প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপে শাবিপ্রবির ‘সাস্ট ফ্যানাটিক্স’র দশমবারের মতো অংশগ্রহণ
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২১ আগস্ট ২০২৫, ৮:২৮:৪০ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি : প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপে দশমবারের মতো অংশগ্রহণের গৌরব অর্জন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের “সাস্ট ফ্যানাটিক্স”। গত বছর নভেম্বরে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়া রিজিওনের ঢাকা সাইট থেকে সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণ করা ৩০৭টি দলের মধ্যে ‘সাস্ট ফ্যানাটিক্স’ দলটি চ্যাম্পিয়ন হয়। এবার প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে।
এই প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপ আগস্টের ৩১ তারিখ থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আজারবাইজানের বাকু শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সাস্ট ফ্যানাটিক্স দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন শাবিপ্রবির সিএসই বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত মোজাদ্দেদে আলফেহ সানি, মুহাম্মাদ নাজমুল হাসান নাঈম ও চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত আবু কাওসার গোলাম মো. সারোয়ার, এবং তাদের কোচ হিসেবে আছেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক এ. কে. এম. ফাখরুল হোসেন।
জানা যায়, ১০৩টি দেশের ৩,৪২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩,০৮৩ মেধাবী প্রোগ্রামারদের মধ্যে শীর্ষ ১% প্রতিযোগী বাকুর অ্যাডা ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠেয় এই প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের হয়ে দক্ষিণ এশিয়া রিজিওন থেকে প্রতিনিধিত্ব করতে শাবিপ্রবির ‘সাস্ট_ফ্যানাটিক্স’ দলটি মূল পর্বে যোগ দিতে আজারবাইজান যাচ্ছে। এছাড়াও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির একটি দল, ‘ব্র্যাকইউ_ক্রৌস’ বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করবে। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১৪০টি দল বিশ্বকাপের মূল পর্বে প্রতিযোগিতা করবে।
সাস্ট ফ্যানাটিক্স এর কোচ এ. কে. এম. ফাখরুল হোসেন অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এটা সত্যিই আমাদের জন্য আনন্দের। আমাদের দল সারাদেশের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বমঞ্চে শাবিপ্রবিকে তুলে ধরছে। এটা আমাদের জন্য গৌরবের বিষয়।”
তিনি দেশসেরা হওয়ার পেছনের গল্প বলেন, “এই প্রোগ্রামিং বিশ্বকাপ ফুটবল, ক্রিকেট বিশ্বকাপের মতো গৌরবের এবং দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার বিষয়। এর জন্য এই ছেলেরা সারা বছর কঠোর পরিশ্রম করে। আমাদের বিভাগের ল্যাবে এইসব প্রোগ্রামাররা প্রতিযোগিতায় স্থান করে নেওয়ার জন্য রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে। কঠিন থেকে কঠিনতম কোডিং সমস্যার সমাধান করার মাধ্যমে নিজেদেরকে তারা তৈরি করে।”
বিশ্বমঞ্চে নিজেদের জায়গা করে নিতে কোনো ধরনের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা তেমন কোনো প্রতিকূলতার সম্মুখীন হইনি। কারণ দেশের ভেতরে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় আমাদের প্রোগ্রামাররা সবসময় অন্যদের ডমিনেট করে নিজেদের স্থান সবার উপরে ধরে রেখেছে। ফান্ডিং-এর জন্য একটু সমস্যা ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে, আর আমাদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ও বিভাগের সহযোগিতায় সেই সমস্যা সমাধান হয়েছে।”




