শাবিতে র্যাগিং ইস্যুতে আজীবন বহিষ্কার : প্রতিবাদে বিভিন্ন বিভাগ ও সংগঠনের বিবৃতি
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ৬:৫৫:১৮ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি : শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর আগের র্যাগিং ইস্যুতে ১ জনকে আজীবন বহিষ্কারসহ ২৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার ও শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিবৃতি প্রদান করেছে।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারসহ অর্থনীতি বিভাগের আরও ১২ জন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়।
প্রতিবাদী বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতো সকল প্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলাম, আছি এবং থাকব। কিন্তু সম্প্রতি অর্থনীতি বিভাগ ও পরিসংখ্যান বিভাগের ১ বছর আগে ঘটে যাওয়া একটি ছোট মনোমালিন্যর বিষয়কে র্যাগিংয়ের মতো ইস্যু বানিয়ে ২৫ জন শিক্ষার্থীর জীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে প্রশাসন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি অতিদ্রুত এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার জন্য। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হোক।”
এছাড়া তারা আরও বলেন, “ভবিষ্যতে এরকম শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উভয় পক্ষের মতামতের প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে।”
বিবৃতি প্রদান করেন যথাক্রমে- অর্থনীতি বিভাগ, পরিসংখ্যান বিভাগ, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৮তম ব্যাচ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ৩১তম ব্যাচ, সমাজকর্ম বিভাগের ৩০তম ব্যাচ, পলিটিক্যাল বিভাগের ২৮তম ব্যাচ, বন ও পরিবেশ বিভাগের ২৫তম ব্যাচ, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৮তম ব্যাচ, পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের ২৮তম ব্যাচ, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের ১৩তম ব্যাচ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ১৩তম ব্যাচ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩তম ব্যাচ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৯তম ব্যাচ এবং পেট্রোলিয়াম ও খনি প্রকৌশল বিভাগের ১৯তম ব্যাচ।
এছাড়া বিবৃতি দিয়েছেন- ২০২০-২১ সেশনের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, রণন ১৮তম ব্যাচ, কর্ণভ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।




