জাতীয় প্রেসক্লাবের শৌচাগার থেকে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মামুদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন
ডাক ডেস্ক : রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের শৌচাগার থেকে দৈনিক দিনকালের সিটি এডিটর ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আলী মামুদকে (৭০) গতকাল মঙ্গলবার সকালে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাকে।
এ বিষয়ে আলী মামুদের স্ত্রী জেসমিন আরা গণমাধ্যমকে জানান, সোমবার বাসা থেকে বের হন আলী মামুদ। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, প্রথমে প্রেসক্লাব যাবেন, পরে যাবেন নিজ কর্মস্থল দিনকালে। আলী মামুদকে পরে তিনি ফোনে পাচ্ছিলেন না। দিবাগত রাত ১২টার পরও আলী মামুদ বাড়ি ফিরে না আসায় তিনি (জেসমিন আরা) দিনকাল কার্যালয়ে ফোন দেন। জানতে পারেন, আলী মামুদ দিনকাল কার্যালয়ে যাননি। এরপর গতকাল সকালে তিনি বড় ছেলেকে নিয়ে প্রেসক্লাবে যান আলী মামুদকে খোঁজ করতে। সন্দেহ হলে তিনি শৌচাগারে খোঁজ করেন। সেখানে আলী মামুদকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
তিনি বলেন, আলী মামুদের বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। আগে তিনি দু’বার শৌচাগারে পড়ে গিয়েছিলেন। এটা নিয়ে তিনি সব সময় ভয়ে থাকতেন।
এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসক আলী মামুদকে মৃত ঘোষণা করার পর তার বড় ছেলে আমির আবদুল্লাহ তানভীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার বাবা আগেই মারা গেছেন। তাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।
শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, সোমবার বিকেল থেকে তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যরা। গতকাল সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে পরিবারের উপস্থিতিতে শৌচাগারের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, আলী মামুদ তিন সন্তানের বাবা। তার দুই ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন; আর মেয়ে কলেজে পড়েন।



