ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন

মো: দিলওয়ার হোসেন বাবর প্রকাশিত হয়েছে: ২৬-০২-২০২০ ইং ০০:০৭:৫৪ | সংবাদটি ৩০৫ বার পঠিত
Image

বাঙালি জাতির ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস, আন্দোলনের ইতিহাস। বাঙালি জাতি মহৎ ও ভাল এবং নিজেদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার যখন যা কিছুই অর্জন করেছে, তা তারা সংগ্রাম ও আন্দোলন করেই, রাজপথে রক্তদান করেই অর্জন করেছে। বিংশ শতাব্দীতে বাঙালি জাতির আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে অন্যতম অর্জন হল মায়ের ভাষা বাংলা ভাষার অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন। বিশ্বের মধ্যে একমাত্র জাতি হল বাঙালি জাতি যারা মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার অর্জনের জন্য সংগ্রাম করে রাজপথ বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত করেছে।
১৯৪৭ সালে আগস্ট মাসে ভারতবর্ষ বিভক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি হল নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান। এই বিভক্তি সম্পন্ন হয়েছিল কেবলমাত্র দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে, ভাষা ও সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে নয়। তাই তৎকালীন শাসক শ্রেণি পাকিস্তানের ৫৬ ভাগ মানুষ বাংলায় কথা বলার পরও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভাষা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার পায়তারা শুরু করে। তাদের সেই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সেদিন বাংলা ভাষাভাষি সমগ্র বাঙালি জাতির পাশাপাশি লৌহমানবের মত গর্জে উঠেছিলেন বাঙালি জাতির ত্রাণকর্তা তৎকালীন তরুণ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমৃত্যু মাতৃভাষা প্রেমী বাঙালি জাতির এই মহান নেতা ১৯৪৭ সালে মহান ভাষা আন্দোলনের সূচনালগ্নে, ১৯৪৮ সালে রাজপথে আন্দোলন ও কারাবরণ, পরবর্তীতে আইন সভার সদস্য হিসেবে রাষ্ট্রভাষার সংগ্রাম ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায়, এখন কি পরবর্তীতে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অতুলনীয় ভূমিকা রেখে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এক কথায় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মাতৃভাষা বাংলার স্বীকৃতি আদায় ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ আমাদের মাতৃভাষা আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।
১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মের আগেই প্রস্তাবিত পাকিস্তানের স্বরূপ বাঙালিদের কাছে উন্মোচিত হতে থাকে এবং একই সঙ্গে ঐ অঞ্চলের তৎকালীন প্রগতিশীল ও সচেতন যুবসমাজ নিজেদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার রক্ষার চিন্তাও করতে থাকে। তাই দেখা যায় ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মের পরপরই কলিকাতার সিরাজউদ্দৌলা হোটেলে পূর্ব বাংলার পরবর্তী কর্তব্য নির্ধারণে একত্রিত হয়েছিলেন কিছু সংখ্যক তরুণ প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন এবং তাদের সেই প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ছিলেন তৎকালীন প্রগতিশীল ও যুবনেতা শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে তাদের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় তৎকালীন মিউনিসিপ্যালিটির ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসনাতের বাসায় অনুষ্ঠিত হয় এক পূর্ব পাকিস্তান কর্মী সম্মেলন। ঐ সম্মেলনে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তানের অসাম্প্রদায়িক যুব প্রতিষ্ঠান ‘পূর্ব পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুব লীগ’। এই সম্মেলনে ভাষা বিষয়ক বেশ কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং এই প্রস্তাবগুলো পাঠ করেন সেদিনের তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান। প্রস্তাবগুলো ছিল ‘বাংলা ভাষাকে পূর্ব পাকিস্তানের লিখার বাহন ও আইন আদালতের ভাষা করা হউক। সমগ্র পাকিস্তানের রাষ্ট্র বাষা কি হইবে তৎসম্পর্কে আলাপ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার জনসাধারণের উপর ছাড়িয়া দেওয়া হউক। এবং জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গৃহীত হউক।’ সুতরাং দেখা যায় যে ভাষার দাবিতে এভাবেই আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্ঠেই উচ্চারিত হয়েছিল ভাষা সৈনিক গাজীউল হক রচিত ‘ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা’ শীর্ষক গ্রন্থেও এই প্রস্তাবের ব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর বঙ্গবন্ধু ভারতের কলিকাতা থেকে পূর্ব বাংলায় ফিরে আসেন এবং সরাসরিভাবে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে সমকালীন রাজনীতিবিদ সহ ১৪ জন ভাষা বীর সর্বপ্রথম ভাষা আন্দোলনসহ অন্যান্য দাবী সম্বলিত ২১ দফা দাবী নিয়ে যে ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলেন তাতে দ্বিতীয় দাবিটি ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। আর এই ইশতেহার প্রণয়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল অনস্বীকার্য এবং তিনি ছিলেন ঐ ইশতেহারের অন্যতম স্বাক্ষরদাতা।
১৫০ মোগলটুলীর ওয়ার্কার্স ক্যাম্প ছিল তৎকালীন সময়ের ছাত্র যুব ও রাজনৈতিক কর্মীদের মিলন কেন্দ্র। এখানে বসেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শওকত আলী, কামরুদ্দিন সহ অন্যান্য ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষের কর্মীদের নিয়ে বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতেন। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৪৭ সালের ৪ জানুয়ারি ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ’ গঠিত হলে তাদের ১০ দফা দাবীর অন্যতম দাবী ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবী। ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এই সংগঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করে।
১৯৪৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তমদ্দুন মজলিশের আহ্বানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয় এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অধ্যাপক আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঐ ধর্মঘটে শেখ মুজিবুর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ঐ দিনের মিছিলের সমগ্র ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন সেদিনের তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ফজলুল হক মুসলিম হলে তমদ্দুন মজলিশ ও পূর্ববাংলা মুসলিম ছাত্রলীগের যৌথ সভায় শামছুল হককে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হলে পরিষদের অন্যতম নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল আলম, অলি আহাদ, মোহাম্মদ তোয়াহা, আবুল কাশেম, রণেশ দাশ গুপ্ত, অজিত গুহ প্রমুখদের সাথে নিয়ে তৎকালীন গণপরিষদ ও মুসলিম লীগের বাংলা ভাষা বিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন গড়ে তোলেন।
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। ঐ দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এই পুরো ধর্মঘটের নেতৃত্ব দেন তৎকালীন তরুণ ও সাহসী নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং পুলিশের নির্যাতনের স্বীকার হয়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারা বরণ করেন। আন্দোলন তুঙ্গে উঠলে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনের ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ঐ চুক্তির শর্ত মোতাবেক শেখ মুজিবুর রহমান সহ অন্যান্য ভাষা সংগ্রামীদের মুক্তি দেওয়া হয়। অবশ্য এই হরতাল ছিল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তথা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ দেশের মাটিতে প্রথম সফল হরতাল যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তরুণ নেতা ভাষা সংগ্রামী শেখ মুজিবুর রহমান।
আর এই ঐতিহাসিক ৮ দফা চুক্তির মাধ্যমে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষা শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল এবং এই চুক্তির ফলে একটি প্রতিষ্ঠিত সরকার এ দেশবাসীর কাছে নতি স্বীকারে বাধ্য হয়েছিল।
ভাষা আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করে তোলার জন্য ১৯৪৮ সালের ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক সাধারণ ছাত্র সভা অনুষ্ঠিত হয়। আর এই ছাত্র জনসভাতে সভাপতিত্ব করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এই সভায় তিনি ভাষা আন্দোলন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ ও আগামীর জন্য দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করে সবাইকে সাহসী ও উজ্জীবিত করেন। ১৭ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের আহ্বানে ও নইমুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে যে সভা অনুষ্ঠিত হয় তাতেও অংশগ্রহণ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এইভাবে আস্তে আস্তে শেখ মুজিবুর রহমান সেদিনের অন্যান্য যুবনেতা তাজউদ্দিন আহমদ, শওকত আলী, আব্দুল মতিন, শামছুল হক প্রমুখদের সাথে নিয়ে কঠোর সাধনার মাধ্যমে বাংলা ভাষা আন্দোলনকে সমগ্র পূর্ব বাংলায় একটি গণআন্দোলন হিসেবে ছড়িয়ে দেন। ১৯৪৯ সালেও ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে তিনি আরও দুই বার কারাবরণ করেছিলেন।
১৯৫২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা শহরে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষার দাবিতে ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয়। তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান তখন জেলে বসেই অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং চিরকুটের মাধ্যমে আন্দোলনের পরিকল্পনা ও পরামর্শ প্রদান করতেন। এক পর্যায়ে তিনি বন্দী মহিউদ্দিনকে নিয়ে ভাষার দাবিতে কারাগারে অনশন শুরু করলে তার প্রভাবে ভীত হয়ে তখন শাসক গোষ্ঠী তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করে। ঢাকা থেকে ফরিদপুর যাওয়ার পথ নারায়ণগঞ্জ স্টিমার ঘাটে হাজার হাজার ছাত্র জনতার উদ্দেশ্যে ভাষার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া এবং ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল মিছিল শেষে আইনসভা ঘেরাও করে ভাষার সমর্থনে সদস্যদের স্বাক্ষর আদায় করার আহ্বান জানিয়ে যান। পরবর্তীতে আন্দোলনের চাপে ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে মুক্তি প্রদান করা হয়।
১৯৫২ সালের ২৭ এপ্রিল আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের জেলা ও মহকুমা প্রতিনিধি সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ঐ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। ১৯৫৩ সালে একুশের ১ম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে সকল মিছিল মিটিং-এও বঙ্গবন্ধু সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৬ সালের ১৭ জানুয়ারি তৎকালীন আইন পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু সংসদে দৈনন্দিন কর্মসূচি বাংলা ভাষার মুদ্রণ করার দাবি জানান। ১৬ ফেব্রুয়ারির অধিবেশনে তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি পূর্নব্যক্ত করেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আজীবন বাংলা ভাষাপ্রেমী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ও সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মত বাংলায় সংবিধান রচনা করে বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিকে সম্মানিত করেন। এই মহান নেতা বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিকে মনে প্রাণে ভালবাসতেন বলেই ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ অধিবেশনে তাঁর প্রিয় বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচয় করিয়ে দিয়ে এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালে অফিসের কাজে সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহার ও তার প্রচলনের জন্য প্রথমবারের মত সরকারি নির্দেশ জারি করেছিলেন। এই ভাবে দেখা যায় যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সৃষ্টি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পাশাপাশি রাষ্ট্রভাষা বাংলা ভাষা আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করণে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
মূলত ভাষা আন্দোলন সমগ্র বাঙালি জাতিকে একই ফ্ল্যাট ফর্মে দাড় করিয়ে তাদের মধ্যে একটি জাতীয় চেতনার উন্মেষ ঘটিয়েছিল। যার সুদূর প্রসারী ফল আজকের স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। আর এই আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু মহান স্থপতির ভূমিকা পালন করে গেছেন। তাই ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস যতকাল লেখা হবে, পড়া হবে, ততকাল বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বালাগঞ্জের বাতিঘর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু ও গান্ধীজী
  • সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন ‘মেশিনম্যান’
  • একটি যুদ্ধ : একটি শতাব্দী
  • বালাগঞ্জের প্রাচীন জনপদ শিওরখাল গ্রাম
  • ভাটিপাড়া
  • সময়ের সোচ্চার স্বর সোমেন চন্দ
  • বঙ্গবন্ধুর সিলেট সফর ও কিছু কথা
  • বায়ান্নতেই লিখেছিলেন ‘ঢাকাই কারবালা’
  • জীবনের শেষক্ষণে অর্থ-স্বর্ণ সবই জড়পদার্থ
  • কমরেড বরুণ রায়
  • বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
  • নারী ভাষাসৈনিকদের কথা
  • মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবীর ওসমানী
  • ভাটির বাতিঘর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
  • মাওয়ের লংমার্চের ৪ বছর পর সিলেটিদের লং মার্চ
  • শহীদ মিনারের ইতিকথা
  • সিলেটের লোকসংগীত : ধামাইল
  • পর্যটক ইবনে বতুতার কথা
  • বই এল কোথা থেকে?
  • Image

    Developed by:Sparkle IT