ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ভাটিপাড়া

শুভ্রেন্দু শেখর ভট্টাচার্য প্রকাশিত হয়েছে: ১৮-০৩-২০২০ ইং ০০:০৮:৪২ | সংবাদটি ৬০১ বার পঠিত
Image

পাকিস্তান আমলের শেষ দিক পর্যন্ত এলাকাটি ছিল শহরতলী। কারেন্টের লাইন তখনও এদিকে আসেনি। রাতে ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঝিঁঝি পোকার ডাক আর জোনাকির ঝক মক আলো। পাশের সুবল টিলার জঙ্গল হতে শিয়ালের ডাক শোনা যেত। সদর রাস্তা হতে পুরুত পাড়ায় ঢুকার পথে ডান পার্শ্বে অনেক জায়গা জুড়ে বিশাল এক বট গাছ। রাতের বেলা বট গাছের কাছে আসলে ভয়ে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যেত, কারণ এই গাছে আমাদের বিশ্বাস ছিল ভুতের আস্তানা। কাচা রাস্তা ঘেঁসে ভাটি পাড়ায় ঢুকলে গা ঝিম ঝিম করে। বাড়িগুলো গাছ ও বাঁশ ঝাড়ের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে। বেশীর ভাগ বাড়ীই খড়ের চালা, বাঁশের চটির বেড়া, মাটির মেঝে। একটু সম্পন্ন গৃহস্থের বাড়ি টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে ঘেরা। পাড়ার অধিকাংশ বাসিন্দাই হয় কৃষিজীবী, নতুবা কাঠ মিস্ত্রী, ঘর কামলা ইত্যাদি নিম্ন আয়ের মানুষ। প্রত্যেক বাড়ির সামনে উঠোন, ডানে বায়ে বিচিত্র সব দেশি ফুলের গাছ; ভাটিপাড়ার লোকদের এক বিশেষ সখ। আমাদের বাস এ পাড়ার অদূরে উত্তর দিকে পুরুত পাড়ায়। পুজা পার্বণ উপলক্ষে ভাটিপাড়া ছিল আমাদের ফুল তুলার জায়গা। যত ইচ্ছা তুল কোন বেজার নেই। পূজোর জন্য ফুল দিলে তারাও পুণ্যের ভাগীদার হবে; এটা তাদের বহুদিনের বিশ্বাস। এখনও কোন বাড়ি বিপিন ধরের, কোনটা সতিশের, কোনটাই বা চান মিয়ার বাড়ি চোখে চোখে ভাসে। শীতের সকালে প্রায় বাড়ির সামনেই ফুল কপি, বাঁধা কপি, মুলার ক্ষেত। কুয়াশার চাদরে ঝাপসা ক্ষেতে শিশির বিন্দু টল মল করছে সব্জির গায়ে, ঝরে পড়ছে মাটিতে, ঝরে পড়া শিশিরের জলে ভিজা মাটি। কুয়াশার চাদরের ফাঁকে ফাঁকে প্রথম সূর্যের আলোয় টল মল করছে শিশির বিন্দু। গোল হয়ে বসছে উঠোনে সব বউ ঝি ছেলে নাতি এক ফালি রোদের আশে।
অনেক দিন পর সিলেট গেলাম। আমার ভাগ্নির বাসায় নিমন্ত্রণ। তাঁর বাসা ভাটিপাড়া শুনায় আমি খুব উৎসাহের সাথে সময়ের অনেক আগেই হাজির হলাম। গিয়েই বেরিয়ে পড়ি সেই আমার ছোট বেলার ভাটি পাড়া খুঁজতে। কিন্তু কোথায় সেই বাঁশ ঝাড়ের ঝোঁপ আর গাছ গাছালিতে ঘেরা ছবির মত এক একটা বাড়ি। মনে হল এক দৈত্য এসে যাদু বলে রাতারাতি সেই ছায়া ঘেরা গ্রামকে প্রাসাদের নগরীতে রুপান্তর করেছে। রাস্তার ওপারেই সিলেট মেডিকেল কলেজের আলিশান দালানের সারি। ৪৫ বছর আগের সেই মাঠ ভরা সোনালি ক্ষেত ভরে গেছে বিভিন্ন দালান কোঠায়। পশ্চিম সীমানায় ছড়ার কোন চিহ্ন খুজে পাওয়া যায় না। ছড়ার ওপারে নরসিং টিলার মণিপুরি বস্তি, কোন অস্তিত্বই খুঁজে পাইনা আমার মানস পটে আঁকা আগের সেই চিত্র, আবহ। মেডিকেলকে কেন্দ্র করে আগের ভাটি পাড়ারও আমুল পরিবর্তন। বাঁশ ঝাড়ে আড়াল করা তচমচ আলীর বাড়ি খুঁজছি, আম, কাঁঠাল ও নানা রকম ফলের গাছের মাঝে নিরিবিলি দাঁড়িয়ে থাকা ঘর কামলা ফক্কুর সন বাঁশের ঘরত দেখি না। আমি ঊর্ধ্ব শ্বাসে সাঁতার কাটতে চাচ্ছি চন্দ্রনাথের সুপারি গাছ ঘেরা পুকুরে। কিন্তু কই! কিছুইত নেই। চার দিকে শুধু সারিবদ্ধ বহুতল দালান। গাছ, বাঁশ, পুকুর সব নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। প্রত্যেক বাড়ির সামনে নাম্বার প্লেট। নীলিমা ১/১, ১/২, ৭/৫ চলছে। কুমার নাথ, ইলিয়াস মোল্লা, হারাধন এদের বাড়ি কোনদিকে, যাকেই জিজ্ঞাস করি সেই ভেক ভেক করে তাকিয়ে থাকে অথবা এ নামে কেউ এ এলাকায় থাকে না বলে সরে পড়ে।বুকের ভিতরটা খা খা করছে। সারি সারি দালানের মধ্য দিয়ে হাঁটতে গিয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল, ভাটিপাড়ার পিচ ঢালা রাস্তায় চলতে গিয়ে বুকের মাঝে মরুভূমির শুন্যতা বোধ হচ্ছিল। মনের মাঝে উথলে উঠা উচ্ছাস নিস্প্রভ হয়ে গেছে, নিজেকে বড় নিস্ব মনে হচ্ছে এই মুহূর্তে।
নিরাশ হয়ে সব হারানর অতৃপ্তি নিয়ে আস্তে আস্তে মেইন রোডে ফিরে আসলাম। একমনে ভাবছি কোথায় গেল সেই ছায়া সুনিবিড় ভাটি পাড়া। বয়স যত বাড়ছে স্বপ্নের বাসরও সব অতীতের স্মৃতির আবর্তে বিচরণ করে। এর মাঝে দেখি ফার্মেসির সামনে এক লোক সামনের দিকে তাকিয়ে আছে, দাঁড়ানো। কোমরে কয়েক প্যাঁচ দিয়ে পরা লুঙ্গি হাঁটু পর্যন্ত উঠে গেছে, খালি গ্,া আওলা ঝাওলা মাথা ভর্তি পাকা চুল, সাদা দাড়ি। দেখে মনে হয় কাম কাজ নেই, নিষ্কর্মার মত সময় কাটায়। লোকটাকে দেখে চেনা চেনা মনে হল। কাছে গিয়ে একটু ভাল করে চোখে মুখ দেখে সরাসরি জিজ্ঞাসা করলাম,’ফুরকান ভাইনি তুমি?’ আমার বেশ ভুষা দেখে একটু ভিমড়ি খেয়ে বলল,’ আফনে আমারে চিনলা কেমনে, আফনে কে স্যার, কই থাকি আইছইন, আগেত ই এলাকাত দেখছি না’। এক সাথে এত প্রশ্ন, কোনটা আগে, কোনটা পরে দেব ভাবছি। কোন কথারই উত্তর না দিয়ে যখন দেখলাম গুলি লেগে গেছে তখন আর দেরি না করে ফুরকান ভাইকে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরলাম। কতক্ষণ এভাবে জড়িয়ে রাখছিলাম মনে নেই। এতদিনের জমাট বাঁধা বরফ গলতে শুরু করছে। আমার হারান সব স্মৃতির বেদনা ফুরকান ভাইয়ের বুকের উষ্ণতায় নিঃশেষ হওয়া শুরু করছে। আমার অন্তরের আকুতি বোধ হয় সেও টের পাচ্ছিল। দু’জনের চোখেই জল। আগল মুক্ত করার পর বললাম, আমি পুরুত পাড়ার শীতল, মাসিমার পোয়া। ‘হায়, হায়, তুই, অতদিন কই আছলে, অই সংগ্রামের পর তাকি তুমরা যে কই হারাই গেলায় আরত তুকাইয়া পাই না, কতজনরে যে জিগাইছি তুমরার কথা। ‘আপনি,স্যার থেকে এক লাফে তুইতে এসে গেল। তাঁর চোখ দেখে মনে হল সেও আমাদের ছোট বেলায় চলে গেছে। লাল চোখ ছল ছল করছে। তারপরের প্রশ্ন ,’অই, মাসিমা, আছইন নি? বিড় বিড় করে নিজেই আবার বলছে,’অতদিন কি আর থাকবা! আমরার ঐ যাওয়ার সময় আইছে’ মাসিমা মানে আমার মা। তিনি ছিলেন এ সারা এলাকার মাসিমা। এলাকায় একটা মাত্র প্রাইমারি স্কুল ছিল ‘রাধা মনি মিউনিসিপাল প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৪৭-‘ ৭১ পর্যন্ত একটানা প্রধান শিক্ষিকা। এ অঞ্চলের বাপ, ছেলে-নাতিরও মাসিমা। আমরা এ অঞ্চলে মাসিমার ‘পোয়া’ হিসেবেই পরিচিত। শাসন, আদর, লেখা পড়ায় যত্ন নেয়া সব মিলিয়ে মাসিমা এলাকায় সবার মা হয়ে উঠেছিলেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্রদের লেখা পড়ার খোঁজ নিতেন। মা বাবাদের মেয়েদের পড়া শুনার গুরুত্ব বুঝিয়ে স্কুলে ভর্তি করে দিতেন।
যাক, শুরু হল গল্প; কোনটা আগে কোনটা পরে সিরিয়েল নেই।ভাটি পাড়ার এই অবস্থা কেন, জিজ্ঞাসা করায় এক দীর্ঘ শ্বাস ফেলে বলল, ‘মেডিকেল আইল, আর আমরার সব উলটা পাল্টা অই গেল, জেগার দাম বাড়ি গেল, জেগুয়ে এক হাজার টেকা এক লগে দেখছে না জীবনে, হে লাখ লাখ টেকা পাইয়া মাথা খরাপ, বাড়ি ঘর বেচিয়া কে যে কোন দিকে গেল আর পাত্তা নাই।বাপ দাদার মাটি ছাড়িয়া আমি আর যাইতাম পারলাম না। এরা যাওয়ার পরে বুল ডুজার আনিয়া বাড়ি ঘর, জংলা মাটির লগে মিশাই দিল।‘
ফুটবল খেলায় ফুরকান ভাই লাইন্সমেন,আর আমি পার্মানেন্ট বদলি খেলোয়াড়। হাফ টাইমের পর আমি মাঠে নামার প্রস্তুতি নিতাম। কোন খেলায় কি হল অনর্গল বলতে লাগল। লামাবাজারের সাথে একবার ম্যচ খেলায় তাঁর সিগন্যালে রেফারি গোলের হুইসেল দেয়ায় রেফারি ও লাইন্সমেনদের উপর যে কিল ঘুসি পড়ল একেবারে হাসপাতালে যাওয়ার অবস্থা।তারপর, একবার অংক পরীক্ষা খারাপ করায় মাসিমা রাত পর্যন্ত বসিয়ে ভুল অঙ্কগুলো বুঝিয়ে শুদ্ধ করে দিয়েছিলেন। আবার কোণ ছাত্রের মাথা ফাটানোর জন্যে তাকে ক্লাশে ৫০টা বেতের বাড়ি আর ১০০ বার কান ধরে উঠ বস করিয়েছিলেন। এ ধরনের ঘটনায় তখন মাসিমার বিচারই চূড়ান্ত ছিল, এখানে ছাত্রদের বাবা মার কোন বিষয় ছিল না। অবশ্য ফুরকান ভাইয়ের লেখা পড়া বেশী এগোয়নি, বাপ মারা যাওয়ায় পরিবারের জোয়াল তাঁর কাঁধে পড়ল। পৌষ সংক্রান্তিতে আমাদের এলাকাতে বাড়ি বাড়ি পিঠা খাওয়া, ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা ইত্যাদি গল্পের আর শেষ নেই। মেডিকেল কলেজ তখন পুরোটাই ছিল ধান ক্ষেত, আমাদের ঘুড়ি উড়ান প্রতিযোগিতার মাঠ। এক মাস আগে থেকে ঘুড়ি বানানো, সূতায় মাইঞ্জা দেয়া-এ এক বিরাট আয়োজন । আমি বললাম শেষবার পৌষ সংক্রান্তিতে ভার্সিটির ক্লাস ফেলে আমি এসে হাজির। আমাদের পাড়ার একমাত্র আখড়ায় বিভিন্ন উৎসবে আমরা কি করতাম,সে আমাকে মনে করিয়ে দিল। বিজয় নিশান নাটকে (যাত্রায়) যুদ্ধে শত্রু পক্ষ আমাকে হত্যা করে। স্টেজে পড়ে যাওয়ার পর আমার নড়া চড়া না দেখে ওরা খুব চিন্তায় পড়ে গেছে; ভাবছে ঠিকই মরে গেলাম কি! খুব হাসি পেল কথাটা শুনে।,তারপর লুকিয়ে বিড়ি খাওয়া, আবার বাড়িতে আমি ধরা খেয়ে যে উত্তম মধ্যম খেয়েছিলাম তা ও বললাম; তাঁর হাতেই আমার বিড়ি খাওয়ার হাতে খড়ি। ঈদের জামাতে আমরাও মাঝে মাঝে দাড়িয়ে পড়তাম। তারপর বাড়ি বাড়ি সেমাই খাওয়া আরও কত কি! দুজনেই মনে হল ৪৫ বছর আগের এলাকায় ঘোরা ফেরা করছি।
গল্পের ঘোরে কখন যে ঘড়িতে ৪ টা বেজে গেছে খেয়াল নেই। আমার ভাগ্নির জামাই ডাক্তার সা’ব বোধ হয় এতক্ষণে আমার খোঁজে বের হয়ে গেছে। কিন্তু ইচ্ছা হচ্ছিল না ফুরকান ভাইকে ফেলে ভাগ্নির নীলিমা ৭/৯ নং ফ্ল্যাটে যেতে ; আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল। উপায় নেই। সময় বড় নির্মম। যাওয়ার কথা বলায় তাঁর মুখেও বিষাদের ছায়া। এর মাঝে বিষাদে একটু ছেদ পড়ল, বলে উঠল, ‘তুই কিতা ব্যটা, অত সময় গফ করলাম একটা ছিকারেট ও খাওয়াইলেনা। ভুলি গেসসনি হকলতা। যত পয়সা অর, তত কঞ্জিসামি বাড়ের ‘এই না হলে আমার সেই ফুরকান ভাই! এই শেষ আব্দার না করলে ফুরকান ভাই আমার কাছে অপূর্ণই রয়ে যেত। মনটা ভরে গেল। তাড়া তাড়ি এক প্যাকেট স্টার সিগারেট এনে তাকে দিলাম। কথার ফাঁকে সে নিজেই বলল তাঁর এখন কত টাকা, কয়টি বাড়ি ইত্যাদি। বুঝলাম ফুরকান ভাই জায়গার দাম বাড়ায় এখন অনেক ধন সম্পদের মালিক,তাঁর ছেলে মেয়ের খবর হল, আটটি ছেলে মেয়ের মাঝে তিন মেয়ে বিয়ে হয়েছে, ছেলেদের কোন লেখাপড়া করায়নি। এব্যাপারে তাঁর বক্তব্য ‘আল্লায় হাত তুলি যে সম্পদ দিসইন, ইতার সাত সিঁড়ি বইয়া খাইলেও শেষ হইতনায়, কিতা অইত জজ বারেস্টার অইয়া। দেখরেত আমার হালত, যে ভাবে দেখছিলে অউ ভাবেই আছি। ‘ঠিকই ৪৫ বছর আগে যে চেহারা, ছুরৎ, স্বভাবে ফুরকান ভাইকে দেখে গেছিলাম তাঁর এতোটুকু পরিবর্তন হয়নি।তাঁর হাতে সিগারেট খাওয়ার হাতে খড়ি হলেও তাঁর সিগারেটের যোগান আমাকেই দিতে হত।
এবারে যাওয়ার সময়, ফুরকান ভাই নিজেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরল। চোখ ছল ছল করছে, শেষ কথা, ‘আল্লায়ত তরে দেখাইলা, ইটাই মন হয় শেষ দেখা, দোয়া করিস। ‘আমার চোখ ভরা জল। যাওয়ার পথে পিছনে তাকিয়ে দেখি ফুরকান ভাই এক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছে আর চোখ দিয়ে ঝর ঝর করে জল পড়ছে।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বালাগঞ্জের বাতিঘর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু ও গান্ধীজী
  • সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন ‘মেশিনম্যান’
  • একটি যুদ্ধ : একটি শতাব্দী
  • বালাগঞ্জের প্রাচীন জনপদ শিওরখাল গ্রাম
  • ভাটিপাড়া
  • সময়ের সোচ্চার স্বর সোমেন চন্দ
  • বঙ্গবন্ধুর সিলেট সফর ও কিছু কথা
  • বায়ান্নতেই লিখেছিলেন ‘ঢাকাই কারবালা’
  • জীবনের শেষক্ষণে অর্থ-স্বর্ণ সবই জড়পদার্থ
  • কমরেড বরুণ রায়
  • বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
  • নারী ভাষাসৈনিকদের কথা
  • মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবীর ওসমানী
  • ভাটির বাতিঘর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
  • মাওয়ের লংমার্চের ৪ বছর পর সিলেটিদের লং মার্চ
  • শহীদ মিনারের ইতিকথা
  • সিলেটের লোকসংগীত : ধামাইল
  • পর্যটক ইবনে বতুতার কথা
  • বই এল কোথা থেকে?
  • Image

    Developed by:Sparkle IT