সম্পাদকীয় সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢেকোনা। জেনেশুনে সত্য গোপন করো না। -আল হাদিস।

আজ মীনা দিবস

প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৯-২০২০ ইং ১৪:৪৯:৫৬ | সংবাদটি ৯২ বার পঠিত
Image

আজ মীনা দিবস। শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৮ সাল থেকেই আজকের দিনে (২৪ সেপ্টেম্বর) মীনা দিবস পালিত হয়ে আসছে। মীনা মূলত একটি কার্টুন চরিত্রের নাম। একটি উচ্ছ্বল, প্রাণবন্ত, সাহসী মেয়ে মীনা। এই কার্টুন চরিত্রে মীনার বয়স নয় বছর। এই কার্টুন চরিত্রে মীনার আরও দু’টি চরিত্র হচ্ছে মীনার ভাই রাজু এবং পোষাপাখি মিঠু। মূলত সামাজিক নানা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে তৈরি করা হয়েছে মীনা কার্টুনের গল্পগুলো। বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- লিঙ্গ বৈষম্য রোধ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও শিশু নিরাপত্তা। এই কার্টুনে আরও রয়েছে যৌতুক, বাল্য বিয়ে, গৃহকর্মী নির্যাতন প্রভৃতির বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে প্রচারণা।
মীনা একটি প্রতিকী চরিত্র। ইউনিসেফ কর্তৃক তৈরি এই মীনা কার্টুন শুধু ছোটদের নয়, বড়দের কাছেও জনপ্রিয়। এই মীনা চরিত্রের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিনোদন, শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে ওঠার চিত্র ফুটে ওঠেছে। এই কার্টুন বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৯৫ সালে প্রথমে দেখানো হয়। এরপর থেকে এই কার্টুন ব্যাপকভাবে দর্শকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়। শুধু তাই নয়, এই ছবির ম্যাসেজ সবার কাছে পৌঁছুতে শুরু করে। আর সত্যি বলতে কি, এই মীনা কার্টুনের মাধ্যমেই বিশেষ করে গ্রামের শিশুরা অনেক এগিয়ে গেছে। তাদের মধ্যে লেখাপড়ার আগ্রহ বৃদ্ধির পাশাপাশি বিনোদনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তারা হয়ে উঠছে স্বাস্থ্য সচেতন। সমাজের নানা কাজে, আজ মীনার পদচারণা চোখে পড়ার মতো। শিশু কিংবা অভিভাবক সবাই এখন মীনায় প্রভাবিত বলা যায়।
শিশু অধিকারসহ নানা বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে মীনা কার্টুনের অবদান উল্লেখ করার মতো। এ থেকে শিক্ষা নিয়ে শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করতে হবে সবাইকে। [আমাদের সমাজে এখনও নানাভাবে শিশুরা নির্যাতিত হচ্ছে, বঞ্চিত হচ্ছে ন্যায্য অধিকার থেকে। লাখ লাখ শিশু এখনও পাচ্ছেনা শিক্ষার আলো। বসবাস করছে রাস্তায় ফুটপাতে, পাচ্ছে না খাদ্য, চিকিৎসা। অনেক শিশু জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন পেশায় শ্রম দিচ্ছে। আজকের মীনা দিবসের প্রত্যাশা, এই অবহেলিত শিশুদের জন্য একটা আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ তৈরি হোক। 

শেয়ার করুন

Developed by:Sparkle IT