প্রথম পাতা মৌলভীবাজারে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ছড়াছড়ি

সবক’টি নবায়ন ছাড়া ব্যবসা লাইসেন্স নেই ১১টির

হোসাইন আহমদ, মৌলভীবাজার থেকে: প্রকাশিত হয়েছে: ১২-০৮-২০২০ ইং ০৩:৩৯:০১ | সংবাদটি ৯০ বার পঠিত
Image

 মৌলভীবাজারে ৭১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে একটিও নবায়ন করা হয়নি। এমনকি লাইসেন্স ছাড়াই ১১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার শুরু থেকেই রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এর বাইরেও রয়েছে বেশ কয়েকটি। প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি কোনো নির্দেশনা না মেনে নিজেদের খেয়াল খুশিমতো পরিচালনা করছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদাসীনতার কারণে এমনটি হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ সকল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রয়োজনীয় টেকনেশিয়ান, যন্ত্রপাতি ও ডাক্তার নেই। ধার করা টেকনেশিয়ান ও ডাক্তার দিয়ে চলছে তাদের কার্যক্রম। তারপরেও রোগীদের কাছ থেকে গলাকাটা ফি আদায় করছে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্ধারিত ফি’র কিছুই এখানে মানা হচ্ছে না। যে যার মতো করে ফি আদায় করছে।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, পুরো জেলায় ৭১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে লাইসেন্সবিহীন ১১টি, ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি ৩৯টির ও চলতি অর্থ বছরের জুন মাসে লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২১টি’র। শুরু থেকে কখনও লাইসেন্স করেনি এমন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে রয়েছে মৌলভীবাজার পৌর শহরের সূর্যের হাঁসি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব সেন্টার, শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের হেলথ লাইন ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সূর্যের হাঁসি ক্লিনিক, সেবা ডিজিটাল সার্ভিসেস, কুলাউড়া উপজেলার হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সূর্যের হাঁসি ডায়াগনস্টিক, বড়লেখা উপজেলার সুরমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জুড়ি উপজেলার নিউ পপুলার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কমলগঞ্জ উপজেলার লাইফ কেয়ার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার, রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজারের ইউনিক ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও নিলুফা ক্লিনিক এন্ড ডি’ ল্যাব। বৈধ লাইসেন্স না থাকলেও, তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি তাদের। প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই চলছে তাদের বাণিজ্য। মাঝে মধ্যে দু’একটি নোটিশ পাঠানো ব্যতীত আর কিছুই করছে না প্রশাসন।
জানা যায়, মৌলভীবাজারের প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক ও ডাক্তারদের সাথে সমন্বয় রয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের। রোগী প্রতি তাদেরকে দেয়া হয় বড় অংকের কমিশন। আবার কিছু কিছু ডাক্তার ও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকরা নির্ধারিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট না হলে এটা হাতে নেননি। এ নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে রোগীদের। পুনরায় টাকা খরচ করে তাদের ফরমায়েশি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট করাতে হয়।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ তউহীদ আহমদ বলেন, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে লাইসেন্স ও নবায়নের আওতায় নিয়ে আসার জন্য কাজ চলছে। বিভিন্ন দিক থেকে তাদের উপর চাপ প্রয়োগ করছি। সরকারও এই বিষয়ে অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে। ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় নবায়ন না হলে কিছুদিনের মধ্যে এগুলো বন্ধ করা হবে।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

প্রথম পাতা এর আরো সংবাদ
  • এই দিন দিন না, সামনে আরো দিন আছে : রিজভী
  • আজও বর্ষণ অব্যাহত থাকবে
  • কার্যকর প্রতিষেধক আসলেও মাস্ক পরতেই হবে
  • প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন আজ
  • সুনামগঞ্জে বাড়ছে নদ-নদীর পানি
  • দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদারে অর্থনৈতিক কূটনীতির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • শীতে করোনার ঝুঁকি বেশী সচেতনতার দৃশ্যতঃ প্রস্তুতি নেই
  • পাইকারির চেয়ে খুচরা বাজারে পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা বেশি!
  • ভিসা থাকলে ছুটিতে আসা সবাই সৌদি আরবে যেতে পারবেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • অবৈধপথে ক্ষমতায় আসতে চোরা গলি খুঁজছে বিএনপি : সেতুমন্ত্রী
  • ক্রেডিট কার্ডে ২০ শতাংশের বেশি সুদ নয়
  • ২০৩০ সালের মধ্যে সব মাধ্যমিক বিদ্যালয় হবে ডিজিটাল
  • ১ অক্টোবর থেকে সৌদিগামী সব ফ্লাইট চালু হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • কক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শক বদলি
  • গোটা দেশটাকে কারাগারে পরিণত করেছে সরকার : মির্জা ফখরুল
  • ভ্যাকসিন আসছে ভেবে অনেকের মধ্যে গা-ছাড়া ভাব : ওবায়দুল কাদের
  • ‘অটো প্রমোশন’ নয় মূল্যায়ন করেই নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে শিক্ষার্থীরা
  • সিলেট বিভাগে আক্রান্তের চেয়ে সুস্থতা দ্বিগুণ
  • প্রচণ্ড গরমের পর জেঁকে বসেছে বৃষ্টি
  • ছাতক সিমেন্ট কারখানার আধুনিকায়ন ২০২১ সালে সম্পন্ন হবে : উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি
  • Image

    Developed by:Sparkle IT