শরিকদের সঙ্গে বৈঠক স্থগিত করেছে বিএনপি
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২৩:২৯ অপরাহ্ন
অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক স্থগিত করেছে বিএনপি। জোটের নেতারা জানিয়েছেন, যানজটের কারণে সব দল যথাসময়ে উপস্থিত না হতে পারায় এই বৈঠক হয়নি। তবে শনিবার দুপুর ১২টায় সব দল নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, গণফোরাম, গণ অধিকার পরিষদ, নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর অংশ)সহ অন্যান্য দলের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
এ বিষয়ে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজকে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর একটি বৈঠক ছিল। সেটি অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে। আমাদের জানানো হয়েছিল যে আজকে সন্ধ্যার পরে মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। সেই মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার জন্য আমরা এসেছিলাম।
এসে জানতে পারলাম যে আজকে এই বৈঠকটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। হয়তো আমাদের পরবর্তীতে জানানো হবে যে কী কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে আমরা প্রায় ৪০টির বেশি দল সেই ২০২২ সাল থেকে যুগপৎ আন্দোলন করেছি। লড়াই-সংগ্রাম করেছি।
আমরা এই আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে নানানভাবে নিপীড়নের শিকার হয়েছি। অনেকে জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছি। সামনে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হবে। যুগপৎ আন্দোলনের যারা শরিক রাজনৈতিক দল রয়েছে তাদের নেতৃবৃন্দর অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থিতা প্রকাশ করেছে।
আমরা যারা বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করেছি আমরাও দলগতভাবে প্রার্থিতা প্রকাশ করেছি। এখন যেটি হবে যে যুগপৎ শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কতগুলো আসন বিএনপি ছাড় দেবে, সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা আশাবাদী যে বিএনপি একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে, যাতে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোও খুশি থাকে এবং বিএনপি দলগতভাবে তারাও খুশি থাকে। আমরা চাই, একটি সমঝোতা হোক, ন্যায্যতার ভিত্তিতে।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘অনেক দল আজকে আসতে পারেনি, যার জন্য এই বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টায় মিটিং হওয়ার ব্যাপারে আমাদের জানানো হয়েছে।’
বিএনপি ইতোমধ্যে ২৭২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এখন আসন ফাঁকা আছে মাত্র ২৮টি। বিএনপি ঘোষিত আসনগুলোর মধ্যে এমনও আসন রয়েছে, যেখানে জোট সঙ্গীদের নেতারা নির্বাচন করতে আগ্রহী। এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন জোটের অনেক নেতা। তারা বলছেন, ন্যায্যতার ভিত্তিতে যেন শরিকদের আসন ছাড়ে বিএনপি।




