শেষের পাতা

মহান শিক্ষা দিবস আজ

ডাক ডেস্ক : প্রকাশিত হয়েছে: ১৭-০৯-২০২০ ইং ০২:২৮:৪০ | সংবাদটি ৯৩ বার পঠিত
Image

আজ মহান শিক্ষা দিবস। তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের গণবিরোধী শিক্ষা সঙ্কোচনমূলক শিক্ষানীতির প্রতিবাদে এবং একটি গণমুখী শিক্ষানীতি প্রবর্তনের দাবিতে ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণআন্দোলনের রক্তাক্ত স্মৃতিবিজড়িত এদিন।
১৯৬২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসন, শোষণ ও শিক্ষা সংকোচন নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুলসহ নাম না-জানা অনেকেই। তাদের স্মরণে এই দিনকে শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে দিবসটি পালিত হয়। দিবসের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠন বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা করে।
স্বৈরশাসক আইয়ুুব খান ক্ষমতা দখলের মাত্র ২ মাস পর ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। শরীফ কমিশন নামে খ্যাত এসএম শরীফের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। এতে শিক্ষা বিষয়ে যেসব প্রস্তাবনা ছিল তা প্রকারান্তরে শিক্ষা সংকোচনের পক্ষে ছিল।
প্রস্তাবিত প্রতিবেদনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে ছাত্র বেতন বর্ধিত করার প্রস্তাব ছিল। ২৭ অধ্যায়ে বিভক্ত শরীফ কমিশনের ওই প্রতিবেদনে প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত সাধারণ, পেশামূলক শিক্ষা, শিক্ষক প্রসঙ্গ, শিক্ষার মাধ্যম, পাঠ্যপুস্তক, হরফ সমস্যা, প্রশাসন, অর্থবরাদ্দ, শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিষয়ে বিস্তারিত সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়।
আইয়ুব সরকার এই রিপোর্টের সুপারিশ গ্রহণ এবং তা ১৯৬২ সাল থেকে বাস্তবায়ন করতে শুরু করে। শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংকোচন নীতি কাঠামোতে শিক্ষাকে তিন স্তরে ভাগ করা হয়।
রিপোর্টের শেষ পর্যায়ে বর্ণমালা সংস্কারেরও প্রস্তাব ছিল। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন আইয়ুবের এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব দাবির ভিত্তিতে জুলাই-আগস্ট মাস জুড়ে আন্দোলন চলতে থাকে। এ আন্দোলন কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ১৭ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী হরতাল কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়।
এ দিন সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে উপস্থিত হন। সমাবেশ শেষে মিছিল বের হয়। জগন্নাথ কলেজে গুলি হয়েছে- এ গুজব শুনে মিছিল দ্রুত নবাবপুরের দিকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু হাইকোর্টের সামনে পুলিশ এতে বাধা দেয়। তবে মিছিলকারীরা সংঘাতে না গিয়ে আবদুল গনি রোডে অগ্রসর হয়। তখন পুলিশ মিছিলের পেছন থেকে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও গুলিবর্ষণ করে। এতে তিনজন নিহত হন। ওই দিন সারাদেশে মিছিলে পুলিশ গুলি করে। টঙ্গীতে ছাত্র-শ্রমিক মিছিলে পুলিশের গুলিতে সুন্দর আলী নামে এক শ্রমিকেরও হত্যার খবর পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

ফেসবুকে সিলেটের ডাক

শেষের পাতা এর আরো সংবাদ
  • প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সিলেট আসছেন আজ
  • ছাতকে পূজা ঘিরে সরব পৌর নির্বাচনের প্রার্থীরা
  • ৮ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ
  • শ্রীমঙ্গল চা বাগান থেকে একজনের লাশ উদ্ধার
  • র‌্যাবের অভিযানে জুয়াড়ি ও মাদক বিক্রেতা গ্রেফতার
  • আইনজীবী স্বামীর নির্যাতনে শিশু কন্যা নিয়ে অসহায় মনোয়ারা
  • বানিয়াচংয়ের শুঁটকি সেতু মেরামতের জন্য ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ
  • নবীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা
  • মধ্য আফ্রিকায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত
  • ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত সুস্থ ৪২ জন ও মৃত্যু একজনের
  • দুই বোনের বাড়ি প্রবেশ নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ
  • সিলেট দায়রা জজ আদালতে স্থায়ী সিলেটিদের নিয়োগের দাবিতে ১০৬ আইনজীবীর তলবী সভার উদ্যোগ
  • ছাতকে ৭ ডাকাত গ্রেফতার মালামাল উদ্ধার
  • মৌলভীবাজারে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামীর আত্মসমর্পণ
  • সিলেটে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৬ জুয়াড়িসহ গ্রেফতার ৯
  • বিয়ানীবাজারে মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
  • ‘বৃহত্তর জন্তৈার প্রতটিি উপজলো সদরকে পৌরসভায় রূপান্তর করতে হব’
  • জকিগঞ্জে ক্বওমী মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের এক কিলোমিটার জুড়ে মানববন্ধন
  • ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন
  • মাস্ক ছাড়া সেবা মিলবে না সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে
  • Image

    Developed by:Sparkle IT