সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক এলজিইডি হতে সওজে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ২১ নভেম্বর ২০২৫, ২:০৯:৪৮ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর(এলজিইডি) হতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে (সওজ) হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে সওজের প্রধান প্রকৌশলী(চলতি দায়িত্ব) সৈয়দ মঈনুল হাসান সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব বরাবরের একটি পত্র দিয়েছেন।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, সিলেট জেলার আওতাধীন সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কটি (২৩.৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর হতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে হস্তান্তরে নিমিত্তে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সওজ, সিলেট জোন একটি প্রতিবেদন তার দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সড়কটি সিলেট-সালুটিকর-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ (এন-২১৪) জাতীয় মহাসড়ক এর ৯ম কিঃমিঃ এ সালুটিকর বাজার হতে শুরু হয়ে সারি-গোয়াইনঘাট (জেড-২০১২) জেলা মহাসড়কের এর ১৭ তম কিঃমিঃ-এ গোয়াইনঘাট বাজারে মিলিত হয়েছে। সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন পর্যটন সমৃদ্ধ এলাকা। রাতারগুল, সাত পাহাড়ের মোহনা বিছনাকান্দি, মায়াবতি ঝর্ণা, পান্থুমাই, উৎমাছড়া, তুরঙ ছড়া, দামাড়ি পার্কসহ অসংখ্য মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পটগুলো পরিদর্শনের জন্য সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়কটি যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। সড়কটির মালিকানা হস্তান্তর পূর্বক যথাযথ মানে উন্নীত করা হলে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরো গতিশীল হবে এবং সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ গেজেট ৬ নভেম্বর/২০০৩ খ্রিঃ এবং পরিকল্পনা কমিশনের সংজ্ঞা অনুযায়ী Abyhvqx- Zilla Roads- Roads connecting District HQ’s with Upazilla HQ’s or connecting one Upazilla HQ’s to another Upazilla HQ’s by a single main connection with National/Regional Highway, through shortest distance/route’ প্রস্তাবিত সড়কটি জেলা মহাসড়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সালুটিকর-গোয়াইনঘাট সড়ক হিসেবে নামকরণ করা যেতে পারে।
পত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে এ সড়কটি হস্তান্তরের বিষয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সড়কটির গুরুত্ব, বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের চলমান প্রকল্প এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের চলমান মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিদ্যমান সড়কটি জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় সড়কটির জন্য স্বল্পমেয়াদী মেরামতে ১২.০০ কোটি, মধ্যমেয়াদী মেরামতে ৪০.০০ কোটি এবং দীর্ঘমেয়াদী মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ৪০১.৫৪ কোটি অর্থের প্রয়োজন হবে মর্মে কার্যবিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।
এমতাবস্থায়, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সওজ, সিলেট জোন হতে প্রাপ্ত প্রস্তাবটি তাঁর সদয় অবগতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সচিবের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধান প্রকৌশলী।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সিলেটে অনুষ্ঠিত জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশনের মতবিনিময় সভায় সড়কটি এলজিইডি হতে সওজে স্থানান্তরের বিষয়ে আলোচনা হয়। এরপর গত ১৯ নভেম্বর সওজের পক্ষ থেকে সচিবের কাছে এ বিষয়ে পত্র দেয়া হয়।




