গর্ভাবস্থায় যেসব খাবার খাওয়া ক্ষতিকর

গর্ভাবস্থায় অন্তঃসত্ত্বার চাই বাড়তি যত্ন। এ সময়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।
পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু নির্দিষ্ট খাবার খাওয়া এড়ানো উচিত। কারণ মা যা কিছু খায়, তার সরাসরি প্রভাব পড়ে সন্তানের ওপর। তাই কোনো কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।
আসুন জেনে নিই গর্ভাবস্থায় যেসব খাবার খাবেন না-
১. গর্ভাবস্থায় জাঙ্ক ফুড খাওয়া উচিত নয়। জাঙ্ক ফুড খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে ওষুধ খেতে হবে, যার প্রভাব পড়বে গর্ভের শিশুর ওপর। তাই স্ট্রিট ফুড, জাঙ্ক ফুড খাবেন না।
২. যদি প্রচুর পরিমাণে অ্যালকোহল সেবন করেন, তবে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ধূমপান বা অ্যালকোহল কোনোটাই এ সময় নেয়া উচিত না। অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ এই সময় শিশুর ক্ষতি করে।
৩. গর্ভবতী মায়েদের হাঙর, সওয়ার্ডফিশ, টুনা, কিং ম্যাকেরেল এবং টাইল ফিশ খাওয়া উচিত নয়।
৪. কাঁচা স্প্রাউটস খুব স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। তবে রান্না না করা স্প্রাউটস গর্ভবতী নারীদের পক্ষে ভালো নয়। কাঁচা স্প্রাউটসে ব্যাক্টেরিয়া থাকতে পারে। রান্না করার পর এটি দূর হতে পারে।
৫. তৈলাক্ত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। কারণ এতে উচ্চ পরিমাণে লবণ, চিনি থাকে ও প্রচুর প্রিজারভেটিভ কেমিক্যালও উপস্থিত থাকে, যা গর্ভবতী নারী ও শিশুকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই টাটকা খাবার খাওয়া উচিত এবং ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বাড়ানো উচিত।

ঠাণ্ডায় নাক বন্ধ সমস্যা ও চিকিৎসা
অধ্যাপক ডা. জাহীর আল-আমিন
শীতের সময়ে ঠাণ্ডা লাগার কারণে অনেকের নাক বন্ধের সমস্যা হয়ে থাকে। দেখা যায়, কিছু সময় নাকের একদিক বন্ধ থাকে, আবার বাকি সময় অন্যদিক বন্ধ থাকে। ঠাণ্ডা লাগার কারণে নাক দিয়ে সর্দি ঝরে, নাকে গন্ধ ঠিকমতো পান না।
অনেক সময় নাকে দুর্গন্ধ হয়। এছাড়া নাক দিয়ে শ্বাস নিতে না পারার কারণে রোগী নাক ডাকে, ঘুমের মধ্যে মুখ শুকিয়ে যায়। খুশখুশে কাশি ও রোগী কানে কম শোনে।
রোগী নির্ণয় ঃ
পরীক্ষা করে দেখা যায়, এ রোগীদের নাকের হাড় বাঁকা থাকে। নাকের পর্দা একদিকে বেঁকে যেতে পারে বা দুদিকেই বেঁকে যায়। এর সঙ্গে নাকের ভেতরে অ্যালার্জি বা ইনফেকশন বা পলিপ থাকতে পারে।
চিকিৎসা ঃ
নাকের হাড় বাঁকা থাকলে এবং তা সমস্যার সৃষ্টি করলে অপারেশনের মাধ্যমে ঠিক করে নিতে হয়। এর সঙ্গে সাইনাস বা কানের সমস্যা থাকলে সে সমস্যারও একই সঙ্গে সমাধান করে নেয়া দরকার।
আধুনিক যুগে হাড় বাঁকা সোজা করার জন্য সেপ্টোপ্লাস্টি অপারেশন করা হয়। এ অপারেশনের বাড়তি সুবিধা হল নাকের বাহ্যিক কাঠামোর কোনো সমস্যা থাকলে রাইনোপ্লাস্টি অপারেশনের মাধ্যমে একই সঙ্গে ঠিক করে নেয়া হয়। ৬-৭ বছর বয়সেও এ অপারেশন করা হয়। তবে অপারেশন করতে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সূক্ষ্ম টেকনিক অবলম্বন করতে হয়।
যাদের নাকের হাড় বেশিমাত্রায় থাকে এবং উপরোক্ত সমস্যায় ভুগছেন তারা অতি শিগগিরই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।