তিনি ছিলেন বঞ্চিত কর্মকর্তা
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হলেন সিলেটের আব্দুন নাসের খান
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ৩১ জুলাই ২০২৫, ৭:১৫:৫৮ অপরাহ্ন
অনলাইন রিপোর্ট ॥ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব হলেন সিলেটের আব্দুন নাসের খান। বেসামরিক পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে পদায়ন পেয়ে এই পদে আসীন হলেন তিনি।
সিলেট নগরীর মজুমদারী এলাকার বাসিন্দা আব্দুন নাসের খান ১৯৯৫ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু। পর্যায়ক্রমে তিনি এসিল্যান্ড, ইউএনওসহ মাঠ প্রশাসনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৬ মাস তিনি তৎকালীন রাষ্ট্রপতির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট সেক্রেটারি(এপিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া, তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক পদও অলংকৃত করেন। পরবর্তীতে তিনি যুগ্ম সচিব পদে উন্নীত হন। গত বছরের ২৫ আগস্ট যখন প্রশাসনে বঞ্চিত ১৩১ জন যুগ্মসচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয় তখন তিনি অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্ব পান। সর্বশেষ তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। এ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে বিমানের টিকেট সিন্ডিকেটিং বন্ধসহ বিমানে শৃংখলা আনয়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন।
বুধবার তিনি সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন।
জানা গেছে, সাবেক সচিব ড. মোঃ মুশফিকুর রহমান অবসরে যাওয়ায় এই বিভাগের রুটিন দায়িত্ব পালন করছিলেন জহিরুল ইসলাম।
সিলেট ক্যাডেট কলেজের মেধাবী ছাত্র আব্দুন নাসের খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করে। তিনি দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। সিলেটের ‘গরীবের চিকিৎসক’ খ্যাত ডা: আব্দুস সহিদ খান তার চাচা।
আরও পড়ুন : সিলেট বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ‘পৌরনীতি’ ও ‘সুশাসন’ পরীক্ষার দুই প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজের চাকা ফেটে কর্মচারীর মৃত্যু




