বৃষ্টি হলে সড়কে ভোগান্তি বেড়ে যায়
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২০ কিলোমিটারে তীব্র যানজট
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১১ জুলাই ২০২৫, ১২:১০:১০ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (১১ জুলাই) ভোর থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নরসিংদীর রায়পুরা থানার বারৈচা থেকে ভৈরবের জগন্নাথপুর পর্যন্ত এলাকায় থেমে থেমে গাড়ি চলছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫০ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার মহাসড়ক উন্নীতকরণ কাজ চলছে। এ কাজ ২০১৭ সাল থেকে শুরু হলেও ধীরগতিতে চলছে। ৫ আগস্টের পর প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল কাজ। পরে সেটি শুরু হলেও ধীরগতি। এ কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোল চত্বর সংলগ্ন সড়কে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন ধীরগতিতে চালাতে হয়। এতে প্রতিদিন সেখানে যানজট লেগে থাকে।
ফলে আশুগঞ্জ ছাড়িয়ে এ দীর্ঘ যানবাহনের সারি সৈয়দ নজরুল ইসলাম সড়ক সেতু পার হয়ে ভৈরব দুর্জয় মোড় বাসস্ট্যান্ড এলাকা পর্যন্ত যানজট সৃষ্টি হয়। এমন কী এ যানজটের কারণে পাশের নরসিংদীর বারৈচা বাসস্ট্যান্ড এলাকায়ও যানজট বাঁধে।
ভোগান্তিতে থাকা সিলেটগামী মিতালী বাস যাত্রীরা বলছেন, ‘কদিন ধরে এ সড়কে জ্যাম লেগে আছে। ভোরে ঢাকা থেকে সিলেটে যাওয়ার জন্য বাসে উঠেছি কিন্তু এখনও ভৈরব টোল পার হতে পারেনি কবে যে সিলেটে পৌঁছাবো সেই চিন্তায় আছি।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সিলেটগামী পণ্যবাহী ট্রাকচালক কাজিম আলী বলেন, ‘দেড় ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি। ১০ মিনিটের রাস্তা এসেছি ৪ ঘণ্টায়। যাচ্ছি সিলেটে। কখন সিলেট পৌঁছাবো আল্লাহ ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। বৃষ্টি হলে সড়কে ভোগান্তি বেড়ে যায়।’
এ বিষয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাহবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, টানা বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশ্বরোড থেকে আশুগঞ্জ গোল চত্বর পর্যন্ত ভাঙ্গা রাস্তার কারণে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে কিছু লোকাল ছোট বড় যানবাহনগুলো কোনো নিয়ম মানছে না। আখাউড়া থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত চার লেন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ না হলে এ যানজটের সমাধান হবে না।




