উপ সম্পাদকীয়

সিলেটের প্রাচীন ইতিহাস

প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-০১-২০১৭ ইং ০৫:৫৪:২৮ | সংবাদটি ৬০৫ বার পঠিত

সিলেটের ইতিহাসকে কয়েকটি পর্বে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন; প্রাচীন অধিবাসী বিবরণ, ঐতিহাসিক বিবরণ, প্রাচীন রাজ্যসমূহ, আর্য যুগ, মুসলমান শাসিত আমল, মোগল আমল, ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তি, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ। সিলেট বলতে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশের সিলেট বিভাগ বোঝানো হয় যদিও ঐতিহাসিক সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশ ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভারতের আসাম রাজ্যের অঙ্গীভূত হয়ে আছে।
প্রাচীন অধিবাসী বিবরণ
প্রাচীনকালে অস্ট্রেলীয়, দ্রাবিড় মঙ্গোলীয়সহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী সিলেট বিভাগে বসবাস করতেন। প্রমাণ হিসেবে এই অঞ্চলের বেড়ে ওঠা গৌরবময় প্রাচীন কৃষি সভ্যতাকে ধরা হয়। ঐতিহাসিক অচ্যূতচরণ চৌধুরী এই বিভাগীয় অঞ্চলের প্রাচীনত্বের স্বীকৃতি দিয়েছেন। নৃবিজ্ঞানের সূত্রে বলা হয় ভাষাগত দিক দিয়ে আদি অস্ট্রেলীয়দের কথ্য ভাষার সাথে এখানকার আঞ্চলিক ভাষারও একটা মিল রয়েছে। কুড়ি (বিশ-সংখ্যা), গন্ডা (চার-সংখ্যা), নুন (লবণ), মিঠাই (মিষ্টি) ইত্যাদি সিলেটের মানুষের মুখের ভাষা, যাহা আদি অস্ট্রেলীয়দের ভাষা হিসেবে ধরা হয়। অস্ট্রেলীয়দের পরে কৃষিনির্ভর মঙ্গোলীয়দের এই অঞ্চলে আগমন ঘটে এবং কৃষিকর্মের মাধ্যমে তারা একে অন্যের সাথে মিশে যায়।
অস্ট্রেলীয়দের আগমনের কিছুকাল পরে এই অঞ্চলে মঙ্গোলীয়রা ও আলপীয়রা আসে। অতঃপর উক্ত জাতিগোষ্ঠীগুলো তন্ময়ভাবে একে অন্যের সাথে মিশে যায়।
উল্লেখিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনের ভিত্তিতে মনে করা হয় আদি অস্ট্রেলীয়, দ্রাবিড়, মঙ্গোলীয়দের থেকে বেড়ে উঠেছে সিলেট বিভাগের প্রাচীন জনপদ।
সিলেটের জাফলং এ খাসিয়া আদিবাসী :
শ্রীহট্ট বা সিলেট বিভাগে প্রাচীনকালে যেসব জাতিগোষ্ঠী বসবাস করতো, তাদের মধ্যে অনেকটি ছিল হিন্দুধর্মাবলম্বী। যারা হিন্দু নয়, তারা ভূত, বৃক্ষ বা পশুর উপাসনা করতো। আবার বিভিন্ন সময়ে কেহ কেহ হিন্দু ধর্ম বর্জন করেছে। উক্ত আদিবাসীদের মধ্যে কুকি, খাসিয়া, টিপরা, মণিপুরী ও লালুং ইত্যাদি জাতিগোষ্ঠী প্রাচীন। আনুমানিক খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকের পরে এদেশে আর্যজাতির আগমন ঘটে। আর্যদের পূর্বে কুকিরাই এই অঞ্চলের মালিক ছিল বলে ধারণা করা হয়। আর্যজাতি এদেরকে বিতাড়িত করেছে বলে জানা যায়। কুকিদের মধ্যে অনেকেই হিন্দু ধর্ম অবলম্বন করে হালাম বা টিপরা বলে পরিচয় দিয়া থাকে।
ঐতিহাসিক বিবরণ
অচ্যূতচরণ চৌধুরীসহ ইতিহাসবিদেরা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ধারণা করেন; গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদের সমস্ত উত্তর-পূর্ব অঞ্চল নিয়েই গঠিত ছিল প্রাচীন কামরূপ রাজ্য। যার অন্তরর্ভুক্ত ছিল প্রাচীন শ্রীহট্ট বা সিলেট বিভাগ। গ্রীক বণিকের বরাত দিয়ে বলা হয়, গ্রীক বণিক ‘টলেমির’ বাণিজ্য বিস্তার গ্রন্থের অনুবাদে বলা হয়েছে "কিরাদিয়া" বা কিরাত দেশের উত্তরে পার্শ্ববর্তী দেশই প্রাচীন শ্রীহট্ট ভূমি। উল্লেখিত তথ্যমতে শ্রীহট্ট বা সিলেট বিভাগকে একটি প্রাচীন জনপদ ধরা হয়। তদুপরি প্রাচীন কামরূপ রাজ্যের অধিপতি ভগদত্ত রাজার উপ-রাজধানী সিলেট বিভাগের লাউড় পর্বতে বিদ্যমান থাকা এই অঞ্চলের সর্ব-প্রাচীন নিদর্শন। শ্রীহট্ট অঞ্চলে জনশ্রুতি রয়েছে, পৌরাণিক যুগে মহাভারত সমরে নিহত ভগদত্ত রাজা কামরূপ রাজ্যের শাসক ছিলেন। রাজা ভগদত্তের আমলে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার আওতাধীন লাউড় অঞ্চলে কামরূপ রাজ্যের শাখা রাজধানী ছিল। লাউড় অঞ্চলে উচু একটি পাহাড় দেখাইয়া লোকে সেখানে রাজা ভগদত্তের রাজধানীর নির্দেশ করিয়া থাকে। পৌরাণিক কালে কামরূপ রাজাভগদত্ত এদেশে (শ্রীহট্টে) আসলে লাউড়ের রাজধানী হতে দিনারপুরের প্রাচীন বাণিজ্য ঘাঁটি (বর্তমান দিনারপুর সদরঘাট) পর্যন্ত নৌকায় ভ্রমণ করতেন। লাউড় পাহাড়ের সুরঙ্গ স্থানে রাজা ভগদত্তের রাজবাড়ি ছিল বলে ধারণা করা হয়। সেই রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ আজও বিদ্যমান।
প্রাচীনকালে হিন্দু রাজাদের দ্বারা এদেশ (সিলেট) শাসিত হয়েছে, যার অনুমান করা হয় নিদনপুরে প্রাপ্ত ভাস্করবর্মনের তাম্রলিপিসহ ভাটেরায় প্রাপ্ত আরো দুইখানা ঐতিহাসিক তাম্রফলক। শ্রীযুক্ত স্বরূপ রায় "শ্রীহট্ট ভূগোল ও মৌলবী আহমদ সাহেব শ্রীহট্ট দর্পনপুস্তকে লিখেছেন, উক্ত তাম্র ফলকদ্বয় পাঠে সাগর পশ্চিমে পদ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে প্রতœতত্ববিদ ডঃ রাজেন্দ্র লাল মিত্র উক্ত ফলকদ্বয় পাঠ করে এদেশের পশ্চিমাংশে প্রাচীন কালে বিরাট সাগর বিদ্যমান ছিল বলে, অর্থ করেন। ঐতিহাসিক অচ্যুতচরণ চৌধুরী ত্রিপুরার ইতিহাস গ্রন্থের বরাতে লিখেন, শ্রীহট্টের দক্ষিণ পশ্চিমাংশ, ময়মনসিংহের পূর্বাংশ, ত্রিপুরার উত্তর পশ্চিমাংশে পুরাকালে বৃহত্তর হ্রদ ছিল। পরে ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় ইহা ভরাট হয়ে, ঢাকা ময়মনসিংহ ও ত্রিপুরার সন্ধিস্থলে পরিণত হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের চীনা পর্যটক হিউয়েং সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করে, শিলিচতলকে (শ্রীহট্টকে) সমদ্র নিকটবর্তী দেশ উল্লেখ করেন।
গবেষণা ও নৃতাত্ত্বিকভাবে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় আর্যজাতির আগমনকাল চতুর্থ-পঞ্চম শতক ধরা হয়। ভারতবর্ষের আর্যযুগের শুরুতে যখন বঙ্গদেশে জনবসতি স্থাপনের প্রমাণ ছিল না, তখন সিলেট একটি দেশ হিসেবে খ্যাত ছিল। যখন রামায়ণ লিখিত হয় তখন বঙ্গভূমি আর্যগণের কাছে পরিচিত ছিল, কিন্তু মানুষ বাসযোগ্য ছিল না। সে সময় উত্তর-পূর্ব বঙ্গই বঙ্গভূমি হিসেবে বাসযোগ্য ছিল।
বহ্মপুত্রের যাত্রাপথের মানচিত্র :
সিলেট বা শ্রীহট্টের উক্ত উচ্চাংশ সহ ত্রিপুরা ইত্যাদি অঞ্চল ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা, অথবা শ্রীহট্ট (উত্তর-পূর্ব বঙ্গ) ইত্যাদি নামে পরিচিত হতো। ভূ-তত্ত্ববিদ বঙ্কিমচন্দ্র ও রমেশচন্দ্র গংদের বরাতে ‘শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত’ ও অন্যান্য ঐতিহাসিক গ্রন্থে আরও লিখিত আছে, প্রাগৈতিহাসিক যুগে সিলেট সভ্য জাতির আবাসভূমি ছিল। ইহা প্রাচীন গ্রন্থাদি সহ বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া যায়। বরাক বা বরবক্র, সুরমা, কুশিয়ারা এই বিভাগের প্রধান নদী। মনু ও ক্ষমা (খোয়াই) ইত্যাদি ক্ষীণ নদী বরবক্রে মিশে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রাচীন শাস্ত্রে আছে বরবক্র নদী পাপ নাশক। শাস্ত্র গ্রন্থের বরাতে বলা হয় সত্য যুগে ‘মনু নামের ভগবান’ মনু নদীর তীরে শিব পুজা করতেন বলে এই নদীর নাম মনু নদী হয়েছে। শাস্ত্রে বিশ্বাসী হিন্দুগণ বরবক্র ও মনু নদীতে তীর্থযাত্রায় আসতো। বরবক্র, মনু ও ক্ষমা (খোয়াই) নদীগুলো এ অঞ্চলের ভূমি বিস্তার এবং উক্ত নদী গুলোকে ঘিরে তীর্থযাত্রীদের আসার মাধ্যমে অত্র অঞ্চলের জনবসতি বিস্তারের প্রধান কারণ হিসেবে অনুমান করা হয়। রামায়ণে উল্লেখিত চন্দ্রবংশীয় রাজা অমুত্তরাজা পু-্রভূমি অতিক্রম করে যখন কামরূপে প্রাগজ্যোতিষ রাজ্য স্থাপন করেন, তখন বিশ্বামিত্রের পুত্রগণ পিতার অভিশাপে অনার্য্যত্ব প্রাপ্ত হইয়া প-্রভূমিতে বাস করতো। রামায়ণে অয্যোধাকা-ে সূত্রে লিখা হয়েছে; দশরথ রাজা যখন কৈকেয়ীকে তার (দশরত রাজার) অধিকৃত দেশগুলোর কথা বলেছেন, তার মধ্যে বিশেষ দশটি জনপদের উল্লেখ আছে; সেগুলো দ্রাবিড়, সিন্ধু, সৌরাষ্ট, সৌবির, দক্ষিণাপথ, অঙ্গ, বঙ্গ, মগধ, মৎস ও কোশাল রাজ্য । উক্ত দশটি রাজ্যের মধ্যে যে বঙ্গের উল্লেখ রয়েছে, উহা মুলত ছিল ব্রহ্মপুত্র নদের প্রশ্চিমে অবস্থিত বর্তমান ‘ভাগলপুর’ অঞ্চল।
বাংলার ইতিহাসে বলা হয় যে, প্রাচীন কালে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশকে ভারতের মূল ভূখ- থেকে পৃথক করে রেখেছিল। পূর্ব বঙ্গের (বাংলাদেশের) সিলেট, ঢাকা, রংপুর (নবগঠিত) ও চট্টগ্রাম বিভাগ ও ভুটান এবং আসাম তখন কার সময়ে কামরূপ রাজ্যের অধীন গণ্য ছিল। পূর্ববঙ্গের উল্লেখিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে সিলেটই সর্ব প্রাচীন হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রাচীন (অহপরবহঃ) ইন্ডিয়া গ্রন্থে পাওয়া যায়, প্রাচীন কালে কামরূপ রাজ্য প্রাচীন নদী ‘করতোয়া’ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল (ঙহ ঃযব ঊধৎষু ৬ঃয পবহঃঁৎু অ.উ. কধসধৎঁঢ়ধ নবপধসব ধ ঢ়ড়বিৎভঁষ শরহমফড়স. ওঃ রহপষঁফবফ ঃযব যিড়ষব ড়ভ ঃযব নৎধযসধঢ়ঁঃৎধ াধষষু ধহফ ংুষযবঃ, ধহফ বীঃবহফবফ ঃড় বিংঃ ধং ভধৎ ধং কধৎধঃড়ুধ ৎরাবৎ যিরপয পড়হঃরহঁবফ ঃড় নব ঃযব ঃৎধফরঃরড়হধষ নড়ঁহফধৎু ড়ভ শধসধৎঁঢ়ধ ভড়ৎ ধ ষড়হম ঃরসব).
মহাস্থানগড়ের নিকটে করতোয়া নদী :
প্রাচীন গ্রন্থসমূহ, স্থাপত্য, জনশ্রুতি ও পুরাকীর্তি সূত্রে ধারণা করা হয়, মহাভারত সমরে নিহত কামরূপ রাজা ভগদত্তের পরে তাঁর (ভগদত্ত রাজার) বংশীয় ১৯ জন নৃপতি শ্রীহট্ট অঞ্চলে রাজত্ব করেছেন। ইতিহাস গবেষক দেওয়ান নুরুল আনওয়ার ‘জালালাবাদের কথা’ গ্রন্থে লিখেছেন খ্রিস্টীয় সপ্তম শতক পর্যন্ত সিলেট কামরূপ রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। নিদনপুরে প্রাপ্ত ‘ভাস্করবর্মনের তাম্রলিপি সূত্রে বলা হয় ভাস্কর বর্মন খ্রিস্টীয় ৬৫০ সাল পর্যন্ত সমস্ত উত্তর পূর্ব ভারত সহ শ্রীহট্টে রাজত্ব করেছেন।
এশিয়াটিক সোসাইটির প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে (ঔড়ঁৎহধষ) ভাস্কর বর্মনের আমন্ত্রণে আগত হিউয়েং সাং এর ভ্রমণের লিপিবদ্ধ বর্ণনায় যে ছয়টি দেশের উল্লেখ পাওয়া যায় তার মধ্যে সমতট, তাম্রলিপ্ত ও শিলিচাটল উল্লেখযোগ্য। উল্লেখিত তথ্যমতে "শিলিচাটলই হচ্ছে প্রাচীন শ্রীহট্ট বর্তমান বাংলাদেশের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল সিলেট বিভাগ। ভাস্কর বর্মনের পর স্লেচ্ছাদিনাথ শালস্তম্ভ (৬৫০-৬৭৫) দ্বারা বর্মনদের সিংহাসন অধিকৃত হয়। শালস্থম্ভ নিজেকে ভগদত্ত বংশীয় বা বর্মনদের উত্তরসুরী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। শালস্তম্ভের অধঃস্তন রাজা হর্ষবর্ধন (রাজত্বকাল, ৭৩০-৭৫০) অত্র রাজ্যে রাজত্ব করেন। ব্রহ্মপুত্র পরবর্তী সামন্ত রাজ্য সমূহে হর্ষবর্ধনের সময় বিরাট ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির অভিমত রয়েছে। যার সূত্র ধরে সমস্ত বঙ্গ দেশ বিভিন্ন খ- রাজ্যে বিভক্ত হয়ছে বলে অনুমান করা হয়। তৎকালে ত্রিপুরীদের রাজ্য "কিরাত ভূমি হতে কাছাড়ে স্থানান্তর হয় এবং শ্রীহট্টের কাছাড়, তরফ ও মনুকুল প্রদেশসহ কুমিল্লা ও ঢাকার অনেকাংশ ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত হয় এবং তৎকালে শ্রীহট্টের প্রাচীন লাউড় রাজ্য কামরূপ হতে বিভক্ত হয়ে একটি পৃথক স্বাধীন রাজ্য হিসেবে পরিণত হয় বলে জানা যায়।-(সংগৃহিত)

শেয়ার করুন
উপ সম্পাদকীয় এর আরো সংবাদ
  • মুক্তিযুদ্ধে জাতীয় চার নেতা
  • বিজয়ের ৪৭ বছর
  • প্রত্যাশা ও বাস্তবতা : বিজয়ের সাতচল্লিশ বছর
  • মুশকিল আসানের এক সৈনিক আব্দুল মঈদ চৌধুরী
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • রপ্তানিতে সুবাতাস, ইতিবাচক বাংলাদেশ
  • ডিসেম্বর আমাদের অহংকারের মাস
  • পোশাক শিল্পের অগ্রগতি
  • উন্নয়ন, আদর্শ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রেক্ষিত
  • প্রসঙ্গ : রিকসা ভাড়া
  • পেছন ফিরে দেখা-ক্ষণিকের তরে
  • অবাধ ও সুষ্ঠু নিবার্চনের প্রত্যশা
  • শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার
  • বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার
  • বাংলাদেশের উৎসব
  • ‘শান্তি জিতলে জিতবে দেশ’
  • মানবাধিকার মুক্তি পাক
  • অদম্য বাংলাদেশ
  • নারী আন্দোলনে বেগম রোকেয়া
  • আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জনমানস
  • Developed by: Sparkle IT