উপ সম্পাদকীয়

আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সম্পর্কে নতুন মেরুকরণ

রায়হান আহমেদ তপাদার প্রকাশিত হয়েছে: ২৯-০৬-২০২০ ইং ০১:৫০:১৫ | সংবাদটি ১১৬ বার পঠিত
Image

ভাইরাসের বিশ্বায়ন বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি বিশ্বের আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের গতিপ্রকৃতিতেও নতুন মাত্রা যুক্ত করবে এবং সেখানেও মুখ্য ভূমিকায় থাকবে চীন। বিশ্বের অনেক দেশই নিজেদের পররাষ্ট্রনীতি চীনমুখী করে ঢেলে সাজাতে বাধ্য হবে। ভাইরাসের বিশ্বায়ন পরবর্তী দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক । রাজনৈতিক কূটনীতিতেও পরিবর্তন আসবে। দক্ষিণ এশিয়ায় সঙ্গত কারণেই চীনের প্রথম পছন্দের তালিকায় থাকবে ভারত। ভারত। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চীনমুখী পররাষ্ট্রনীতিকে প্রাধান্য দিবে বলেই মনে করা হচ্ছে। চীন-ভারত সম্পর্কের উষ্ণতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সাথে চীনের ঐতিহাসিক সম্পকের্র উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গতি প্রকৃতি নির্ণয়ে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক কূটনীতিকেই সব রাষ্ট্র প্রাধান্য দিয়ে আসছে। ভাইরাসের বিশ্বায়ন পরবর্তী বিশ্বে চীনকে বাদ দিয়ে অর্থনৈতিক কূটনীতি সাজানো অসম্ভব। বাংলাদেশকে তাই এখনই চীনের সাথে সম্পর্কের গতি প্রকৃতি নির্ণয়ে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। সর্বোপরি ভাইরাসের বিশ্বায়ন যে প্রশ্নটি বিশ্ববাসীর সামনে এনে দিয়েছে তা হল বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে কি থাকবে না। নিয়ন্ত্রণের লাগাম কি চীনের হাতে চলে যাচ্ছে কিনা। চীন অনেকদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্যকে খর্ব করার জন্য বিভিন্ন কৌশলে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। বিশ্ব বাজার দখলের প্রতিযোগিতায় ইতোমধ্যে চীন যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এর মাঝেই বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রকের জায়গাটি চীন নিজেদের করে নিবে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনকি ভাইরাসের বিশ্বায়ন বিশ্বে ক্ষমতার নতুন মেরুকরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী তৈরী পণ্য এবং শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল সরবরাহ চেইনের প্রায় ৭০ শতাংশ ইতোমধ্যে চীনের দখলে। যুক্তরাষ্ট্র , যুক্তরাজ্য ও ইইউ এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো ভাইরাসের বিশ্বায়নের আগ্রাসনে নিজ নিজ অভ্যন্তরীণ বেকারত্ব, খাদ্য সমস্যা, পুঁজি সংকট, বাণিজ্য ঘাটতি, শিল্প উৎপাদন, বাজেট ঘাটতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়ার কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই রাষ্ট্রগুলোর দীর্ঘদিনের আধিপত্য ও প্রাধান্য ক্ষুণ্ণ হবে ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন, বাণিজ্যিক চুক্তি এবং জলবায়ু উন্নয়ন ও বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের মতো বৈশ্বিক উদ্যোগগুলোর উপর নিজেদের অর্থ সঙ্কটের কারণে পশ্চিমা বিশ্ব নিজেদের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হবে। ফলে চীনের সামনে অবারিত হবে নিজের ক্ষমতাকে আরো শক্তিশালী করারও বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে প্রকল্প সাহায্য, কারিগরি সাহায্য, বিনিয়োগসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চীন ইতোমধ্যে নিজেদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। ২০১৫ সনে চীনের নেতৃত্বে ব্রিকস এর সদস্য রাষ্ট্র চীন, রাশিয়া, ভারত, ব্রাজিল ও সাউথ আফ্রিকা নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এনডিবি নামে যে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে ক্রমান্বয়ে এর কর্মপরিধি ও সদস্য সংখ্যাও বাড়ানো হবে বলে বলা হচ্ছে। এই ব্যাংক শক্তিশালী হলে বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফ দুর্বল হয়ে পড়বে যা প্রকারান্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাকে কমাবে; কারণ সবাই জানে বিশ্ব ব্যাঙ্ক ও আইএমএফ এর উপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকায় বর্তমানে অনেক রাষ্ট্রই যুক্তরাষ্ট্রকে সমীহ করে যদিও করোনাভাইরাস মহামারি সংক্রমণের আগে থেকেই বিশ্বায়ন নিয়ে সংকট ছিল।
চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং অর্থিক সংঘাতের কারণে কয়েক দশক ধরে বিশ্ব শাসন করা এই উন্মুক্ত বাণিজ্যব্যবস্থা করোনা আসার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এখন লকডাউন, বন্ধ করে দেওয়া সীমান্ত এবং বিঘ্নিত বাণিজ্যের কারণে আরো সঙ্গিন অবস্থায় পড়েছে বিশ্বায়ন। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় হিথ্রো বিমানবন্দরে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৯৭ শতাংশ। মেক্সিকোর গাড়ি রপ্তানি এপ্রিলে ৯০ শতাংশ পড়ে গেছে। প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে কন্টেইনারবাহী জাহাজের আনাগোনা শুধু মে মাসেই বাতিল হয়েছে ২১ শতাংশ। অর্থনীতিগুলো খুলে দেওয়ার পর এসব তৎপরতা কিছুটা বাড়বে। তবে মুক্তভাবে চলাফেরা করা এবং মুক্ত বাণিজ্যের স্বস্তিকর বিশ্বে আমরা খুব শিগগিরই ফিরতে পারব-এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। এই মহামারি ভ্রমণ ও অভিবাসন কমিয়ে মানুষকে আত্মমুখী করে তুলবে। এই প্রবণতা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে ধীর করবে, ঝুঁকি বাড়িয়ে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়াবে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যুগে যুগে পরিবর্তন এসেছে। চীন এখন বিশ্বের প্রধান কারখানায় পরিণত হয়েছে। সীমান্তগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে মানুষ আর পণ্যের চলাচল, রাজধানী আর তথ্যের জন্য। ২০০৮ সালে লেম্যান ব্রাদার্স বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বহু ব্যাংক ও বহুজাতিক কম্পানি তাদের তৎপরতার রাশ টেনে ধরে। এর পরই আসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য লড়াই। গত বছর উহানে যখন ভাইরাস ছড়াচ্ছিল তখন চীনা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক ছিল ১৯৯৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। এশিয়া থেকে পশ্চিমের দিকে এক ধরনের বিপর্যয় ছড়াতে শুরু করে গত জানুয়ারি থেকে। কারখানা, দোকান ও দপ্তরগুলো বন্ধ হতে থাকে। চাহিদায় ধস নামে।
অবশ্য সব পণ্যের ক্ষেত্রেই এ কথা সত্য নয়। খাদ্যের চাহিদা রয়েছে। অ্যাপল জানিয়েছে, তারা আইফোন উৎপাদন অব্যাহত রাখবে। তবে চিকিৎসা সরঞ্জাম ছাড়া চীনের পণ্য রপ্তানি এখনো বন্ধ। তবে এই পরিস্থিতির সামগ্রিক প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ। ৯০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন এর পতনের পর যখন এককেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে উঠে তখনই গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়ন ধারণাটি ব্যাপক আলোচনায় আসেও এককেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী পশ্চিম ইউরোপের ধনী রাষ্ট্রগুলো বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, বাজার, পুঁজি, বিনিয়োগ, তথ্য ও সংস্কৃতির উপর নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিশ্ববাসীর সামনে বিশ্বায়নের প্রেসক্রিপশন উপস্থাপন করে এবং ক্রমান্বয়ে তা কার্যকরও করে। এতে করে পশ্চিমা বিশ্বের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হলেও সবকিছু এলোমেলো করে দিয়েছে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত উপাদান ‘করোনাভাইরাস’ এবং এর বিশ্বায়নও বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার অন্যান্য অনুষঙ্গ ও উপাদানের সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত হওয়া উপাদানটির চাহিদাগত একটি পার্থক্য রয়েছে; ইতোমধ্যে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় কার্যকর উপাদানগুলো নিয়ে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলেও পুঁজিবাদী বিশ্বের ছিল অপরিসীম আগ্রহ। কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযুক্ত উপাদান করোনাভাইরাস নামের এই মরণ ঘাতকের বিশ্বায়ন চায়নি কেউই। কিছু রাষ্ট্র পুঁজি ও বাণিজ্যের বিশ্বায়ন চাইলেও কিছু রাষ্ট্র চায়নি। কিন্তু কোনো রাষ্ট্রই চায়নি এই মরণ ঘাতকের বিশ্বায়ন। প্রকৃতি বড় নিষ্ঠুর; বিশ্বব্যাপী প্রথমবারের মতো একটি বিষয়ে ঐকমত্য দেখা গেলেও কারও চাওয়া না চাওয়াকে গুরুত্ব না দিয়ে এই ভাইরাস বিশ্বের প্রায় সব রাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করে নিজেকে বিশ্বায়িত করেছে আপন গতিতে।
এছাড়া অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নে ধনী রাষ্ট্রগুলো ব্যাপক সাফল্য নিজেদের ঘরে তুললেও ভাইরাসের বিশ্বায়ন তাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থাকে হুমকিতে ফেলে দিয়েছে যা সামাল দিতে কতটা সফল হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। বিশ্বায়নের সব উপাদানগুলোতে ছিল গতিশীলতা; তবে নতুন সংযোজিত উপাদান ‘ভাইরাস’ বিশ্বায়িত হয়েছে অতি দ্রুত কিন্তু থামিয়ে দিয়েছে সমগ্র বিশ্বের গতিকেও তাই ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব রাষ্ট্রই ভাইরাসের বিশ্বায়নকে স্বাগত না জানালেও প্রতিহত করতে পারেনি। আমেরিকার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ব্যপক ক্ষয় সারা বিশ্বের কাছেই স্পষ্ট হয়েছে। করোনা পূর্ববর্তী সময়ে আমেরিকার অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ক্রমাগত সংঙ্কুচিত হচ্ছে কিন্তু তার থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক ও সামরিক সামর্থ্যরে সংঙ্কোচন ঘটেছে। আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্য বিশেষত ইরানের ক্ষেত্রে আমেরিকার যে পরিমাণ সমঝোতা করতে হয়েছে তাতে বিশ্বের প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি হিসেবে তার ভাবমূর্তি ও সামর্থ্যরে ব্যাপক ক্ষয়কে সূচিত করেছে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর-এর এশিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সম্মানিত ফেলো এবং প্রাক্তন কূটনীতিক কিশোর মহবুবানি মনে করেন কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্ব অর্থনীতির কোন মৌলিক দিক পরিবর্তন করবেনা। এটা শুধুমাত্র এমন পরিবর্তনকেই ত্বরান্বিত করবে যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছিলো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেন্দ্রিক বিশ্বায়ন থেকে চীন কেন্দ্রিক বিশ্বায়নে চলে যাওয়া আমেরিকার সামনে দুটো রাস্তা খোলা-যদি তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হয় নিজেদের বিশ্বের সর্বোচ্চ শক্তি হিসেবে জাহির করা তবে তাদের চীনের সঙ্গে নিস্ফল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক প্রাধান্য বজায় রাখার দ্বন্দে অবতীর্ণ হতে হবে।
আর যদি আমেরিকার লক্ষ্য হয় নিজের নাগরিকদের জীবনের মান উন্নয়ন-যাদের সামাজিক অবস্থানের ইতিমধ্যেই অবনতি হয়েছে, তাহলে তাদের চীনের সঙ্গে সহযোগিতার পথ নিতে হবে। বিজ্ঞ পরামর্শদাতারা নিশ্চয়ই সহযোগিতা পূর্ণ সম্পর্কের পথকেই উত্তম বলে পরামর্শ দেবেন। যদিও আমেরিকার আজকের বিদ্বেষপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চীনের সঙ্গে সুসম্পকের্র পরামর্শ দেওয়া বিশেষজ্ঞদের মতামত কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এবং পরবর্তী পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে চীন বিশ্বের সমস্ত দেশের থেকে এগিয়ে রয়েছে। কর্তত্ববাদী রাষ্ট্র ও একচেটিয়া ব্যবস্থার সুযোগে চীনের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ উদ্বৃত্ত জমা হয়। এর ফলে চীনে রাষ্ট্রের হাতে বিপুল পুঁজি রয়েছে যাকে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজে লাগাতে পারবে। যা আমেরিকা বা ইউরোপের উন্নত দেশগুলির অধিকাংশ রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া করোনাভাইরাস মহামারী কেবল অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবই ফেলবে না, বরং আরও মৌলিক পরিবর্তনের দিকে পদক্ষেপ করবে।
লেখক : কলামিস্ট।

 

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • মালাক্কা প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব
  • ইতিহাসের আলোকে অর্থনৈতিক মুক্তি
  • পাখি, মশা, ভাইরাস, অতঃপর আরো কিছু!
  • বিশ্বজনসংখ্যা দিবস
  • উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা প্রসঙ্গ
  • বদলে যাওয়া পৃথিবী
  • কৃষিতে আমাদের অগ্রযাত্রা
  • মানুষের জীবনে বৃক্ষের অবদান
  • শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের পদক্ষেপ
  • বাংলাদেশ পারে, আমরা ভুলে যাই
  • সমাজ, সময় এবং মানুষের লড়াই
  • করোনাকালে শিক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা
  • বিশ্বনেতৃত্বে চীনের সম্ভাবনা কতটুকু
  • প্রসঙ্গ : হিন্দু ব্যক্তির মরদেহ সৎকার
  • সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করণীয়
  • করোনা ও মানবিক সহযোগিতা
  • চীন-ভারত স্নায়ুযুদ্ধ : বাংলাদেশে প্রভাব
  • মানব পাচার আইনের প্রয়োগ
  • কৃষিই হোক একুশ শতকের প্রধান অবলম্বন
  • স্বাস্থ্যবিধি মানলে প্রশমিত হবে করোনা
  • Image

    Developed by:Sparkle IT