অদূরে আনসান শহরের মাল্টিকালচারাল পার্কে নির্মিত শহীদ মিনারটি ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর উদ্বোধনের মাধ্যমে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সগৌরবে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে একাধিক শহীদ মিনার। ১৯৯৮ সালের ২৬মে কলকাতার ধর্মতলার কার্জন পার্কে নির্মিত স্মারক স্তম্ভটি উদ্বোধন করেন কথা সাহিত্যিক অন্নদাশংকর রায়। ২০১১ সালে দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে ২৫০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে ১১ ফুট উচ্চতায় স্থাপিত হয়েছে দ্বিতীয় শহীদ মিনার। ১৯৬১ সালে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আসামের শিলচরে নির্মিত হয়েছে আরেকটি শহীদ মিনার। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া ও চন্দননগরে রয়েছে আরে দু’টি শহীদ মিনার। ১৯৯৯ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পাওয়ার পর থেকে আগরতলা, আসাম, মেঘালয়, ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড় রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মিত হয়েছে অস্থায়ী শহীদ মিনার।
মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ২০০৫ সালে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় ওমানে। ওমানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত গোলাম আকবর খন্দকারের উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা শহীদ মিনারটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত।
তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওরমন্ড স্ট্রিটের অ্যাসফিল্ড পার্কে রয়েছে সম্পূর্ণ পাথরের তৈরি ও সম্মুখভাগে একটি গ্লোব বসানো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধ। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত বাঙালিদের সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে একাডেমির উদ্যোগে স্থাপিত প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধটি ২০০৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্মাণ করা হয়।

 

'/> SylheterDak.com.bd
বিশেষ সংখ্যা

দেশে বিদেশে গৌরবের শহীদ মিনার

মাজেদা বেগম মাজু প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০২-২০২০ ইং ০১:১৮:০৮ | সংবাদটি ৬৩৯ বার পঠিত
Image

ভাবের আদান প্রদানের নামই হলো ভাষা। ভাবের বাহনই ভাষা। ভাব প্রকাশের তাগিদেই ভাষার উদ্ভব। এ যুগের শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী চমস্কির মতে, ‘ভাষা কোন যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। ভাষা মানুষের সৃজনী চেতনার সঙ্গে যুক্ত।’ মায়ের কাছ থেকে শেখা ভাষাকে বলা হয় মাতৃভাষা। বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। মাতৃভাষা বাংলা অর্জনের পেছনে বাঙালির রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বর্তমানে বাংলা পৃথিবীর চতুর্থ বৃহৎ মাতৃভাষা। বিশ্বের প্রায় ৩২ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করার ঐতিহাসিক দিন এটি। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্যে জীবন দিয়ে বাঙালি অন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাঙালির রক্তঝরা এ দিনটিকে সারাবিশ্বে স্মরণীয় করে রাখতে ইউনেস্কো এই দিনকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সম্মান জানিয়েছে ভাষা শহীদদের প্রতি। বর্তমানে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে সারাবিশ্বে পালিত হয়ে আসছে। ভাষা শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে দেশে বিদেশে গড়ে উঠেছে শহীদ মিনার। বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতীক শহীদ মিনার। বিশ্বের যেখানেই বাংলা ভাষার জনগোষ্ঠী রয়েছে সেখানেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিনার। শহীদ মিনার কেবল একটি প্রতীক নয়, এর রয়েছে মূল্যবান স্থাপত্যিক অর্থ ও তাৎপর্য। এর মিনার ও স্তম্ভগুলো মাতৃভূমি মাতৃভাষা তথা মাতা ও তার শহীদ সন্তানদের প্রতীক। শহীদ মিনারের মাঝের বড় স্তম্ভটি মায়ের এবং পাশের দু’টি করে মোট চারটি স্তম্ভ হলো সন্তানের প্রতীক। শহীদ মিনার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে জাতীয় চেতনাকে এগিয়ে নেওয়ার আধার। জাতীয় স্মৃতিসৌধ রাষ্ট্রিক আর শহীদ মিনার সামাজিক।
১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা তাদেরই মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের পাশে ৬ ফুট প্রস্থ ও এগার ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট যে শহীদ মিনার নির্মাণ করেন সেটিই ছিল ঢাকায় নির্মিত প্রথম শহীদ মিনার। তখনকার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র সাইদ হায়দারের নেতৃত্বে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নামের মিনারটির নকশাকার ছিলেন বদরুল আলম। ১৯৫২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি অনানুষ্ঠানিকভাবে এটি উন্মোচন করেন শহীদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান। ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পুলিশ ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে নির্মিত শহীদ মিনারটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। দ্বিতীয়বারের ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পরিকল্পনাকারী হামিদুর রহমান। শহীদ মিনারের মূল মঞ্চ ও স্তম্ভগুলো অবিকৃত রেখেই বর্তমানের অবস্থায় সম্প্রসারণ করা হয় ১৯৮৩ সালে। বাঙালি হলো বাংলা ভাষা ও একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ এক জাতি। দেশের শহর-বন্দর, গ্রামে-গঞ্জে রয়েছে অসংখ্য শহীদ মিনার। বাংলাদেশে শহীদ মিনারের আনুমানিক সংখ্যা কমপক্ষে এক লাখেরও বেশি। এর সঙ্গে একুশের লগ্নে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারগুলো সংখ্যা যোগ করলে এর ব্যাপকতা আরও বাড়ে। দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার ‘অমর একুশে’র অবস্থান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভারে যার স্থপতি জাহানারা পারভীন।
দেশের সীমানা ছাড়িয়ে একুশের উদযাপন এখন একটি বৈশ্বিক ঘটনা। ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পালিত হয়ে আসছে ‘মাতৃভাষা দিবস’। বিশ্বের যেখানেই আছে বাঙালি সমাজ সেখানেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে বাঙালির আত্মপরিচয় ও সম্মানের প্রতীক শহীদ মিনার। অমর একুশে মানে যেখানেই বাঙালি সেখানেই শহীদ মিনার। মাতৃভাষা দিবসে শহীদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদনের চিত্র বর্তমান একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার কারণ এখন দেশে দেশে গড়ে ওঠেছে বাঙালির শ্রদ্ধা ও সম্মান নিবেদনের একমাত্র কেন্দ্রস্থল শহীদ মিনার ও স্মৃতিস্তম্ভ।
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ কর্তৃক গ্রেট ম্যানচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টউড নেবারহুডে নির্মিত হয় এ শহীদ মিনার। ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সর্বসাধারণের জন্য এটি উন্মক্ত করে দেয়া হয়। এরপর ১৯৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আলতাব আলী পার্কে, ২০০৪ সালে ৮ আগস্ট লুটন শহরে, ২০১১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বার্মিংহ্যামে ও ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ইপ্সউইচের আলেকজান্দ্রা পার্কে উদ্বোধন করা হয় ব্রিটেনের স্থায়ী শহীদ মিনার। তাছাড়া ২০১৮ সালের ৫ নভেম্বর কার্ডিফ শহরের ঐতিহ্যবাহী গ্রেইঞ্জমোর পার্কে ব্রিটেনে ষষ্ঠ শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের পর ইউরোপের দেশ ইতালির অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের কূলঘেঁষা বন্দর নগরী বারিতে নির্মিত স্থায়ী শহীদ মিনারটি ২০১০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন করা হয়। ৭ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২.১০ মিটার প্রস্থের দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনারটি ইতালির রাজধানী রোমের ভিয়া পানামার ইসহাক রবিন পার্কে ২০১১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত।
বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে বিদেশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় জাপানে। জাপানের রাজধানী টোকিওর প্রাণকেন্দ্র ইকেবুকুরো নিশিগুচি পার্কে নির্মিত শহীদ মিনারটি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নির্মিত প্রথম শহীদ মিনার। এর উচ্চতা ২.৬ মিটার এবং প্রস্থ ২.৫ মিটার। ২০০৬ সালের ১৬ জুলাই এটি উদ্বোধন করা হয়। এই পার্কে শহীদ মিনার আছে বলে প্রবাসীরা পার্কটির নামকরণ করেছেন ‘শহীদ মিনার পার্ক’। শহীদ মিনারটির সামনে একটি সাদা ফলকে জাপানি, ইংরেজি ও বাংলা-এই তিন ভাষায় পাশাপাশি লেখা আছে ‘শহীদ মিনার : ভাষার প্রতি ভালোবাসার মিনার’।
নিউজার্সির প্যাটারসন শহরে অবস্থিত মার্কিন সরকারের অর্থায়নে নির্মিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শহীদ মিনারটি ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের লার্গোডিয়া কমিউনিটি কলেজে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার যা ১০ ফুট বাই ১০ ফুট সাইজের।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের চেতনাকে ধারণ করে ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের বিখ্যাত নগরী ভ্যাঙ্কুভারের পাশে ছোট শহর সুরে’র বিয়ার ক্রিক পার্কে নির্মিত হয়েছে লিঙ্গুয়া অ্যাকুয়া (খরহমঁধ অয়ঁধ) নামের স্থাপনা শিল্প। এটি মূলত ভাস্কর্য, স্থাপত্য, গ্রাফিক, অডিওভিজ্যুয়াল এবং জলতরঙ্গের এক নান্দনিক বিন্যাস। ২০০৯ সালের ১১ জুলাই এই নান্দনিক মনুমেন্টটির উদ্বোধন করা হয়। 'খরহমঁধ ঋৎধহপধ' শব্দ থেকে এসেছে 'খরহমঁধ অয়ঁধ'। 'খরহমঁধ ঋৎধহপধ' শব্দের অর্থ সর্বজনীন ভাষা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সাথে এর সম্পর্ক এই যে, দিবসটি যেমন বিশ্বের সকল জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবভাষী মানুষদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার দাবিতে সোচ্চার করে তোলে তেমনই এটি সকলকে সর্বজনীন ভাষাবোধে একাত্ম হতে আহবান করে।
লিসবনের ক্যাম্প মার্তিরেস দা পাট্রিয়া পার্কে অবস্থিত পর্তুগালের প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনারটি ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। দ্বিতীয় স্থায়ী শহীদ মিনারটি পর্তুগালের প্রাচীন ও দ্বিতীয় বড় শহর পর্তুতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪৫তম বছর উদযাপন উপলক্ষে ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
সম্পূর্ণ স্টীলের তৈরি ২০০ বর্গফুট বেদির উপর গড়ে তোলা আট ফুট উচ্চতার শহীদ মিনারটি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম স্থায়ী শহীদ মিনার। রাজধানী সিউলের অদূরে আনসান শহরের মাল্টিকালচারাল পার্কে নির্মিত শহীদ মিনারটি ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর উদ্বোধনের মাধ্যমে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সগৌরবে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে একাধিক শহীদ মিনার। ১৯৯৮ সালের ২৬মে কলকাতার ধর্মতলার কার্জন পার্কে নির্মিত স্মারক স্তম্ভটি উদ্বোধন করেন কথা সাহিত্যিক অন্নদাশংকর রায়। ২০১১ সালে দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কে ২৫০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে ১১ ফুট উচ্চতায় স্থাপিত হয়েছে দ্বিতীয় শহীদ মিনার। ১৯৬১ সালে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আসামের শিলচরে নির্মিত হয়েছে আরেকটি শহীদ মিনার। তাছাড়া পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া ও চন্দননগরে রয়েছে আরে দু’টি শহীদ মিনার। ১৯৯৯ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা পাওয়ার পর থেকে আগরতলা, আসাম, মেঘালয়, ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড় রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্মিত হয়েছে অস্থায়ী শহীদ মিনার।
মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ২০০৫ সালে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় ওমানে। ওমানের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত গোলাম আকবর খন্দকারের উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা শহীদ মিনারটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত।
তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের ওরমন্ড স্ট্রিটের অ্যাসফিল্ড পার্কে রয়েছে সম্পূর্ণ পাথরের তৈরি ও সম্মুখভাগে একটি গ্লোব বসানো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধ। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত বাঙালিদের সাংস্কৃতিক সংগঠন একুশে একাডেমির উদ্যোগে স্থাপিত প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধটি ২০০৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নির্মাণ করা হয়।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

বিশেষ সংখ্যা এর আরো সংবাদ
  • আদর্শ সাংবাদিকতার ধারক
  • শুভ কামনা দৈনিক সিলেটের ডাক
  • শুভ জন্মদিনে আলোকপাত
  • তরুমনি, জন্মদিনে যাচ্ছি
  • সিলেটের ডাক : সিলেটের সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র
  • জন্মদিনের শুভেচ্ছা
  • সাঁইত্রিশের তারুণ্যে উদ্দীপ্ত আমরা
  • পাঠক-প্রত্যাশার সবটুকুই পূরণ করতে চাই
  • বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও সিলেটের ডাক
  • জন্মদিনের শুভেচ্ছা
  • সিলেটের ডাক : সময়ের সাথে প্রাসঙ্গিক একটি সংবাদপত্র
  • সিলেটের ডাক : আমাদের সংবাদপত্র
  • পাঠকের নির্ভরযোগ্য বন্ধু
  • সিলেটের ডাক এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিছু কথা
  • সিলেট অঞ্চলের শীর্ষ দৈনিক
  • দৈনিক সিলেটের ডাকের জন্মদিনে
  • বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় কবি নজরুল
  • বঙ্গবন্ধুর জীবনালোচনায় কিছু কথা ও কাহিনী
  • বঙ্গবন্ধুকে কাছে থেকে দেখার টুকরো স্মৃতি
  • মুজিববর্ষের তাৎপর্য
  • Image

    Developed by:Sparkle IT