ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন ‘মেশিনম্যান’

সেলিম আউয়াল প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০৩-২০২০ ইং ০১:২৭:৫১ | সংবাদটি ৭৫৯ বার পঠিত
Image

সিলেট থেকে বের হওয়া দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন একজন ‘মেশিনম্যান’। শুনতে হয়তো অবাক লাগে, কথাটা সম্পাদক নিজেই লিখেছেন তার আত্মজীবনীতে। অবশ্য ‘মেশিনম্যান’ পেশাটা তার মূল পেশা নয়। সংবাদপত্রের প্রকাশনা যাতে সিলেটের বাইরে থেকে আসা মেশিনম্যানদের হাতে জিম্মি না হয়, এইসব সংকট কাটিয়ে উঠতে তিনি আর তার ক’জন সহকর্মী মেশিনম্যানের কাজ শিখেছিলেন। এইভাবেই ‘মেশিনম্যান’ হয়ে উঠেছিলেন সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্র ‘পরিদর্শক’ পত্রিকার সম্পাদক বাগ্মী বিপিন পাল। তিনি ছিলেন সেই সময়ের ভারতবর্ষের প্রথম সারির একজন রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, বাগ্মী ও সাংবাদিক। ভারতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের ‘লাল বাল পাল’ নামে যে তিনজন নেতার কথা মুখে মুখে ফিরতো, তাদেরই একজন হচ্ছেন বিপিন চন্দ্র পাল। মহারাষ্ট্রের বালগঙ্গাধর তিলক, পাঞ্জাবের লালা লাজপত রায়, সিলেটের বিপিনচন্দ্র পালÑ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের বঙ্গভঙ্গের পূর্বে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্বাধীনতা সংগ্রামের ক্ষেত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। বিপিন পাল সম্পাদিত ‘পরিদর্শক’ পত্রিকাটিই হচ্ছে সিলেট থেকে বের হওয়া দ্বিতীয় সংবাদপত্র।
সেই সময়টায়, ১৮৮০ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিপিনচন্দ্র পাল সাপ্তাহিক পরিদর্শক পত্রিকাটি বের করেন। পত্রিকা বের করার প্রেক্ষাপট, সেই সময়ের মুদ্রণব্যবস্থা ইত্যাদির একটি সুন্দর ও তথ্যবহুল বর্ণনা বিপিন পাল তার আত্মজীবনীতে দিয়েছেন। বিপিন পাল ইংরেজিতে তার আত্মজীবনী লিখেছিলেন। পরবর্তীতে তা ‘আমার জীবন ও সমকাল’ শিরোনামে শুক্লা বন্দোপাধ্যায়ের অনুবাদে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদ প্রকাশ করে। বিপিন পাল তার আত্মজীবনীতে লিখেছেনÑ‘তখন সিলেটের সাপ্তাহিক খবরের কাগজের নাম ছিল ‘শ্রীহট্ট প্রকাশ’ বাবু প্যারী চরণ দাস প্রতিষ্ঠা করেন। কাগজটির এককালে খুব সুদিন গেছে। কিন্তু আমি ১৮৮০ সালে যখন সিলেটে ছিলাম কাগজটির তখন মৃতপ্রায় অবস্থা। তাছাড়া এই কাগজে নতুন চিন্তা ভাবনা ও নতুন জীবনের কোন বার্তাই থাকতো না। তাই একটি সীমাবদ্ধ দায়িত্বের অংশীদারী কারবার তৈরী করে আড়াই হাজার টাকার মূলধন নিয়ে একটি হাতে ছাপাযন্ত্র, প্রয়োজনীয় হরফ ও অন্যান্য মালপত্র কলকাতা থেকে আনানো হল। তখনকার দিনে সিলেটে খুব কমই কম্পোজিটর বা ছাপার কাজ জানা লোক ছিল। যে দু’চারজন ছাপার কাজ জানতো, তারা ‘শ্রীহট্ট প্রকাশ’ ছাপাখানায় কাজ করতো। খবরের সাপ্তাহিকটি বন্ধ হয়ে যাওয়া সত্বেও তারা নোটিশ ও জমিদারী কাগজপত্র ছাপাতো। কলকাতা থেকে কম্পোজিটর ও ছাপার লোক আনা হল। প্রতিবেশী শহর ময়মনসিংহ থেকে একজনকে আনা হল। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহে ‘ভারত মিহির’ নামের একটি সাপ্তাহিক খবরের কাগজকে ঘিরে ছাপাখানার ব্যবসা খুব রমরমা চলছিল। ১৮৮০ সালের মাঝামাঝি থেকে নতুন লোকজন নতুন মালমসলা নিয়ে নতুন বাংলা সাপ্তাহিক শুরু হল সিলেটে। আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হল এর সম্পাদক হতে। পিতা যখন সিলেটের বাড়ি থেকে আমাকে প্রায় বিতাড়িত করেন তখন আমি দুই সহকর্মী ব্রজেন ও রাজচন্দ্রের সঙ্গে লালদিঘির পূর্বপাড়ে একটি ছোট্ট দোতলা বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলাম। লালদিঘি আমাদের শহরের প্রধান বাজার, বন্দরবাজারের পেছনে অবস্থিত। ছাপাখানা এখানে তুলে নিয়ে আসা হল। আমরা দোতলায় থাকতাম, ছাপাখানা ছিল একতলায়। আমাদের নতুন বাংলা সাপ্তাহিকটির নাম ‘পরিদর্শক’। এই নামে ছাপাখানা নথিভুক্ত করা হল। ময়মনসিংহের ‘ভারত মিহির’-এর মত সিলেটের পরিদর্শকও জন্মমুহূর্ত থেকেই সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করল এবং অল্প কালের মধ্যে কেবল সিলেট নয়, সারা বাংলার শিক্ষিত জনমতের শক্তিশালী প্রবক্তারূপে গণ্য হল। আমরা সবাইÑআমি, ব্রজেন্দ্র, রাজচন্দ্র এবং রাধানাথও জাতীয় বিদ্যালয়, সংবাদপত্র ও ছাপাখানায় একসাথে কাজ করতে লাগলাম। এই আমার বাংলা সাংবাদিকতায় স্বাধীন দায়িত্বভার গ্রহণ ও পরবর্তী বৃত্তি নির্বাচনে আমার সিলেটের বন্ধুদের কাছে আমি ঋণী। ‘পরিদর্শক’ প্রেস আমাকে ছাপার কাজও হাতে ধরে শেখালো। কারণ দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যদি আমাদের ঠিক ঠিক এবং ভালভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হয় তাহলে গোড়া থেকেই আমাদের কলকাতার আমদানী করা লোকদের কবলমুক্ত হতে হবে। এর একমাত্র পথ হচ্ছে প্রিন্টারের কাজ শিখে নিতে হবে। বিষয় সাজাতে, প্রুফ দেখতে এবং মেশিনও চালাতে হবে। আমরা ক’জনই শীঘ্র এই শিল্প আয়ত্ব করে ফেললাম। আমাদের লোকজনের উপর এর একটি মনস্তাত্বিক প্রভাব পড়ল। তারা হৃদয়ঙ্গম করল অসভ্যতা বা অসহযোগ করে তারা আমাদের যদি বাধ্য করে ওদের ছাঁটাই করতে তৎক্ষণাৎ ‘তার’ করে কলকাতা থেকে একদল নতুন কম্পোজিটর আনিয়ে নেব। তাদের সিলেটে পৌঁছাতে যে দু, এক সপ্তাহ সময় লাগবে আমরা নিজেরা সেই সংখ্যাগুলি প্রকাশ করতে পিছপা হবনা।’
রাজনীতি ও সাংবাদিকতার প্রবাদ পুরুষ বিপিনচন্দ্র পাল ১৮৫৮ সালের ৭ নভেম্বর হবিগঞ্জের তরফ পরগনার পৈল গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা রামচন্দ্র পাল এক সময়ে ঢাকার জজকোর্টের পেশকার ছিলেন। পরে তিনি আইনজীবী ও মুন্সেফ হিসেবে কাজ করেন। মা ছিলেন নারায়ণী পাল। বিপিন পাল এক পর্যায়ে হিন্দু ধর্ম ছেড়ে ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষা নেন। শেষ জীবনে তিনি বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন।
অসাধারণ বাগ্মী, যুক্তিবাদী, সাংবাদিক, তার্কিক, সমাজ সংস্কারক ও সব্যসাচী লেখক ছিলেন বিপিন পাল। তিনি একজন সুবক্তা হিসেবে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পক্ষে দেশবাসীকে উদ্ধুদ্ধ করেন। তিনি সিলেট অঞ্চলের চা শ্রমিকদের উন্নয়নেও কাজ করেছেন।
বিপিন পালের বাংলা সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি হয় ‘ভারত সংস্কারক’ নামের একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায়। পত্রিকাটি সরাসরি ব্রাহ্ম সমাজের না হলেও ভারতীয় সমাজ সংস্কার সমিতি বা ইন্ডিয়ান সোশ্যাল রিফর্ম এসোসিয়েশনের মুখপত্র ছিলো। প্রতিবাদী ব্রাহ্মদের সাথে এর সম্পৃক্ততা ছিলো। ব্রাহ্ম সমাজের বিভেদের সময় ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দে পত্রিকাটির যুগ্ম সম্পাদক কালীনাথ দত্ত ও উমেশ চন্দ্র দত্ত একজন ‘সম্মানিক প্রতিবেদক’ হিসেবে ‘ভারত সংস্কারক’ পত্রিকায় বিপিন পালকে লেখার সুযোগ দেন। ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার BENGAL PUBLIC OPINION পত্রিকায় ইংরেজি সাংবাদিকতায় বিপিন পালের প্রথম হাতেখড়ি হয়। তিনি পত্রিকাটির সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় দু বছর এ পত্রিকার সাথে জড়িত ছিলেন। এ সময় তিনি ‘বঙ্গবাণী’ ও ‘ভারত মিহির’-এ নিয়মিত লেখতেন। কিছুদিন পর BENGAL PUBLIC OPINION - এর সংশ্রব ত্যাগ করেন তিনি লাহোর চলে যান এবং সেখান থেকে প্রকাশিত TRIBUNE পত্রিকার সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এর এক বছর পর তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন। কলকাতায় তিনি ‘ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরি’র লাইব্রেরিয়ানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর ‘ইউনিটোরিশান’ সোসাইটির বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ড চলে যান। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে NEW INDIA নামক সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করে তাতে ভারতবাসীর বৃটিশ সংশ্রব বহির্ভূত স্বাধীনতার বাণী প্রচার করেন। ‘বন্দে মাতরম’ পত্রিকায় নিয়মিত লেখতেন।
১৯০৮ সালে তিনি বৃটেন থেকে SWARAJ নামে একটি পাক্ষিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। সেখানে SWARAJ-এর চারটি সংখ্যা বের হয়েছিল। ১৯১২ সালে তিনি ‘হিন্দু রিভিউ’ নামে একটি মাসিক পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। মতিলাল নেহেরু এলাহাবাদ থেকে DAILY INDEPENDENT এবং WEELY DEMOCRAT পত্রিকা প্রকাশ করলে বিপিন পালকে সম্পাদক হবার আহবান জানান। তিনি পত্রিকা দুটোর সম্পাদক হন এবং মাসিক বারোশ টাকা সম্মানী লাভ করেন। এ ছাড়াও তিনি আলোচনা, কৌমুদী, FREEDOM AND FELLOWSHIP প্রভৃতি সম্পাদনা করেন। বাংলা ইংরেজি মিলিয়ে তিনি প্রায় ১৫টি সংবাদপত্র সম্পাদনা করেন। সেগুলো হচ্ছেÑবাংলা: মাসিক আলোচনা, কৌমুদী, বাংলার জনমত, (সহ-সম্পাদক বাংলা দৈনিক বন্দেমাতরম ও মাসিক সোনার বাংলা), ইংরেজি: ডেইলি বন্দেমাতরম, উইকলি বেঙ্গল পাবলিক অপিনিয়ন (সহ-সম্পাদক), লাহোরের উইকলি ট্রিবিউন (সহ-সম্পাদক), এলাহাবাদ থেকে উইকলি ডেমোক্রেট ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট, ফ্রিডম এন্ড ফেলোশিপ, মাসিক হিন্দু রিভিউ, উইকলি নিউ ইন্ডিয়া, লন্ডন থেকে পাক্ষিক (মতান্তরে মাসিক) স্বরাজ।
বিপিন পালের লেখনী ছিলো অত্যন্ত ক্ষুরধার। তিনি বাংলায় ১৪টি এবং ইংরেজিতে ৩৭টি বই লিখেছেন। তার লেখা উল্লেখযোগ্য বইÑ মহারাণী ভিক্টোরিয়া (জীবনী), শোভনা (উপন্যাস), জেলের খাতা, মার্কিন দেশে চার মাস, সত্তর বছর (আত্মকথা), ভারত সীমান্তে রুশ,

Memories of my life & time (vol. I & II), The new sprit, The soul of India, Madrs speeches, writing of BC pal.


বিপিন পাল ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২০ মে, ১৩৩৯ বাংলার ৬ জ্যৈষ্ঠ কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতির প্রতি সম্মান দেখাবার জন্যে ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু একসময় হবিগঞ্জের পৈল গ্রাম সফর করেন। বিপিন পাল ছিলেন তার মা বাবার একমাত্র ছেলে। ছাত্রবেলায় তিনি কলকাতায় ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করলে তার বাবা তার উপর ক্ষেপে যান। তাকে ত্যজ্যপুত্র ঘোষণা করে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করেন। তার বাবা রামচন্দ্র পাল সিলেটের কোর্টে প্র্যাকটিস করতেন। বিপিন পাল তার আত্মজীবনীতে সেই সময়ের আইনজীবীদের আদালতে যাবার চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন। আজকের সময়ে সেই দৃশ্যটি কল্পনাই করা যায় না। তিনি লিখেছিলেনÑ‘১৮৬৫/৬৬ সালে ব্রিটিশ রাজ কর্মচারীদের মধ্যে সিলেটে একমাত্র জেলা জজেরই একটি ঘোড়ায় টানা গাড়ি ছিলো। ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য রাজকর্মচারীগণ ছোট ঘোড়ায় চড়ে অফিসে যাতায়াত করতেন তাদের পদ মর্যাদা রক্ষার জন্য। বাঙ্গালী ভদ্রলোকদের মধ্যে একজনের একটি চার চাকার গাড়ি ছিল এবং ওই আইন ব্যবসার পেশা ছাড়াও তার ছিল বৃহৎ জমিদারী। পিতার এক সহবৃত্তি বন্ধুর একটি বগী ছিল, সেটি নিজে চালাতেন। বাকী সকল স্থানীয় ভদ্রমহোদয়গণ তাদের কর্মোপলক্ষে পদব্রজে যাতায়াত করতেন। সঙ্গে থাকতো একজন ভৃত্য যে এক বিরাট বাঁশের ছাতা বাবুর মাথায় ধরে থাকত এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মস্ত বোঝা পিঠে নিয়ে চলত। এই ছাতাগুলির ব্যাস চার থেকে ছ’ ফুট, শক্ত লম্বা বাঁশের আগায় বাঁধা। এই রকম রাজছত্রের ছায়ায় হাঁটা, রীতিমত অভিজাত ব্যাপার ছিলো সেকালে।’ রামচন্দ্র পাল মারা যাবার আগে তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের পৈল-এ ছেলে বিপিন পালের উপস্থিতিতে তার উইল পরিবর্তন করেছিলেন।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • বালাগঞ্জের বাতিঘর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়
  • বঙ্গবন্ধু ও গান্ধীজী
  • সিলেটের দ্বিতীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন ‘মেশিনম্যান’
  • একটি যুদ্ধ : একটি শতাব্দী
  • বালাগঞ্জের প্রাচীন জনপদ শিওরখাল গ্রাম
  • ভাটিপাড়া
  • সময়ের সোচ্চার স্বর সোমেন চন্দ
  • বঙ্গবন্ধুর সিলেট সফর ও কিছু কথা
  • বায়ান্নতেই লিখেছিলেন ‘ঢাকাই কারবালা’
  • জীবনের শেষক্ষণে অর্থ-স্বর্ণ সবই জড়পদার্থ
  • কমরেড বরুণ রায়
  • বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
  • নারী ভাষাসৈনিকদের কথা
  • মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবীর ওসমানী
  • ভাটির বাতিঘর সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ
  • মাওয়ের লংমার্চের ৪ বছর পর সিলেটিদের লং মার্চ
  • শহীদ মিনারের ইতিকথা
  • সিলেটের লোকসংগীত : ধামাইল
  • পর্যটক ইবনে বতুতার কথা
  • বই এল কোথা থেকে?
  • Image

    Developed by:Sparkle IT