উপ সম্পাদকীয়

ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব

অ্যাডভোকেট আনসার খান প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০৩-২০২০ ইং ০০:৩১:৪৩ | সংবাদটি ১৪৪ বার পঠিত

ক্যাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর বৃহত্তম পানির অভ্যন্তরীণ দেহ এবং বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম। পার্সিয়ান উপসাগর ও সাইবেরিয়ার পরেই ক্যাস্পিয়ান সাগরের অবস্থান।
ক্যাস্পিয়ান সাগর ল্যান্ডলকড। কারণ এর মহাসাগরগুলোর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। ১৩০-টারও অধিক নদী ক্যাস্পিয়ান সাগরে প্রবাহিত হয়েছে; তবে ক্যাস্পিয়ানের কোনো পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ নেই। এটি ইউরোপ ও এশিয়ার সীমান্তে অবস্থিত। এর উপকূলে রয়েছে পাঁচটা-রাষ্ট্র; যেমন-পশ্চিমে রাশিয়া ও আজারবাইজান, এর উপরে কাজাখস্তান, পূর্বে তুর্কমেনিস্তান এবং এর দক্ষিণে ইরান।
উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে এ সাগরের দৈর্ঘ্য ৭৫০ মাইল এবং এর প্রস্থ প্রায় ২৭০ মাইল। এটির সোরলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় সাত হাজার মাইল এবং মোট আয়তন ১,৪৩,০০০ এক লাখ তেতাল্লিশ হাজার বর্গ মাইল। ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবে ক্যাস্পিয়ান সাগর নৌরুটের একটা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভোলগা এবং ইরান ও ট্রান্স ককেশিয়া এবং মধ্য এশিয়ার মধ্যে যোগসূত্র হিসেবে ভূমিকা রাখছে এবং মধ্যপ্রাচ্য মধ্য এশিয়ায় যাতায়াতের জন্য একটা করিডর বিস্তৃত হয়েছে।
ক্যাস্পিয়ান অঞ্চল গত কয়েক শতাব্দী ধরে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনতিক, ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক ক্রসরোড হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে এবং এখনো সে ধারা অব্যাহত আছে। বিশেষ করে ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলের তেলের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। ১৮৭১ সালের পরে ফরাসী রোথচাইল্ডস এবং সুইডিস নোবেলস এর মতো বৃহৎ তেল কোম্পানীগুলো এ অঞ্চলে তেলের কূপগুলো খনন করেছিলো এবং ঐ অঞ্চলের বাকু থেকে তেল রফতানীর উদ্দেশ্যে রেলওয়ে নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছিলো।
ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলে তেলের রিজার্ভের পরিমাণ নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা অত্রাঞ্চলে ১৭ হতে তেত্রিশ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে। তেলের এই বিপুল মজুদের কারণে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বৃহৎ শক্তিগুলোর দৃষ্টি ও প্রতিযোগিতা ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলে তীব্র রয়েছে-যা মাঝে-মধ্যে তীব্র উত্তেজনায় পর্যবসিত হতে দেখা যায়। বৃহৎ শক্তিগুলো নিজেদের জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা এবং সর্বোপরি অত্রাঞ্চলের নিরাপত্তার দোহাই তুলে ক্যাস্পিয়ানে নিজেদের আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার করতে সচেষ্ট হয়ে থাকে।
অপর এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলে আঠাশ বিলিয়ন ব্যারেল তেল ও ২৪৩ টিসিএফ গ্যাস মজুদ রয়েছে। ক্যাস্পিয়ান সাগরের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ তার তেলের মজুদের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ সৌদি আরবের প্রাকৃতিক গ্যাস সম্ভাবনার প্রায় সমান বলে অনুমান করা হয়।
এ সাগরের উপকূলবর্তী রাষ্ট্রগুলোর প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদের মজুদ নিয়েও ভিন্ন মত রয়েছে। তবে মজুদের দিকে ইরান রয়েছে শীর্ষে। ইরানের ১২৭২১০০ মিলিয়ন টন মজুদ রয়েছে বলে অনুমান করেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্থানে আছে রাশিয়া, তার মজুদের পরিমাণ ৬৮৮.৭৯ মিলিয়ন টন মজুদ রয়েছে। অন্যান্য রাষ্ট্র যেমন-কাজাখস্তানের মজুদের পরিমাণ ৬৭২.৯৫ মিলিয়ন টন, আজারবাইজানের ১৫০.৪২ মিলিয়ন টন, তুর্কমেনিস্তানের ৭৯.১৭ মিলিয়ন টন গ্যাস মজুদ রয়েছে। উপকূলীয় এ পাঁচটা রাষ্ট্রের সম্মিলিত গ্যাসের মজুদের পরিমাণ ২০৫১১.৩৩ মিলিয়ন টন বলে অনুমিত।
ক্যাস্পিয়ানের তেল ও গ্যাস কূপগুলোর অনুসন্ধান বহুবিধ সমস্যায় আছে। এর মধ্যে রয়েছে এর ল্যান্ডলকড ভৌগোলিক অবস্থান-যা দ্রুত তেল অনুসন্ধানের পাশাপাশি তেল-গ্যাস শক্তি পরিবহনে লজিস্টিক্যাল প্রতিবন্ধকতা।
বৃহৎ ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে তেল-গ্যাস নিয়ে যে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা বিশ্বব্যাপী চলছে-তার মধ্যে ক্যাস্পিয়ান অঞ্চল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফোকাল পয়েন্ট। নিম্ন বর্ণিত কারণে অত্রাঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি।
(১) তেল ও গ্যাসের মজুদ। তেল-গ্যাস-আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তেল-গ্যাস-সম্পদে সমৃদ্ধ অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ঐতিহাসিকভাবেই বৃহৎ শক্তিগুলো প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকতে দেখা গেছে। ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলেও তেল-গ্যাসের প্রচুর মজুদ রয়েছে বিধায় এ অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারে এবং আধিপত্য স্থাপনে বৃহৎ ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে পাওয়া যায়।
(২) ভৌগোলিকভাবে ক্যাস্পিয়ান অঞ্চল রাশিয়ার ককেশাস, ইরান, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান ইত্যাদির অবস্থান হলো ইউরেশিয়ান মধ্যস্থলে। এ অঞ্চল রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের জন্য, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, সাউথ ও পূর্ব এশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের সাথে রয়েছে প্রায় সারা বিশ্বের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক। ক্যাস্পিয়ানের প্রতি আগ্রহের এটাও কারণ।
ক্যাস্পিয়ান সাগর অঞ্চলে তেল-গ্যাস জ্বালানীর প্রাচুর্যতা, অববাহিকার রাষ্ট্রসমূহ ও বৃহৎ এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর কৌশলগত স্বার্থ, ভৌগোলিক অবস্থান ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ফ্যাক্টর সমূহ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার প্রশ্ন, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর আধিপত্য স্থাপনের প্রচেষ্টা ইত্যাদি সবকিছুর বিবেচনায় এ অঞ্চলটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বৃহৎ শক্তিগুলোর নিকট। তাই ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলে বিভিন্ন শক্তির উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়।
মধ্য এশিয়ার নতুন প্রজাতন্ত্রগুলোর জন্য (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা প্রাপ্ত) ক্যাস্পিয়ান সাগর কেবল তাদের একমাত্র নৌপথ নয়, এটা তাদের খাদ্য সম্পর্কিত পণ্যগুলোর একটা গুরুত্বপূর্ণ উৎসও বটে। এ সকল রাষ্ট্রের জন্য সমুদ্রে নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকার একটা মৌলিক জাতীয় লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞ লেখক স্টিফেন ব্ল্যাঙ্কসের মতে, ক্যাস্পিয়ান অঞ্চলের জ্বালানী ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও এর রফতানীর ওপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা সমস্ত ছোট-বড় ক্ষমতাশীল রাষ্ট্্রগুলোর প্রাথমিক লক্ষ্য। তাই অর্থনীতির চেয়ে রাজনীতি, পাইপ লাইন এবং বিনিয়োগ প্রকল্পগুলো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রকৃতি নির্ধারণ করে। এ অঞ্চলে আমেরিকান স্বার্থগুলো রাশিয়া বা ইরানকে ধারন করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়-এর মধ্যে রয়েছে তেল-গ্যাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা, মধ্যপ্রাচ্যের ওপর তার নির্ভরতা হ্রাস করা ও তেলের দাম কম রাখা এবং আমেরিকান তেল কোম্পানী ও নির্মাণ সংস্থাগুলোকে উপকৃত করা।
এই ভৌগোলিক অঞ্চলটা সমস্ত ধরনের কাঁচামাল, তেল ও গ্যাসের যোগান দিয়ে থাকে। তাছাড়া, সমস্ত যোগাযোগের রুটও এ স্থলভাগে বিদ্যমান রয়েছে। কাজেই আমেরিকা এই ভূ-কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলকে প্রভাবিত করতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইবে যাতে পশ্চিমা দেশগুলোর বিশ্ব চাহিদা পূরণের জন্য এই প্রয়োজনীয় কাঁচামালগুলো প্রবেশাধিকারে বাধা না দেওয়া হয়। সার্বিক অর্থে, আমেরিকা তার জাতীয় স্বার্থেই অত্রাঞ্চলে আধিপত্য স্থাপনের জন্য চেষ্টা করেই যাবে।
অন্যদিকে, এই অঞ্চলের অন্যতম খেলোয়াড় হলো রাশিয়া ও ইরান। চীনও এখানে প্রভাব বিস্তারে সচেষ্ট আছে। এই অঞ্চলে ভূ-কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার জন্য মস্কো তার সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর তার প্রভাবকে কাজে লাগাতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। এ অঞ্চলে রাশিয়ার মৌলিক নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো, চেচেন বিদ্রোহীদের সাময়িক, আর্থিক এবং মানবিক সহায়তার জন্য ট্রানজিট রুট হিসেবে এর ব্যবহারকে ব্যর্থ করা, এই অঞ্চলে তার নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারীদের প্রতিরোধ করা, এই অঞ্চলে তার পূর্বের সামরিক পরিকাঠামো রক্ষা করা, রাশিয়ার তেল-গ্যাস মজুদ ও পরিবহন রুটগুলো রক্ষা করা ইত্যাদি। অর্থাৎ এ অঞ্চলে রাশিয়া তার প্রভাব, নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বজায় রাখার জন্য সকল পদ্ধতি প্রয়োগ করবে-কেননা এ অঞ্চলের ৩টা রাষ্ট্র এক সময় তারই প্রজাতন্ত্র ছিলো।
অপরদিকে, বিশ্লেষক খালেক কিরানী জোর দিয়েছিলেন যে, ক্যাস্পিয়ানের ওপর নির্ভরতার মাধ্যমে আমেরিকা তার ভবিষ্যতের জ্বালানী সম্পদের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে পারে। তাছাড়া, ক্যাস্পিয়ান সমুদ্র অঞ্চলের জ্বালানী অনুসন্ধান ও পরিবহনের বিষয়ে রাশিয়ার আগ্রহ ইরানের প্রভাব বৃদ্ধির জন্য ইরানের নানা পদক্ষেপ আমেরিকা উদ্বিগ্ন এবং এদের প্রভাব খর্ব করতেই অত্রাঞ্চলে আমেরিকা যুক্ত থাকতে চাইছে। চীনও অত্রাঞ্চলে জড়িত হবে তার জাতীয় স্বার্থেই।
ক্যাস্পিয়ান সাগরের অংশ বিভক্তি কীভাবে হবে তা নিয়ে এ অববাহিকায় পাঁচটা রাষ্ট্র-রাশিয়া, ইরান, আজারবাইজান, কাজাখাস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছিলো এবং এ বিরোধ মীমাংসায় সকল পক্ষ একটা চুক্তিতে উপনীত হয়েছিলো ২০১৮ সালে। এটা আঞ্চলিক উত্তেজনা নিরসন করার জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সই হওয়া এ চুক্তিতে ২৪টা অনুচ্ছেদ রয়েছে-যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ইরান এ সাগরের ২০ ভাগ সম্পদের মালিকানা পেয়েছে; পূর্বে ইরানের মালিকানা ১১ ভাগ ছিলো।
এই চুক্তি অনুযায়ী এই সাগরে বাইরের কোনো দেশের সামরিক উপস্থিতি থাকতে পারবে না। এছাড়াও এ সাগর দিয়ে বাইরের কোনো সামরিক সরঞ্জাম পরিবহন করতে পারবে না। এছাড়াও সদস্য দেশগুলোর কেউ ক্যাস্পিয়ান সাগরে অবস্থিত নিজেদের কোনো সামরিক ঘাঁটি বাইরের কোনো দেশের নিকট হস্তান্তর করতে পারবে না।
উল্লেখিত বিষয়গুলো ক্যাস্পিয়ান সাগর অঞ্চলের গুরুত্বকে নির্দেশ করে যা বিশাল হাইড্রোকার্বন ও সামুদ্রিক প্রাকৃতিক সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ। এছাড়া, এ অঞ্চলের ভূ-কৌশলগত গুরুত্বও অনস্বীকার্য। তাই এ অঞ্চলের পাঁচটা নিটোরালাল রাষ্ট্রের দ্বিতীয় পক্ষী ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সুসংহত করা ও তাদের বিরোধগুলো কাটিয়ে ওঠার প্রয়োজন রয়েছে। তবেই এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।
পাঁচ উপকূলীয় রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অত্রাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করবে বলে তাই মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এবং পাঁচ দেশের এ চুক্তিকে আঞ্চলিক সংবিধান হিসেবে অভিহিত করেছেন কূটনৈতিকরা। সংকট সমাধানে বর্ণিত চুক্তি তথা এই সংবিধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে-এটাই আশার বিষয়।
লেখক : আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষক।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • ক্যাস্পিয়ান সাগরের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব
  • নিজগৃহে আমাদের এই উদ্বাস্তু জীবন
  • বেকারত্ব ও যুবসমাজ
  • আমার হাতেই আমার সুরক্ষা
  • কুড়িগ্রামের সুলতানা সরেবোর
  • স্মার্টফোনের আনস্মার্ট ব্যবহার
  • কোয়ারেন্টাইন না বলে ঘরবন্দি, একঘরে, ছোঁয়াচে বলুন
  • বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের বন্ধু
  • করোনা ভাইরাস ও করুণ পরিস্থিতি
  • পানির অপচয় রোধ করতেই হবে
  • বিশ্বনবী (সা) এর মিরাজ
  • বিদ্যুৎসাশ্রয় এবং আমাদের করণীয়
  • বেঁচে থাকি প্রাণশক্তির জোরে
  • রক্ত দিন জীবন বাঁচান
  • নদীকে না দেখলে নদীও আমাদের দেখবে না
  • করোনা ভাইরাসে থমকে গেল পৃথিবী
  • করোনা ভাইরাসে আমাদের করণীয়
  • বঙ্গবন্ধুর মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন
  • বঙ্গবন্ধু ও আমাদের শিশুরা
  • করোনা ভাইরাস ও দেশের অর্থনীতি
  • Developed by: Sparkle IT