ষষ্ঠ পাতা ফিরে দেখা ২০১৬

সিলেটের আলোচিত যত হত্যাকান্ড

নূর আহমদঃ প্রকাশিত হয়েছে: ০১-০১-২০১৭ ইং ০৭:১৮:০৯ | সংবাদটি ৩৬৮ বার পঠিত

২০১৬ সাল। অনেকের বুক ফাটা আর্তনাদে ভারী হয়েছিলো সিলেটের আকাশ বাতাস। এরমধ্যে খুনাখুনির মাত্রা ছিলো আশংকাজনক। সিলেট নগরীতে ঘটে গেছে বেশ ক’টি আলোচিত হত্যাকান্ড।  কোথাও কোথাও এসব হত্যাকান্ডের নায়করা ঘুরে বেড়াচ্ছে বীর দর্পে। আবার কেউ কেউ আইনের আওতায় এলেও বেরিয়ে যাচ্ছে নানা ফাঁক ফুকরে। তবে এসব সন্তানহারা বাবা-মা, স্বামীহারা সন্তানদের পরিবারে এখনো চলছে শোকের মাতম। নিচে তুলে ধরা হল সিলেটের কিছু আলোচিত হত্যাকান্ডের চিত্র।
ত্রিভুজ প্রেমের বলি রাজু ও তপুঃ
২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সিলেট শহরতলীর বিসিক শিল্প এলাকার সামনে সিলেট-তামাবিল সড়কে রাসেল ও তার বন্ধু রাজু খুন হন। তখন রাসেল ও তার বন্ধু রাজু এবং তপু আড্ডা দিচ্ছিলেন।
এ সময় ঘাতক শিপন ও তার সহযোগী উজ্জ্বল, দুলাল মিয়া, নজরুল, ইমন ও শাকিলকে নিয়ে দা, রামদা, চাপাতি ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। তারা প্রথমে রাসেলকে ডেকে নিয়ে মারধর শুরু করলে এগিয়ে যায় রাসেলের সহযোগী তপু ও রাজু। এ সময় শিপন ও তার সহযোগীরা তপু ও রাজুকে নির্মমভাবে কুপিয়ে খুন করে পালিয়ে যায়। তখন আলোচিত এ জোড়া খুনের ঘটনায় পুরো বিসিক এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ আশপাশ এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করলেও খুনিদের শনাক্ত করতে পারেনি। তবে এর কিছুদিন পর উদঘাটিত হয় এ জোড়া খুনের রহস্য। শিপন নামের এক যুবককে গ্রেফতারের পরপরই খোলাসা হয়ে যায় হত্যার রহস্য। সর্বমোট ৫জনকে আটক করা হয় এঘটনায়। অবশ্য আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে ইমন ও দুলাল নামের দুই আসামী। ঐ আসামীরা খুনের পিছনের একটি ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী রয়েছে বলে জানায়। নিহতরা হলেন- চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার দরদাহের হারুনুর রশীদের ছেলে মো. রাজু (১৯) ও শরীয়তপুর জেলার বাসিন্দা আবু মিয়া (২৫)।
ছাত্রলীগকর্মী হাবিব হত্যাকান্ডঃ
সিলেটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের ঠিক আগের দিন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রলীগকর্মী খুন হন ১৯ জানুয়ারী। ঐদিন দুপুরে যথারীতি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্রুপের কর্মীরা তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেটের একটি বেসরকারি মেডিকেলে ভর্তি করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। হাবিব কুমিল্লার  ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। নগরীর কাজলশাহ এলাকায় মেসে থেকে লেখাপড়া করতেন। ছাত্রলীগের আলী হোসেন সাগর ও আব্দুল আলীম তুষার গ্রুপের বিরোধের জের ধরে খুন হাবিব। পরদিন লাশ পাঠিয়ে দেয়া হয় তার গ্রামের বাড়িতে। নামমাত্র একটি এজাহার থানায় দিলেও কার্যত অপরাধীরা থেকে যায় অধরা। বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ ও সাময়ীকভাবে কয়েকজনকে চিহ্নিত করে বহিষ্কার করলেও পরে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বলে জানা গেছে।
হবিগঞ্জে ৪ শিশু হত্যাঃ
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামে চার শিশু হত্যার ঘটনা ছিলো সারা দেশে আলোচিত বিষয়। চার শিশু হত্যা মামলায় আটক আসামি আরজুর জবানবন্দি অনুযায়ী সুন্দ্রাটিকি গ্রামের ‘বাগাল পঞ্চায়েতের’ প্রধান আব্দুল আলী বাগালের আনারস বাগানে বসে ৪ শিশুকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। হত্যাকান্ডে যাবতীয় অর্থের জোগান দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন একই এলাকার আব্দুল আলী। এই পরিকল্পনা মোতাবেক ১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় শিশুদের কৌশলে অপহরণ করে আনারস বাগানে নিয়ে ওই দিনই রাতে হত্যা করা হয়। পরে লাশগুলো দুই দিন বাগানে রাখার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে গ্রাম থেকে দুই কিলোমিটার দূরে করাঙ্গী নদীর পাশে বালিমাটিতে তাদের লাশ পুতে রাখা হয়। এঘটনায় মামলায় কয়জন আসামী আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেয়া হয়।
শ্যালকের হাতে দুলাভাই খুনঃ
বিয়ের পর  থেকেই বোনকে নির্যাতন করতেন তাঁর স্বামী এনামুল কবির এনাম। এর প্রতিবাদ করায় এনাম ছুরিকাঘাত করে খুন করে শ্যালক আনোয়ার হুসেনকে। গত ৮ মার্চ এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার আনুজানি গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে। তিনি এমসি কলেজে বিএ (পাসের) প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পল্লবীতে বোনের বাসার পাশেই ৪৩ নম্বর বাসায় তিনি পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
পল্লবী এলাকার একাধিক মামলার পলাতক আসামি এনামুল কবিরের সঙ্গে নিহত আনোয়ারের বোন নাজনিনের বিয়ে হয়। এরআগেও এনাম আরো দুটি বিয়ে করেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় তুলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে এনাম দীর্ঘদিন ছিলো আইনের আওতার বাইরে।
ইভটিজিং এর প্রতিবাদ করায় বিকল খুনঃ
নগরীর আকটি আলোচিত ঘটনা মোদির দোকানী বিকল হত্যাকান্ড। ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় নগরীর রায়নগরে ১৫ মার্চ খুন হন বিপ্লব রায় বিকল। স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার কাছে ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন তিনি। এর জের ধরে তাকে খুন করা হয়। তবে খুনীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।  নিহত বিপ্লব রায় বিকল (২৯) ছিলেন মেজরটিলা এলাকার বিজয় রায়ের  ছেলে। এখনো তার পরিবার সুষ্ঠু বিচারের আশায় আদালত পাড়ায় ঘুরছেন।
স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আব্দুল্লাহ হত্যাকান্ড ঃ
নগরীর অন্যতম আলোচিত হত্যাকান্ড পাঠানটুলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আব্দুল্লাহ হত্যাকান্ড। ঐদিন নিজ দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের তেলিহাওর গ্রুপেরকর্মীরা আব্দুল্লাহকে দিনদুপুরে গলা কেটে হত্যা করে। বাসা ভাড়া সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আব্দুল্লাহ অন্তর (২২) কে খুন করা হয়। আব্দুল্লাহ নও মুসলিম ছিলেন। বতর্মানে মামলাটি পুলিশ তদন্তনাধীন রয়েছে।
ব্যবসায়ী মামুন হত্যাকান্ডঃ
জিন্দাবাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ছুরিকাঘাত করা হয় মামুন বক্্র নামের এক ব্যবসায়ীকে। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঘটনাটি ঘটে ৬ আগষ্ট।
ওইদিন জিন্দাবাজারের এ্যালিগেন্ট শপিং সিটির পার্কিংয়ের সামনে নিজের মোটরসাইকেল রাখেন ছাত্রলীগ নেতা সোলেমান চৌধুরী। মোটরসাইকেলটি পার্কিং নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে মার্কেটের গার্ডকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা সোলেমান। এসময় ব্যবসায়ী মামুন বাঁধা দিলে সোলেমানের নেতৃত্বে মামুনের উপর হামলা চালায় ক্যাডারার। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ব্যবসায়ী মামুনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরদিন ভোরে মারা যান তিনি। ঘটনার প্রায় ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো মূল হোতা সোলেমান গ্রেফতার হয়নি। মামুন বছরখানেক আগে বিয়ে করেছিলেন। তার  যুক্তরাজ্যে যাওয়ার কথা ছিলো।
মিসবাহকে গলাকেটে হত্যাঃ
নগরীর আলোচিত হত্যাকান্ড জিন্দাবাজারের কাস্টমস অফিসের সামনের রাস্তায় চাপাতি দিয়ে মিসবাহ উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা। গত ২৬ নভেম্বার এ ঘটনাটি ঘটে। মিসবাহ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চন্ডীপুর গ্রামের বাসিন্দা হলেও মা ও তিন বোনকে নিয়ে নগরীর মজুমদারি এলাকায় বসবাস করতেন। বাবা-মা’র চার সন্তানের মধ্যে একমাত্র পুত্র সন্তান ছিল সে। তার বাবা রহমত উল্লাহ জার্মানপ্রবাসী। ঘটনার পর দায় স্বীকার করে দক্ষিণ সুরমার বলদি গ্রামের কবির। তাকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়। পরিবারের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা তার পরিবার।
তাজুল হত্যাকান্ডঃ
নগরীর অন্যতম আলোচিত হত্যাকান্ড তাজুল খুনের ঘটনা। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানুর স্বামী ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ছিলেন তিনি। তাজুল নগরীর খুলিয়াটুলার বাসিন্দা। ২০ আগষ্ট নগরীর শেখঘাট কুয়ারপারে বাসার সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন তিনি। আহত অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ১১টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানুর ছেলে রায়হান ইসলামকেও দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করেছিলো।
নির্মাণ শ্রমিক রাজু ও ইসলাম খুনঃ
গত বছরের মে দিবসের দিন ইসলাম হোসেন নামের এক শ্রমিক খুন হন। তিনি বালাগঞ্জ উপজেলার তোতা মিয়ার ছেলে। নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার ১২৬ নং বাসায় ভাড়া থাকতেন ইসলাম। টাকা পয়সার লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে খুন হন তিনি। এদিকে নগরীর সুবিদবাজারে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে রাজিকুল ইসলাম রাজু (২২) নামের এক নির্মাণ শ্রমিক খুন হন। ১১ নভেম্বর ঘটনাটি ঘটে। নিহত রাজু বিশ্বনাথ উপজেলার গুলচন্দবাজার এলাকার সোনাপুর গ্রামের মৃত তেরাব আলীর পুত্র। তিনি  নগরীর সুবিদবাজার বনকলাপাড়া ৪২/১৭ নং বাসার বাসিন্দা মামা আরশ আলীর বাসায় বসবাস করে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে আসছিলেন। এঘটনায় আসামী ৩জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
অন্যান্য হত্যাকান্ডঃ
সিলেট নগরী ছাড়াও বিভাগের আনাচে কানাচে বেশ হত্যাকান্ড ঘটে। এরমধ্যে রয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারে থানার পাওনার টাকা চাইতে গিয়ে খুন হন রাঘবপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার। ২৮ ফেব্রুয়ারী একই উপজেলায় যুব সংহতি নেতার ৪ টুকরো লাশ উদ্ধার করা হয়। ২ মার্চ সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিদ্যালয়ের ক্রীড়া অনুষ্ঠানে ঢুকে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করে বহিরাগতরা। ৪ মার্চ হবিগঞ্জের সদর উপজেলা দিরয়াপুর গ্রামে পুত্রের হাতে কিতাব আলী নামের এক পিতা খুন হন। ৯ মার্চ  সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে কালীনগর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত হন তিনজন। ১৫ জুন ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন হন ফয়সল আহমদ নামের এক পাথর ব্যবসায়ী। ২২ জুন বিয়ানীবাজারের আলীনগরে তূমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে খুন হন মাহতাব উদ্দিন নামের এক ব্যাক্তি। ৩০ জুলাই মৌলভীবাজারের রাজনগরে টিকরপাড়া গ্রামে ছোট ভাইয়ের হাতে খুন হন ফয়জুল হক নামের এক ব্যক্তি। ১৬ সেপ্টেম্বর মোগলাবাজারে রায়বান গ্রামে আকতার মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী খুন হন। ১৭ অক্টোবর সুনামগঞ্জের ছাতকে জাউয়া কলেজে সহপাটির হাতে খুন হন আল আমিন নামের এক ছাত্র। একই দিন কানাইঘাটের   কারা বাল্লা গ্রামে ৩৫ দিনের শিশুকে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে পাষন্ড মা সুফিয়া বেগম। ২৪ অক্টোবর ওসমানীনগরে মুমিন ও রুজেল নামের দুই সন্তানকে হত্যা করে তার পিতা। ১১ নভেম্বর সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে ভাওয়ালীপাড়া গ্রামে সালিশে খুন হন নজির মিয়া । ৩০ নভেম্বর বিশ্বনাথের লামাকাজি গ্রামে পুলিশের ধাওয়া খেেেয় সুরমা নদীতে ঝাপ দিয়ে শাহিনুল ইসলাম শামীম নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়।  ৩ ডিসেম্বর নবীগঞ্জে এক স্কুল ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। উপরোক্ত হত্যাকান্ডগুলো উল্লেখ যোগ্য। এরবাইরেও হত্যাকান্ডের ঘটানো ঘটেছে। তবে বেশিরভাগ আলোচিত হত্যা মামলার আসামীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

শেয়ার করুন
ষষ্ঠ পাতা এর আরো সংবাদ
  • আল-হারামাইন হাসপাতালের উদ্বোধন আজ
  • এনআরবি ব্যাংকের বটেশ্বর শাখার উদ্বোধন আজ
  • আমার সঙ্গে রাষ্ট্রের কোন বিরোধ নেই : এস কে সিনহা
  • নগরীতে মাদক মামলায় এক যুবকের ৭ বছরের কারাদন্ড
  • ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রশ্নে ফেডারেল আদালতে ফের হোঁচট খেলেন ট্রাম্প
  • শ্রীমঙ্গলে রাবার প্লান্ট ও বাইক্কা বিল পরিদর্শন করলেন পরিবেশ ও বন সচিব
  • সরকার সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ---ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া
  • একুশে পদকপ্রাপ্ত গণমানুষের কবি দিলওয়ারের ৮১তম জন্ম দিন আজ
  • বাংলাদেশের সাথে ভারতের ব্যাপক বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে হবে --মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি
  • টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ৬ ঘণ্টা সম্প্রচারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
  • সিলেটের আলোচিত যত হত্যাকান্ড
  • হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথি সোসাইটি’র আর্থিক অনুদান প্রদান উপলক্ষে সভা
  • থিয়েটার মুরারিচাঁদ’র রঙমহাল কুড়িয়েছে দর্শকপ্রিয়তা
  • আলোকিত মানুষ তৈরী করতে জ্ঞান বিজ্ঞানে সমৃদ্ধি অর্জন করতে হবে
  • তালামীয’র ১৭ ও ১৮নং ওয়ার্ড শাখার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
  • আঞ্চলিক উন্ন্য়নের মাধ্যমে সমগ্র দেশের উন্নয়ন সম্ভব
  • ইসলাম বিদ্বেষীরা দ্বীনের কাজে সব সময় বাধা সৃষ্টি করে
  • মৌলভীবাজার জেলা যুব আন্দোলনের কমিটি গঠন
  • জামালগঞ্জের প্রথম নারী ইউএনও পলি’র যোগদান
  • ৩ বিষয়ে ¯œাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রমের অনুমোদন
  • Developed by: Sparkle IT