বিশেষ সংখ্যা

বঙ্গবন্ধুর জীবনালোচনায় কিছু কথা ও কাহিনী

বেলাল আহমদ চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০৩-২০২০ ইং ০০:১২:০২ | সংবাদটি ৫০৯ বার পঠিত
Image

বাংলাদেশে অতীতে অনেক মনীষীর আবির্ভাব ঘটেছে। কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ অনেকের অবদানেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে গৌরবময় আসন গ্রহণ করেছে। কিন্তু এই দেশ যার কঠোর সাধনা ও সংগ্রামের ফলে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে জন্মলাভ করেছে তিনি বিশ্বের বরেণ্য নেতাদের অন্যতম নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। ভবিষ্যতেও অনেক মনীষী এবং মহানায়কের আবির্ভাব ঘটবে। কিন্তু এদেশের জন্মদাতা একজন-ই।
নটরডাম কলেজের জনৈক মার্কিন অধ্যাপক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে একবার বলেছিলেন,He is a political poet. তিনি একজন রাজনৈতিক কবি। একজন বিদেশী বুদ্ধিজীবী বঙ্গবন্ধু সম্বন্ধে যে মন্তব্য করেছেন তা নিঃসন্দেহে প্রণিধানযোগ্য। সার্থক কবি মাত্রই দার্শনিক, তাদের মৌলিক চিন্তাধারা থাকে, আর সে চিন্তাধারা মহৎ আদর্শে অনুরঞ্জিত হয়।
বঙ্গবন্ধুর জাতীয় জীবনের বাস্তব কঠোরতার মধ্যেও মাঝে মাঝে হাস্য কৌতুকের অবতারণা করতেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক নেতা না হয়ে যদি কবি শেখ মুজিব হতেন তা হলে তার স্বরচিত কবিতা আমাদের কেমন চমক লাগতো। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দিক ছাড়াও রয়েছে পারিবারিক জীবন, ব্যক্তি জীবন সর্বোপরি তার জীবন দর্শন, বঙ্গবন্ধুর জীবনালোচনার আবর্তিত কিছু রম্য কথা ও কাহিনী উপস্থাপন করছি।
১। ১৯৬৮-৬৯ সালের আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন যেন উনুনে উত্তপ্ত কড়াই। বঙ্গবন্ধু পিন্ডিতে যাবেন গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে কারণ তাকে ছাড়া গোলটেবিল বৈঠক অর্থহীন অচল। ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িতে লোকজনে ভরপুর, ঘরভর্তি লোকের মাঝে দাঁড়িয়ে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ইতিমধ্যে ঘরের একপাশে তার জামাতা পরমাণুবিজ্ঞানী ওয়াজেদ আলী মিয়া ডাক দিলেন। “আব্বা একটু ভিতরে আসুন”। কিন্তু সেই মুহূর্তে ভীড় ঠেলে চট করে ভেতরে যাওয়া ছিল কষ্টকর। একদিকে অসংখ্য মানুষ তাঁকে ধরে রাখতে চাইছে। কথা শোনার জন্যে অপর দিকে জামাতা ডাকছেন। হয়তো পারিবারিক ব্যাপার, বঙ্গবন্ধু তাকালেন জনতার দিকে, আরেকবার জামাতার দিকে এবং তার পরেই বললেন-“একদিকে জনতা, আরেক দিকে জামাই/ বল বাবা কোন দিকে যাই।” সবাই হেঁসে উঠলেন। জামাতা আরক্তিম হলেন, সম্ভবত শ্বশুরের স্বতস্ফূর্ত স্থানকালোপযোগী পদ্য রচনা শুনে।
২। বঙ্গবন্ধু সর্বদা সাদাসিধা জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। পোশাক পরিধানে তিনি ছিলেন শালীন। তিনি সবসময় সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবী সেই সাথে কালো কোট (পরবর্তীতে যা মুজিব কোট) এবং পায়ে চামড়ার সেন্ডেল ব্যবহার করতেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার এক বন্ধু ধানমন্ডির বাড়িতে গিয়ে তাকে মেঝেতে বসে চামড়ার সেন্ডেল পালিশ করতে দেখে সবিস্ময়ে বলে
ওঠলেন “বঙ্গবন্ধু আপনি আপনার সেন্ডেল পলিশ করছেন?” বঙ্গবন্ধু স্বভাবসিদ্ধভাবে স্থিতভাষ্যে বললেন-তাহলে আমি আর কার সেন্ডেল পলিশ করবো?
৩। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। এতে প্রেসিডেন্টরূপে মনোনীত হন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। প্রেসিডেন্ট আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের অস্থায়ী শাসনতান্ত্রিক আদেশ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতার অধিকারী। এই অধিকার বলে তিনি ঐদিনই বাংলার অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করেন। প্রধানমন্ত্রীরূপে শপথ গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই জনৈক সাংবাদিক যখন বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করেন, “স্যার আজকের দিনে জাতির জন্য আপনার বাণী কি?” জবাবে চিরাচরিত হাস্যমুখে তিনি বলেন- “উদয়ের পথে শুনি কার বাণী / ভয় নেই, ওরে ভয় নেই, / নিঃশেষে প্রাণ, যে করিবে দান / ক্ষয় নেই তার ক্ষয় নেই।” (দৈনিক পূর্বদেশ ১৩ জানুয়ারী, ১৯৭২) আপন অভিজ্ঞতাসঞ্চিত গভীর উপলব্ধি থেকে যে সত্যকে সারা জীবন বঙ্গবন্ধু আবিষ্কার করেছেন কবিগুরু রবি ঠাকুরের বাণীর মধ্য দিয়ে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রকাশ করেছেন।
৪। ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চ এক শুভেচ্ছা সফরে ঢাকা আগমন করেন। ঐদিন বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিবসও ছিল। বঙ্গবন্ধু দুঃখিনী বাংলায় তিনি তার জন্মদিনের উৎসব পালন করেন নি। শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি শুভেচ্ছা ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য তার বক্তৃতা মঞ্চের নাম দেয়া হয় “ইন্দিরা মঞ্চ” । শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী প্রথানুযায়ী বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার জন্য উপহার এবং মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের সহধর্মিনীদের প্রত্যেকের জন্য একটা করে শাড়ী এনেছেন। বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের মধ্যে ফনীভূষণ মজুমদার ছিলেন অকৃদার এবং জহুর আহমদ চৌধুরীর ছিলেন দু’জন স্ত্রী। বঙ্গবন্ধু ফনীভূষণ মজুমদারকে উদ্দেশ্য করে সহাস্যে বলেন, “দাদা আপনারতো শাড়ীর প্রয়োজন নেই। কাজেই আপনার ভাগেরটা জহুর ভাইকে দিয়ে দিন।” কারণ উনার দু’টার প্রয়োজন আছে।
৫। স্বাধীন বাংলাদেশে শীতার্ত মানুষের জন্য সাহায্য বাবদ সাড়ে সাত কোটি শীতবস্ত্র (কম্বল) এসেছিল এবং বিতরণের দায়িত্ব ছিল বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটির চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফার হাতে। এক সময় কম্বল বিতরণ করা নিয়ে বিরাট স্ক্যান্ডল সৃষ্টি হয়েছিল। এ নিয়ে অনেক মুখরোচক খবর পত্রিকার পাতায় ছাপা হয়। বঙ্গবন্ধু একদিন গাজী গোলাম মোস্তফাকে ডেকে বললেন, গাজী সাড়ে সাত কোটি মানুষের সাড়ে সাত কোটি কম্বল এসেছিল। আমিও সাড়ে সাত কোটির একজন তো আমার কম্বলটা গেল কোথায়? গাজী সাহেব তখন লা জবাব।
৬। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২। রূপালী ডানার মুক্ত বাংলাদেশের রোদ্দুর। জনসমুদ্রে উল্লাসের বিরতিহীন করতালি। শ্লোগান আর শ্লোগান। নীল আকাশে ডানা মেলেছে একঝাঁক শান্তির পায়রা। সেদিন বঙ্গবন্ধু কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তা যেমন হৃদয় বিদারক তেমনি মর্মস্পর্শী। তিনি ভাষণে একপর্যায়ে বলেন, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন- সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি। বঙ্গবন্ধু গর্ব করে সেদিন বলেছিলেন, কবিগুরুর সে কথা বাংলার মানুষের বেলায় খাটে না তার প্রত্যাশাকে আমরা বাস্তবায়িত করেছি। বাংলার মানুষ বিশ্বের কাছে প্রমাণ করেছে তারা বীরের জাতি। তারা নিজেদের অধিকার অর্জন করে মানুষের মতো বাঁচতে জানে। বোধ করি অত্যাল্প কালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মোহমুক্তি ঘটে থাকবে। তা না হলে পরবর্তীতে তিনি বলতেন না, “বিশ্বের সবাই পায় সোনার খনি, আর আমি পেয়েছি চোরের খনি।” ৭। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার স্ত্রীর প্রতি খুবই প্রণয়শীল স্বামী। তার স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা বাঙালি নারীর সর্বগুণে গুনান্বিত নম্র স্নেহশীলা এবং দয়াপরবশ ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জীবনের সাফল্যের অন্তরালে বেগম মুজিবের অবদান সত্যই প্রশংসার। বঙ্গবন্ধু তার স্ত্রী সম্বন্ধে খুব উচ্চ ধারণা পোষণ করতেন। তিনি বলতেন আমার স্ত্রীর মতো সাহসী মেয়ে কমই দেখা যায়। আমাকে যখন পিন্ডির ফৌজ বা পুলিশ এসে জেলে নিয়ে যায়, আমার উপর নানা অত্যাচার করে। আমার স্ত্রী কখনও ভেঙ্গে পড়েন না। যদি ভেঙ্গে পড়তো, কান্নাকাটি করতো তবে আমাকে কি মুশকিলেই পড়তে হতো। একবার তিনি বলেন, আমার জীবনে দু’টি বৃহৎ অবলম্বন আছে। একটি আমার আত্মবিশ্বাস, অপরটি মৃদু হেসে বললেন-আমার স্ত্রী, আমার আকৈশোর গৃহিনী।
৮। বাংলাদেশের জাতীয় এয়ারলাইন্স এর নামকরণ কী হবে এ নিয়ে একটি মজার কাহিনী রয়েছে। ঘটনাটি বঙ্গবন্ধুর জবানিতেই শুনা যাক। একদিন এক চামচা এসে আমাকে বলল, ‘বঙ্গবন্ধু’ আমাদের জাতির এয়ারলাইন্স এর নাম আমরা কেন বঙ্গমাতার নাম ফজিলাতুন্নেসা রেখে দেই না। ইউরোপের একটি এয়ারলাইন্সের নাম আছে লুৎফুন্নেসা। তখন বঙ্গবন্ধু ধমক দিয়ে বললেন, “ওটা লুৎফুন্নেসা নয় লুফথান্্সা (lufthansa) জার্মান এয়ারলাইন্সের নাম। পৃথিবীর কোথাও কোন ব্যক্তির নামে কোন এয়ারলাইন্স নেই, এয়ারপোর্ট আছে। যাও এখানে থেকে চামচাগিরি করো না।
৯। বঙ্গবন্ধু বাল্যজীবন থেকেই তার হৃদয়ের অকৃত্রিম দরদের পরিচয় পাওয়া যায় গোপালগঞ্জের জনসাধারণের মধ্যে এ ধরনের একটি কথা কিংবদন্তির মতো ছড়িয়ে রয়েছে যে, একবার দুর্ভিক্ষের সময় তিনি বুভুক্ষু মানুষের জন্য তাদের গোলাঘর উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। তার পিতা শেখ লুৎফুর রহমান সাহেব নিজেদের পরিবার কি খেয়ে বাঁচবে এ ধরনের প্রশ্ন করলে তিনি বলেছিলেন, বাবা আমাদের তো বেঁচে থাকবার মত যথেষ্ট আছে কিন্তু ওদের যে কিছু নেই। বঙ্গবন্ধু ছেলে বেলা থেকেই একজন জনদরদী, একজন মহানায়ক।
১০। ব্যক্তিগত জীবনে বঙ্গবন্ধু বিনম্র ও কোমল হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন। তার সহৃদয়তার পরিচয় আজ প্রবাদের মতো ছড়িয়ে আছে। তিনি যে বাংলার মানুষকে কত গভীরভাবে ভালবাসতেন সে কথার প্রমাণ তার প্রতিটি পদক্ষেপেই প্রতিফলিত হয়েছে। বিবিসি টেলিভিশনের উপস্থাপক স্যার ডেভিড ফ্রষ্ট একবার সাক্ষাৎকার গ্রহণ কালে জিজ্ঞাসা করেছিলেন What is your Qualification? আপনার গুণ বা যোগ্যতা কী? তিনি প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন, I love my people আমি আমার দেশবাসীকে ভালবাসি। সাংবাদিক তখন অন্য একটি প্রশ্ন করলেন What is your disqualification? আপনার অযোগ্যতা কী? বঙ্গবন্ধু শান্তভাবে জবাব দিলেন ও I love them too much আমি তাদের বড্ড ভালবাসি।
১১। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবলই রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তার মানবীয় অনেক গুণের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতি মহৎপ্রাণ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত হবি/ শখ নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু তার জীবনের সংগ্রামের মধ্যে এই সমস্ত শখ বা হবিগুলোকে জীবনে প্রয়োগ করার অবকাশ পেয়েছেন বলে মনে হয় না। তবে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, পশুপাখির সান্নিধ্য লাভে তিনি এক গভীর তৃপ্তি লাভ করেন। শৈশব থেকেই তিনি এই অনাবিল আনন্দের অধিকারী। পৃথিবীর অনেক মনীষীর জীবনেই পশুপাখির প্রতি অনুরাগ লক্ষ করা যায়। বঙ্গবন্ধুর মধ্যেও সেই অনুরাগ বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। বন্যপ্রাণীর প্রতি ছিল তার অপরিসীম ভালোবাসা। এক কথায় তিনি ছিলেন বন্যপ্রাণী প্রেমিক। বন্যপ্রাণী বধ করা সম্পূর্ণরূপে বেআইনী হিসাবে ঘোষণা করে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার লক্ষে ১৯৭৩ সালের ২৭শে মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-২৩ জারী করা হয়। এ আদেশ তাৎক্ষণিক ভাবে সমগ্র বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। এই আদেশের সংশোধন সমীচীন হওয়ায় পাশ করা হয় বাংলাদেশ বণ্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইন ১৯৭৪। এই আইন জারী থাকায় বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে জীববৈচিত্র। বাংলাদেশের বন-বনানী পাখির কলরবে মুখরিত হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবদ্দশায় পাখি তথা বন্যপ্রাণী বান্ধব পরিবেশ রক্ষার জন্য এই দূরদর্শী আইন পাশ করেন। যার ফলে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আজ আমাদের জাতীয় পশু এবং দোয়েল জাতীয় পাখি। তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন। এজন্য তিনি বিশ্ব বরেণ্য মহান নেতা। কেবলমাত্র পদ্মা, মেঘনা, যমুনা জলে তার নাম বহমান নয়-তিনি বেঁচে থাকবেন পাখির মধুর কলকাকলীতে-পাখির গানের সুরে।
১২। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বঙ্গবন্ধুর প্রধানতম উদ্দেশ্য সফল হয়েছে কিন্তু যে মানবতাবাদের যে গণতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপূর্ণ প্রতিষ্ঠা তাঁর জীবন বাসনার অঙ্গীভূত, যে শোষণহীন
সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে তিনি উদ্বেল ছিলেন তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবর্ষে তাঁর মানবতাবাদী সমাজবাদী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শিকড় থেকে শেকড়ে দেশপ্রেম জাগ্রত করলে বাংলাদেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবে।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

বিশেষ সংখ্যা এর আরো সংবাদ
  • বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় কবি নজরুল
  • বঙ্গবন্ধুর জীবনালোচনায় কিছু কথা ও কাহিনী
  • বঙ্গবন্ধুকে কাছে থেকে দেখার টুকরো স্মৃতি
  • মুজিববর্ষের তাৎপর্য
  • মাতৃভাষা আন্দোলন ও সিলেট
  • ভাষাশহীদদের প্রতি কৃতজ্ঞতা : ইসলামি দৃষ্টিকোণ
  • দেশে বিদেশে গৌরবের শহীদ মিনার
  • বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষা চর্চা
  • মানুষ জন্মগত বিজয়ী, পরাজয় মানে না
  • মুক্তিযুদ্ধ ও নদী
  • আমাদের মুক্তিযুদ্ধ
  • তিনি আজও আমার সব কর্মের প্রেরণা
  • রাগীব আলীর উন্নয়নের পৃষ্ঠপোষক
  • একজন বিচক্ষণ সম্পাদক আমার মা
  • একজন মহীয়সী নারী
  • রাবেয়া খাতুন চৌধুরী ও সিলেটের ডাক
  • অনন্যা
  • স্মৃতিতে ভাস্বর রাবেয়া খাতুন চৌধুরী
  • বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী এক মহীয়সী নারীর কথা
  • তিনি বেগম রাবেয়া খাতুন চৌধুরী
  • Image

    Developed by:Sparkle IT