ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সিলেট বেতার : মুক্তিযুদ্ধকালীন খণ্ডচিত্র

আবদুস সবুর মাখন প্রকাশিত হয়েছে: ২৪-০৫-২০১৭ ইং ০২:৫০:০২ | সংবাদটি ২১৪ বার পঠিত

আমাদের স্বাধীনতার অমর কাব্যের কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর কবিতা ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম- জয়বাংলা।’... উত্তাল একাত্তরের সাতই মার্চ। সাড়ে সাত কোটি বাঙালির লক্ষ্যবস্তু ঢাকার রেসকোর্স ময়দান। মঞ্চে উঠলেন সেই অমিততেজী পুরুষ। ঘোষণা করলেন শৃংখলিত বাঙালির মুক্তির সনদ। বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষণ সম্প্রচার করেনি কোনো প্রচার মাধ্যম। বেতারে এই ভাষণটি প্রচার করা হবে বলে পূর্ব থেকে ঘোষণা দেয়া হলেও সরকার সেই সুযোগ দেয়নি। অথচ সেই ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ প্রচার হয়েছিলো সিলেট বেতার থেকে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে সিলেট বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলী নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দখলদার পাকিস্তানি এবং তাদের দোসরদের অপকর্ম মোকাবেলা করেছেন। ১৯৬১ সালের পয়লা সেপ্টেম্বর পরাধীন দেশেই সিলেট বেতারের যাত্রা শুরু হয়। শহরের অদূরে টিলাগড়ে সিলেট-তামাবিল সড়কের পাশে স্থাপিত হয় প্রক্ষেপণ কেন্দ্র। প্রথমে টিলাগড়েই অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল শাখার দাপ্তরিক কাজকর্ম সম্পাদিত হতো। ১৯৬৬ সালে প্রচার শুরু হয় সংবাদ। শহরের চৌহাট্টায় একটি ভাড়া বাড়িতে ছিলো সংবাদ বিভাগের দপ্তর। পরের বছর মধুশহীদে আরেকটি ভাড়া বাড়িতে স্থানান্তরিত হয় সংবাদ বিভাগের কার্যালয়। আর টিলাগড়ের মূল ভবনেই চলতে থাকে অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিভাগের কার্যক্রম। আসে ১৯৭১। সাতই মার্চ ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেন। দেশের মানুষ উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছে সেই ভাষণ শুনবে বলে। কিন্তু পাকিস্তান সরকার সেই ভাষণ সম্প্রচার করতে দেয় নি কেনো প্রচার মাধ্যমে। অথচ সিলেট বেতার থেকে সেই ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশগুলো প্রচার হয় ওই দিনই অর্থাৎ সাতই মার্চ রাত সাড়ে আটটার সংবাদ প্রচারের পর পরই। টিলাগড় দুই কিলোয়াট ট্রান্সমিটার থেকে প্রচার হয় বঙ্গবন্ধুর ভাষণের উল্লেখযোগ্য দশটি পয়েন্ট। এই প্রসঙ্গে সিলেট বেতারের তখনকার উপস্থাপক (মুক্তিযোদ্ধা, অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য উপস্থাপক) রোকেয়া বেগম বলেনÑ ‘এই ভাষণ প্রচারের পেছনে সবটুকু কৃতিত্ব ছিলো সেদিনের ডিউটি অফিসার স. অ. জায়গিরদারের। এটি (ভাষণ) পাঠ করেন আনোয়ার মাহমুদ। ঢাকা থেকে জহুরুল হক (জয়েন্ট সেক্রেটারি) ডিউটি রুমের টেলিফোনে ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ দশটি পয়েন্ট বলে দেন। স. অ. জায়গিরদার তা নোট করেন। ভাষণ প্রচারের কিছুক্ষণের মধ্যেই পাক আর্মি ট্রান্সমিটার ভবন ঘেরাও করে ফেলে এবং ডিউটি অফিসার জায়গিরদার সাহেবকে নাজেহাল করে। কনসলে কর্মরত জনাব সালাউদ্দিনকেও তারা লাঞ্ছিত করে এবং স্ক্রিপটি (ভাষণের) বের করে দিতে বলে। অবস্থা বেগতিক দেখে জনাব আনোয়ার মাহমুদ স্ক্রিপ্টটি টুকরো টুকরো করে গিলে ফেলেন।’
মূলত সাতই মার্চ থেকেই পাকিস্তানি আর্মির কঠোর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে সিলেট বেতারের সব কার্যক্রম। একজন সুবেদারকে বসিয়ে রাখা হতো ডিউটি রুমে। সে শিল্পী-কলাকুশলীদের গতিবিধি নজরদারী করতো। শিল্পীদের আনা-নেওয়ার সময় বেতারের গাড়িতেও সে বসে থাকতো। গাড়িতে তার সঙ্গে থাকতো দু’জন সশস্ত্র সেনা। এই সুবেদারের হাতে পিয়ন-দারোয়ান নাজেহাল হয়েছেন, প্রহৃত হয়েছেন। অপদস্থ হয়েছে শিল্পী-কলাকুশলীও। শুরু হলো যুদ্ধ। মুক্তিযোদ্ধারা দেশব্যাপী লড়ছে পাকিস্তানি হায়েনা ও তাদের এদেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে। ‘অবরুদ্ধ’ সিলেট বেতারেও পাকিস্তানি ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে কৌশলগত অবস্থানে থেকে যে যেভাবে পেরেছেন ‘যুদ্ধ’ করেছেন শব্দ সৈনিকরা।
চূড়ান্ত যুদ্ধ শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতি। বসে থাকেনি কবি সাহিত্যিকেরা। গণ মানুষের কবি দিলওয়ার জাতিকে উদ্দীপ্ত করার জন্য লিখলেন ‘জয় জয় দুর্জয় বাংলা...’ গানটি। এতে সুর করলেন সুর সৈনিক আহমেদ কবির। সঙ্গীতায়োজনে যুদ্ধের আবহ নিয়ে আসার জন্য পুলিশ ব্যা- দলের সহযোগিতায় গানটি রেকর্ড করা হয়। দিনটি ছিলো বিভীষিকাময় পঁচিশে মার্চের আগের দিন চব্বিশে মার্চ। টিলাগড় বেতার ভবনে গানটিতে কণ্ঠ দেন সিলেটের তখনকার তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীরা। গানটি সিলেট বেতারে বার কয়েক প্রচার হয়। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হওয়ার পর সেখানে গানের রেকর্ড নিয়ে যাওয়া হয়। এই গানে অন্যতম কণ্ঠ দানকারী বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ হিমাংশু বিশ্বাস বলেন, ‘পুলিশ ব্যান্ড দলের যে ড্রাম বাদকের সহযোগিতায় এই ঐতিহাসিক গানটি সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছিলো, তাকে কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানি আর্মিরা ঘর থেকে ডেকে নিয়ে মেরে ফেলে।
এক পর্যায়ে সিলেট বেতারের অনুষ্ঠান বিভাগের কার্যালয় টিলাগড় থেকে চলে আসে মিরের ময়দানে। জনৈক বিজয় বাবু ছিলেন বর্তমানে যেখানে সিলেট বেতার ভবনটি নির্মিত হয়েছে সেই বাড়িটির মালিক। তিনি মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই চলে যান ভারতে। বাড়িটি পরে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং ভূমিটি সিলেট বেতারের জন্য বরাদ্দ করা হয়। এই বাড়িতে বিজয় বাবুর রেখে যাওয়া পুরনো ঘরেই সিলেট বেতারের দাপ্তরিক কাজকর্ম চলতে থাকে; আর টিলাগড় ট্রান্সমিটার থেকে যথারীতি অনুষ্ঠান প্রচার হতে থাকে। পরে ১৯৮৫ সালে মিরের ময়দানে বর্তমান পূর্ণাঙ্গ সুদৃশ্য বেতার ভবনটি নির্মিত হয়।
যুদ্ধ চলাকালে সিলেট বেতার থেকে বেশির ভাগ ঢাকা বেতারের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হতো। নিজস্ব অনুষ্ঠান কিছু কিছু প্রচার হতো, তবে তা পাকিস্তানি আর্মিদের মর্জি মাফিক প্রচার করতে হতো। এর মধ্যে একটা অনুষ্ঠান ছিলো ‘গোলদস্তা’। এটা ছিলো সৈনিকদের জন্য অনুষ্ঠান। তখন জমির সিদ্দিকী নামে একজন (বিহারী) এ আর ডি ছিলেন, তিনি বাংলায় উর্দু উচ্চারণের স্ক্রিপ্ট লিখে দিতেন। তখন অবশ্য আরেকজন এআরডি কর্মরত ছিলেন- মনোয়ার আহমদ। গোলদস্তা অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করতেন রোকেয়া বেগম। তিনি প্রথমে এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে পাকিস্তানি কর্নেল সরফরাস খান নাজেহাল করে এবং বলে রাজি না হলে পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলবে। বাধ্য হয়ে তিনি অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন। এটি প্রচার হতো দুপুরের দিকে। এতে গান প্রচার হতো সবগুলোই উর্দু। এছাড়া, দিনের অন্যান্য সময় বেশিরভাগ উর্দু গানের রেকর্ড বাজানো হতো। পাকিস্তানের বন্দনা সংবলিত বাংলা গানও প্রচার হতো। কলাকুশলীদের এগুলো প্রচার করতে বাধ্য করতো বেতারে সার্বক্ষণিক পাহারারত পাকিস্তানি সেনা অফিসাররা।
সিলেট বেতার প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বার্তা শাখা। প্রথমে শহরের চৌহাট্টায় একটি ভাড়া বাড়িতে বার্তা বিভাগের দাপ্তরিক কাজ শুরু হয়। প্রথম দিকে স্থানীয় সংবাদ প্রচার হতো না, তবে কিছু রিপোর্টিং প্রচার করা হতো। পরের বছরই ১৯৬৭ সালের আগস্ট মাসে বার্তা শাখা শহরের মধুশহীদে আরেকটি ভাড়া বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৭১ সালের শুরুতে মুক্তি আন্দোলনে উত্তাল সারাদেশ। জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে সাতই মার্চ এই কেন্দ্র থেকে শুরু হয় সংবাদ প্রচার। তখন ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন মহিউদ্দীন আহমদ। সংবাদ পাঠক ছিলেন আনোয়ার মাহমুদ। পরে শুরু হয়ে যায় যুদ্ধ। বন্ধ হয়ে যায় স্থানীয় সংবাদ প্রচার; যেমন করে অন্যান্য নিজস্ব অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। যুদ্ধ শুরুর মাস কয়েকের মধ্যে আবার শুরু হয় সংবাদ প্রচার। অবশ্য তখন দখলদার পাকিস্তানী বাহিনী তাদের স্বার্থেই একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি ভাষায় সংবাদ প্রচার শুরু করে। বেতারে তৎকালীন চাকুরিজীবী আব্দুল আজিজ বলেন, ‘৭১-এর অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন বিকেল পাঁচটা ৩০ মিনিটে বাংলা এবং পাঁচটা ৩৫ মিনিটে ইংরেজি ভাষায় সংবাদ প্রচার শুরু হয়। তখন বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বশীল ছিলেন আফতাব উদ্দিন আহমদ। আর সংবাদ পাঠক ছিলেন আলী হায়দার চৌধুরী- বাংলা এবং এনামুল আজিজ- ইংরেজি। বাংলা থেকে ইংরেজিতে সংবাদ অনুবাদ করতেন দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক রাজিউর রহমান। তখন কিছুদিন বার্তা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন আজিজুল হক। সামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সংবাদ প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত থাকে ডিসেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত। মূলত ১২ই ডিসেম্বরের পর থেকে সিলেট বেতার থেকে সব ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়।
যুদ্ধ চলাকালে সামরিক প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণে যে সংবাদ প্রচার হয় তার প্রধান সোর্স ছিলো সংবাদপত্র। দৈনিক বা সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রকাশিত সামরিক সরকারের বিভিন্ন ঘোষণা-বক্তব্য, বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের হেয় প্রতিপন্ন করার মতো ঘটনাগুলো স্থানীয় সংবাদে প্রচার করা হতো। প্রতিটি বুলেটিন তৈরি করে সার্কিট হাউসে সামরিক প্রশাসককে দেখাতে হতো। তখন সংবাদে অনেক মিথ্যা তথ্যও দেয়া হতো; যেখানে পাকিস্তানিরা পরাজিত হয়েছে সেখানে তারা ‘বিজয়ী হয়েছে’ বলে প্রচার করা হতো। চূড়ান্ত বিজয়ের কিছুদিন আগে নভেম্বরের শেষের দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক সিমেন্ট কারখানায় পাকিস্তানিদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। সুরমা নদীর উত্তর তীরে (সিমেন্ট কারখানা) ছিলো মুক্তিযোদ্ধারা এবং দক্ষিণ তীরে (ছাতক শহর) ছিলো পাকিস্তানি সেনারা। পাকিস্তানি সৈন্যরা পেছনে থাকতো আর সামনে রাখতো রাজাকার আল-বদরদের। সেই যুদ্ধে পিছু হটে পাকিস্তানীরা। অথচ সিলেট বেতারের সংবাদ বুলেটিনে পাকিস্তানিদের ‘সফলতার কাহিনী’ প্রচার করা হয়। এই ধরনের মিথ্যাচারে বাধ্য করতো পাকিস্তানি সামরিক প্রশাসকরা। সংবাদ পাঠকসহ সংশ্লিষ্টরা প্রাণের ভয়ে এই সব অনাচার মেনে নিতে বাধ্য হতেন।
অবশেষে বিজয়ের লাল সবুজ পতাকা আকাশে উড়ানোর মাহেন্দ্রক্ষণের কাছাকাছি চলে আসে সংগ্রামী জাতি। মূলত ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ থেকেই সিলেট বেতারের সংবাদসহ অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। ওইদিন ভারতীয় ছত্রীসেনা নামে বর্তমান উপশহর এলাকায় (মেন্দিবাগ)। ভারতীয় বিমান কিছুক্ষণ পর পর আসছিলো শেলিং করতে। তখন শহরের অভ্যন্তরে চলছিলো তুমুল যুদ্ধ। সেদিন টিলাগড় বেতার ভবনে অবস্থানরত কলাকুশলীরা যে যেভাবে পারে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। সকাল সাড়ে নয়টায় তড়িঘড়ি করে প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আর ওই দিনই সিলেট বেতার থেকে শেষবারের মতো ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ উচ্চারণ করা হয়। বেতার ভবনের একাংশ সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমান থেকে শেলিং করার ফলে। বিজয় অর্জনের কিছুদিন পর স্বাধীন দেশে নতুন উদ্যমে শুরু হয় আবার সিলেট বেতারের কার্যক্রম।
[নিবেদন : মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সিলেট বেতারে কর্মরত শিল্পী কলাকুশলীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে বেতার সংশ্লিষ্ট কোনো ঘটনা, স্মৃতিকথা থাকলে, দয়া করে আমাকে জানিয়ে সহযোগিতা করবেন বলে আশা করছি।- লেখক]
কৃতজ্ঞতা স্বীকার : রোকেয়া বেগম, মুক্তিযুদ্ধকালীন বেতারের ঘোষক, হিমাংশু বিশ্বাস- বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ, আবদুল আজিজ, মুক্তিযুদ্ধকালীন বেতারের চাকুরিজীবী।
লেখক : সিনিয়র সাব এডিটর, দৈনিক সিলেটের ডাক।

শেয়ার করুন
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরো সংবাদ
  • আল আক্বসা মসজিদের ইতিহাস
  • সিলেটের শীতলপাটি এখন বিশ্ব ঐতিহ্য
  • সিন্ধু বিজয় ও পলাশির পরাজয় : তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ
  • চন্দ্রবিজয় ১৯৬৯ নিল আর্মস্ট্রংদের সঙ্গী ছিলেন সিলেটি বিজ্ঞানী রফিক
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • ফিরে দেখা সিলেটে ঐতিহাসিক গণভোট
  • ঐতিহ্যে সিলেটি ইফতার
  • সিলেটের ঐতিহ্য ‘ফুড়ির বাড়ি ইফতারি’
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • সিলেট বেতার : মুক্তিযুদ্ধকালীন খণ্ডচিত্র
  • জামাইবাড়িতে ইফতারি : আম-কাঠলী-সন্দেশ
  • আমাদের বর্জনীয় অভ্যাসগুলি
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • ঐতিহ্য হারাচ্ছে ঢাকার প্রথম মসজিদ
  • সিলেটের ঐতিহ্য ও সুরমা নদী
  • সিলেটের ঐতিহ্যবাহী নাগা মরিচ
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • শ্রীভূমি শ্রীহট্ট-কাছাড়ের প্রাচীন ইতিহাস
  • সিলেট নামটি যেভাবে এলো
  • পার্বত্য তথ্য কোষ
  • Developed by: Sparkle IT