উপ সম্পাদকীয়

মালাক্কা প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্ব

অ্যাডভোকেট আনসার খান প্রকাশিত হয়েছে: ১৪-০৭-২০২০ ইং ০৫:২৪:১৪ | সংবাদটি ১৭৬ বার পঠিত
Image

নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময়ে আলোচনা করেছেন, এখনও এধরণের আলোচনা-পর্যালোচনা অব্যাহত আছে।
মালাক্কা প্রণালী নিয়ে আলোচনার শুরুর পর্যায়ে এটা জানা দরকার যে, প্রণালী বিষয়টা কী? প্রণালীকে ভৌগোলিক এবং আইনি দিক থেকে ব্যাখ্যা করা যায় ভৌগোলিক দিক থেকে, "প্রণালী" হলো একটা সংকীর্ণ সাগর পথ, যা দুটি স্থল অঞ্চলকে পৃথক করার পাশাপাশি দুটি জলাঞ্চলকে (টু ওয়াটার বডিজ) সংযুক্ত করে ভৌগোলিক সংজ্ঞায়, প্রণালীর বর্ণনায় চারটা মৌলিক মানদ- না থাকলে একে প্রণালী বলা যাবে না সেগুলো হলো-
১. প্রণালী অবশ্যই কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট হবে না যেমন, মানবসৃষ্ট একটা ক্যানেল প্রণালীর মতোই একই ধরণের কাজ করে কিন্তু ক্যানেল সাগরের প্রাকৃতিক বা স্বাভাবিক সৃষ্ট বাহু না হওয়ায় ক্যানেলকে প্রণালী বলা হয় না প্রণালী প্রাকৃতিক সৃষ্ট এবং সাগরের বাহুর ন্যায় কাজ করে, ২. দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতায় প্রণালীর সীমাবদ্ধতা থাকতে হয়, ৩. প্রণালী অবশ্যই সাগরের দুটি অংশকে বিভাজন করবে এবং ৪. সাগরের দুটি অংশকে অবশ্যই সংযুক্ত করতে হবে প্রণালীকে।
অতি প্রাচীনকাল থেকেই বিশ্বের জাতিগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিভিন্ন দ্রব্যের আদানপ্রদান প্রচলিত আছে এবং এর প্রায় সবটাই নৌ ও সমুদ্র পথে সম্পন্ন হয়ে থাকে বিশ্ববাণিজ্য ও উৎপাদিত জ্বালানী সম্পদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে দিতে ব্যবহৃত সমুদ্র পথে মালবাহী জাহাজ, ট্রলার ইত্যাদিকে কতকগুলো চোকপয়েন্ট বা প্রণালী অতিক্রম করতে হয় বিশ্বে এমন আন্তর্জাতিক চোকপয়েন্ট বা প্রণালীর সংখ্যা প্রায় ২৫০টি, যেগুলো গোটা বিশ্বকে এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক জোন (ইইজেড) এবং সাগর-মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
এসব চোকপয়েন্ট বা প্রণালীর অন্যতম গূরুত্বপূর্ণ একটি প্রণালী হলো- "মালাক্কা প্রণালী"।
পঞ্চদশ শতাব্দীতে মালাক্কা সালতানাতের উত্থানের পরবর্তী সময়কাল থেকেই মালাক্কা প্রণালীর গুরুত্ব ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ১৪০০খ্রীঃ হতে ১৫১১খ্রীঃ পর্যন্ত মালাক্কা সুলতানি শাসনামলে এ প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছিলো "মালাক্কা প্রণালী" এর পূর্ব নাম ছিলো "মেলাকা" প্রণালী জোহর সুলতানি ও আধুনিক সিঙ্গাপুরের উত্থানের সাথে সাথে এ প্রণালীর বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য নেটওয়ার্ক প্রসারিত হতে থাকে এবং এখন অবধি মালাক্কা প্রণালীর গুরুত্ব বিশ্ব পরিম-লে স্বীকৃত।
তবে এ প্রণালী যে, কেবল বাণিজ্যিক ও শিপিং লাইনের কারণেই গুরুত্বপূর্ণ তা নহে, বরং সামরিক ও ভূকৌশলগত এবং ভূরাজনৈতিক কারণেও মালাক্কা প্রণালী সূদুর প্রাচীন ঐতিহাসিককাল থেকে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবে স্বীকৃত ছিলো এবং একবিংশ শতকে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর অন্জ্ঞলে, আঞ্চলিক এবং বিশ্বের বৃহৎ শক্তিগুলোর, অর্থ্যাৎ আমেরিকা, চীন, ভারত, জাপান ইত্যাদি দেশসমূহের ক্ষমতাকেন্দ্রীক আধিপত্য বিস্তারের রাজনীতির অন্যতম উত্তেজক স্পটে পরিণত হয়েছে মালাক্কা প্রণালী অন্যদিকে, এশিয়ার দুটি নিকট প্রতিবেশী রাষ্ট্র, চীন ও ভারত এ প্রণালীতে কর্তৃত্ব স্থাপনে বেশ তৎপর রয়েছে।
মালাক্কা প্রণালীর পশ্চিম প্রান্তে মালাক্কা প্রণালীর উত্তর প্রবেশ মুখে রয়েছে ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ফলে এখানে ভারতের ভূখ-গত স্বাভাবিক মালিকানা ও আধিপত্য রয়েছে বিধায় চীনের চেয়ে ভারত বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এখানে চীনের স্বাভাবিক কোনো আধিপত্য না থাকায় চীন বেশ বেকায়দায় আছে একারণে যে, চীন হলো বিশ্বের প্রধান অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, গেল বছর চীন রেকর্ড পরিমাণ সর্বোচ্চ ৪৬০ মিলিয়ন টন তেল আমদানি করেছে চীনের আমদানিকৃত তেলের ৮৪শতাংশই মালাক্কা প্রণালী হয়ে আসে তেল হচ্ছে চীনের বৃহৎ অর্থনীতি,শিল্প ও প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের মূল উপাদান আর এ তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ইত্যাদির দেশগুলো থেকে এসব আমদানিকৃত তেল চীনে পৌঁছানোর মূল বাণিজ্য রুট হলো মালাক্কা প্রণালী এর প্রবেশ মুখে ভারত বাধার সৃষ্টি করলে চীনের অর্থনীতির, সামরিকায়ন তথা জাতীয় উন্নয়নের জন্য তা হবে বিপজ্জনক তাই মালাক্কা প্রণালীর ওপর কোনো প্রতিবন্ধকতা মেনে নেবে না চীন ফলে মালাক্কা নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে সামরিক সংঘাতের শংকা থেকেই যায়।
এ প্রণালী ঐতিহাসিকভাবে শ্রীভিজায়া, আচেহ, মেলাকা, জোহর এবং আরও সাম্প্রতিককালে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো লিটোরাল রাষ্ট্র গঠনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে বিশেষ করে সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো লিটোরাল রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশের জন্য মালাক্কা প্রণালী প্রচুর সুযোগ সৃষ্টি করেছিলো।
মালাক্কা প্রণালী বিশ্বশক্তিগুলোর উত্থান-পতনেরও কেন্দ্র হয়ে ওঠেছিলো সেই দশম শতাব্দী থেকেই বিশ্বশক্তিগুলো অত্রাঞ্চলে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য এ প্রণালীর ওপর আধিপত্য স্থাপনের জন্য সংঘাতে জড়িয়েছিলো ষোড়শ শতকে প্রথমে পর্তুগীজরা মালাক্কা দখল করে নিয়েছিলো পরবর্তীতে এ প্রণালীর ওপর দখল প্রতিষ্ঠা করেছিলো ডাচ, ফরাসী ও বৃটিশরাজ ১৯৪২ সালে সিঙ্গাপূরের ওপর জাপানের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে মালাক্কা প্রণালীও জাপানের দখলে চলে গিয়েছিলো অর্থ্যা শতাব্দীর পর শতাব্দী মালাক্কা প্রণালী নিয়ে বিশ্বশক্তিগুলো আধিপত্য স্থাপন ও ক্ষমতার জন্য লড়াই করেছে, একে অন্যের ওপর বিজয় অর্জন করে ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম করেছিলো ক্ষমতার এ হাতবদলের কারণে এ অঞ্চলে বিভিন্ন জাতির সংস্কৃতি ও সমাজের বিকাশের কেন্দ্র হয়ে ওঠেছিলো মালাক্কা প্রণালী অর্থ্যাৎ মালাক্কা প্রণালী ছিলো বহু জাতিসমুহের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ভাষার আদান-প্রদানের চৌরাস্তা বা ক্রসরোড আর এভাবেই বিভিন্ন প্রধান আঞ্চলিক শক্তি ও বিশ্বশক্তিগুলো ঐতিহাসিক সময়কাল থেকে এ প্রণালীটি দখল ও নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং সাথে নিয়ে এসেছিলো নিজ নিজ ভাষা, সংস্কৃতি, প্রথা ইত্যাদি।
আন্দামান সাগর ও করিমাতা প্রণালীর মধ্যস্থানে অবস্থিত মালাক্কা প্রণালীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০০ (আটশ) কিলোমিটার, এর গড় গভীরতা ২.৮ কিলোমিটার (১.৫ নটিক্যাল মাইল) এবং প্রস্থতা গড়ে ৫০ হতে ৩৫০ কিলোমিটার এর সংকীর্ণ প্রস্থতা হলো ২.৫ কিলোমিটার এটা বিশ্বের অন্যতম সংকীর্ণ শিপিং লাইন।
মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ চীন সাগর হয়ে বার্মা সাগর অতিক্রম করে বিশ্বের ব্যস্ততম কমার্শিয়াল ক্রসিং ও কৌশলগত স্থান বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করেছে এ করিডোর সমেত মালয় পেনিনসূলার পশ্চিম উপকূল ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ হয়ে বিশ্বের মেরিটাইম ব্যবসার কমপক্ষে ৬০ শতাংশ এশিয়ার চীন, জাপান ও অন্যান্য কনজ্যুমার দেশগুলোতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পাদিত হয়ে থাকে এবং প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জাহাজ চলাচল করে এ নৌরুট দিয়ে এ ভৌগোলিক পয়েন্ট সমগ্র ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওখানকার জাহাজ চলাচলের অবাধ স্বাধীনতা তথা ফ্রিডম অব নেভিগেশন ও সীলাইনের নিরাপত্তা অপরিহার্য বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত যখনই এর নিরাপত্তা ও নৌযান চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি হবে বা কোনো শক্তি সমুদ্র পথে প্রতিবন্ধকতার চেষ্টা করবে তখনি সামরিক সংঘাতের আশংকা দেখা দিতে পারে।
মালাক্কা প্রণালী হলো জ্বালানী তেল ও পেট্রোলিয়াম মওজুদ সমৃদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ আফ্রিকান দেশগুলোর সাথে পূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশগুলোর যোগাযোগের সেতুস্বরূপ এ প্রণালীর মাধ্যমে বিশ্ববাণিজ্যের প্রায় ষাট শতাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পাদিত হয়ে থাকে এবং প্রতি বছর প্রায় এক লাখের অধিক বাণিজ্য জাহাজ এ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে মালয়েশিয়ান গবেষণা সংস্থা, মেরিটাইম ইন্সটিটিউটের হিসেব মতে, এ প্রণালী দিয়ে বছরে সর্বোচ্চ ১২২৬৪০ জাহাজ চলাচল করতে পারবে এর মাধ্যমে প্রায় ১৫.২মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও জ্বালানী সরবরাহ হয়ে থাকে প্রতিদিন।
বিশেষজ্ঞদের মতে,পার্সিয়ান গালফ থেকে এশিয়ান বাজারে তেল ও পণ্যদ্রব্য পৌঁছানোর সংক্ষিপ্ততম রুট হলো মালাক্কা প্রণালী এ রুট দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের সরবরাহকৃত মোট জ্বালানী তেলের প্রায় ৬০শতাংশ তেল সরবরাহ হয়, যা বিশ্বের মোট জ্বালানী তেল সরবরাহের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থান প্রথম স্থানে রয়েছে হরমুজ প্রণালী এ রুট দিয়েই চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইওয়ান ৯০শতাংশ পেট্রোলিয়াম আমদানি করে থাকে এর মধ্যে চীন আমদানি করে ৮৪শতাংশ এবং জাপান আমদানি করে ৬০শতাংশ আর ভারতের আমদানিকৃত তেল ও পণ্যের ৪০শতাংশই আসে মালাক্কা প্রণালী হয়ে ভারতের বিশ্ববাণিজ্যের প্রায় ৭৫শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি হয়ে থাকে এ সমুদ্র পথ দিয়েই।
এশিয়ার উপরোক্ত বর্ণিত দেশগুলোর উৎপাদিত পণ্যগুলোও ঐ একই পথে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়ে থাকে আবার এই অঞ্চলের দেশগুলোও নিজেদের মধ্যে যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য করে থাকে তার সিংহভাগই এ প্রণালী দিয়ে সম্পাদিত হয়ে থাকে অর্থ্যা আমদানি ও রফতানি, উভয়টার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই,তথা মালাক্কা প্রণালীর আবিষ্কারের পর হতেই এ নৌরুট পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যে যোগাযোগ ও আন্তঃএবং অন্তঃ বানিজ্যের সেতুবন্ধ হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।
মালাক্কা প্রণালী শুধু যে কেবল বাণিজ্যিক সমুদ্রপথ হিসেবেই গূরুত্বপূর্ণ তা নহে,এটির প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ, মৎস্য সম্পদ, ম্যানগ্রোভ এবং রেইন ফরেস্টের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালীর লিটোরাল দেশগুলো মালাক্কা প্রণালী থেকে প্রচূর সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ করে থাকে, যা দেশগুলোর অর্থনৈতিক ও জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত ও বিকশিত করে চলেছে এখানে প্রতিবছর প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টন মাছ আহরিত হয়, যা গোটা বিশ্বের মোট আহরিত মৎস্যের ৬০ শতাংশ উচ্চ মানসম্পন্ন এই মৎস্য দেশগুলোর টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে এছাড়াও অর্থনীতির অন্যান্য ক্ষেত্রে, যেমন-মেরিকালচার ট্যুরিজম, মেরিটাইম শিল্প ইত্যাদি গড়ে তুলে দেশগুলো অর্থনীতিকে বিকশিত করছে।
মালাক্কা প্রণালী প্রতœতাত্ত্বিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
এটি স্বীকৃত যে, মালাক্কা প্রণালী ভূকৌশলগত ও ভূরাজনীতির জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এশিয়ার দেশগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহের নিশ্চয়তার জন্য, বিশ্ববাণিজ্য, আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ এছাড়া আঞ্চলিক দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক ও জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সূযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে মালাক্কা প্রণালী।
লেখক : আন্তর্জাতিকজ রাজনীতি বিশ্লেষক।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • করোনায় আক্রান্ত শিক্ষা ব্যবস্থা
  • প্রসঙ্গ : ব্যাংকিং খাতে সুদহার এবং খেলাপি ঋণ
  • করোনা, ঈদ এবং ইসলামে মানবতাবোধ
  • ত্যাগের মহিমায় চিরভাস্বর ঈদুল আযহা
  • করোনাকালে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা
  • আনন্দযজ্ঞে আমন্ত্রণ
  • ত্যাগের মহিমায় কুরবানির ঈদ
  • চাই পথের দিশা
  • ভাটি অঞ্চলের দুর্দশা লাঘব হবে কি?
  • মুক্ত পানির মাছ সুরক্ষায় যা প্রয়োজন
  • উন্নত দেশে মসজিদে গৃহহীনদের আশ্রয়
  • তাইওয়ান সংকট
  • কোরবানী : ঈমানের পরীক্ষা
  • বন্যা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক ভূমিকা
  • শিক্ষা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের রক্ষা করতে হবে
  • বিসিএস এবং অন্যান্য আলোচনা
  • হজ্ব বাতিলের ইতিহাস
  • মহামারী করোনা ও সেবার মানসিকতা
  • জিলহজ্জের প্রথম দশকে করণীয়
  • জিলহজ্জের প্রথম দশক : ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময়
  • Image

    Developed by:Sparkle IT