স্বাস্থ্য কুশল

শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন

এম. লোকমান হেকিম প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০২-২০২০ ইং ০১:০৯:২৬ | সংবাদটি ৪৫৬ বার পঠিত
Image

হেমন্ত যখন যাই যাই করছে শীত তখন ধীরপায়ে এগিয়ে আসছে। শীত আমাদের নানা দু:খ-কষ্টের কারণ হলেও সাথে নিয়ে আসে হরেক রকমের খাদ্য, শাক ও সবজি, যা আমাদের মওসুমি রোগবালাই প্রতিরোধ করে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। আমরা জানি, বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন রোগের আগমন ঘটে। কিন্তু আল্লাহ এতই মেহেরবান যে, ওইসব মওসুমি রোগ প্রতিরোধের জন্য হরেক রকম শাকসবজি ও ফলমূলও দান করেন, যাতে তার প্রিয় বান্দারা সুস্থ থাকতে পারে ওইসব শাকসবজি, ফলমূল খেয়ে। কিন্তু যারা এসব শাকসবজি, ফলমূল না খেয়ে অন্য কিছু খায় তারা নানা রোগের শিকার হয়।
আসুন আমরা জেনে নিই শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন- রঙিন ফলমূল এবং শাক-সবজিতে থাকে ফাইটোকেমিক্যাল, রঞ্জক পদার্থ এবং এন্টি অক্সিডেন্ট যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে এবং দেহকে সুস্থ রাখতে, উদ্যমী ও স্বাস্থ্যবান করতে কাজ করে। প্রাকৃতিক রঞ্জক থেকে পাওয়া এ সমস্ত এন্টি অক্সিডেন্ট, ফ্রি-র‌্যাডিকেল দ্বারা যে মালিকুলার অক্সিডেন্ট ঘটে তার বিরুদ্ধে কাজ করে। আমাদের দেহের প্রতিটি জায়গায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। কোষের রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয় তখন কিছু ফ্রি-র‌্যাডিকেল উৎপন্ন হয় যা কোষের জন্য ক্ষতিকর। বেশি পরিমাণ ফ্রি-র‌্যাডিকেল ডিএনএ বা অন্যান্য কোষকে আক্রমণ করে এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। কিন্তু ফলমূল এবং শাক-সবজি থেকে আমরা যে এন্টি অক্সিডেন্ট পাই তা এই শত্রু ফ্রি-র‌্যাডিকেলের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। এন্টি অক্সিডেন্ট বেং ফাইটোকেমিক্যাল সম্পন্ন এ সমস্ত রঙিন ফলমূল এবং শাকসবজি দেহকে বিভিন্ন গুরুত্বর রোগ যেমন- ক্যান্সার বা হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
শাক-সবজি এবং ফলমূলের রং কে প্রাধান্য দিয়ে রেইনবো ডায়েট তৈরি করা হয় কারণ ফলত্বক, রসালো অংশ, মূল ও পাতায় থাকে উপকারী রঞ্জক পদার্থ। এটি একটি মাল্টিফাংশনাল ডায়েট। কারণ এটা একদিকে যেমন দেহকে সুন্দর ও স্লীম রেখে মানসিক প্রশান্তি দেয় তেমনি কঠিন কিছু রোগ এবং জীবাণু সংক্রমণের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু একটি মাত্র খাদ্য তালিকা থেকেই এটা সম্ভব। বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি যেমন-লাল, নীল, বেগুনী, সবুজ, হলুদ, কমলা প্রত্যেকটি আলাদা রঙের জন্য একটি নির্দিষ্ট রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। যদি আমরা এই বিভিন্ন রঙের খাবার প্রতিদিন খাই তাহলে সত্যিকার অর্থে আমরা এই রঙিন ফল ও সবজির রঞ্জক পদার্থ থেকে উপকৃত হবো। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র একটি রঙের ফল ও সবজি খাওয়া উচিত নয় কারণ এটা কোন স্বাস্থ্যসম্মত ডায়েট নয়। এর ফলে দেহে ভিটামিন ও মিনারেলের অভাব থেকে যায়। রেইনবো ডায়েট হলো একটি পুষ্টিকর দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া যা স্বাভাবিকভাবে দেহের ওজন কমায় এবং একই সাথে দেহকে সুস্থ রাখে। যদি কেউ সুস্থ সুন্দর জীবন চায় তাহলে তাকে এই খাদ্য তালিকা অনুসরণ করতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তাকে শুধু নিরামিষ ভোজী হতে হবে। কেউ ইচ্ছা করলে সবজির সাথে মাংস, ডিম বা দুধ জাতীয় খাবার খেতে পারে।
রঙিন ফলমূল এবং শাকসবজিতে যে সমস্ত প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ থাকে:- ক্যারোটিনয়েড ফ্যামিলি থেকে লাল রঙের রঞ্জক পদার্থ পাওয়া যায় যাতে লাইকোপেন নামক এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এই এন্টি অক্সিডেন্ট স্বল্প এবং দীর্ঘ মেয়াদী স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কিছু প্রকার ক্যান্সার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়া চামড়া, স্তন এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অপরপক্ষে, লাইকোপেন এন্টি অক্সিডেন্ট শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয় এবং কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। লাইকোপেন পাওয়া যায় লাল রঙের ফলমূল ও শাকসবজিতে। যেমন- আপেল, লাল মরিচ, লাল পেঁয়াজ, টমেটো,লাল আঙ্গুর, তরমুজ, লাল পেয়ারা, লালশাক, চেরি ইত্যাদিতে। নীল-বেগুনী রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে এন্থোসায়ানিন, যা রক্তের কোরেস্টেরল লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তনালীর নমনীয়তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এন্থোসোয়ামিন পানিতে দ্রবীভূত একটি রঞ্জক পদার্থ যা উদ্ভিদে পাওয়া যায়, বিশেষভাবে দেখা যায় কোষ গহ্বরে। এটা গাছ এবং ফুলের লাল, পার্পেল বা নীল রঙের জন্য দায়ী। এই রঞ্জক পদার্থও একটি শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট যা গাছকে আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
ভিটামিন এ বা সি এর সাথে এন্থোসায়নিন প্রয়োগ করলে অনেক ভাল ফল পাওয়া যায়। যেমন দৃষ্টিশক্তি, চোখে ব্লাড সারকুলেম এবং নার্ভাস সিস্টেমের উন্নতি ঘটে। এছাড়া চোখের বিভিন্ন রোগ যেমন-পিগমেনটোসা-রেটিনিটিস গ্লুকোমা, মায়োপিয়া ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এসব ঘটে এন্থোসায়নিনের জন্য, কারণ এন্থোসায়ানিন চোখের রেটিনার টিস্যুগুলোকে ক্ষতিকর ফি-র‌্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এন্থোসায়ানিন পাওয়া যায় নীল বা বেগুনী রঙের ফলমূল এবং শাকসবজিতে। যেমন- আঙ্গুর, তাল, নীল বাঁধাকপি, ডুমুর, সকল প্রকার জাম, বেগুন ইত্যাদি। হলুদ-কমলা রঞ্জক পদার্থ থেকে পাওয়া যায় বিটা-ক্যারোটিনে। যা চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় এবং হৃদপিন্ডকে সকল কাজ সঠিকভাবে করতে সাহায্য করে।
এছাড়া ইমিউনো সিস্টেমকে শক্তিশালী করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এন্টি এজিং এবং চামড়ায় বলিরেখা বা ভাঁজ পড়তে বাধা দেয়। বিটা-ক্যারোটিন হলো একটি ফটো রঞ্জক। সাধারণত যে সমস্ত উদ্ভিদে ভিটামিন-এ থাকে সেখানে বিটা-ক্যারোটিনও থাকে। এটা দেহের বাইরের ত্বকে জমা থাকে। বিশেষ করে চামড়ার কোষের পর্দায়। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেয়। যেমন-বিটা ক্যারোটিন আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি শোষণ করে চামড়ার বা ত্বকের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে চামড়াকে রক্ষা করার এটি একটি প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
এছাড়া ক্যারোটিন যকৃতে (লিভার) জমা থাকে এবং যখন শরীরে দরকার হয় তখন ভিটামিন এ হিসেবে কাজ করে। বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায়-মিষ্টি কুমড়া, গাজর, কমলালেবু, আনারস, পাকা কলা, পাকা আম, পাকা পেঁপে, আঙ্গুর, কুসুম ফুল, ভুট্টা ইত্যাদিতে। সবুজ রঞ্জক পদার্থ থেকে পাওয়া যায় রুটেইন যা দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে হাড় ও দাঁতের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা পালন করে এবং বিভিন্ন অঙ্গকে ক্যান্সারের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এছাড়া সবুজ ফলফূল ও শাকসবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ক্লোরোফিল যা এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টি ইনফ্লামেটরি গুণ সম্পন্ন। এটা বিষক্রিয়া ও অন্যান্য বর্জ্য থেকে রক্তকে পরিষ্কার রাখে। লুটেইন সারা দেহেই থাকে কিন্তু চোখের মেকুলাতে বেশি থাকে। সেই কারণেই চোখের মেকুলার ডিজেনারেশন হতে বাধা দান করে এবং চোখের যেকোনো সমস্যা থেকে চোখকে রক্ষা করে। যারা চোখের ব্যবহার বেশি করে যেমন - ক্যামেরা বা কম্পিটারে কাজ করে তাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি লুটেইন-এর দ্বারা ঠিক রাখা যায়।
সমস্ত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূলে লুটেইন পাওয়া যায়। যেমন- বাঁধাকপি, লেটুস পাতা, ব্রকলি, এসপ্যারাগাস, পালংশাক, সবুজ আপেল, শিম, মটরশুটি, বরবটি, শসা, পটল, কাঁচা মরিচ, কাঁচা পেঁপে, কাঁচা কলা ও সবুজ চা ইত্যাদি। সাদা রঞ্জক পদার্থ এক বা একাধিক এন্টিঅক্সিডেন্ট ধারণ করে। এটা নির্ভর করে ফল বা সবজির উপর। উদাহরণ স্বরূপ, রসুন থাকে এন্থোসায়ানিন। কিন্তু যখন টিন বা এলুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করা হয় তখন এটা আয়রনে পরিণত হয়। সাদা ফলফুল ও সবজি আমাদের স্বাস্থের জন্য খুব উপকারী কারণ এদের আছে এন্টি ইনফ্লামেটরি, এন্টি এলার্জেনিক এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। সাদা সবজি হলো- রসুন, পেঁয়াজ, মাশরুম, সেলেরি, ফুলকপি, মূলা, সাদা বেগুন ইত্যাদি।
আসমানী- আসমানী একটি শক্তিশালী রং। এ রং মনের অবসাদ দূর করে। এটা কল্পনা ও অনুমান শক্তি বৃদ্ধি করে এবং যারা দুঃখ ও ভয়ে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে গভীরভাবে কাজ করে। যারা এই রং পছন্দ করে তারা খুব অনুভূতিশীল হয়। বেগুনী- বেগুনী রং ও আসমানীর মত কিন্তু অমায়িক বা নম্র প্রকৃতির। এই রং সংবেদন এবং অধিক শান্তি আনে। মানসিক সমস্যায় এটা প্রভাব ফেলে। যদি কেউ সৃষ্টিশীল, অনুভূতিশীল এবং শিল্পীমনা হয় তাহলে এ রং কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এই রঙের খাবারও আমাদের জন্য অনেক উপকারী। কালার (রং) কোডিং : প্রত্যেকটি রঙের একটি নিজস্ব ভাষা আছে এবং দেহের উপর রঙের একটি প্রভাব কাজ করে। এক গবেষণা থেকে জানা যায়, লাল রং ব্লাড প্রেসার বৃদ্ধি করে এবং নীল রং তা কমিয়ে দেয়। নীল রং আর্থ্রাইটিস এর ব্যর্থাও কমিয়ে দেয়। সাম্প্র্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ক্লাশ রুমের রং হলুদ, কমলা এবং লাল হয় তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়। লাল : লাল রং শক্তি, কর্মোদ্যোগ এবং পরিবর্তনের প্রতীক। কোন মানুষ যখন মনে করে তার শক্তি কমে যাচ্ছে এটা বাড়ানো দরকার তখন সে যেন লাল রং পছন্দ করে।
কমলা : কমলা হলো আনন্দ এবং সুখের রং। এই রঙ উদ্দীপনা জায়গায় এবং যারা বিষণœতায় ভোগে তাদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যারা কমলা রং পছন্দ করে তারা আত্মনির্ভরশীল, একা চলতে সক্ষম এবং ধৈর্যশীল। প্রায়ই দেখা যায়, কেউ অস্থির বা উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং অন্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে। তাদের উচিত কমলা রঙ পছন্দ করা এবং কমলা রঙের ফলমূল ও সবজি খাওয়া কারণ এই রং মনে শান্তি আনে। হলুদ : মনের এবং বৃদ্ধির রঙ হলো হলুদ। এটা নিরপেক্ষতা বা নির্লিপ্ততারও রং। এই রং ব্যবহার করে আমরা কিছু ধারণা ও অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে পারি। যেমন- বেশি খাওয়া। যদি কেউ এই রং পছন্দ করে তাহলে বুঝতে হবে তার মনে উদ্দীপনা বা উদ্যম দরকার। এছাড়া নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলুদ রঙের খাবার কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। সবুজ : সবুজ হলো ঐক্য ও সমবেদনার রং। এই রং মনে প্রশান্তি আনে ও সাম্যতা বিধান করে। যারা সবুজ-রং পছন্দ করে তারা সহজে অন্যকে বিশ্বাস করে না এবং শান্তিপূর্ণ জীবন পছন্দ করে। যদি তুমি শারীরিক ও মানসিকভাবে অস্থির বা চাপের মধ্যে থাক তাহলে সেই এই রং পছন্দ করতে পার। কারণ এটা মনকে শান্ত করে। এছাড়া সবুজ রঙের খাবার দেহের ওজন কমিয়ে দেহকে সুস্থ রাখে। নীল : নীল হলো শান্তির রং। এটা মনে শান্তি আনে এবং রাতে ভাল ঘুমের জন্য সাহায্য করে। নীল রং মনকে নিয়ন্ত্রণ করে। নীল রঙের ডায়েট শরীর ঠিক রাখতে উপকারী।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • জুতায় কতদিন বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস?
  • হার্ট সুস্থ রাখা চাই
  • হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে প্রচারণা
  • গাজরের উপকারিতা
  • রোগ প্রতিরোধে ডুমুর
  • তরমুজ এক উপকারী ফল
  • সকালের নাস্তা যখন সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি
  • করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
  • শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন
  • দৈনন্দিন জীবনে লেবুর চাহিদা
  • এ্যাপোলো হসপিটালে ভারতের প্রথম ইনভেসিভ ডবল কার্ভ কারেকশন সার্জারি
  • হাঁড়ের ক্ষয় রোগ : নীরব ঘাতক
  • আপনার সন্তানের চোখের যত্ন নিন
  • আয়োডিন স্বল্পতায় জটিল রোগ
  • শারীরিক শক্তি বাড়ায় যে খাবার
  • সুস্থতার জন্য পানি
  • রোগ প্রতিরোধে ডালিম
  • শীতে হাঁপানি এড়াতে কী করবেন
  • শীতে ঠোঁটের সুরক্ষা
  • এক জায়গায় বসে কাজ করার কুফল
  • Image

    Developed by:Sparkle IT