বঙ্গবীর ওসমানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
সিলেটের ডাক প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:১৩:৪০ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার : দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে মহান মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সিইনসি, জাতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় নেতা বঙ্গবীর জেনারেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
গতকাল সোমবার বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ সিলেটের উদ্যোগে দিনটি পালিত হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে এবং শাহপরান (রহ:) লতিফিয়া মাদ্রাসায় মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কোরআন অনুষ্ঠিত হয়।
বাদ যোহর হযরত শাহজালাল (রহ:) এর দরগাহ জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের পর বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানীর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরহুমের কবর জিয়ারত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শাহপরান (রহ:) লতিফিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শামছুল হক ভাদেশ^রী।
কর্মসূচিগুলোতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ছদরুল আলম চৌধুরী, মাওলানা আব্দুস সালাম, হাফিজ মাওলানা আবু ইউসুফ চৌধুরী, মাওলানা আব্দুস সোবহান, বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি সংসদ সিলেটের সহ সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মালিক, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মকসুদ হোসেন, অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সংগঠক শামসুল বাসিত শেরো, সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, শাহ মোশাহিদুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী ইউসুফ সেলু, হাফিজ জাহেদ আহমদ, যুব সংগঠক কয়েছ আহমদ সাগর, সংগঠক শফিকুর রহমান, শাহবাজ আলী প্রমুখ।
ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদ:
ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে গতকাল সোমবার মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল আতাউল গণী ওসমানীর ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল সকালে শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গণের মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে মরহুমের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও কবর জিয়ারত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল, উপদেষ্টা এম.এ. আলী জালালাবাদী, মাস্টার মোঃ সুলতান চৌধুরী, ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ খলিলুর রহমান, সিলেট ল’ কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ আহমদ মুন্না, মোঃ মেরাজ মিয়া, জাহিদ নুর, ফারুক মোহাম্মদ ওসমানী, জহির আলী মেম্বার প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ওসমানী ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল বলেন, বঙ্গবীর ওসমানী ছিলেন সৎ ও আদর্শের রাজনীতির অগ্রপথিক। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশিত ভূখণ্ড স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ লাভে অসামান্য অবদান রেখেছেন ওসমানী। অনুষ্ঠানে ওসমানীর জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করাসহ রাষ্ট্রীয়ভাবে জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালনের জোর দাবি জানানো হয়।



