বিনোদন

বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে চান আঞ্জুমান

বিনোদন ডেস্ক : প্রকাশিত হয়েছে: ২৫-১২-২০১৭ ইং ০০:৫৪:৪১ | সংবাদটি ৬৭ বার পঠিত

আঞ্জুমান জালালাবাদী। সঙ্গীতের সুরে সুরে, যন্ত্রের তালে তালে তানপুরার কম্পন সূরের ঝংকার শুনে শুনে গড়ে উঠেন এই সঙ্গীত শিল্পী। তিনি কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পী তবলা গিটার বাদক হিসেবে তালিকাভূক্ত শিল্পী বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্রের। তাঁর বাবা অতি জনপ্রিয় প্রবীণ বেতার শিল্পী। সিলেট বেতার কেন্দ্রের তালিকাভূক্ত কাওয়ালী গানের শিল্পী ছিলেন। মরহুম নবাবী কাওয়াল রওশন জালালাবাদী। সঙ্গীতের হাতে খড়ি তার বাবার কাছে। বাবার উৎসাহ অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় কয়েকজন গুণী ওস্তাদজীর কাছে সঙ্গীত তালিম নেওয়ার সুভাগ্য হয়েছে সঙ্গীত ভুবনে পদার্পন, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত বাংলা কাওয়ালী ও ঢোলক তার পিতাজীর সান্যিধ্যে শৈশব কাল থেকেই তালিম নেন। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত নজরুল সঙ্গীত এবং পাশাপাশি তবলা ও তানপুরা যন্ত্র সঙ্গীতে বা পরিবেশনের নিয়ম তালিম নিয়েছেন- ওস্তাদ পি সুধেন্দ্র সিংহের কাছে। এছাড়াও তবলার লহড়া বাজানো বা বিভিন্ন বোল বানী শিখের তাঁরা হলেন ওস্তাদ রুদ্রেশ্বর সূত্র ধর, সত্যজিত সরকার (ভারত), ওস্তাদ মদন গোপাল (ঢাকা)। অধ্যায়নের স্থান থেকে ‘তবলা যন্ত্রের মধ্যমা পর্যন্ত কোর্স সম্পূর্ণ করেছেন।
তিনি সিলেট ললিতকলা একাডেমির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং তবলায় তারযন্ত্রে ৪র্থ বর্ষ পর্যন্ত কোর্স সম্পূর্ণ করেন।
তানপুরা তালিম নেন ওস্তাদ ইয়াসিন খান (ঢাকা), হাওয়াইয়ান গীটার শিখেন আব্দুল মোত্তালেবের কাছে। আন্তঃজেলা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে গীটার যন্ত্রে বড়দের গ্রুপে ১ম স্থান অধিকার করেন ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশ শিল্পকলা আয়োজিত কর্মশালায় অংশ নিয়ে কোর্স সম্পূর্ণ করে থাকেন। এস চ্যানেল গানে, গানে অনুষ্ঠানে যন্ত্রশিল্পী হিসাবে তবলা পরিবেশন করেন। তাছাড়া গান, গীটার, তবলা, ঢোলক ও তানপুরা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। উল্লেখ্য মুকুলিকা সঙ্গীত বিদ্যালয় ও উত্তরণ সঙ্গীত বিদ্যালয়ে যন্ত্র বিভাগে তবলার প্রশিক্ষক ছিলেন। সৃজন ললিত কলা একাডেমীতে তবলা ও হাওয়াইয়ান গীটারের প্রশিক্ষক ছিলেন।
নজরুল একাডেমির অনেক অনুষ্ঠানে তবলা সঙ্গত করেছেন। আনন্দলোকে প্রায় চার বৎসর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সাথে রাবিন্দ্রক তাল সমূহ সঙ্গত করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃক ‘নতুন কুঁড়ি’ অনুষ্ঠানে সববিষয়ে গানের সাথে সাথে তবলা বাজিয়েছেন। এছাড়াও প্রতি বছর বিভিন্ন উৎসবে তাঁর সংগঠন জালালাবাদী শিল্পী গোষ্ঠী সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপন করে থাকে জালালাবাদী শিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গীত ও যন্ত্রসঙ্গীত পরিচালক এবং প্রশিক্ষক ও সম্পাদক আঞ্জুমান জালালাবাদী। ১৯৯৮ থেকে বাংলাদেশের বেতার সিলেট কেন্দ্রে যন্ত্রবিভাগ তানপুরা, তবলা ও ঢোলক বাদক হিসেবে কাজ করছেন। তাঁর বাবার একান্ত ইচ্ছে ছিল সঙ্গীতচর্চায় নিয়মিত থাকতে। তাই আঞ্জুমান তাঁর বাবার ইচ্ছে জালালাবাদী শিল্পী গোষ্ঠির নামে নিয়মিত সঙ্গীত অনুষ্ঠান করে পূরণ করতে চান।

শেয়ার করুন
বিনোদন এর আরো সংবাদ
  • প্রচন্ড শীতেও বৃষ্টিতে ভিজে নিরব-আইরিনের রোমান্স!
  • অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে শাবনূরের ‘পাগল মানুষ’
  • বলিউডে এ বছর যারা আলোচিত হবেন
  • দর্শক যেভাবে চায় সেভাবেই হাজির হবো : পরীমনি
  • এক ছবির জন্য ১০ কোটি রুপি পাচ্ছেন অ্যাশ
  • শাকিব-বুবলী নিখোঁজ
  • বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে চান আঞ্জুমান
  • ওমরাহ্ পালনে গিয়ে দেখা সাকিব-নাফীস আর অনন্ত জলিলের
  • ২০১৭ : শাকিব-অপু উপাখ্যান
  • চলতি বছরে বাহুবলীর আয় ২৮ মিলিয়ন ডলার!
  • কত আয় করল ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’?
  • কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ‘ইত্যাদি’
  • আনন্দমেলা উপস্থাপনায় সজল-নাবিলা
  • মৌসুমী-ওমর সানির ২১ বছরের সংসারের ‘কেমিস্ট্রি’
  • নিপুণ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র এখনো মুক্তি পায়নি!
  • কান্নার অভিনয়ে গ্লিসারিন লাগে না জয়ার
  • ঈদে একমাত্র দেশি ছবি রাজনীতি!
  • শিল্পী সমিতির তিন নেতার মারামারি!
  • শাকিব-শুভশ্রীর ‘যাবো নিয়ে’
  • প্রাণ চাটনির বিজ্ঞাপনে পরীমনি
  • Developed by: Sparkle IT