উপ সম্পাদকীয়

বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে

ইনাম চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ২১-০৩-২০২০ ইং ০০:১১:১৪ | সংবাদটি ৫৬ বার পঠিত

ছোট্ট একটি দেশ উত্তর কোরিয়া। চীন সাগরের পাশ ঘেষে তার অবস্থান। দেশটি কট্টর সমাজতন্ত্রবাদী নীতিতে বিশ্বাসী। তার আকার আয়তন আর বিস্তৃতির সাথে বেমানান অস্ত্রপাতির উন্নয়ন আর হুমকি ধামকি। দেশটির নেতাটি সবসময় উগ্র আচরণ দেখিয়েই চলেছেন। বারবার পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ যেমন ঘটাচ্ছেন তেমনি পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চলেছেন হেথাহোথা। পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রধানতম প্রতিপক্ষ ঠাউরে নিয়ে সে দেশটিকে তার নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় আনতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাথে তো হুমকি ধামকি রয়েছেই। এক সময় এমনটি প্রতিভাত হচ্ছিলো দু’টো দেশের মধ্যে যুদ্ধই কি বেধে যায়। এমনতরো অবস্থায় কয়েকটি দেশের মধ্যস্ততায় আপাত দৃষ্টিতে একটি রক্ষা হয় কিন্তু ইদানীং আবার উত্তর কোরিয়া তার আগের অবস্থানে ফিরে গেছে বলেই মনে হয়।
ঠিক এমনই একটি দেশ ইরান। সেটি তেলসমৃদ্ধ এবং আকার আয়তনেও বিরাটাকায় কিন্তু আচরণে প্রায় উত্তর কোরিয়ার মতো। এই দেশটিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় শক্তিধররা একঘরে করে রেখেছে অবরোধ আরোপ করে। তারপরও ইরানকে দমাবেটা কে! সে তার পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়েই যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে পারস্য উপসাগরে একটি মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজকে ইরানের নৌবাহিনী ঘেরাও করে ফেলেছিল। হুমকিও দিয়েছিল মার্কিন বাহিনীর সব কর্মকান্ডই তাদের সতর্ক নজরদারিতে রয়েছে এবং সেগুলি তার দূরপাল্লার অস্ত্রের আওতায়ই রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে একটি বিশ্বযুদ্ধ বাধার উপক্রম হয়েছিলো। ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা যেমন প্রশমিত হয়নি তেমনি উত্তর কোরিয়া প্রদত্ত হুমকি ধামকির কারণে সৃষ্ট উত্তেজনারও পরিসমাপ্তি ঘটেনি এখনও।
উত্তর কোরিয়া ও ইরান নামক দু’টো যুদ্ধংদেহী রাষ্ট্রের বর্ণনা দিলাম শুধুমাত্র এটুকু বুঝাতে যে বিশ্বকে নাড়া দিতে তারা কতোটুকু পারঙ্গমতা দেখিয়েছিল। তারা এখনোও সেটা করছে কিন্তু বিশ্বের প্রচার মাধ্যমগুলি এদিকে তেমন একটা দৃষ্টিপাত করার সময় সুযোগ বুঝি আর করে উঠতে পারছেনা। এই দু’টো দেশ বিশ্বব্যাপি যেমন আলোড়ন জাগাতে পারে তেমনি শিহরণ আর উন্মাদনাও জাগাতে পারে। কারণ সমানে সমান হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছিল একটি পরাশক্তির সঙ্গে তারা দু’টোয়, যদিও পৃথকভাবে।
আজ সারাবিশ্বে শিহরণ বা যুদ্ধোন্মাদনাকে ছাড়িয়ে গেছে আপন প্রাণ রক্ষার তাড়না। একটি ব্যাধি যেটি গণচীন থেকে উৎপত্তি লাভ করে প্রায় সারাবিশ্বকে তটস্থ করে ফেলেছে নিজের ব্যাপ্তি ঘটিয়ে। বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশ আপন আপন জাতিকে রক্ষায় সম্ভব সব ধরনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে। ভিসা প্রদান, গণ যোগাযোগ, গণপরিবহন সবকিছুতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও যেন রেহাই মিলছে না এই প্রাণঘাতি রোগটি থেকে। আমাদের দেশটিও এই মরণঘাতি ব্যাধির ছোবল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে তাবৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিদেশাগত বা দেশে বসবাসরত সবাইকে এই মারাত্মক রোগটি থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে নানা ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার অধীনে আনা হচ্ছে আর বাকিদের বলা হচ্ছে সতর্কতামূলকভাবে নিজ বাড়িতেই যেন স্বেচ্ছাবন্দীত্ব জাতীয় কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাপনায় নিদেনপক্ষে কয়েকটি দিন কাটান। কি ভয়ঙ্কর রূপ এই আপাত পরিচিত রোগটির। এটির ব্যাপারে নানামুনির নানা মত পাওয়া যাচ্ছে। কেউ বলছেন বাতাসে ভেসে ভেসে এটির জীবাণু এসে বাসা বাঁধতে পারে যেকোন নিরোগ শরীরে, আবার কেউ বলছেন স্থলভাগেও এটি লাফিয়ে লাফিয়ে পাড়ি দিতে পারে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব এবং আক্রান্ত করতে পারে বিপুল জনগোষ্ঠীকে।
এই রোগটি এখন শক্তিধর, পরাশক্তিধর, সাম্রাজ্যবাদী, দুর্বল আর ধামাধরা সকল ধরনের দেশের জন্য সর্বাধিক শক্তিসম্পন্ন একটি হুমকি হিসাবে আপন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। যারা ইমান আক্বীদায় বলীয়ান তারা বলছেন এটি মহান আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত একটি গজব আর যারা অতি বাস্তববাদী বেশি বেশি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ঘাটতে পছন্দ করেন তারা বলছেন এটি নিছক মানবসৃষ্ট কোন ভুল পরীক্ষা নিরীক্ষার নেতিবাচক ধ্বংসলীলা। অবশ্যই এটি একটি বিধ্বংসী প্রক্রিয়া এবং ক্রমান্বয়ে যেন গিলে খেতে বসেছে বর্তমান মানব প্রজন্মকে। দোয়া খায়ের আর পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের তোড়জোড় চলছে সারাবিশ্বে। প্রতিরোধ করতে চাইলেই তো সেটা সম্ভব নয় কারণ এটির প্রতিষেধকটি নাকি এখন পর্যন্ত ঠাহরই করতে পারছেন না এতো বড় বড় মাথাওয়ালা বৈজ্ঞানিক বা চিকিৎসা বিশারদরা।
প্রকৃতি বিশারদরা বলছেন এটি এক ধরনের প্রতিশোধপরায়ণতা যা প্রকৃতি কর্তৃক নির্ধারিত। তারা বলছেন নানা ধরনের রাসায়নিকের অপব্যবহার, নানা ধরনের মারণাস্ত্রের বিস্তার আবার পরমাণু অস্ত্রের ভান্ডার এর হ্রাস করতে গিয়ে এ জাতীয় অস্ত্রের ধ্বংস সাধন কর্ম নিশ্চয়ই পুরো মহাবিশ্বের একটি অঞ্চলে বিষাক্ত রাসায়নিকের ভান্ডার গড়ে উঠতে সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করেছে। ক্রমাগত সেগুলির নিঃসরণ এখন সাধিত হচ্ছে যা নানারূপে এবং বিক্রিয়ার ফসল হিসাবে মানবজাতির ধ্বংস সাধনে ক্রিয়াশীল হয়ে উঠেছে।
আমাদের মতো সাধারণ মানুষের ধারণায় এমনিতেই সঞ্চারিত হতো একটি ভয় যখনই শোনা যেতো অমুক পরাশক্তি অমুক জায়গায় একটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। ভাবতে বাধ্য হতাম কোন ছুতানাতায় যদি সেগুলির কণামাত্র ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে ছড়িয়ে পড়ে না জানি কি দূরবস্থা হবে দুর্ভাগা মানব জাতির। এ জাতীয় দুর্ভাবনার ক্ষেত্রও রয়েছে আমাদের সামনে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালীন সময়ে অপরাজেয় শক্তি জাপানকে বাগে আনতে মার্কিনীরা জাপানের দু’টো নগরীতে পারমাণবিক বোমা হামলা চালায়। সেই জায়গাগুলিতে যে ধ্বংসলীলা সাধিত হয়েছিলো সেটি ভাষায় বর্ণনা করা যায় না। আজ সেই নগরীগুলিতে ধ্বংসযজ্ঞের কোন চিহ্নমাত্র নেই। শুধুমাত্র একটি শহরে পারমাণবিক গম্বুজ বলে চিহ্নিত একটি দালানের খন্ডিতাংশ দাঁড়িয়ে রয়েছে স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে। অন্যদিকে প্রায় শতাব্দীকাল পেরিয়ে যাওয়ার পর এখনও সে সকল নগরীতে বিকলাঙ্গ বা বিকৃত চেহারার শিশুরা জন্মগ্রহণ করছে। কারণ সেই মার্কিন পরমাণু অস্ত্রের বিক্রিয়া এখনও রয়ে গেছে। প্রায় দুই দশক আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন (তৎকালীন) এর চেরনোবিল এলাকায় একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সংঘটিত দুর্ঘটনায় কি ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হয়েছিলো ভাবতে পারা যায় না। মাত্র দুই ঘন্টার বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রকল্প এলাকার সকল কর্মী, প্রকৌশলী, পরিবারবর্গ এবং অন্যসব কর্মকর্তা কর্মচারীদের সরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিলো বলে এতো প্রাণঘাতি হয়ে উঠতে পারেনি সেই এলাকাটি কিন্তু সেটি এখনো আছে। এটি একটি প্রাণসংহারী রূপ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটি সংবাদ মাধ্যমে দেখেছিলাম অগুণতি গাড়ি, ঘোড়া, যন্ত্রপাতি, মহামূল্যবান স্থাপনা সমূহ যেমন ছিলো তেমনি রয়েছে। বাড়িঘরের দরজা-জানালা খোলা, বারান্দায় কাপড় চোপড় মেলে রাখা অবস্থায় ফেলে রেখে সবাইকে প্রাণটি হাতে নিয়ে স্থানটি ত্যাগ করতে হয়েছিলো। এখনও সেখানে বিকিরণের মাত্রা রয়েছে বিপদ সীমার উপরের স্তরে। চেরনোবিল প্রকল্প থেকে মানুষজনকে উদ্ধার করে আনতে যে সকল যানবাহন ব্যবহার করা হয়েছিলো সেগুলিকেও সেই এলাকায় নিয়ে রেখে আসতে হয়েছিলো। কারণ পারমাণবিক দূষণ ক্রিয়ায় সেগুলিও সংক্রমিত হয়ে পড়েছিলো। বেশ কয়েক বছর আগে ভারতের ভূপালে অনুরূপ একটি দুর্ঘটনায় অসংখ্য প্রাণহানি ঘটেছিলো। সবকিছু সংবাদ মাধ্যম সমূহে জানতেও দেয়া হয়নি। জাপানেও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ জাতীয় দুর্ঘটনায় কেমনতরো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিলো সেটা এখনো মানুষের স্মৃতিপট থেকে মুছে যায়নি। অতি করিৎকর্মা, অতি দক্ষ জাপান সরকার ও তার জনগণকে একেবারে হতভম্ব করে দিয়েছিলো সেই দুর্ঘটনাটি। আমাদের দেশেও কয়েকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিপত্র সম্পাদনসহ আনুষঙ্গিক সকল কর্মই সমাপন করেছেন। আমাদের সরকার অতি সতর্কতার পরিচয় দিয়েছেন কাজে কর্মে। আগেভাগেই পারমাণবিক বর্জ্য সমূহ স্থাপনা তৈরির সাথে সংশ্লিষ্ট দেশটিকে আমাদের সামুদ্রিক বা ভূ-সীমার বাইরে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার নিশ্চয়তাসূচক চুক্তি স্বাক্ষরে রাজী করিয়েছেন। তারা নাকি এ সকল বর্জ্য অতি অবশ্যই নিজ দেশেই নিয়ে যাবে ফিরিয়ে। এটি অবশ্যই একটি স্বস্তিদায়ক সংবাদ বটে। তারপরেও এ জাতীয় প্রকল্প নিয়ে কানাঘুষাতো চলবেই।
একটি অজানা, অনামা রোগ সারা বিশ্বকে কাঁপিয়ে, নাড়িয়ে একেবারে ভয়কাতর বানিয়ে দিয়েছে। পরাশক্তিধররাসহ সকলেই এখন চাচা আপন প্রাণ বাঁচা অবস্থায় ত্রাহি-ত্রাহি রবে মেতেছেন। প্রায় পুরো বিশ্বই পারস্পরিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আমাদের সিলেট অঞ্চলের প্রবাসীদের জন্য কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। হুড়মুড়িয়ে বেশি সংখ্যক রোগী এসে পড়লে তখন বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। আজ যদি আমরা সিলেট নগরীর মধ্যস্থলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় কারাগার-০২টির পুরো ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারি অবশ্যই আমরা সুফল পাব। এই কারাগারটিতে রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসালয় এবং অন্যান্য সুবিধাবলী। কর্তৃপক্ষ এটিকে যদি কোয়ারেন্টাইন সুবিধাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ মানসিক ব্যাধি (নিরাময়) হাসপাতাল এ রূপান্তরিত করেন সেটি হবে একটি যুগান্তকারী এবং অতুলনীয় মানবিক একটি পদক্ষেপ। এ ব্যাপারে ত্বরিৎ ব্যবস্থা গ্রহণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুনয় দৃষ্টি কামনা করছি। অনুরূপভাবে সিলেট মহানগরী সংলগ্ন ইসলামপুরে অবস্থিত টেক্সটাইল মিলটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আশা করবো সরকার এটিকে বৃহত্তর সিলেটবাসীর জন্য উপহার স্বরূপ একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তুলবেন প্রয়োজনীয় বরাদ্দ, লোকবল, চিকিৎসা সামগ্রী সহ সবকিছুর আঞ্জাম দিয়ে। নতুন দেখা দেয়া রোগটির মতো মানসিক ব্যাধি ও ক্যান্সার ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে ও প্রতিরোধের অযোগ্য হয়ে পড়ে। দের আয়দ, দুরস্ত-আয়দ।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT