আইন অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির সুপারিশ

ট্রাফিক পুলিশের সাথে সুজন-এর বৈঠক

ডাক ডেস্ক :
সিলেট নগরীকে ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে মহানগর ট্রাফিক পুলিশের সাথে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে সুজনের নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেট মহানগরী এলাকার যানজট নিরসনের জন্য ট্রাফিক পুলিশ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। তবে এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের সামগ্রিক কার্যক্রম প্রতি ৩ মাস অন্তর প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে জানাতে হবে। এর মাধ্যমে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি পুলিশের কার্যক্রমে আরো গতিশীলতা আসবে। তারা সিলেট মহানগরী এলাকাকে হকারমুক্ত করার জন্য পুলিশকে প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। সভায় করোনাভাইরাসে মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদেও রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
সভায় এসএমপি’র উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ বলেন, মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে সাজাতে পুলিশ কয়েক ধাপে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সিলেট নগরীর হকারদের শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদেরকে লালদিঘীরপাড়স্থ হকার্স মার্কেটের খালি জায়গায় প্রকৃত হকারদের তালিকা করে বসানো হয়েছে। এ সময় তিনি সুজন নেতৃবৃন্দসহ সিলেটের সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় ট্রাফিক পুলিশের প্রতি সুজন নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রচলিত আইন যারা না মেনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন-তাদেরকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাহলে অপরাধ করতেও মানুষ ভয় পাবে। পুলিশের এই কাজে যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়; তাহলে সিলেটের নাগরিক সমাজকে নিয়ে পুলিশকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। এ সময় ট্রাফিক পুলিশের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক কর্মকান্ডের জন্য সুজনের পক্ষ থেকে ট্রাফিক পুলিশের কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
সভায় উপ পুলিশ কমিশনার ফয়সল মাহমুদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুজন সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, সহ সভাপতি ও ব্লাস্টের সিলেট কো-অর্ডিনেটর এডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও বেলা সিলেটের কো-অর্ডিনেটর এডভোকেট শাহ শাহেদা আক্তার, ট্রাফিক পুলিশের উপ কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার, সহকারী পুলিশ কমিশনার (উত্তর) আবুল খায়ের, সহকারী পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আশিদুর রহমান প্রমুখ।