স্বাস্থ্য কুশল

গাজরের উপকারিতা

জাহিদা চৌধুরী প্রকাশিত হয়েছে: ২৩-০৩-২০২০ ইং ০০:২৫:৩৬ | সংবাদটি ৬৮২ বার পঠিত
Image

গাজর এক প্রকার মূল জাতীয় সবজি। এর আদি নিবাস দক্ষিণ পশ্চিম এশিয়া এবং ইউরোপে। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক গাজরই চীন দেশে উৎপাদিত হয়।
নানা প্রকার খাদ্য তৈরিতে গাজর ব্যবহৃত হয়। গাজরকে বলা হয় সুপার ফুড। বিশেষ করে শীতকালীন সকল সাধারণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচাইতে ভালো সবজি হচ্ছে গাজর।
গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যার ফলে সর্দি ঠা-া ও কাশি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের দেহ-ই কাজ করে থাকে। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা কেরোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গাজরের মধ্যে ক্যারটিন বেড়ে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধে এবং রক্ত শুদ্ধিকরণের সাহায্য করে এই এন্টি অক্সিডেন্ট। তাছাড়া মুখের কালো দাগ দূর করে।
শারীরিকভাবে কর্মক্ষম থাকা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং চাপ মুক্ত থাকলে হার্ট সুস্থ থাকে। গাজর ডায়েটরি ফাইবার এবং এন্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকে।
এই উপাদানগুলো ধমনির ওপর কোন কিছুর আস্তরণ কমতে না দিয়ে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে হার্টকে সুস্থ রাখে।
কোলস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর ভীষণভাবে সাহায্য করে। গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি এবং সুগারের উপাদান খুবই কম। এছাড়া ডায়বেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে ফলে ওজন কমে।
গাজর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। এতে আছে বিটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ-তে বদলে যায়। পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
গাজর খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে। গাজরে আছে ক্যাল-কেরিনস এবং ক্যালকেরিন ডায়ল যা আমাদের শরীরে অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদানগুলোকে পূর্ণ করে। তাই গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
কোলেস্টেরল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর ভীষণভাবে সাহায্য করে। গাজরের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম এর মূল কারণ। গাজরে ক্যালরি এবং সুগারের উপাদান খুবই কম। গাজর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। গাজর ভালো অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে। এটি শরীরে কোন ক্ষত হলে তা ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। হৃদপিন্ডের নানা অসুখে এটি ভালো কাজ করে।
গাজরে উপস্থিত ভিটামিন এ লিভারে গিয়ে তাকে শরীর থেকে নানা ধরনের টক্সিন জাতীয় খারাপ উপাদান পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
সুন্দর ও সুস্থ সবল দাঁতের জন্য গাজরের জুড়ি মেলা ভার। গাজরের রস দেহে চর্বির মাত্রা কমায়। শরীরের যে সব কোলস্টেরল রক্তের মধ্যে মিশে রক্তে জমাট বেঁধে যায়। হৃদপিন্ড থেকে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছাতে বাঁধা তৈরি করে, সে সব কোলেস্টরলের পরিমাণ কমায় গাজর।
যে কোন বড় অস্ত্রোপচারের পর রক্তের ঘাটতি হয়। এই ঘাটতি পূরণ করে গাজর। মানুষের মেধাশক্তি বাড়াতে কাজ করে গাজর।
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু এবং খাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। এছাড়া তরকারী ও সালাদ হিসেবে গাজর খাওয়া যায়। তাছাড়া গাজর দিয়ে অনেক সুস্বাদু খাবারও তৈরি করা যায়। তবে রান্না করে খাওয়ার চেয়ে কাঁচা গাজর খাওয়া বেশি ভালো। এতে পুষ্টির অপচয় কম থাকে। গাজর স্বাদে অত্যন্ত সুস্বাদু পুষ্টিকর এবং আঁশ সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি।
গাজরকে সুপার ফুড বলা হয় কারণ, শীতকালীন সকল সাধারণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচাইতে ভালো সবজি হচ্ছে গাজর। গাজরের ভিটামিন ও মিনারেলস দেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
কোলেস্টোরেল এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গাজর ভীষণভাবে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

স্বাস্থ্য কুশল এর আরো সংবাদ
  • জুতায় কতদিন বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস?
  • হার্ট সুস্থ রাখা চাই
  • হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নে প্রচারণা
  • গাজরের উপকারিতা
  • রোগ প্রতিরোধে ডুমুর
  • তরমুজ এক উপকারী ফল
  • সকালের নাস্তা যখন সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি
  • করোনাভাইরাস থেকে বাঁচার উপায়
  • শাকসবজি ও ফলমূল কেন খাবেন
  • দৈনন্দিন জীবনে লেবুর চাহিদা
  • এ্যাপোলো হসপিটালে ভারতের প্রথম ইনভেসিভ ডবল কার্ভ কারেকশন সার্জারি
  • হাঁড়ের ক্ষয় রোগ : নীরব ঘাতক
  • আপনার সন্তানের চোখের যত্ন নিন
  • আয়োডিন স্বল্পতায় জটিল রোগ
  • শারীরিক শক্তি বাড়ায় যে খাবার
  • সুস্থতার জন্য পানি
  • রোগ প্রতিরোধে ডালিম
  • শীতে হাঁপানি এড়াতে কী করবেন
  • শীতে ঠোঁটের সুরক্ষা
  • এক জায়গায় বসে কাজ করার কুফল
  • Image

    Developed by:Sparkle IT