উপ সম্পাদকীয়

বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন

ফকির ইলিয়াস প্রকাশিত হয়েছে: ১৯-০৩-২০২০ ইং ০০:৩৮:২১ | সংবাদটি ৭৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ পালন করলো। ঘটা করে পালন করার পরিকল্পনা ছিল দেশে বিদেশে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের দুর্যোগের কারণে এবার তা হয়ে উঠেনি। এই বর্ষটি শুরু হয়েছে ১৭ মার্চ ২০২০। শেষ হবে ১৭ মার্চ ২০২১। দুহাজার একুশ বাংলাদেশের ৫০ বছর পূর্তির ক্ষণ। তাই ওই বছরটিও খুব উল্লেখযোগ্য বাঙালির জীবনে। আমরা জানি জাতির পিতা একটি অসাম্প্রদায়িক মানবিক বাংলাদেশ চেয়েছিলেন। তাঁর একটি ভাষণের অংশ এখানে উল্লেখ করা দরকার মনে করি।
তিনি ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ বলেছিলেন-“শাসনতন্ত্রে লিখে দিয়েছি যে কোনো দিন আর শোষকেরা বাংলার মানুষকে শোষণ করতে পারবে না ইনশা আল্লাহ। দ্বিতীয় কথা, আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। জনগণের ভোটে জনগণের প্রতিনিধিরা দেশ চালাবে, এর মধ্যে কারও কোনো হাত থাকা উচিত নয়। তৃতীয়, আমি বাঙালি। বাঙালি জাতি হিসেবে বাঁচতে চাই সম্মানের সঙ্গে। চতুর্থ, আমার রাষ্ট্র হবে ধর্মনিরপেক্ষ। মানে ধর্মহীনতা নয়। মুসলমান তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে, হিন্দু তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে, বুদ্ধিস্ট তার ধর্ম-কর্ম পালন করবে। কেউ কাউকে বাধা দিতে পারবে না। তবে একটা কথা হলো, এই ধর্মের নামে আর ব্যবসা করা যাবে না।”
জাতির পিতা বলেছিলেন- “দেশ শাসন করতে হলে নিঃস্বার্থ কর্মীর প্রয়োজন। হাওয়া-কথায় চলে না। সেদিন ছাত্ররা আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল। তাদের বলেছিলাম, আত্মসমালোচনা করো। মনে রেখো, আত্মসমালোচনা করতে না পারলে নিজকে চিনতে পারবা না। তারপর আত্মসংযম করো, আর আত্মশুদ্ধি করো। তাহলেই দেশের মঙ্গল করতে পারবা।”
তাঁর এই কথাগুলো কি আজ পালিত হয়? হচ্ছে? না হচ্ছে না। যদি হতো তাহলে আমরা আজ পেতাম শান্তির অনন্য বাংলাদেশ। যে চেতনা, স্বপ্ন এবং প্রত্যাশার লক্ষ্যে স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অভ্যুদয় হয়েছিল তা আজ কতোটা বাস্তবতার পরশ পেয়েছে, সে প্রশ্নটি উত্থাপিত হচ্ছে বারবার। প্রায় সাড়ে চার দশক সময়, একটি জাতি এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কম সময় নয়। রাষ্ট্রের রাজনীতিকরা চাইলে অনেক কিছুই হতে পারতো। কিন্তু হয়নি। কেন হয়নি সে প্রশ্নের জবাব কারোরই অজানা নয়। বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির মৌলিক মূলনীতি ছিল গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং জাতীয়তাবাদ। একটি দেশে গণতন্ত্রের পাশাপাশি সমাজতন্ত্র চলতে পারে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তারপরও ঊনসত্তর-সত্তর-একাত্তরে জাতীয় রাজনৈতিক ঐকমত্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল ঐ চার মূলনীতির পক্ষে। যার ওপর ভিত্তি করে সংগঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধ।
বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য বদলানোর জন্য হঠাৎ করে কোন দেবদূত আবির্ভূত হবে না। বদলাতে হবে এদেশের মানুষকেই। এজন্য প্রয়োজন যোগ্য নেতৃত্ব। আর সেই নেতৃত্ব হতে হবে সৎ এবং সত্যবাদী। বাংলাদেশের প্রতিটি অঙ্গনে মননশীল, দানশীল মানুষের একটি মোর্চা গঠিত হওয়া খুবই প্রয়োজন মনে করি। যারা শুধু সরকারি সাহায্যের দিকে না তাকিয়ে বেসরকারি উদ্যোগে রাষ্ট্রের সব মহৎ কাজগুলোতে হাত বাড়িয়ে দেবেন। বাংলাদেশে বেসরকারি উদ্যোগে স্কুল, কলেজ, প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য, মেধাবী দরিদ্র ছাত্রসমাজকে সাহায্য, দুঃস্থ রোগীদের সাহায্য করার বৃহৎ পরিকল্পনা দানশীল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত হতে পারে। এই দেশটি একটি সম্মিলিত স্বপ্ন নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল। সেই স্বপ্নটি আজ গোষ্ঠীর কাছে বন্দি। এই বন্দিত্বের অবসান প্রয়োজন। আর এজন্য বিত্তবানদের উদার হস্ত বাড়িয়ে দেয়া খুবই প্রয়োজন। স্বাধীনতার অন্যতম শর্ত হচ্ছে স্বাবলম্বী হওয়া। প্রজন্মকে সামনে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিক মুক্তির বিষয়টির গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা সুচিন্তিত বিবেক কাজে লাগিয়েই এই প্রজন্মের হাত ধরতে হবে। তাদের জানাতে হবে আমাদের অতীত সংগ্রামের উজ্জ্বল ইতিহাস। যে ইতিহাস কখনও কালিমাপূর্ণ ছিল না। এই প্রজন্মের মুখের দিকে তাকিয়েই আজ সকল রাজনীতিকের উচিৎ, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের স্বরূপ সন্ধান করা। স্বাধীনতা হচ্ছে মানুষের অন্যতম জন্মগত অধিকার। কিন্তু সেই স্বাধীনতা যদি দীর্ঘসময় কোনো অপশক্তি দ্বারা শাসিত হয় তবে তা কতোটা অর্থবহ হতে পারে? এ প্রসঙ্গে মহাত্মা মি. এডওয়ার্ড সাঈদকে আবারো স্মরণ করা যেতে পারে। সাঈদ বলেছিলেন, ‘স্বাধীনতার শত্রুরা তৎপর থাকে দিনরাত। আর স্বাধীনতাভোগীরা তৎপর থাকে শুধু দিনেরবেলা। তাই ওই শত্রুরা মাঝে মাঝে মহাপরাক্রমশালী হয়ে উঠতে পারে।’
বাংলাদেশের আজকের অবস্থাটি হয়েছে ঠিক তাই। ভোগবাদী একটি চক্র দেশকে গ্রাস করতে চাইছে, যারা আদৌ এই দেশকে, এই মাটিকে ভালোবাসে না। তাদের যোগসূত্র অন্যদের সঙ্গে। তারা চায় উনপঞ্চাশ বছরের এই স্বাধীন দেশটাকে ঔপনিবেশিক মৌলবাদীদের হাতে তুলে দিতে। আর এদের সঙ্গে আছেন আলখেল্লা পরা অনেক সুশীলও। এসব রাষ্ট্রীয় শত্রুদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া এবং মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এদেরকে ‘রাষ্ট্রের শত্রু’ বলার সাহস দেশের সুশীল সমাজের কতোটা আছে সে বিষয়ে আমি কিছু প্রশ্ন তুলতে চাই। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে দুরকমের স্বার্থপরতা রয়েছে। একটি হচ্ছে তাৎক্ষণিক ভোগবাদিতা। আর অন্যটি হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী ভোগবাদিতা। যারা চাঁদাবাজি, টেন্ডার টানাটানি করে দুপয়সা কামানোর ধান্ধা করছে এরা হচ্ছে তাৎক্ষণিক ভোগবাদী। আর যারা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় এগিয়ে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে এরা হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী সুদূরপ্রসারী ভোগবাদী।
আমরা বাঙালিরা আসলেই আত্মভোলা জাতি! যদি না হতাম তবে অনেক ঐতিহাসিক সত্যই আমরা ভুলে যেতাম না। ২৬ মার্চ কিংবা ১৬ ডিসেম্বর আমাদেরকে সে সব সত্য বারবার মনে করিয়ে দেয়। ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গান গাইতে আমাদের বুক কাঁপে। যে ভারতের ১০ হাজার মিত্রবাহিনীর সৈন্য তাদের প্রাণ দিয়েছিলেন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সেই ভারত আমাদের অনেকের গায়ের কাঁটা। যে ভারতের প্রতিটি নাগরিক কর দিয়ে আমাদের ১ কোটি শরণার্থীকে সাহায্য করেছিলেন সেই ভারতকে আমরা কথায় কথায় গালি দিই। কী আশ্চর্য জাতিসত্তা আমাদের। তাই বলে আমি বলছি না, ভারতের কোনো চোখ রাঙানি আমরা মেনে নিবো। অথচ বাংলাদেশের ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো জোট করে যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, তখন নেপথ্যে তারাও ভারত তোয়াজ কম করেনি। ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে কীভাবে?
বিশ্বে আজ সভ্যতার বিবর্তন ঘটছে। আর তা ঘটছে মানুষের আদিমতা পরিহারের পর থেকেই। মানুষ তার নিজস্ব অভিধায় অভিষিক্ত করছে নিজেকে। এই অভিধা সৃজনের। এই প্রচেষ্টা নতুনকে বরণ করে নেয়ার। এর মাঝে কোনো ধ্বংস নেই। নেই ভাঙনের কোনো জোয়ার। তারপরও যারা রক্তাক্ত মৃত্তিকার ধূলিতে দাঁড়িয়ে উল্লাসে নাচে, এরা আসলে কি চায়? তাদের সুপ্ত ইচ্ছেটি কি? তাদের লক্ষ্যবিন্দুই বা কোথায়? মানবতার পক্ষে দাঁড়াবে বলে মানুষ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল। প্রতিটি ধর্ম সে চেতনাটি ধারণ করেছে। ‘নরহত্যা মহাপাপ’-তা প্রতিষ্ঠিত যে কোনো ভাষাতেই। যে কোনো ধর্মগ্রন্থে। তাহলে এখন বিশ্বে যে যুদ্ধ চলছে তা কি ধর্মযুদ্ধ? ধর্মপ্রতিষ্ঠার যুদ্ধ? ধর্ম তো শান্তির কথা বলে। শৃঙ্খলার কথা বলে। হত্যা করে, ত্রাস সৃষ্টি করে তবে কি শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। প্রশ্ন উঠছে- এমন অনেক।
আবারও বলি, বাঙালি প্রজন্মকে আজ দেখতে হবে সাহসী জননীর মুখ। এটা স্বাধীনতার মাস। আমাদের জাগরণের মাস। সকল অসত্য আর আঁধারের বিরুদ্ধে সাহস নিয়ে দাঁড়াবার মাস। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবেই- আমরা যদি শিকড়ের সন্ধানে একাত্তরকে বুকে ধারণ করি। আমাদের খুব কম বুদ্ধিজীবীই আছেন- যারা প্রজন্মকে কাছে টানতে পেরেছেন। আমরা ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবালকে চিনি। তিনি চাইলে সারা জীবন আমেরিকায় থেকে বিলাস বহুল জীবন যাপন পরতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। ছুটে গিয়েছেন বাংলাদেশে। আড়াই কোটি তরুণ-তরুণীকে তিনি চেতনায় সমৃদ্ধ করার সংগ্রাম করছেন প্রতিদিন। আজ যারা ডঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল এঁর বিরোধিতা করে, তারা কেন তা করে- তা খুঁজলেই মতলবটি বুঝা যাবে।
অত্যন্ত বেদনা ও হতাশার কথা হচ্ছে, আমাদের মাঝে থেকেই একটি চক্র আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করেই চলেছে। এরাও স্বাধীনতা দিবস পালন করছে। এরাও স্বাধীনতার কবিতা পড়ছে। কিন্তু তারা মনে প্রাণে একাত্তরকে ধারণ করে না। একটি ঘটনা এখানে বলি। কয়েক বছর আগের ঘটনা। ৮৯ বছর বয়সি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেরএকজন নাৎসীবাদী যুদ্ধাপরাধী পালিয়ে য্ক্তুরাষ্ট্রে চলে আসেন। ওহাইয়ো অঙ্গরাজ্যে একজন অটো মেকানিক হিসেবে কাজ করেন দীর্ঘদিন। তার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক থেকে হঠাৎ ধরা পড়ে যায়, তিনি একজন নাৎসিবাদী।
যুক্তরাষ্ট্র তাকে ডিপোর্ট করে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর। ইউক্রেনে জন্মগ্রহণকারী এই জার্মান নাগরিক তখন হুইল চেয়ারে চলাফেরা করতেন। বিশ্বে নাৎসিবাদের বিচার এখনও অব্যাহত রয়েছে। এটা মানবতার জন্য, মানবজাতির জন্য স্বস্তির সংবাদ। অপরাধী যত বয়সী হোক না কেন, যতই পালিয়ে থাকুক না কেন তার শাস্তি হওয়া দরকার। বিশ্ব সভ্যতা সে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশের জাতির পিতার হত্যার ঘাতকদের বিষয়ে নানা সংবাদ ছাপা হচ্ছে পত্রপত্রিকায়। মিডিয়ায় প্রায়ই আসছে তারা শিরোনাম হয়ে। বাংলাদেশ সরকারও এদের ধরতে তৎপর। নূর চৌধুরীর পাসপোর্ট জব্দ করেছিল কানাডাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। সে এখনও কানাডায়ই আছে। এই নূর চৌধুরীই বঙ্গবন্ধুকে নিজ হাতে গুলি করেছিল।
এদিকে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, পনেরো আগস্টের আরেকজন ঘাতক রাশেদ চৌধুরী নাকি যুক্তরাষ্ট্রে আত্মগোপন করে আছে। অন্যতম ঘাতক মেজর ডালিম কোথায় আছে তা অজানা। বিষয়গুলো এই প্রজন্মের জানা দরকার। কারা ৭১ এর বিরোধিতা করেছিল, কেন করেছিল, এদের যোগসূত্র কি -তা জানা দরকার। জাতির পিতার জন্মবর্ষে আমাদের কিছু শপথ নিতে হবে।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার আদর্শ ধারণ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “আমরা জেগে রইব তোমার আদর্শ বুকে নিয়ে। জেগে থাকবে এদেশের মানুষ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম, তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে। তোমার দেওয়া পতাকা সমুন্নত থাকবে চিরদিন।”
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “দুঃখী মানুষকে ক্ষুধা-দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে নিজের জীবনের সব সুখ-আরাম বিসর্জন দিয়ে তিনি সংগ্রাম করেছেন আজীবন। বারবার কারারুদ্ধ হয়েছেন। মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাকে ব্যথিত করতো। অধিকারহারা দুঃখী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে তিনি দ্বিধা করেননি। এই বঙ্গভূমির বঙ্গ-সন্তানদের একান্ত আপনজন হয়ে উঠেছিলেন-তাই তিনি ‘বঙ্গবন্ধু’।”
আজকের প্রজন্মকে কথাগুলো মনে রাখতে হবে। মানবিক হয়ে উঠতে হবে জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে।
লেখক : কবি, কলামিস্ট।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT