উপ সম্পাদকীয়

কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন

আফসান চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৩-২০২০ ইং ০০:১৯:৩৩ | সংবাদটি ২৩৬ বার পঠিত
Image

করোনাভাইরাস সম্পর্কে আলাপ করতে গেলে আমাদের প্রথমেই মনে রাখা দরকার, গত দুইশো বছরের মধ্যে পৃথিবীজুড়ে এত বড় স্বাস্থ্য সংকট আর হয়নি। আমরা ‘স্প্যানিশ ফ্লুর’ কথা শুনি, সেটা ১৯১৭ সালে। এর আগেরও এরকম বড় কিছুর কথা আর শুনতে পাই না। গত শতকে প্রথম মহাযুদ্ধ হয়েছে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ হয়েছে। কিন্তু জানমালের ক্ষয়ক্ষতির কথা বিবেচনা করলে তার চেয়েও বড় সংকট হয়ে দেখা দিতে পারে করোনাভাইরাস। আমরা এখনো জানি না, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রভাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে কিংবা এখানে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু বাকি পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে যেটা বোঝা যাচ্ছে, হুট করেই মানুষ এ সংকটে পড়েছে। কারোরই কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। যদিও এর আগে সার্স ভাইরাসসহ আরও কিছু ভাইরাসের মহামারী হয়েছে। এসবের প্রায় সবই একই অঞ্চল থেকে হয়েছে বা উৎপত্তিস্থল একই। ইবিওলা যেটা আফ্রিকায় হয়েছে সেটা আফ্রিকা থেকে বাইরে অতটা বেরিয়ে আসেনি। কিন্তু করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বায়নের যুগে এটা হয়তো অবধারিতই ছিল। বিশেষত যেহেতু এটা মানুষের শ্বাসপ্রণালিকে আক্রান্ত করে, ফলে এটা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে। এ বাস্তবতাটা মাথায় রেখে আমাদের বাকি আলোচনাটা করা উচিত। এ সংকটটা যে দুনিয়ার সমস্ত মানুষের গাফিলতির জন্য তৈরি হয়েছে এমন বাস্তবতা আছেই। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে, এত বড় একটা স্বাস্থ্য সংকট কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে তা কেউই জানে না।
এখন দেখা যাক, কোন কোন দেশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এটা যদি শুধু চীনে হতো তাহলে একটা কথা ছিল। কিন্তু এটা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার প্রায় সব দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীন সামলে নিয়েছে। কিন্তু ইউরোপ সামলাতে পারেনি। অনেক কারণে তারা সামলাতে পারেনি। সেখানে প্রথমে এটা সংক্রমিত হয়েছে ইতালিতে। তখন তারা বলছিল, চীন যেভাবে সামলাতে পারছে ইউরোপে সেটা প্রয়োগ করা যাবে না। চীন সামলাতে পারছে কারণ, চীন প্রবলভাবে নিয়ন্ত্রিত একটা রাষ্ট্র ও নিয়ন্ত্রিত একটা সমাজ। আমি গত (শুক্রবার) মালয়েশিয়াতে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। চীনে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কিছু ভিডিওর বর্ণনা দিচ্ছিলেন তিনি। চীন বারবার এরকম বৃহৎ সামাজিক সক্রিয়তার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে।
প্রথমত, এটা ভুলে গেলে চলবে না চীনারা একটা বিপ্লবী সমাজের মানুষ। চীন একটা কমিউনিস্ট পার্টি শাসিত দেশ কিন্তু সেখানে অর্থনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে পুঁজিবাদ। এরকম একটা বিপ্লবী সমাজ কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য দেশে নেই। আমি ভালো-মন্দের কথা বলছি না। বলছি এসব নিয়ন্ত্রণবাদী বৈশিষ্ট্য ও সামাজিক অভিজ্ঞতার কারণেই চীনারা এ ক্ষেত্রে সাফল্য পেয়েছে। যারা তাদের বিধিনিষেধ মানেনি তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ পদ্ধতির যতটা কাছাকাছি যে দেশ যেতে পারবে তারা হয়তো ততটা সফল হতে পারে। যারা পারবে না তারা কম সফল হবে। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেরই এ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সামর্থ্য নেই বলে বলা হচ্ছে। বিলাতের নেই, আমেরিকাতেও ওরা চিন্তিত। অর্ধেক মানুষ আক্রান্ত হলে কী হবে, এক-তৃতীয়াংশ মানুষ আক্রান্ত হলে কী হবে, এমন নানা অনুমান নানা পরিসংখ্যানের কথা আমরা শুনছি। কিন্তু আমরা তো আসলে জানি না কতভাগ মানুষ এতে আক্রান্ত হবে? আবার পশ্চিমা কিছু গণমাধ্যম এরই মধ্যে সতর্ক করেছে যে, সামনের শীতকালে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসতে পারে। এগুলো সবই আশঙ্কার কথা। প্রকৃত সত্যটা সম্ভবত কারোরই জানা নেই। এসব বিবেচনা মাথায় রেখেই বাংলাদেশের কথা আলোচনা করতে হবে।
বাংলাদেশ প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু প্রস্তুতি কতটা হতে পারত সে বিষয় আমি প্রশ্ন করতে চাই এ কারণে যে, বাংলাদেশ কিন্তু জনস্বাস্থ্য খাতে যথেষ্ট খরচ করেনি, যথেষ্ট প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করেনি। এর ফলে, এখন যখন করোনার মহামারী এসে হাজির হয়েছে, আমরা বলছি পরীক্ষা করার কিট নেই, চিকিৎসক-নার্সদের সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই, এটা নেই সেটা নেই। অবশ্যই নেই। কিন্তু আমাদের তো স্বাস্থ্য খাতের অন্য আরও অনেক কিছুই নেই। শুধু করোনাভাইরাসের জন্য আমরা অপ্রস্তুত তা নয়, সাধারণভাবেই স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় আমরা অপ্রস্তুত। আমি নিজে একসময় জনস্বাস্থ্য খাতের কাজে জড়িত ছিলাম। সে সময় আমরা টিকাদান কর্মসূচি সফল করেছিলাম। মানুষকে নিয়ে এগোতে হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে যে সামাজিক ঐতিহ্য আমাদের ছিল সেটা আর এখন নেই কিংবা সেসব প্রয়োগ করা হয় না। এর ফল হচ্ছে সমাজ থেকে সরকারের বিচ্ছিন্নতা।
একই সঙ্গে বলতে হয়, আমরা কিন্তু সামাজিক দায়িত্ব পালন করছি না। আর যদি সরকারের অদক্ষতা, সীমাবদ্ধতার কথা বলতে হয়, তাহলে প্রথমেই আসবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার ঘটনা সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে দায়িত্বহীনতার কথা। গত কয়েক মাসে যত প্রবাসী এসেছেন তাদের মধ্যে মাত্র আট ভাগকে ‘কোয়ারেন্টাইন’ করে রাখা হয়েছে। যদিও সরকার আইন করেছে, আদেশ নিষেধ দিয়েছে। কিন্তু ১০ জনের মধ্যে ৯ জনের ক্ষেত্রেই আমরা সফল না। এটাকে আমাদের দক্ষতার একটা সূচক হিসেবে দেখা যেতে পারে। আবার যারা বিদেশ থেকে এসেছে তারা সবকিছু করছে, ঘুরে বেড়াচ্ছে, বিয়ে করছে, বৌভাত করছে, বেড়াতে যাচ্ছে। বাজারে ঘুরছে এবং একজন বাজার করতে গিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারাও গেছে। এসব থামাতে সরকারকে জেল-জরিমানার পথে যেতে হচ্ছে। পৃথিবীর কয়টা দেশে মানুষকে আটকে রাখতে এসব করতে হচ্ছে? খুব একটা না। অর্থাৎ আমাদের সমাজের মানুষ নিজেরাও সতর্ক না, সচেতন না। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি একটা ‘অদক্ষ সরকার’ আর ‘অসচেতন জনগোষ্ঠী’ যখন একত্রে মিলিত হয় তখন বিপদের আশঙ্কাটা অনেক বেশি বেড়ে যায়। বাংলাদেশে এটাই ঘটছে।
আমার মতে এখন সরকারের আরও অনেক কঠোর হওয়ার প্রয়োজন আছে। আর সরকারের যে কাঠামো আছে সেটা দিয়ে এ পরিস্থিতি কতটা সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে আমি সন্দিহান। সবাই সন্দিহান। এজন্য সরকার যখন ঘোষণা করেছে যে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীকে যুক্ত করা হয়েছে, মানুষ কিন্তু একটু হলেও ভরসা পেয়েছে। কিছু মানুষ আছে যারা এর মধ্যেও রাজনীতি খুঁজে বেড়াচ্ছে কিংবা বলছে যে, সেনাবাহিনীকে যুক্ত করা ঠিক হবে কি না, তাদের কথা বাদ দিতে চাই। সেনাবাহিনী প্রশিক্ষিত শক্তি। আজকে মহামারী মোকাবিলায় আমাদের এমন সুসংগঠিত ও প্রশিক্ষিত শক্তিকেই মাঠে কাজ করানো দরকার। আরেকটা বিষয় হলো, দেশের মানুষ সেনাবাহিনীকে ভয় পায়, পুলিশ-আনসারকে ভয় পায় না। পুলিশকে দুইশো-পাঁচশো, পাঁচ-দশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে মানুষ অভ্যস্ত। সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে মানুষের সেই সুযোগ নেই। এজন্যই এ কাজে এখন সেনাবাহিনী প্রয়োজন।
এখন জরুরি বিষয় হলো, করোনাভাইরাসের বিস্তার যতটা সম্ভব প্রতিরোধ করা দরকার। পরীক্ষা, সুরক্ষা ও চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রয়োজন তো আক্রান্ত ব্যক্তির পরীক্ষা এবং চিকিৎসার জন্য। কিন্তু তার আগে দরকার যাতে নতুন সংক্রমণ কমানো যায় সেই উদ্যোগ। সেটা কী? এজন্য যেসব এলাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি এর মধ্যেই বেড়ে গেছে সেসব জায়গা ‘লকডাউন’ বলেন, ‘শাটডাইন’ বলেন, ‘কারফিউ’ বলেন, ক্ষেত্রবিশেষে প্রত্যেকটিই আমাদের প্রয়োগ করা দরকার। মালয়েশিয়াতে আমরা শুনলাম ওরা কারফিউ দিয়ে দিয়েছে। ভারতে ‘জনতা কারফিউ’ ঘোষণা করে জনসাধারণের চলাচল নিষিদ্ধ করে মানুষকে ঘরবন্দি করা হচ্ছে। আমাদের দেশেও এ ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। আরেকটা বিষয় হলো, মানুষ সম্ভাব্য পরিস্থিতি সামাল দিতে অসম্ভব কেনাকাটায় ঝুঁকছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও একই ঘটনা ঘটছে। করোনা মহামারীতে দেখা যাচ্ছে, সারা পৃথিবীর মানুষ একইরকম আচরণ করছে। আগে যে যেমনই থাকুক করোনার দিনগুলোতে সারা দুনিয়ার মানুষ আরেকভাবে মানুষের কাছাকাছি চলে এসেছে। যাক সেসব আরেক কথা। কিন্তু মানুষকে আশ্বস্ত করবে কে? সরকার বলছে, খাদ্যদ্রব্য-নিত্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। সরকারের জন্য এটা সুযোগ। সরকার প্রমাণ করুক যে তারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখন সেটা খুবই জরুরি। আর এ সময়ে যদি কেউ মজুদদারি-আড়তদারি-মুনাফাখোরী করে সরকারের উচিত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বাকি সবাইকে শিক্ষা দেওয়া এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ সামলানোর ব্যবস্থা করা।
দুনিয়াব্যাপী এমন একটা ভয়াবহ মহামারীর কালে জনসচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন জনসচেতনতা সৃষ্টিতে আলেম, সেলিব্রেটিসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে। অবশ্যই সবারই এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু একটা বড় সমস্যা হচ্ছে মানুষকে কীভাবে সচেতন করব? কোন ভাষায়? ধরুন এখন করোনার সংক্রমণ রোধে সবচেয়ে বেশি জরুরি হলো, ইতিমধ্যেই সংক্রামিত এবং সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে ‘কোয়ারেন্টাইন’-এ রাখা। কিন্তু সাধারণ মানুষ তো ‘কোয়ারেন্টাইন’ শব্দটাই বুঝতে পারছে না। বিদেশফেরত যে ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলো, গ্রামের মানুষ তাকে দেখতে আসছে! আত্মীয়-স্বজনরা দেখতে আসছে! এটা যেহেতু শুধু শহরাঞ্চল বা শিক্ষিত মধ্যবিত্তদের সংকট না, সারা দেশের ধনী-গরিব, শিক্ষিত-নিরক্ষর সবার সমস্যা, তাই মানুষকে সচেতন করার ভাষা তাদের বোঝাবার ভাষা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে।
‘কোয়ারেন্টাইন’ শব্দটি না বলে ‘ঘরবন্দি’ বলুন, ‘একঘরে’ বলুন। গ্রামের সাধারণ মানুষও এসব শব্দ বোঝে। মানুষকে বলুন এটা একটা ছোঁয়াচে রোগ। যারা বিদেশ থেকে এসেছে তাদের ‘একঘরে’ বা ‘ঘরবন্দি’ করে রাখতে হবে। তাকে কিছুদিন ‘অচ্ছুৎ’ করে রাখতে হবে যাতে যে মানুষটার করোনা রোগ হয়েছে তার বাড়ির লোকজনও যেন তাকে না ছোঁয়, তার কাপড়চোপড়-জিনিসপত্র, খাবারদাবার না ছোঁয়। তাকে একটা আলাদা ঘরে এমনভাবে রেখে খাবারদাবার চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে হবে যাতে অন্যরা কেউ আক্রান্ত না হয়। শহর-গ্রামের সব সাধারণ মানুষকে এভাবে বোঝানোর কাজটা এখন সরকারের, স্বাস্থ্যকর্মী, সমাজকর্মী, সংস্কৃতিকর্মী, গণমাধ্যমকর্মীদের সবার। এখন এমন একটা সময় যখন দেশের গণমাধ্যম, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক সব অঙ্গনের মানুষেরই দেশের মানুষের সুরক্ষায়-সেবায় এগিয়ে আসতে হবে। সবাই মিলে সেটা করতে না পারলে আমরা নিজেরাও নিরাপদ থাকতে পারব না।
লেখক : মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, শিক্ষক, সাংবাদিক।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • করোনাকালের ঈদোৎসব
  • মহাপূণ্য ও করুণার রাত শবে-কদর
  • মাহে রামাজান: যাকাত আদায়ের উত্তম সময়
  • দারিদ্র দূরীকরণে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
  • চীন-আমেরিকার শীতল যুদ্ধ
  • চাই আশার বাণী
  • কোভিড-১৯:সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • Image

    Developed by:Sparkle IT