উপ সম্পাদকীয়

করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী

মো. হাফিজুর রাহমান প্রকাশিত হয়েছে: ২০-০৩-২০২০ ইং ২৩:২৪:০৫ | সংবাদটি ১৭০ বার পঠিত

গতকাল যা দেখেছি আজ তার চেয়েও রাক্ষুসে আবার আজ যা ঘটেছে আগামী কাল হয়ত তা আর ভয়ংকর হবে। সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব অসহায়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে অদৃশ্যমান এক রাক্ষুসে দানবে তান্ডব। তছনছ করে দিচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপন। বিশ্ব আজ অসহায় রহস্যময় অদ্ভুত এক ভাইরাসের হাতে। প্রতিদিন ঘুম থেকে জেগে মানুষ নতুন নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হচ্ছে। যা জীবনেও কল্পনা করেনি তা স্বচক্ষে অবলোকন করছে। হটাৎ করে পৃথিবীর বৈরি আচরণ মানুষকে কী সংকেত দিচ্ছে? বৈশ্বিক যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে তাতে হরফ করে বলা যায় পৃথিবী ইউটার্ন দিয়েছে। গ্লোবাল যে দুর্ভিক্ষ ঘটতে যাচ্ছে তা আদৌ কী প্রতিহত করা সম্ভব? থমকে গেছে পুরো বিশ্ব।
বছরের শুরুতে যখন করোনা ভাইরাস চীনে ধরা পড়ে তারপর থেকে এখন পর্যন্ত এর কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি যা আমাদের ভয়কে আর অতিমাত্রায় বাড়িয়ে দিয়েছে। বিজ্ঞানীরা অদম্যগতিতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন ভাইরাসটির ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করার জন্য। আমরা আশাবাদী অতিশিগ্রই তারা কোন সুসংবাদ নিয়ে আসবেন। যদিও ভাইরাসটির বিস্তারে বিশ্বজুড়ে একধরণের উৎকন্ঠা তৈরি হয়েছে তবে আশার ব্যাপার হলো ইতিমধ্যে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্য প্রায় ৬০ হাজারের মত মানুষ সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। আর এই ব্যাপারটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে চায়নার উহান এবং তার আশপাশের শহরে। আইসোলেশন এবং কোয়ারেন্টাইন এর মাধ্যমে আক্রান্তরা দ্রুত সুস্থ্য হচ্ছেন। একই পদ্ধতি অনুসরণ করছে ইউরোপের সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশ ইতালি। প্রথম দিকে মিলান সহ নির্দিষ্ট এফেক্টেড অঞ্চলকে কোয়ারেন্টাইন এর আওতাধীন আনা হলেও পরে পুরো দেশকে লকডাউন করে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যাতে করে এই মহামারী আর না ছড়ায়।
করোনা ভাইরাস এর প্রার্দুভাব বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক প্রকট আকার ধারণ করেছে। মনটা আৎকে ওঠেছিল গত ১১ মার্চ যখন বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ কে ‘এ্যাপিডেমিক’ থেকে যখন ‘প্যানডেমিক’ বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে। গত সপ্তাহ থেকে বৃটেনজুড়ে কোভিড-১৯ যে হারে ছড়িয়ে পড়েছে তা আগামী কয়েকদিনে কোথায় গিয়ে ঠেকে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা প্রায় দিশেহারা। করোনা ভাইরাস নিয়ে যে ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে তা রীতিমত উদ্বেগজনক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডঐঙ এর সতর্কতামূলক পরামর্শ সত্বেও করোনাভাইরাসের আঘাত আতঙ্কের মাত্রা আর বৃদ্ধি করেছে। যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের উদ্বেগ উৎকন্ঠা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সবচেয়ে সুখকর ব্যাপার হলো যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা যে ভাবে সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করছে তাতে ভাইরাসটি শিগ্রই তারা প্রতিরোধ করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। বরিস জনসনের ফেইজ টু ফেইজ পদক্ষেপ এবং বৃট্রিশ চ্যান্সেলর জরংযর ঝঁহধশ এর ৩০ বিলিয়ন পাউন্ড বাজেট বরাদ্দ দেশটির নাগরিকদের আগাম প্রস্তুতির বার্তা জানান দিয়েছে। মি. জনসনের শক্ত হাতে অদ্ভুত ক্রাইসিসটি হ্যান্ডেল করার কৌশল পর্যবেক্ষণ করে আমি বিমোহিত যা আমাদের মত দেশের সরকার প্রধানদের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে। কোভিড-১৯ এর কার্ভ কে ফ্লাট করার জন্য বৃটেনের বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন সেকেন্ড টু সেকেন্ড।
বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিনজন রোগীর তথ্য নিশ্চিত করেছিল গত ৯ মার্চ রবিবার। আক্রান্ত তিনজনের মধ্য দুজন সম্প্রতি ইটালি থেকে এসেছেন। যেহেতু দুজন ইটালি ফেরত কাজেই স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন দাঁড়ায় বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর থার্মাল স্ক্যানার মেশিন নিয়ে। এগুলোর মান বা কার্যকারীতা কতটুকুই তা ত সংশয় রয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রশ্ন উঠেছে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি নিয়ে। শত সতর্কাতার পরও ভাইরাসটি বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ নিশ্চিত করেছে ভাইরাসটি উপস্তিতি। যেহেতু বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটি ব্যাপক বিস্তার ঘটছে সুতরাং বাংলাদেশে এর আগমন নিয়ে অনেক সংশয় ছিল। আর এই কাজটি সহজ করে ইটালি প্রবাসী জনৈক ব্যক্তিরা। সহজে বুঝতে পারছেন কীভাবে ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের আনাচে-কানাচে।
বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর মানুষের মধ্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। অনেকে মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ক্রয় করতে ভিড় জমিয়েছিলেন শপগুলোতে। সুযোগ বুঝে একশ্রেণীর মুনাফালোভী চক্র মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এমনকি কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। যে ভাইরাস নিয়ে এত হৈ চৈ আসলে এটি কী? জানতে গবেষণা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাই গত সপ্তাহখানেক ধরে। দ্বারস্ত হই বিশেষজ্ঞ, এক্সপার্ট এবং চিকিৎসাবীদের। প্রতিরোধ করতে বৃটেন যে পদ্ধতি অবলম্বন করার জন্য বারবার সতর্ক পরামর্শ দিচ্ছে তা যুক্তিযোক্তিকতা কতটুকু বা উপকারিতা কি প্রকৃত অর্থে পাওয়া যাবে। এসব বিষয় জানতে সাইন্টিফিক স্টাডি শুরু করি। ফলাফলে যে আউটকাম এসেছে, তা হলো আতঙ্কিত না হয়ে যদি সঠিকভাবে মোকাবেলা করা হয় তাহলে মহামারীটি প্রতিহিত করা সম্ভব। যেহেতু কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে ছড়াচ্ছে সুতরাং এটি দ্বারা বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে একটু সচেতন হয়ে দৈনদিন কাজকর্ম বা চলাফেরা করেন, দেখবেন আপনি সবচেয়ে বেশি নিরাপদে আছেন।
নভেল করোনাভাইরাসটি চীনের উহান শহরে আঘাত হানার পর বাংলাদেশে সরকারী এবং বেসরকারী ভাবে যে সতর্কতার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল তা দেখে আশা জেগেছিল বাংলাদেশ হয়তবা প্রতিরোধ করতে যাচ্ছে ভাইরাসটি। কিন্তু মুখের বুলি ও কাজের তফাত দেখে শুধু অবাক হইনি বিম্মিত হয়েছি। করোনা প্রাদুর্ভাব হওয়ার প্রায় দুই মাসের উপরে হবে কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ের মধ্য বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে থার্মাল স্ক্যানারের অপ্রার্যপ্ততা কী প্রমাণ করে? এই সময়ের মধ্য কী থার্মাল স্ক্যানার সংগ্রহ করে বসানো যেত না?
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এর পর থেকে বাংলাদেশে যে ‘সতর্কতামূলক’ পরামর্শ বা এ্যাডভার্টাইজ করা হচ্ছে তা সত্যি প্রশংসনীয়। দৈনিক নিউজ পেপার থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সব জায়গাতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কীভাবে নিজেকে এই ভাইরাস থেকে রক্ষা করবেন। তবে সর্বশেষ যে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে তা হলো বার বার সবান দিয়ে হাত ধুয়া যদিত্ত আর অনেকগুলো পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে তবে এটি আমার কাছে কেন যে সংশয় লেগেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি কখনো মানানসই নয়। কথার সাথে কাজের যে ফারাক তা কী অপ্রত্যাশিত?
আমাদের দেশের মানুষের মধ্য নিয়ম-কানুন না মানার যে বদঅভ্যাস রয়েছে তাতে করে ঐ সতর্কমূলক পরামর্শের কার্যকারীতা নিয়ে শংসয় ত দেখা দিবে। তাছাড়া সরকার কীভাবে নজরদারি বা বাস্তবায়নে কাজ করে এটি একটি প্রশ্ন ওঠতে পারে। সরকারের দেওয়া নির্দেশনা কী মানুষ সহজে গ্রহণ করছে? যেমনটা আমি পড়েছি বিবিসি বাংলার একটি বল্গে তারা লিখেছে "কোনো নির্দেশনা যদি দেয়া থাকে যে আপনি বাসে কিভাবে দাঁড়াবেন বা হাত রাখবেন। কতটা দূরত্ব বজায় রাখবেন Í এসব কিছুই লেখা নাই বা বলার জন্য কেউ নাই। কেউই সতর্ক না। প্রত্যেকেই এমন আচরণ করছে যেন নাথিং হ্যাপেনড।" আবার দেখা যাচ্ছে বাসে চলাচল করতে গিয়ে ভিড়ের মধ্য মানুষকে মিশতে হয়, কিন্তু সে সময় হাঁচি কাশি চলে আসলে আগের মত ওপেনলি করছে। তার মানে বিষয়টাকে কেউ সিরাসলি নিচ্ছে না, অদ্ভুত কান্ড আজব এক দেশে আমরা বসবাস করছি। বাংলাদেশের মানুষের বিহ্যাবার সত্যি অদ্ভুত রকমের। তারা বোধহয় গজবের চেয়ে গুজবে বেশি গুরুত্ব দেয়। অথচ বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ ভাইরাসটিকে সারা পৃথিবীর জন্য মহামারী বলে আগাম সতর্ক করছে।
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে তাতে ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ বিমানও। তাদের পরিচালিত ১৪২টি ফ্লাইটের মধ্যে ৬৬টি আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বিমান। সারা বিশ্বে গত দুই মাসে ২ লাখেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইসিএও) জানিয়েছে, করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯-এর প্রভাবে বিশ্বের বিমান সংস্থাগুলোকে ৫ বিলিয়ন ডলার লোকসান হবে যা রিতিমত চমকে ওঠার মত খবর। বিমান সংস্থাগুলো এই মাশুল কীভাবে সামাল দেয় তা সময় বলে দেবে। তবে যে যাই বলুক না কেন পরিশেষে কিন্তু লোকসান গুণতে হবে সাধারণ মানুষকে। যুক্তরাজ্যের ফ্লাই-বি এয়ালাইন্স ইতিমধ্যেই ধসে পড়েছে। তাদের গুঠিয়ে যাওয়ার ফলে সংকটকে আর প্রবল করেছে। বর্তমান এই অদ্ভুত এবং টালমাটাল পরিস্থিতিতে বিশ্ব আর একটি অর্থনৈতিক মন্দায় পড়তে যাচ্ছে।
সর্বশেষ ডঐঙ করোনা ভাইরাসকে “গ্লোবাল মহামারী” ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে নতুন নতুন ডেভলাপমেন্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে যেগুলি বিশ্ববাসীকে সংকটে ফেলবে। প্রথমত, আমেরিকা ইউরোপের সব ধরণের ভ্রমণ বাতিল করেছে পরবর্তী একমাস প্রর্যন্ত, বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট টার্ম্প এর সবধরণে সফর; পরে দেশটিতে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে । ২. ইউরোপের আরেক দেশ ডেনমার্ক গত ১২ মার্চ থেকে লকডাউন। ৩. মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত দেশটিতে গত ১১ মার্চ থেকে জরুরী ভিত্তিতে অন্ততপক্ষে দুই সপ্তাহের ছুটি ঘোষণা করেছে। দেশটিতে কেউ প্রবেশ বা বের হতে পারবে না। তার মানে কুয়েতকে একরকম অঘোষিত শাটডাউন করা হয়েছে। ৪. বিদেশিদের দেওয়া সব ধরনের ভিসা স্থগিত করেছে ভারত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে বিশ্ব মহামারী ঘোষণা করার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ থাকবে। ৫. সবচেয়ে খারপ খবরটি দিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, তার ভাষ্য অনুযায়ী কোভিড-১৯ ভাইরাসে জার্মানির ৭০ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন। তার মানে দেশটি খুবই শিগ্রই লকডাউন এর আওতায় আসছে যদিত্ত বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ৬. রিপাবলিক অব আয়ারলেন্ড সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। ৭. ইতালির পর সর্বশেষ স্পেন লকডাউন এর তালিকায়। এই যদি হতে থাকে তাহলে পুরো বিশ্বের অর্থনৈতিক রাজনৈতিক এবং সামজিক ব্যাবস্থা তছনছ হয়ে যাবে অতিশিগ্রই।
লেখক : কলামিস্ট

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT