২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক::
করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একইসময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ৮৪৯ জন।

সোমবার (১১ জানুয়ারি) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতর নিয়মিত বুলেটিনে দেশের করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৮৪৯ জনকে নিয়ে দেশে আক্রান্তে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ৩০২ জন। আরও ২২ জনের মৃত্যুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭ হাজার ৮০৩ জন হয়েছে।

গত একদিনে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ৯১৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭১৮ জন হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

এদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য বলছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯ কোটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৭৭৩ জন, মোট মারা গেছেন ১৯ লাখ ৪৩ হাজার ৯০ জন।

বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৩৩৪ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ৩ লাখ ৮৩ হাজার ২৭৫ জন।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩১ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১৯৮ জন।

ব্রাজিল আছে তৃতীয় অবস্থানে। ব্রাজিলে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮১ লাখ ৫ হাজার ৭৯০ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ২ লাখ ৩ হাজার ১৪০ জন।

তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। ফ্রান্স পঞ্চম। যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ। তুরস্ক সপ্তম। ইতালি অষ্টম। স্পেন নবম। জার্মানি দশম।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি। তবে তার ঘোষণা আসে ১১ জানুয়ারি। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।