ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলের প্রতি সমবেদনা ফুটে উঠেছে কবির লেখা নিম্নোক্ত গানে, ‘স্বপরিবার মরল সবাই শেখ রাসেলে দেখে তাকাই/ ভয়ে থাকে ঘরে লুকাই চুল ধরে টেনে আনে// শেখ রাসেলে কেঁদে বলে যেতে দাও মায়ের কোলে/ লাথি মেরে দেয় ফেলে মরা মায়ের বদনে// এত কষ্টে মারে পরিবারের সবাইরে। ফরিদ কয় রাসেলরে মারলে পাষাণ কেমনে// (৩১ নং গান)। ছোট্ট নিস্পাপ শিশুকে ঘাতকরা কিভাবে হত্যা করতে পারলো এই দৃশ্য কল্পনা করলে কবি নির্বাক নিস্তব্ধ হয়ে যান! বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গীতিকার ফরিদ আহমদ গান লিখে আসছেন। তার ৩৩ নং গানে তিনি বলেছেন, ‘তার ছবি দেখে পাগল ঘুরি আমি অদ্যাবধি/ বৃথা হবে সবই। কেবল মুজিবকে পাইনা যদি আমার ব্যর্থ হবে রে কামাই// উনিশ শ নব্বই হতে ফরিদের এই সাধনা/ কত গান অবহেলাতে হারিয়েছি খুঁজে পাইনা/ আমি আজও খুঁজিয়া বেড়াই//’ জাতির পিতাকে সরাসরি দেখতে না পাওয়ার আফসোস ফুটে উঠেছে ৪২ নং গানে, “তোমায় সরাসরি নয়ন ভরি দেখলাম না গো আমি/ মুজিব গো মানুষ না ফেরেশতা গো তুমি// মুজিব গো বাঙালি জাতির পিতা তুমি। মমাদের মুক্তিদাতা গো/ বঙ্গপিতা বঙ্গমাতার ফরিদ কদম চুমি// শেখ মুজিবের হত্যাকারী ঘাতকদের প্রতি কবির তীব্র আক্রোশ ফুটে উঠেছে ৬৬ নং গানে, ‘এত স্নেহ এত মায়া ভুলে গেলি কেমনে/ কেমনে মারলি ওরে ঘাতক শেখ মুজিবকে প্রাণে// দুধ কলা খাওয়াইলায় মুজিব কত যতনে/ নিমকহারাম কালসাপে আপন পর না চিনে// ফরিদ বলে ঘাতক আনো জনগণের সামনে/ চামড়া চিরে লবণ লাগাও সারাটা বদনে//’
চমৎকার ছন্দমিল ফুটে উঠেছে ৭৩ নং গানে যাকে গান না বলে ছড়া বলা যায়, ‘তুমি মহৎ ব্যক্তি তুমি দিয়েছ মুক্তি/ এনেছ স্বাধীনতা// তোমারই গর্জনে কাপে পাকিস্তানে/ মানোনি পরাধীনতা// জুলুম নির্যাতনে মারাত্মক আক্রমণে/ নত করনি মাথা// ন্যায়ের কান্ডারি অন্যায় বিরোধীতাকারী/ বীর সাহসী সততা// ফরিদে হাত তুলি নাজাত চাই বলি/ জান্নাতি হও হে পিতা// ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই উপলক্ষ্যে কবি বলছেন, ' স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উনিশ শ বাহাত্তর সন/ ১০ জানুয়ারিতে শেখ মুজিব আমরার/ মুক্ত হয়ে আসেন পাকিস্তানের কারাগার// আবেগে নেমেই বিমান হতে/ সাত কোটি সন্তান আমার আয়রে বুকেতে/ জড়াই জড়াই ধরেন গালে মুখে চুমু দেন। নয়নের জল টপ-টপাইয়া পড়ে সবার// (৭৫নং গান)। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গানগুলোর ব্যাপারে গীতিকার তার মনের
একটি শেষ আশা প্রকাশ করেছেন ৯৮নং গানে, ‘বঙ্গবন্ধুর গানগুলো আজও ছাপা না হলে/ ঘুরলাম আমি কত দ্বারে দ্বারে কে দিবেন। বঙ্গবন্ধুর বই ছাপাইয়া মোরে// সর্বশেষ একটি আশা-সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার/ কোন কিছু চাই না দেখাব গান তার বাবার/ বলবো মুজিব। পাগল আমি এর জন্য দায়ী তুমি/ ফরিদ ভক্ত তোমার নীতি আদর্শের।’ ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে কবি বলছেন, ‘সাতই মার্চের ভাষণ তোমার/ সর্বশ্রেষ্ঠ বিশ্বে প্রমাণ তার/ তুমি বলছো মুক্তি পাবোই পাবো/ মাত্র আঠারো মিনিটে বলেছে তা অকপটে। সাথে সাথে নেয় সিদ্ধান্ত আমজনতা ও মুজিব//’ (১৯১৯ নং গান)। আবারো জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ১০০নং গানের মাধ্যমে শেষ হয়েছে বইটি ‘শততম জন্মদিন জাতি তোমার কাছে ঋণ/ আমাদের সালাম নিন যোলো কোটি সন্তান/ হে মোদের প্রিয় পিতা মুজিবুর রহমান// শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মা-বাবা তোমারই/ সায়েরা খাতুন আর লুৎফর রহমানকে তাদের খোকা ছেলে ধন্য দুনু কালে/ বিশ্ববাসী বাহ-বাহ বলে করে সম্মান//’
গানে গানে জাতির পিতা' বইটি প্রকাশিত হয়েছে এবারের অমর একুশে বইমেলা ২০২০ এ। প্রকাশ করেছে বাসিয়া প্রকাশনী। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের সকল শহীদদের প্রতি। গালে হাত দিয়ে আকাশপানে চেয়ে কী যেন গভীর ভাবনায় নিমগ্ন জাতির পিতা! হয়তো বাঙালি জাতির কল্যাণ চিন্তায় বিভোর হয়ে আছেন। মনে দাগ কাটার মত বইটির এমনই প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী দেলোয়ার রিপন। বইটির বহুল প্রচার ও প্রসার কাম্য যাতে তা প্রধানমন্ত্রীর হাত পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তবেই গীতিকারের মনের আশা পূর্ণ হবে ও শ্রম সার্থক হবে।

'/> SylheterDak.com.bd
মহিলা সমাজ

গানে গানে জাতির পিতা

কানিজ আমেনা প্রকাশিত হয়েছে: ১০-০৩-২০২০ ইং ০০:০০:৩০ | সংবাদটি ১০২ বার পঠিত


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একটি নাম, একটি ইতিহাস, একটি জাতির পিতা। যার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সমগ্র বাঙালি জাতিসত্তায় জেগে উঠেছিলো চেতনার ঢেউ, যার ডাকে সাড়া দিয়ে একটি সমাজের উঁচুনিচু সর্বস্তরের মানুষ একতাবদ্ধ হয়ে পরাধীনতার শৃংখল ভেঙে ছিনিয়ে এনেছিলো স্বাধীনতার লাল সূর্য, সেই বঙ্গবন্ধু জাতির জনক সেই জাতির পিতাকে নিয়ে কোন কিছু রচনা করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে সেই কঠিন কাজটিকেই সাধনার বলে সহজ করে দেখিয়েছেন কবি ও গীতিকার ফরিদ আহমদ। গানে গানে জাতির পিতা গ্রন্থটিতে তিনি বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে সর্বমোট ১০০টি গান রচনা করেছেন। মূলত বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বইটি লিখিত হয়েছে।
বইটির শুরুতেই গীতিকার গানে গানে খোলাখুলি জানিয়ে দিয়েছেন তিনি স্বল্পশিক্ষিত, ৭ম শ্রেণি পাশ। তাই জাতির পিতাকে নিয়ে লেখা তার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টায় থাকতে পারে শত ভুল যা পাঠক-শ্রোতা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে যেন দেখেন। এরপর ২নং গানে তিনি সরাসরি চলে গেছেন যাকে উদ্দেশ্য করে এই বই লেখা হয়েছে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে, ‘জন্ম শতবার্ষিকীতে মুজিব তোমায় / ষোল কোটি সন্তানে পিতা সালাম জানায় / শেখ মুজিবকে বিশ্ববাসী / স্মরণ করে কথায় কথায়// এরপর ৩নং গানে বঙ্গবন্ধুকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করার আফসোস ফুটে উঠেছে, ‘মানিক রতন করোনি যতন / অবহেলায় হারাও সাগরে / যত খোঁজ তারে পাবে না ফিরে / হাজারও চেষ্টা বিফলে রে//’ জাতির পিতাকে কিভাবে হত্যা করতে পারলো কতিপয় কুলাঙ্গার তা কবির কাছে আজো এক বিস্ময়। তাদের ধিক্কার দিয়ে কবি বলেছেন, ‘কেমনে মারলে কেমনে মারলে মুজিবকে আমরার/ মুজিব মারলে এতিম করলে দেশ হলো আন্ধার//--- ফরিদ বলে মহাপাপী মীরজাফর বাটপার/ দেশ বিদেশে ছিঃ ছিঃ বলে দেয় তোদের ধিক্কার// (১০নং গান)
বঙ্গবন্ধু যেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত সেই টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার আহ্বান চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে কবির এই কথাগুলোতে, 'চলো চলো রে বাঙালি চলো টুঙ্গিপাড়ায় যাই। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু রয়েছেন ঘুমাই। টুঙ্গিপাড়ায় যাবো কবরের সামনে দাঁড়াব/ হাত পাতিয়া দোয়া করিব কান্দিয়া সবাই / যা দিয়েছো হে পিতা কেমন করে ভুলিব তা/ তোমার আদর্শ সততা নাই তুলনা নাই । বাজি রেখে জীবনটারে যা দিয়েছে দয়া করে / তোমায় যদি পাই ফিরে ধরবো জড়াই/ ফরিদ বলে পিতার স্বপন আমরা করবো পূরণ/ ঘুস দুর্নীতি দমন হোক সবাই চাই/ (১২নং গান) ১৫ আগস্ট। শোক দিবস। বাঙালি জাতির জন্য এক কলঙ্কময় অধ্যায়ের সূচনা যে দিনটিকে ঘিরে সেই ১৫ আগস্ট নিয়ে কবি বলছেন, “আজ ভয়ানক পনেরো আগষ্ট আল্লাহ তুমি করো এর বিচার/ বুকে চালায় গুলি ঘাতক নিদুরে মিলি হত্যা করে মুজিব স্বপরিবার/ এত আপন ভাবলাম যারে সেই মোরে গুলি মারে/ আদর স্নেহ কম দেইনি/ করছি বিশ্বাস তাদেরে রেখেছি বুকে ধরে/ জানতাম আপন তারাই আমার/’ (১৩নং গান) খুনিদের ফাঁসির দাবী নিয়ে ২০নং গানে বলা হচ্ছে, 'একটা দেশ একটা জাতি কান্দাইলো ওরা/ তাদের বাঁচার নাই অধিকার কানুন যে কোন দেশের/ জাতীয় শোক দিবসে দাবী একটাই/ ফরিদ বলে যেমনি পারেন ফাসি দিবেন তাদের/ বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘ কর্তৃক ‘ফ্রেন্ড অব দ্যা ওয়ার্ল্ড' উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। সেই সাথে কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো এই মহান ব্যক্তিকে নিয়ে যে উক্তি করেছিলেন তার সারমর্ম ফুটে উঠেছে ২৫নং গানে, ‘মুজিবের নাই তুলনা, জাতিসংঘে কয়/ ফ্রেন্ড অব দ্যা ওয়ার্ল্ড' বলে শেখ মুজিবকে ডাকতে হয়//---কিউবার নেতা ফিদেল ব্যক্তি ফরিদ সাজায় তার উক্তি/ হিমালয় দেখিনি মুজিব দেখে করি ভক্তি। হিমালয়ের গুণ ও শক্তি মুজিবের মাঝে রয়//"
ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলের প্রতি সমবেদনা ফুটে উঠেছে কবির লেখা নিম্নোক্ত গানে, ‘স্বপরিবার মরল সবাই শেখ রাসেলে দেখে তাকাই/ ভয়ে থাকে ঘরে লুকাই চুল ধরে টেনে আনে// শেখ রাসেলে কেঁদে বলে যেতে দাও মায়ের কোলে/ লাথি মেরে দেয় ফেলে মরা মায়ের বদনে// এত কষ্টে মারে পরিবারের সবাইরে। ফরিদ কয় রাসেলরে মারলে পাষাণ কেমনে// (৩১ নং গান)। ছোট্ট নিস্পাপ শিশুকে ঘাতকরা কিভাবে হত্যা করতে পারলো এই দৃশ্য কল্পনা করলে কবি নির্বাক নিস্তব্ধ হয়ে যান! বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গীতিকার ফরিদ আহমদ গান লিখে আসছেন। তার ৩৩ নং গানে তিনি বলেছেন, ‘তার ছবি দেখে পাগল ঘুরি আমি অদ্যাবধি/ বৃথা হবে সবই। কেবল মুজিবকে পাইনা যদি আমার ব্যর্থ হবে রে কামাই// উনিশ শ নব্বই হতে ফরিদের এই সাধনা/ কত গান অবহেলাতে হারিয়েছি খুঁজে পাইনা/ আমি আজও খুঁজিয়া বেড়াই//’ জাতির পিতাকে সরাসরি দেখতে না পাওয়ার আফসোস ফুটে উঠেছে ৪২ নং গানে, “তোমায় সরাসরি নয়ন ভরি দেখলাম না গো আমি/ মুজিব গো মানুষ না ফেরেশতা গো তুমি// মুজিব গো বাঙালি জাতির পিতা তুমি। মমাদের মুক্তিদাতা গো/ বঙ্গপিতা বঙ্গমাতার ফরিদ কদম চুমি// শেখ মুজিবের হত্যাকারী ঘাতকদের প্রতি কবির তীব্র আক্রোশ ফুটে উঠেছে ৬৬ নং গানে, ‘এত স্নেহ এত মায়া ভুলে গেলি কেমনে/ কেমনে মারলি ওরে ঘাতক শেখ মুজিবকে প্রাণে// দুধ কলা খাওয়াইলায় মুজিব কত যতনে/ নিমকহারাম কালসাপে আপন পর না চিনে// ফরিদ বলে ঘাতক আনো জনগণের সামনে/ চামড়া চিরে লবণ লাগাও সারাটা বদনে//’
চমৎকার ছন্দমিল ফুটে উঠেছে ৭৩ নং গানে যাকে গান না বলে ছড়া বলা যায়, ‘তুমি মহৎ ব্যক্তি তুমি দিয়েছ মুক্তি/ এনেছ স্বাধীনতা// তোমারই গর্জনে কাপে পাকিস্তানে/ মানোনি পরাধীনতা// জুলুম নির্যাতনে মারাত্মক আক্রমণে/ নত করনি মাথা// ন্যায়ের কান্ডারি অন্যায় বিরোধীতাকারী/ বীর সাহসী সততা// ফরিদে হাত তুলি নাজাত চাই বলি/ জান্নাতি হও হে পিতা// ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। এই উপলক্ষ্যে কবি বলছেন, ' স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উনিশ শ বাহাত্তর সন/ ১০ জানুয়ারিতে শেখ মুজিব আমরার/ মুক্ত হয়ে আসেন পাকিস্তানের কারাগার// আবেগে নেমেই বিমান হতে/ সাত কোটি সন্তান আমার আয়রে বুকেতে/ জড়াই জড়াই ধরেন গালে মুখে চুমু দেন। নয়নের জল টপ-টপাইয়া পড়ে সবার// (৭৫নং গান)। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গানগুলোর ব্যাপারে গীতিকার তার মনের
একটি শেষ আশা প্রকাশ করেছেন ৯৮নং গানে, ‘বঙ্গবন্ধুর গানগুলো আজও ছাপা না হলে/ ঘুরলাম আমি কত দ্বারে দ্বারে কে দিবেন। বঙ্গবন্ধুর বই ছাপাইয়া মোরে// সর্বশেষ একটি আশা-সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার/ কোন কিছু চাই না দেখাব গান তার বাবার/ বলবো মুজিব। পাগল আমি এর জন্য দায়ী তুমি/ ফরিদ ভক্ত তোমার নীতি আদর্শের।’ ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে কবি বলছেন, ‘সাতই মার্চের ভাষণ তোমার/ সর্বশ্রেষ্ঠ বিশ্বে প্রমাণ তার/ তুমি বলছো মুক্তি পাবোই পাবো/ মাত্র আঠারো মিনিটে বলেছে তা অকপটে। সাথে সাথে নেয় সিদ্ধান্ত আমজনতা ও মুজিব//’ (১৯১৯ নং গান)। আবারো জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ১০০নং গানের মাধ্যমে শেষ হয়েছে বইটি ‘শততম জন্মদিন জাতি তোমার কাছে ঋণ/ আমাদের সালাম নিন যোলো কোটি সন্তান/ হে মোদের প্রিয় পিতা মুজিবুর রহমান// শ্রদ্ধায় স্মরণ করি মা-বাবা তোমারই/ সায়েরা খাতুন আর লুৎফর রহমানকে তাদের খোকা ছেলে ধন্য দুনু কালে/ বিশ্ববাসী বাহ-বাহ বলে করে সম্মান//’
গানে গানে জাতির পিতা' বইটি প্রকাশিত হয়েছে এবারের অমর একুশে বইমেলা ২০২০ এ। প্রকাশ করেছে বাসিয়া প্রকাশনী। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের সকল শহীদদের প্রতি। গালে হাত দিয়ে আকাশপানে চেয়ে কী যেন গভীর ভাবনায় নিমগ্ন জাতির পিতা! হয়তো বাঙালি জাতির কল্যাণ চিন্তায় বিভোর হয়ে আছেন। মনে দাগ কাটার মত বইটির এমনই প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী দেলোয়ার রিপন। বইটির বহুল প্রচার ও প্রসার কাম্য যাতে তা প্রধানমন্ত্রীর হাত পর্যন্ত পৌঁছে যায়। তবেই গীতিকারের মনের আশা পূর্ণ হবে ও শ্রম সার্থক হবে।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT