শিশু মেলা

কবিতা

প্রকাশিত হয়েছে: ২৮-১২-২০১৭ ইং ০০:৫১:২১ | সংবাদটি ১২৭ বার পঠিত

রক্তের দাম
বেলাল আহমদ চৌধুরী
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশই
আমরা সবার গর্ব,
তরুণ মোরা মেধা দিয়ে
স্বদেশখানা গড়বো।

সংঘাত আর দলাদলি
থাকবে না কো আর,
জাতীয় জীবনে দুর্নীতি
করবো চুরমার ॥

মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে
জাগ্রত করবো,
বীর শহীদের রক্তের দাম
হৃদয়ে লিখে রাখব।

শব্দ দূষণ
এম. আশরাফ আলী
কাঠ ফাটা ঐ রোদের মত
কান ফাটে মোর শব্দে,
কোন শিকারি তীর মেরে যায়-
বল্গা হরিণ জব্দে।
হাই সিকোয়েন্স শব্দে বাজে
মাইক, মিছিল, বক্তা-
হৃদরোগীর হৃদে বাজে
কম্পনের ঢংটা।

শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ কাঁপে
ব্যাঘ্র সমেত কন্ঠে,
দোয়া দরূদ ভাসে অজুদ
মুর্দা মাঝে বন্টে।

হাইড্রোলিকের হরণ বাজে
পুলিশ ক্যাব আর টেরাকে,
অ্যাম্বুলেন্সে সেন্সটা হারায়
আটকে যখন ব্যারাকে।

লাল গাড়িটার শব্দে কাঁপে
রাস্তাসহ বাহনে,
ক্লিয়ার করে দেয়রে সবে
বাঁধ সাধে না যাহনে।

শব্দরে তুই জব্দ হবে
কোন সে বইয়ের আইনে?
চিন্তা করে জনম গেল
এর সমাধান পাইনে।

বাংলা আমার
সাজিদ মাহমুদ
বাংলা আমার মায়ের মতো
বোনের মুখের হাসি
সবুজ শ্যামল বাংলা আমার
বাংলা ভালোবাসি।

সবুজ শ্যামল বাংলা মাঝে
পাই যে আমি সুখ
বাংলা ভাষায় কথা বলে
গর্বে ভরে বুক।

যেখানে যাই সেখানে মন
বাংলা খোঁজে ফিরে
শত হাজার স্বপন বুকে
বাংলা মাকে ঘিরে।

মুজিব জাতির পিতা
অনন্ত পাল
মুজিব আমার,
মুজিব তোমার,
মুজিব জাতির পিতা;
মুজিব মানে অগ্নিপুরুষ
কবিতার পাতা।

মুজিব গানে,
মুজিব প্রাণে,
মুজিব টুঙ্গিপাড়া;
মুজিব মানে অস্ত্র নিয়ে
ঘরে ঘরে দুর্গ গড়া।

মুজিব শাসন,
মুজিব ভাষণ,
মুজিব বিশ্ব নেতা;
মুজিব মানে ২৬ শে মার্চ
একাত্তরের স্বাধীনতা।

তোমাকে খোঁজা
মোঃ শামছুল হক
কোন রংয়েতে আঁকব ছবি?
মনের তুলি দিয়ে।
কোন মেঘেতে ভিজবে তুমি?
কল্পপুরে গিয়ে।
কোন সোহাগে রাখব তোমায়?
মনের কুড়েঘরে।
কোন ফাগুনে আসবে তুমি?
কল্পিত এই নীড়ে।

সিলেটের ডাক
মো. ফজলুর রহমান ফজলু
দীর্ঘ পাঁচ মাস বারো দিন বন্ধ থাকার পর
মেঘমুক্ত আকাশে দেখি পূর্ণ শশধর।
আল্লাহ পাকের লীলা খেলা বুঝার সাধ্য নাই
আহকামুল হাকীম তিনি দু জাহানের সাঁই।
ঊনিশ শ চুরাশি সালে দৈনিক সিলেটের ডাক
প্রথম যাত্রায় সিলেটবাসীরে করে হতবাক।
তিলে তিলে চৌত্রিশ বছরে করে পদার্পন
নিত্য দিনে প্রচার করে সরস সম্ভাষণ।
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে যাহার জুড়ি নাই
সভাপতি পদে আছেন রাগীব আলী ভাই।
আটারো জুন দুহাজার সতেরো ঘটে বিড়ম্বনা
রাগীব আলী কারাবাসে বন্ধ ডাকের প্রকাশনা।
তিরিশ নভেম্বর দুহাজার সতেরো সিলেটের ডাক
পুনঃ প্রকাশে দেশবাসীরে করিল অবাক।
ডাকের পুনঃযাত্রায় আমি স্রষ্টার গুণ গাই-
জনবান্ধব এ সরকারকে শুভেচ্ছা জানাই।
যারা আছেন সংবাদকর্মী ছাড়িবেন না হাল-
আশা করি দৈনিক ডাকের তুঙ্গে উঠবে পাল।
পাঠক সুধী সকলের কাছে শুধু দোয়া চাই
দৈনিক ডাকের যাত্রা পথে শোকরিয়া জানাই।

ফিরে এসো মুজিব
মোঃ ছাবির উদ্দিন
চলে গেছ ভূবন থেকে
নিঃস্ব মোদের করে
চলছে দেখ আজও পীড়ন
অসহায়ের পরে।
বৃষ্টির ধারার মতো দেখ
ঝরছে চোখের জল
দুর্নীতি আর হানাহানি
একী স্বাধীনতার ফল।
তব বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সোনার
বাংলা পেয়েছি
পরাধীনতার শৃঙ্খল হতে
মুক্ত হয়েছি।
তারপরও আজ চলছে দেখ
দুর্নীতি দেশজুড়ে
শেখ মুজিবুর আবার এসে
দাও সব সাফ করে।

কেমন আছ
মোঃ শানুর হোসেন
তুমি এখন কেমন আছ
ভালো নাকি মন্দ
হয়তো ভাল সুখেই আছ
মনে মহানন্দ।

ভাল থাক অনেক সুখে
থাকো জীবন ভরে  
আমিতো আজ তোমার চেয়ে
আছি অনেক দূরে।

একটি কথা জানতে শুধু
ইচ্ছে ভীষণ করে
আজো কি কভু আমার কথা
তোমার মনে পড়ে?

প্রজাপতি
সৈয়দ আছলাম হোসেন
ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়াও
কথা কেন বল না?
রোদে জ্বলো সারাদিন
আমার ঘরে চল না।

আদর দেব সোহাগ দেব
খেতে দেব মউ,
আমার ঘরে এসো যদি
খুশি হবে বউ।

সোনার বাংলাদেশ
এইচএম আরশ আলী
লক্ষ শহীদের রক্ত¯œাত
একটি রক্তিম পতাকা
তুমি সন্তানহারা
বঙ্গজননীর করুন আর্তনাদে
শান্তির ঠিকানা
তুমি শত সন্ন্যাসী বাউলের
বেহালার সুরের মূর্ছনা
স্বজনহারা প্রিয়জনের
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস।
তুমি যুগ যুগান্তরে
কবির পংক্তিমালায়
শিল্পীর তুলির আল্পনায়
মনিষীর চিন্তা-চেতনায়
সবুজ বাগিচায় প্রস্ফুটিত
উজ্জ্বল রক্ত গোলাপ।
তুমি আঁধারে সোনালী সূর্য
বুকের জমিনে উর্বর ভূমি
হৃদয়ের মণিকুটিরে আঁকা
একটি রক্তখচিত মানচিত্র
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।  

বিজয় মানে
আহমেদ তাসলিমুর রহমান ইহান
বিজয় মানে লাল সবুজের
পতাকা ওই উড়ছে,
বীর জনতার বিজয় মিছিল
রাজপথে ওই ছুটছে।  

তোমার জন্য লক্ষ শহীদ
রক্ত দিলো ঢেলে
এমন আত্মত্যাগের কথা   
আর কোথাও কি মেলে?


পাটিয়াল
শাহাদত বখ্ত শাহেদ
পাটিয়াল ও পাটিয়াল
মুর্তার পাটি চাই
সেই ইটা, চোঁয়ালিশে  
চলো ফিরে যাই।

পাটিকর ও পাটিকর
মুর্তার চাষে যাও
নকশীর মসৃণ
চকচকে পাটি দাও।

পাটিয়াল ও পাটিকর
খুশি দেশ জাতি  
তোমাদের কল্যাণে  
দেশ পেলো খ্যাতি।  

পাটিকর পাটিয়াল
বেঁচে থাক চিরদিন
শোধ কভু হবেনা কো
তোমাদের এ ঋণ।


শীতলপাটির প্রেম
জালাল জয়
গরম দিনে মধুর মায়া
শীতল করে প্রাণ যে
বইছে আলোয় চাঁদের হাওয়া
চলছে মজার গান যে

প্রাণের ভেতর মধুর খেলা
উঠোন জুড়ে বই তো  
শীতলপাটির শীতল মেলা
কত না গান হইতো

গরম মেজাজ ঠান্ডা হবে
নরম সুরে ডাকবে
শীতলপাটির শীতল ছোয়ায়
মায়ার ছবি আঁকবে

বসলে তাতে ঘুম এসে যায়
ফুড়িয়ে যায় ক্লান্ততা
চোখে মুখে দেখবে না আর
ভুলেমাখা ভ্রান্তটা  

শীতলপাটি শীতলপাটি
যেওনা গো থেমে   
ডুবছে দেখো সুরমা থেকে
টেমসও তোমার প্রেমে।

শেয়ার করুন

Developed by: Sparkle IT